শ্যামনগরে যুবদল নেতাকে আটকের ঘটনায় ভিন্ন দাবি, সংবাদ সম্মেলন
মিলন বিশ্বাস: শ্যামনগরে এক নারীর ঘর থেকে স্থানীয় এক যুবদল নেতাকে আটকের ঘটনা নতুন মোড় নিয়েছে। ঘটনার একদিন পর সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগী নারী দাবি করেছেন, তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় করতে পরিকল্পিতভাবে পুরো ঘটনাটি সাজানো হয়েছে।
শনিবার শ্যামনগর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চম্পা মল্লিক নামের ওই নারী এসব অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, পারিবারিক বিরোধের কারণে স্বামীর সঙ্গে তাঁর মামলা চলছে এবং তিনি বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন। মামলা তুলে নিতে বাধ্য করতে এবং সামাজিকভাবে কোণঠাসা করতেই একটি পক্ষ এমন ষড়যন্ত্র করছে। আটক যুবদল নেতাকে ছোট ভাইয়ের মতো উল্লেখ করে তিনি জানান, একটি দাপ্তরিক কাজে বাজারে যাওয়ার জন্য ওই নেতা তাঁর বাড়িতে এসেছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে তাঁর অভিযোগ, এ সময় স্থানীয় ১২ থেকে ১৪ জনের একটি দল জোরপূর্বক ঘরে প্রবেশ করে তাঁদের মারধর করে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না পেয়ে যুবদল নেতাকে জোরপূর্বক বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ ও প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে তাঁকে নির্যাতন, শ্লীলতাহানির চেষ্টা এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।
পরবর্তী ঘটনা রোধ ও নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি শ্যামনগর থানা-পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেন। শ্যামনগর থানার পুলিশ জানায়, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।





