মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

মোদি সরকারকে যে কৌশলে নতি স্বীকারে বাধ্য করলো ‘ককরোচরা’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
মোদি সরকারকে যে কৌশলে নতি স্বীকারে বাধ্য করলো ‘ককরোচরা’

কোনও রাজনৈতিক পরিচয় নেই, ছিল না কোনও দলীয় রাজনৈতিক সংগঠন কিংবা বছরের পর বছর রাজপথে আন্দোলন আন্দোলনের অভিজ্ঞতা। তা সত্ত্বেও ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং সাধারণ শিক্ষার্থী প্রতিবাদকারীরা ভারতের পুরো রাজনৈতিক মহলকে পরাস্ত করতে সক্ষম হয়েছে এবং অবশেষে মোদি সরকারকে নতি স্বীকারে বাধ্য করেছে।

ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশীভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী
সিজেপি যখন প্রথম জাতীয় রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ করে, তখন একে ভারতীয় রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণ এক প্রতিবাদী গোষ্ঠী হিসেবেই দেখেছিল। ভারতীয় রাজনীতিতে যা বহুবার দেখা গেছে, কয়েকজন ক্ষুব্ধ তরুণ, স্লোগান, আর নতি স্বীকার না করার বিষয়ে অনড় একটি সরকার। নাটকের চিত্রনাট্য অত্যন্ত চেনা হলেও, এর পরিণতি হয়েছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

কয়েক সপ্তাহ ধরে সিজেপির টানা আন্দোলনের মুখে শনিবার মোদি সরকার শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করে। শিক্ষার্থীদের মূল দাবিগুলো মেনে নেওয়া হয়, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন এবং আন্দোলনকারীরা নিজেদের জয় ঘোষণা করে বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন। নিজেদের সিদ্ধান্তে চরম অনড় থাকার জন্য পরিচিত মোদি সরকারের রাজত্বে এটি অত্যন্ত বিরল ও অভাবনীয় এক অর্জন।

ভারতে বিগত এক দশকে নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) বিরোধী আন্দোলন, বছরব্যাপী কৃষক আন্দোলন কিংবা মণিপুরের সহিংসতা নিয়ে এর চেয়েও বড় বিক্ষোভ দেখা গেছে। তবে সেই আন্দোলনগুলোর খুব কমই সরকারের একদম শীর্ষ পর্যায়ে এমন সরাসরি রাজনৈতিক জবাবদিহিতা আদায় করতে পেরেছিল। এমনকি ২০২৪ সালেও নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ক্ষোভ থাকলেও সরকার কোনও মন্ত্রীকে বলি দেয়নি। তবে এবার কেন হার মানলো মোদি সরকার? পার্থক্যটা শুধু শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে ছিল না, বরং ছিল তারা যেভাবে লড়াই করেছে তার মধ্যে।

রাজনীতিবিদেরা ভেবেছিলেন অভিজ্ঞতার কাছে তরুণেরা হেরে যাবে। কিন্তু দিনশেষে রাজনীতির নিয়ম কতটা বদলে গেছে, তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো এই আনকোরা তরুণেরাই।

সিজেপির সাফল্যের চাবিকাঠি

সিজেপির সবচেয়ে বড় সুবিধা ছিল তারা সাধারণ রাজনৈতিক দলের মতো আচরণ করেনি, কারণ তারা সত্যিই কোনও রাজনৈতিক দল ছিল না। আন্দোলনকে রাজনৈতিক বা নির্বাচনি রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হলে সরকার খুব সহজেই তাকে প্রতিপক্ষের রাজনৈতিক খেলা বলে উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ পায়। কিন্তু তরুণেরা সরকারকে সেই চেনা সুযোগ দেয়নি। বিরোধী দলের নেতারা সমর্থনে এগিয়ে এলেও সিজেপি কৌশলে নিশ্চিত করেছে যেন রাজনৈতিক নেতারা কেবল সমর্থক হিসেবেই থাকেন, আন্দোলনের মূল মুখ না হয়ে ওঠেন। ক্যামেরার নজর সবসময় রাজনীবিদদের বদলে শিক্ষার্থীদের ওপরই স্থির ছিল।

রাজনীতিতে আনকোরা হওয়াই সিজেপির সবচেয়ে বড় শক্তিতে পরিণত হয়েছিল। পেশাদার রাজনীতিবিদরা দরকষাকষির সময় ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণের কথা ভাবেন, কিন্তু শিক্ষার্থীরা তা ভাবেনি। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাদের দাবিগুলো ছিল একদম এক ও অপরিবর্তনীয় জবাবদিহিতা, শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার এবং ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। এই স্থিতিশীলতাই তাদের আন্দোলনকে এক অনন্য বিশ্বাসযোগ্যতা এনে দিয়েছিল। কোনও আদর্শিক বিতর্কে না জড়িয়ে আন্দোলনকে শুধু পরীক্ষা, মেধা এবং কোটি কোটি তরুণের ভবিষ্যতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছিল, যা সাধারণ অভিভাবক ও শিক্ষকদের গভীরভাবে স্পর্শ করে।

রাজপথের বাইরে সোশ্যাল মিডিয়ার লড়াই

রাজপথ যদি একটি যুদ্ধক্ষেত্র হয়ে থাকে, তবে সোশ্যাল মিডিয়া ছিল অপর যুদ্ধক্ষেত্র। এখানে দুই প্রজন্মের ব্যবধান স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। আগের আন্দোলনগুলোতে ফেসবুক বা এক্স ব্যবহৃত হতো কেবল হালনাগাদ তথ্য দেওয়ার জন্য। কিন্তু সিজেপির কাছে সোশ্যাল মিডিয়াই ছিল আন্দোলনের মূল ক্ষেত্র।

এখানেই শেষ নয়, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের জয়ে চাঙ্গা মোদিবিরোধীরাএখানেই শেষ নয়, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের জয়ে চাঙ্গা মোদিবিরোধীরা
ইনস্টাগ্রামে পুলিশকে প্রশ্ন করা শিক্ষার্থীর ভিডিও, অনশনের বার্তা, ড্রোন দিয়ে তোলা জনস্রোতের দৃশ্য কিংবা আবেগঘন মুহূর্তগুলো মুহূর্তের মধ্যেই লাখ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছিলো। মূলধারার টেলিভিশন টকশো শুরুর আগেই অ্যালগরিদম ঠিক করে ফেলছিল মানুষ কী দেখবে।

রাজনৈতিক দলগুলো সোশ্যাল মিডিয়াকে ঐতিহ্যবাহী প্রচারণার ডিজিটাল রূপ হিসেবে দেখলেও, জেন-জি বোঝে অন্য ভাষা। তাদের রাজনৈতিক যোগাযোগ ভিজ্যুয়াল, দ্রুত ও দূরদর্শী। ২০ সেকেন্ডের একটি শক্তিশালী রিল বা একটি রিলেটেবল মিম বিশ মিনিটের সংবাদ সম্মেলনের চেয়ে অনেক বেশি আবেদন তৈরি করেছিল।

সরকার বা বিরোধীদের ডিজিটাল টিম এই গতি সামলাতে হিমশিম খেয়েছে। প্রতিটি শিক্ষার্থীর ফোন ছিল এক একটি সম্প্রচার কেন্দ্র। সরকারের যোগাযোগের যন্ত্র সংসদ বা টকশো সামলাতে পারলেও, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া হাজার হাজার বিকেন্দ্রীভূত ভিডিও বা রিলকে একক কোনও সংবাদ সম্মেলন দিয়ে ঠেকানো সম্ভব হয়নি।

বিরোধী দলগুলো সংসদে চাপ সৃষ্টি করলেও তারা আন্দোলন পরিচালনা করছিল না, বরং আন্দোলনকে অনুসরণ করছিল। বছরের পর বছর পর ভারতের রাজনীতিতে তরুণেরা রাজনীতিবিদদের পেছনে না হেঁটে, রাজনীতিবিদদের নিজেদের পেছনে হাঁটাতে বাধ্য করেছে।

অভিজ্ঞ নেতারা যখন বক্তৃতা আর সংবাদ সম্মেলন নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন, সিজেপি প্রতিটি প্রতিবাদস্থলকে কনটেন্ট কারখানায় পরিণত করেছিল। রাজনীতিবিদেরা যখন বিষয়টি ধরতে পারলেন, ততক্ষণে তরুণেরা মনোযোগের রাজনীতি এবং একই সঙ্গে মূল রাজনৈতিক লড়াই দুটোতেই জয়ী হয়ে গেছে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

Ads small one

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

ন্যাশনাল ডেস্ক: আজ ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। আল্লাহর প্রিয় নবী ও রসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন। এ ছাড়া ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে তিনি ৬৩ বছর বয়সে ওফাত লাভ করেন। সারা বিশ্বের মুসলমান এ দিনটি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করেন। আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর একাত্মবাদের দাওয়াত দিয়ে সত্য-ন্যায়, শান্তি ও মানবতার ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাঁকে সৃষ্টি করেছিলেন ‘রহমাতুল্লিল আলামিন’ হিসেবে। মহান আল্লাহ তাঁর ওপর নাজিল করেন পবিত্র কোরআন। মুসলিম উম্মাহ দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে উদ্যাপন করে থাকে। এ দিনে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, বেশি বেশি দরুদ পাঠ, দান-খয়রাতসহ নফল ইবাদতে মগ্ন থাকেন। অনেকে নফল রোজা রাখেন। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জশনে জলুস (আনন্দ শোভাযাত্রা), আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের কর্মসূচি নিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ নানা ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। এ ছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিলসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা ও রাজশাহীর মতো প্রধান শহরগুলোয় সুষ্ঠু ও নিরাপদে শোভাযাত্রা নিশ্চিতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

সম্পাদকীয়/ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.): বিশ্ব মানবতার মুক্তি ও সম্প্রীতির বার্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.): বিশ্ব মানবতার মুক্তি ও সম্প্রীতির বার্তা

বিশ্বমানবতার পরম বন্ধু, শান্তি, সাম্য ও ইনসাফের প্রতীক সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিবিজড়িত মাহান্বিত দিনÑপবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.)। ১২ই রবিউল আউয়াল শুধু মুসলিম জাহানের জন্যই নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের ইতিহাসেই এক অনন্য ও বৈপ্লবিক মাইলফলক। যে সময়ে আরব সমাজ চরম অজ্ঞতা, অরাজকতা, সহিংসতা ও অমানবিকতার অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিলÑইতিহাসে যা ‘আইয়ামে জাহিলিয়াত’ বা অন্ধকার যুগ হিসেবে পরিচিতÑঠিক সেই প্রাক্কালে আল-আমিন বা পরম বিশ্বাসী হিসেবে আবির্ভূত হয়ে মহানবী (সা.) বিশ্ববাসীকে মুক্তির আলো দেখিয়েছিলেন। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে এরশাদ করেছেন, “আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছি।” রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ কেবল একটি নির্দিষ্ট ধর্ম বা গোত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিশ্বজগতের সব জাতি ও মানুষের জন্য সার্বজনীন হেদায়েতের মশাল। তিনি তাঁর আদর্শ ও চরিত্র দিয়ে হিংসা-বিদ্বেষে জর্জরিত সমাজকে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করেছিলেন। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ন্যায়বিচার, মানবাধিকার এবং নারী ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার। ‘মদিনা সনদ’-এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বকে উপহার দিয়েছিলেন ধর্মীয় সহাবস্থান ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র কাঠামোর কালজয়ী দলিল।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে, যখন সারা বিশ্বে হিংসা, পরশ্রীকাতরতা, যুদ্ধ, অন্যায় এবং সামাজিক অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়েছে, তখন মহানবী (সা.)-এর শিক্ষাকে নতুন করে লালন করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। শুধু বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতা বা মিলাদ মাহফিলের মধ্যে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী-এর তাৎপর্যকে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। আসল উদ্যাপন লুকিয়ে আছে তাঁর রেখে যাওয়া সুন্নাহ ও নীতি-আদর্শকে দৈনন্দিন জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাস্তবায়নের মাধ্যমে।
সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা: ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে সৎ, আমানতদার ও ইনসাফভিত্তিক আচরণের চর্চা করা।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি: অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পরিবেশ তৈরি করা।
মানবিক সেবা: সমাজে দুস্থ, এতিম, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার সেবা নিশ্চিত করা।
পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) আমাদের আত্মশুদ্ধি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক ভালোবাসার শিক্ষা দেয়। প্রিয় নবী (সা.)-এর মহান আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও জাতীয় জীবন থেকে সব ধরনের অন্যায়, বৈষম্য ও হিংসা দূর করাই হোক আজকের দিনের দৃঢ় অঙ্গীকার। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ মেনে চলে দুনিয়া ও আখেরাতে শান্তিময় জীবন গড়ার তৌফিক দান করুন।

 

 

 

 

ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতির বাবার ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতির বাবার ইন্তেকাল

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতি ও বর্তমান ইউপি সদস্য মো. আবু সাঈদ মোল্লার বাবা শামছুর রহমান মোল্লা (৮৭) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)। মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজ শেষে জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং বিডিএফ প্রেসক্লাবের নেতারা।