শ্যামনগরে জমিজমি নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ১৪জন আহত
শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ ১৪জন আহত হয়েছে। বুধবার সকালে পৌরসভার গোমানতলী এলাকায় এঘটনা ঘটে। আহতরা হলো গুমানতলী গ্রামের মো. আজিজুল গাজী, আজবাহার গাজী, আকবর আলী গাজী, সিদ্দিক গাজী, জাহানারা বেগম, তাসলিমা খাতুন, আজগার আলী, আমেনা খাতুন, ফজলুর রহমান, নাছিম হোসাইন ও আবু ইছা। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ১১ জনকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকিরা শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায় আজিজুল গাজী ও তার প্রতিবেশী নজরুল গাজীর পরিবারের মধ্যে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলছে। তার জেরে বুধবার সকালে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে আইজুল গাজীদের পক্ষের ১১জন নজরুল গাজীদের পক্ষের ৩জন গুরুতর আহত অবস্থায় শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি হয়।
আহত ফজলু গাজী বলেন, নজরুল গাজী ও মোশারাফসহ দেশীয় অস্ত্রধারী ১০-১২ জনের একটি দল আকবর গাজী ও সিদ্দিক গাজীকে গুমানতলি গাজী বাড়ি মসজিদের সামনে ফেলে বেধড়ক মারধর করে। এরপর রাস্তার উপর এসে আজিজুল গাজী ও আজবাহার গাজীকেও ব্যাপক মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেয় হাত ভেঙে দেয়। সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা করে এবং পর্যায়ক্রমে ১১জনকে মারধর করে। দা, সাবল, চায়নিচ কুরাল দিয়ে ৫ জনের মাথায় কোপানোর পাশাপাশি কয়েক জনের হাত ভেঙ্গে দেয়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী বিভাগের দায়িত্বরত ডাঃ স্নিগ্ধা বলেন, মারামারি সংক্রান্ত ১৪জন রোগী ভর্তি হয়েছিল। গুরুতর অবস্থা হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ১১জনকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে মর্জিনা ও মোশাররফ বাদে অন্যদের কয়েজনের মাথায় গুরুতর জখম হয়েছে। বাকি ৪জন এখানে চিকিৎসাধীন আছেন।
এবিষয়ে শ্যামনগর থানা অফিসার ইনচার্জ মো. খালেদুর রহমান বলেন, জমি জমা সংক্রান্ত মারামারির বিষয়টি শুনেছি এ বিষয়ে এখনো কেউ অভিযোগ করেনি লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






