বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

ম্যামনগরে ১৬ বছরের কিশোরীকে ২২ দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে আটকে রাখার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ
ম্যামনগরে ১৬ বছরের কিশোরীকে ২২ দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে আটকে রাখার অভিযোগ

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ১৬ বছরের এক কিশোরীকে ২২ দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। আবু সাঈদ নামে এক বখাটে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বাড়ি থেকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে যেয়ে তাকে আটকে দিয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

অপ্রাপ্ত বয়স্ক কন্যাকে উদ্ধারে উদ্বীগ্ন পিতা-মাতা শুরুতে থানা-পুলিশের দারস্থ হলেও প্রভাবশালীদের ভয়ে এখন তারা ‘টু’ শব্দ করার সাহস পাচ্ছে না। একমাত্র কিশোরী কন্যার অনিশ্চিত ভবিষ্যতের শংকায় তাই অসহায় পিতা-মাতা বর্তমানে চরম উৎকন্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে বলে জানিয়েছে।

শ্যামনগর উপজেলার খোসালখালী গ্রামের কিশোরীর পিতার ভাষ্য গত ১৯ আগষ্ট বেলা ১১টার দিকে বাড়ি থেকে তার মেয়ে নিখোঁজ হয়। সন্ধান না পেয়ে রাতে শ্যামনগর থানায় ১১৬০ নম্বর সাধারণ ডায়েরী করেন তিনি। পরবর্তীতে পুলিশ ২২ আগষ্ট কিশোরীকে আবু সাঈদের কব্জা থেকে উদ্ধারের পর রাত ন’টার দিকে থানায় নিয়ে তার হাতে উঠিয়ে দেয়। আইনী প্রক্রিয়া শেষে রাতে বাড়ি ফেরার পথে আবু সাঈদ ও তার লোকজন কিশোরীকে পুনরায় তার সামনে থেকে উঠিয়ে নিয়ে যায়।

কিশোরীর পিতার অভিযোগ মেয়ের সন্ধানে আবু সাঈদের বাড়ির সামনে গেলেই তাদেরকে মারতে উদ্যত হচ্ছে। দ্বিতীয়বার থানা পুলিশ করলে মেয়ের লাশ মিলবে না বলেও হুমকি দিচ্ছে আবু সাঈদের লোকজন। তিনি আরও জানান গোটা বাড়ি সিসি ক্যামেরা দিয়ে মুড়িয়ে রেখে সেখানে যাওয়া লোকজনের গতিবিধি নজরদারীতে রাখা হচ্ছে। একমাত্র মেয়েকে খুঁজে বের করার আবেদন জানিয়ে আজ ৯ সেপ্টেম্বর তিনি জেলা পুলিশ সুপারের নিকট লিখিত আবেদন জানিয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে আবু সাঈদ জানান কিশোরীকে তিনি বিয়ে করেছেন। নিজের বাড়িতে রেখে ঘর সংসার করছেন। এসময় সাঈদের নিকট থেকে মোবাইল নিয়ে তার পিতা নুর ইসলাম জানান, তিনি কিশোরীর সাথে তার ছেলেকে কোর্টের মাধ্যমে বিয়ে দিয়েছেন। এসময় অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোরীকে বিয়ে দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে অপর প্রান্ত থেকে এক নারী উত্তেজিত হয়ে উঠে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সাফিউল ইসলাম জানান, প্রথম দফায় মেয়েটিকে তারা উদ্ধার করে পিতার হাতে উঠিয়ে দিয়েছে। কিন্তু পরে আবার মিসিং নিয়ে কিশোরীর পিতা কিংবা পরিবারের কেউ কোন ধরনের অভিযোগ করেনি। প্রভাবশালীদের ভয়ে অসহায় পরিবারটি থানা পুলিশ পর্যন্ত পৌছাতে পারছে না- বলে জানানো হলে তিনি বলেন বিষয়টি তিনি এখনই খোঁজ নিচ্ছেন।

Ads small one

কলারোয়ায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব

পত্রদূত ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন কর্মসুচির আওতায় সাতক্ষীরার কলারোয়ায় তিনটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক হাজার শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার কলারোয়া মডেল হাইস্কুল প্রাঙ্গনে উক্ত গাছের চারা বিতরণ করেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহি কমিটির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব।
গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহি এসএম মাহফুজুর রহমান।

এসময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, কলারোয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ রইচ উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব মোল্লা, সাংগঠনিক তামিম আজাদ মেরিন, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক মাস্টার মনিরুজ্জামান, উপজেলা জামাতের আমির কামরুজ্জামান, বেত্রাবতী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুল ইসলাম, কলারোয়া মডেল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিনসহ বেত্রাবতি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলারোয়া মডেল হাইস্কুল এবং বাটরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

প্রধান অতিথি জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব এ সময় বলেন, কলারোয়া উপজেলায় একটি মিনি স্টেডিয়াম, শিল্পকলা একাডেমী, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রন্থগার নির্মানসহ বিভিন্ন খেলার মাঠ সংস্কার করার আশ^াস দেন। গাছের চারা বিতরণ শেষে তিনি বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে গাছের চারা রোপন করেন।

সাতক্ষীরায় অসুস্থ বিএনপি নেতা তারিকুল হাসানকে দেখতে জেলা নেতৃবৃন্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় অসুস্থ বিএনপি নেতা তারিকুল হাসানকে দেখতে জেলা নেতৃবৃন্দ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তারিকুল হাসানকে দেখতে যান জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় তার বাসভবনে নেতৃবৃন্দ তার শয্যাপাশে কিছু সময় অতিবাহিত করেন, তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং আশু আরোগ্য কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক, বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব, জেলা বিএনপির আহবায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদি, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন, ধুলিহর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তাকদীর আহসান রুবেল।

এছাড়াও জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন। নেতৃবৃন্দ উপস্থিত সকলের কাছে অসুস্থ নেতার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

প্রতারণা মাধ্যমে ৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, আসাদের নামে ফের আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
প্রতারণা মাধ্যমে ৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, আসাদের নামে ফের আদালতে মামলা

বাগআঁচড়া (শার্শা) সংবাদদাতা: যশোরের শার্শায় মানবাধিকার কর্মী আসাদুজ্জামান আসাদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি আবারও প্রতারণার মাধ্যমে তিনলক্ষ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি সু’বিচার পেতে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান আসাদ যশোরের শার্শা উপজেলার ৮নং বাগআঁচড়ার আ.ফ.ম. নিছার আলীর ছেলে ও বাগআঁচড়া সাতমাইল গ্রামের বাসিন্দা। আসাদের নামে যশোর ও ঝিনাইদহ আদালতে তিনটি মামলা চলোমান ও শার্শা থানায় দুটি চাঁদাবাজি এবং একটি খুন জখমের অভিযোগসহ ছয়টি গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

নতুন মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসাদুজ্জামান আসাদ ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ থানার আসাননগর গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে চার লক্ষ ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিদেশে (মালয়েশিয়ায়) বৈধ ভিসায় মোটা টাকা বেতনের চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখালে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর বিদেশে যেতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন। পরে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর তার বাড়িতে বসে “আসাদুজ্জামান আসাদকে” প্রথম ধাপে বিদেশে যাওয়ার জন্য গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সাক্ষীগণের উপস্থিতিতে নন জুড়িশিয়াল ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে নগত তিন লক্ষ টাকা প্রদান করেন।

 

আসাদ সাক্ষীগণের উপস্থিতিতে ঐ তিন লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন। মামলার কপিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর মালয়েশিয়া যাওয়ার ফ্লাইটের দিন ০১ এপ্রিল ২৬ তারিখে বাকী এক লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আসাদকে দিতে হবে। আর যদি ইংরেজি ০১ এপ্রিল তারিখের মধ্যে অভিযুক্ত আসাদ ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীরকে মালয়েশিয়ায় পাঠাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ইংরেজি ০১ মে তারিখের মধ্যে তিন লক্ষ টাকা ফেরত দিতে বাধ্য থাকিবেন। কিন্তু উক্ত তারিখের মধ্যে ভুক্তভোগীকে মালয়েশিয়া পাঠাতে ব্যর্থ হওয়ায় আসাদকে দেওয়া তিনলক্ষ টাকা ফেরত চাইলে, তিনি টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করেন।

 

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর হোসেন সুবিচার প্রার্থনা করে বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও শৈলকুপা আমলী আদালত, ঝিনাইদহে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার ধারা- ৪০৬/৪২০/৫০৬ (২) দঃ বিঃ আইন।