রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

আশাশুনি সদরে সমুদ্রে মাছধরা জেলেদের খাদ্য সহায়তা বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ণ
আশাশুনি সদরে সমুদ্রে মাছধরা জেলেদের খাদ্য সহায়তা বিতরণ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদে সমুদ্রে মাছ ধরা জেলেদের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১১ টায় ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউন হতে খাদ্য সহায়তা (চাল) বিতরণ করা হয়। গত ১৫ এপ্রিল হতে ৫৮দিন সমুদ্রে যান্ত্রিক নৌযান ব্যবহার করে মাছ ধরা নিষিদ্ধ, এ নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা হতে বিতরত থাকা জেলেদের মাঝে সরকার খাদ্য সহায়তা বাবদ চাল বরাদ্দ দিয়েছে।

সদর ইউনিয়নের ৩১২জন কার্ডধারী জেলেদের মাঝে ১৫টন ৬২০ কেজি চাল বিতরণ করা হয়। বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন সদর ইউপি চেয়ারম্যান এসএম হোসেনুজ্জামান। এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতিনিধি ট্যাগ অফিসার উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসের ক্যাশিয়ার কবিরুল ইসলাম, জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতি সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি খায়রুল আহসান, ইউপি সদস্যবৃন্দ, সাংবাদিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। কার্ডধারী জেলেরা সুষ্ঠুভাবে চাল বিতরণ হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

 

Ads small one

বাল্যবিবাহমুক্ত কালীগঞ্জে স্কুলছাত্রীর বিয়ে, মুচলেকা ও নিষেধাজ্ঞা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩৯ অপরাহ্ণ
বাল্যবিবাহমুক্ত কালীগঞ্জে স্কুলছাত্রীর বিয়ে, মুচলেকা ও নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিবাহের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের খাঁরহাট গ্রামে ১৫ বছর বয়সী ওই ছাত্রীর বিয়ে হয়। এ ঘটনায় তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে ২৫ অক্টোবর জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।

ছাত্রীটি বড়শিমলা কারবালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী, তার জন্মতারিখ ১৭ নভেম্বর ২০১০। সে হিসাবে বিয়ের সময় তার বয়স ছিল ১৫ বছর ১১ মাস। তার বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী মারকা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ২৭ বছর বয়সী ছেলে আব্দুল মান্নানের সঙ্গে।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধকর্মী সাকিবুর রহমান বাবলা জানান, ২০১৫ সালে কালীগঞ্জকে বাল্যবিবাহমুক্ত উপজেলা ঘোষণা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় তদন্ত ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নজরদারি জোরদারের দাবি জানান তিনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তারের নির্দেশে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আর্ণা চক্রবর্তী ছাত্রীর পরিবারকে ডেকে বাল্যবিবাহবিরোধী আইন সম্পর্কে অবহিত করেন। পরে ছাত্রীর বাবা শেখ ইমান আলী মুচলেকা দেন। একই সঙ্গে বিয়ের উপযুক্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করে উপজেলা প্রশাসন।

সাতক্ষীরা সদরে তিন শিশুবিবাহে নিষেধাজ্ঞা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সদরে তিন শিশুবিবাহে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় তিনটি শিশুবিবাহের ঘটনায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্ত। সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যরা শিশুবিবাহের বিষয়টি স্বীকার করে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না ঘটানোর মুচলেকা দিয়েছেন।

ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে ফিংড়ী ইউনিয়নের বালিথা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর বিয়ে। কয়েক দিন আগে ওই বিয়ে সম্পন্ন হয়। বরের বয়স ১৭ বছর। অন্যদিকে, ধুলিহর ইউনিয়নের নাথপাড়ায় দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীর বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল গত বৃহস্পতিবার। ওই কিশোরী ধুলিহর ব্রহ্মরাজপুর আদর্শ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

শিশুবিবাহ প্রতিরোধকর্মী সাকিবুর রহমান বাবলা বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনেন। পরে নারী বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রকল্প কর্মকর্তা ফাতেমা জোহরা ও কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সদস্যরা সংশ্লিষ্ট পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সচেতন করেন।

রোববার সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের প্রশাসনের কার্যালয়ে হাজির করা হলে তাঁরা ভুল স্বীকার করে ভবিষ্যতে শিশুবিবাহ না দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। পরে ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অর্ণব দত্ত তিনটি শিশুবিবাহের ঘটনায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

অপপ্রচার ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে ব্যাংক কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
অপপ্রচার ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে ব্যাংক কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলন

আশাশুনি প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে অপপ্রচার, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ব্যাংক কর্মকর্তা ও কুল্যা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল হাসান বাবলু।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে আশাশুনি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আজিজ কো-অপারেটিভ কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স ক্রেডিট সোসাইটির বুধহাটা শাখায় তিনি ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রতিষ্ঠানটিতে তাঁর নিজের নামে ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং পরিবারের সদস্যদের নামে প্রায় আড়াই কোটি টাকা জমা রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

বাবলু অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান এম তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০২২ সালে হাইকোর্টে মামলা করা হয়। মামলাটি বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে তিনি জানান। মামলা নিষ্পত্তি হলে গ্রাহকেরা তাঁদের পাওনা ফেরত পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বাবলু। এ ঘটনায় কিছু গ্রাহককে ভুল বুঝিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে প্রচার চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। একই সঙ্গে অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।