বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

শ্যামনগরে জমিজমি নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ১৪জন আহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে জমিজমি নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ১৪জন আহত

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ ১৪জন আহত হয়েছে। বুধবার সকালে পৌরসভার গোমানতলী এলাকায় এঘটনা ঘটে। আহতরা হলো গুমানতলী গ্রামের মো. আজিজুল গাজী, আজবাহার গাজী, আকবর আলী গাজী, সিদ্দিক গাজী, জাহানারা বেগম, তাসলিমা খাতুন, আজগার আলী, আমেনা খাতুন, ফজলুর রহমান, নাছিম হোসাইন ও আবু ইছা। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ১১ জনকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকিরা শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্থানীয়রা জানায় আজিজুল গাজী ও তার প্রতিবেশী নজরুল গাজীর পরিবারের মধ্যে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলছে। তার জেরে বুধবার সকালে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে আইজুল গাজীদের পক্ষের ১১জন নজরুল গাজীদের পক্ষের ৩জন গুরুতর আহত অবস্থায় শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি হয়।

আহত ফজলু গাজী বলেন, নজরুল গাজী ও মোশারাফসহ দেশীয় অস্ত্রধারী ১০-১২ জনের একটি দল আকবর গাজী ও সিদ্দিক গাজীকে গুমানতলি গাজী বাড়ি মসজিদের সামনে ফেলে বেধড়ক মারধর করে। এরপর রাস্তার উপর এসে আজিজুল গাজী ও আজবাহার গাজীকেও ব্যাপক মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেয় হাত ভেঙে দেয়। সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা করে এবং পর্যায়ক্রমে ১১জনকে মারধর করে। দা, সাবল, চায়নিচ কুরাল দিয়ে ৫ জনের মাথায় কোপানোর পাশাপাশি কয়েক জনের হাত ভেঙ্গে দেয়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে।

শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী বিভাগের দায়িত্বরত ডাঃ স্নিগ্ধা বলেন, মারামারি সংক্রান্ত ১৪জন রোগী ভর্তি হয়েছিল। গুরুতর অবস্থা হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ১১জনকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে মর্জিনা ও মোশাররফ বাদে অন্যদের কয়েজনের মাথায় গুরুতর জখম হয়েছে। বাকি ৪জন এখানে চিকিৎসাধীন আছেন।

এবিষয়ে শ্যামনগর থানা অফিসার ইনচার্জ মো. খালেদুর রহমান বলেন, জমি জমা সংক্রান্ত মারামারির বিষয়টি শুনেছি এ বিষয়ে এখনো কেউ অভিযোগ করেনি লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Ads small one

মন্ত্রীর ভুয়া সীল ও স্বাক্ষর ব্যবহার করে জমি লিজের চেষ্টা, সাতক্ষীরায় গ্রেপ্তার ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
মন্ত্রীর ভুয়া সীল ও স্বাক্ষর ব্যবহার করে জমি লিজের চেষ্টা, সাতক্ষীরায় গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিনিধি: মন্ত্রীর ভুয়া সীল ও স্বাক্ষর জালিয়াতি করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি লিজ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে সাতক্ষীরায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-১ এর কার্যালয় থেকে তাঁদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেনÑকালিগঞ্জ উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের মোক্তার হোসেনের ছেলে মো. মোস্তাফিজুর রহমান (৩৫) এবং দেবহাটা উপজেলার কামটা গ্রামের নওয়াব আলীর ছেলে আব্দুর রহিম (৪২)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা একটি প্রতারক চক্রের সদস্য। তাঁরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারের একজন মাননীয় মন্ত্রীর ভুয়া সীল তৈরি করে এবং তাঁর স্বাক্ষর জাল করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি লিজ নেওয়ার জন্য আবেদন করেন।
বিষয়টি সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলীর নজরে এলে তিনি স্বাক্ষরের সত্যতা নিয়ে সন্দিহান হন। পরবর্তীতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, স্বাক্ষরটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর নয়। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে আসামিরা নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে গিয়ে তাঁদের আবেদনের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে চাপ সৃষ্টি ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। এসময় নির্বাহী প্রকৌশলী পুলিশে খবর দিলে সাতক্ষীরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।
সাতক্ষীরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহা. মাসুদুর রহমান জানান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েলের দিক-নির্দেশনায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা জালিয়াতির বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, ”প্রতারক চক্রটি সরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদের অপব্যবহার করে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছিল। আমাদের টিম দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।”
এ ঘটনায় সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। সাতক্ষীরা থানার মামলা নং-৪০ (তারিখ: ২২/০৪/২০২৬)। দ-বিধির ৪২০, ৪৬৫, ৪৭৩ ও ৩৪ ধারায় জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে মামলাটি রুজু করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার রক্ষার দায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার রক্ষার দায়

{"data":{"source_platform":"mobile_2","pictureId":"b9cfa949cee04c3998ddbdd6dbeff509","appversion":"8.5.0","stickerId":"","filterId":"7580249178828180737","infoStickerId":"","imageEffectId":"","playId":"","activityName":"","os":"android","product":"retouch","originAppId":"7356","exportType":"","editType":"","alias":"","enterFrom":"enter_launch","capability_key":["filter"],"capability_extra_v2":{"filter":[{"effect_id":"7580249178828180737","resource_id":"7580249178828180737","origin":"heycan"}]},"effect_type":"tool","effect_id":"filter#7580249178828180737"},"source_type":"hypic","tiktok_developers_3p_anchor_params":"{"client_key":"awgvo7gzpeas2ho6","template_id":"","filter_id":["7580249178828180737"],"capability_key":["filter"],"capability_extra_v2":{"filter":[{"effect_id":"7580249178828180737","resource_id":"7580249178828180737","origin":"heycan"}]}}"}

সাতক্ষীরা জেলায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সুরক্ষা নিয়ে বুধবার দৈনিক পত্রদূত পত্রিকায় যে চিত্রটি সামনে এসেছে, তা এক কথায় হতাশাজনক। জেলায় ৬৭ হাজারের বেশি নিবন্ধিত প্রতিবন্ধী মানুষ থাকলেও তাদের আইনি অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্লিপ্ততা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ করে, যেখানে বিপুল সংখ্যক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী রয়েছে, সেখানে মাত্র ২ শতাংশের উপবৃত্তি পাওয়ার বিষয়টি উচ্চশিক্ষার পথকে শুরুতেই রুদ্ধ করে দিচ্ছে।
‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন-২০১৩’ একটি সংবিধিবদ্ধ আইন। এই আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী, প্রতিটি উপজেলায় প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিতে প্রতি তিন মাসে অন্তত একটি সভা করা বাধ্যতামূলক। অথচ সাতক্ষীরায় উপজেলা সুরক্ষা কমিটিগুলো কার্যত অচল হয়ে পড়ে আছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ‘কাজের চাপের’ অজুহাত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। যখন একটি সংবিধিবদ্ধ কমিটির সভা বছরের পর বছর হয় না, তখন বুঝতে হবে রাষ্ট্রের অগ্রাধিকারের তালিকায় এই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীটি কতটা উপেক্ষিত।
সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয় হলো শিক্ষা ব্যবস্থার সমন্বয়হীনতা। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া আশিস বিশ্বাসের মতো শিক্ষার্থীরা যখন পরীক্ষা কেন্দ্রে আইনি অধিকারভুক্ত ‘অতিরিক্ত সময়’ পান না, তখন তা কেবল অব্যবস্থাপনা নয়, বরং মানবাধিকারের লঙ্ঘন হয়ে দাঁড়ায়। শ্রুতিলেখক বা অতিরিক্ত সময়ের নীতিমালার সুবিধা পেতে শিক্ষার্থীদের কেন দ্বারে দ্বারে অনুরোধ করতে হবে? কেন জেলা শিক্ষা অফিস বা পরিসংখ্যান অফিসে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সঠিক ডাটাবেজ থাকবে না? এই তথ্যহীনতা প্রমাণ করে যে, তাদের নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী কোনো পরিকল্পনা প্রশাসনের নেই।
সাফল্যের যে দু-একটি উদাহরণ আমরা দেখি, যেমন সিহাব সিদ্দিকীর মতো অদম্য তরুণদের সংগ্রামÑতা মূলত তাদের ব্যক্তিগত লড়াইয়ের ফল। রাষ্ট্র বা প্রশাসন এখানে সহায়ক হওয়ার চেয়ে অনেক ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক হিসেবেই আবির্ভূত হয়েছে। চাহিদার তুলনায় উপবৃত্তির বরাদ্দের স্বল্পতা আরেকটি বড় বাধা। ভাতা বা করুণা নয়, বরং সংবিধিবদ্ধ অধিকার হিসেবে উপবৃত্তির আওতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।
সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবীদের পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত যৌক্তিকÑআইন অমান্য করা কোনো দাপ্তরিক ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে বৈধ করা যায় না। আমরা মনে করি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার রক্ষায় সাতক্ষীরার উপজেলা সুরক্ষা কমিটিগুলোকে দ্রুত পুনরুজ্জীবিত করা জরুরি। একই সঙ্গে শিক্ষা বিভাগ ও সমাজসেবা কার্যালয়ের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে প্রতিটি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর ডাটাবেজ তৈরি এবং পরীক্ষা কেন্দ্রে তাদের আইনগত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রতিবন্ধকতা যে মেধার পথে বাধা নয়, তা সিহাবরা বারবার প্রমাণ করছেন। এখন প্রয়োজন প্রশাসনের সদিচ্ছা। আইন আছে, নীতিমালাও আছে; এখন প্রয়োজন কেবল সেগুলোর কঠোর প্রয়োগ। রাষ্ট্রের সম্পদ ও সুযোগে প্রতিবন্ধী নাগরিকদের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা কোনো দয়া নয়, বরং সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা।

 

 

সাতক্ষীরা সদরে গবাদিপশু পালন বিষয়ে ৭ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সদরে গবাদিপশু পালন বিষয়ে ৭ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি: যুব সমাজকে দক্ষ, স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সাতক্ষীরা সদর এর উদ্যোগে আয়োজিত গবাদিপশু পালন বিষয়ক ৭ দিনব্যাপী অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রশিক্ষণে প্রান্তিক যুব সংঘের মোট ৩০ জন তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করেন, যারা বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের পথ সুগম করার সুযোগ পেয়েছেন।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক সঞ্জীত কুমার দাস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস. এম. আজিজুল হকএবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম।
সাতদিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা গবাদিপশু পালন, আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনা, রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা, টিকাদান পদ্ধতি এবং পুষ্টিকর খাদ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে প্রশিক্ষণার্থীরা ভবিষ্যতে নিজস্ব খামার গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন এবং উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রতিষ্ঠিত হতে পারবেন। এতে করে তাদের ব্যক্তিগত আয় বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

প্রশিক্ষণ শেষে সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সকল প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ ও নির্ধারিত ভাতা প্রদান করা হয়।