মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

সরকারি বরাদ্দে কি আসলেই বৈষম্য হচ্ছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
সরকারি বরাদ্দে কি আসলেই বৈষম্য হচ্ছে

নির্বাচনি এলাকায় বিশেষ বরাদ্দের ক্ষেত্রে বৈষম্য হচ্ছে, সংসদে এমন অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। তবে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। এ নিয়ে দুপক্ষই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। আর রাজনৈতিক মহলেও চলছে নানা আলোচনা।

সর্বশেষ গত ৮ জুন জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে এ নিয়ে প্রথম বিতর্কের সূচনা করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। এদিন প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি উল্লেখ করেন, ‘‘গত ৩০ এপ্রিল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ৮৫ লাখ টাকা এবং ৯০ টন চাল-গমের বরাদ্দ ‘শুধু সরকারি দলের’ সংসদ সদস্যদের আসনে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে বিরোধী দলের এমপিদের প্রতি বৈষম্য করা হয়েছে।’’

তবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানান, মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ রাজনৈতিক বিবেচনায় নয়, চাহিদা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘‘যখন যেখানে দুর্যোগ সংঘটিত হয়, জেলা প্রশাসকদের কাছে জিআর ক্যাশ এবং জিআর রাইসের বরাদ্দ দেওয়া থাকে। টিআর ও কাবিখা কর্মসূচির ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের চাহিদাপত্রের ভিত্তিতে বরাদ্দ দেওয়া হয়। অচিরেই বিরোধী দলের সদস্যরাও বরাদ্দ পেয়ে যাবেন।’’

বিরোধীদলীয় সদস্যদের অভিযোগের বিপরীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর এমন সরল ব্যাখ্যার পরও এ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। আসলেই কি বৈষম্য হচ্ছে? যদি না হয়ে থাকে, তাহলে বিরোধী দল এমন প্রশ্ন কেন করছে? আর বৈষম্য যদি নাই হয়ে থাকে, তাহলে সরকারি দলের সদস্যরা আগে পাবেন কেন? এ নিয়েও নানা বিশ্লেষণ হচ্ছে।

জানতে চাইলে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘অতীতেও বিশেষ বরাদ্দের ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দলের এমপিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতো। এটি অবশ্যই বৈষম্য। কিন্তু জুলাই আন্দোলনের দাবি অনুযায়ী এখন এ ধরনের আচরণের সুযোগ নেই। তাই নিয়ে একটি নীতিমালা করতে হবে। কারণ একটি এলাকার সংসদ সদস্য যে দলেরই হোক, সেখানের বরাদ্দ তো হবে সাধারণ জনগণের কল্যাণে। তাই সামাজিক নিরাপত্তা বা থোক বরাদ্দসহ এ ধরনের সুবিধা বরাদ্দে বিরোধী দলের সদস্যদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। বিশেষ করে অভাবী ও দারিদ্র্যপ্রবণ এলাকার দিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখতে হবে।’’

বিরোধী এমপিদের অভিযোগ, মন্ত্রীর ব্যাখ্যা

বিশেষ বরাদ্দ নিয়ে সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের এমপি আখতার হোসেন বলেন, ‘‘দুর্যোগ যখন আসে তখন কিন্তু সরকারি দল, বিরোধী দল দেখে আসে না। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় এই বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু আমরা দেখলাম, ৩০ এপ্রিলের বরাদ্দ শুধু সরকারি দলের আসনগুলোতে দেওয়া হয়েছে।’’ বিরোধী দলের আসনগুলোর জন্য সমতাভিত্তিক বরাদ্দ নিশ্চিতে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে, তা জানতে চান তিনি।

একই ধরনের অভিযোগ আনেন নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ। এর বাইরেও সরকারি দলের কয়েকজন সদস্যও নিজেদের এলাকায় বিশেষ বরাদ্দের দাবি জানান।

এ সময় ত্রাণমন্ত্রী তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, ‘‘কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে এ ক্ষেত্রে ব্যত্যয় হয়েছে। অচিরেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় বরাদ্দ পৌঁছে যাবে।’’

নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের প্রশ্নের জবাবে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘‘বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রতিটি সংসদীয় আসনে কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা) ২৫ লাখ টাকা এবং টিআর (টেস্ট রিলিফ) ৩০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’’

এছাড়া কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) কর্মসূচির আওতায় ২০ মেট্রিক টন চাল ও ২০ মেট্রিক টন গম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর অতিরিক্ত বিভিন্ন সংসদীয় আসনে সরকারি ও বিরোধী উভয় দলের সংসদ সদস্যদের ডিও এবং স্থানীয় চাহিদার আলোকে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেওয়া হয়। আশা করি শিগগিরই বিরোধী দলের সদস্যরাও বরাদ্দ পেয়ে যাবেন।’’

সরকারি দল আগে, বিরোধী দল পরে কেন?

প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ও ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের পরে বরাদ্দ নিয়েও অনেক কথা হয়েছে। বিগত দিনে বিরোধী দলের কয়েকজন সংসদ সদস্য এ অভিযোগ এনেছেন। পরে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার পর তাদেরও দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব বলেন, ‘‘সরকারের অগণতান্ত্রিক অনেক সিদ্ধান্তের সঙ্গে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা একমত পোষণ করেন না। তাই তাদের প্রতি এক ধরনের বৈষম্য করা হচ্ছে। বিশেষ বরাদ্দের ক্ষেত্রে সব সময় ক্ষমতাসীনদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। বিরোধী দলকে দেওয়া হচ্ছে সবার পরে। অনেক সময় দেওয়া হচ্ছে না, আবার কম দেওয়া হচ্ছে।’’

তিনি বলেন, ‘‘এখন আবার শোনা যাচ্ছে বিরোধী দলের এমপিদের আসনে ক্ষমতাসীন দলের সংরক্ষিত নারী এমপিদের বরাদ্দ দেওয়ার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নিজেদের খবরদারি প্রতিষ্ঠা করা। যাতে বিরোধী এমপিরা এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে না পারেন। আমরা বলবো, এ ধরনের অগণতান্ত্রিক ও বৈষম্যমূলক আচরণ বন্ধ করে সবার জন্য সমান বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।’’

একই অভিযোগ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমের। তিনি বলেন, ‘‘সরকার মুখে গণতন্ত্র ও উদারতার কথা বললেও বাস্তবে বৈষম্যমূলক আচরণ করছে। যেকোনও বরাদ্দ নিজেদের দলের এমপিদের আগে দেওয়া হচ্ছে। যখন গণমাধ্যমে এ নিয়ে কথা হয়, তখন বিভিন্ন ব্যাখ্যা দিচ্ছে। আমরা মনে করি এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষকেও অবজ্ঞা করা হচ্ছে। আশা করি সরকারপ্রধান এ বিষয়টিকে বিশেষভাবে দেখবেন।’’

জানতে চাইলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, ‘‘উন্নয়ন বরাদ্দসহ যেকোনও অনুদান বরাদ্দে সরকারের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ সঠিক নয়। হয়তো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে। সে অনুযায়ী হয়তো কিছু আসন একটু পরে বরাদ্দ পাচ্ছে। এটা ইচ্ছে করে করা হয় বলে মনে করি না। আশা করি আগামী দিনে এ ধরনের অভিযোগ আসবে না।’

Ads small one

জামায়াতকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই’: সংসদ সদস্য মুহা. আব্দুল খালেক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
জামায়াতকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই’: সংসদ সদস্য মুহা. আব্দুল খালেক

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেছেন, অন্যায়ের কাছে সাতক্ষীরার মানুষ কখনো মাথা নত করেনি এবং ভয় দেখিয়েও তাঁদের দমানো যাবে না।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে সাতক্ষীরা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আমতলা মোড়ে জুলাই শহীদদের স্মরণ, তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুল্লাহ মোনার সভাপতিত্বে ও ওয়ার্ড জামায়াতের আমির মো. জিয়ারুল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, নায়েবে আমির শেখ নূরুল হুদা, সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুল আলম ও পৌর জামায়াতের আমির মো. জাহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আরও বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে এলাকার কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতির কাছে তিনি মাথা নত করবেন না। সম্প্রতি সংসদে সাতক্ষীরায় রেললাইন স্থাপন, সুন্দরবন টেক্সটাইল মিল পুনরায় চালু, পৌরসভার আধুনিকায়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং সড়ক কাঠামোর উন্নয়নের দাবি তুলে ধরা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি ‘জুলাই সনদ’ দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দেন। অনুষ্ঠান শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও দেশের শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

ভারি বৃষ্টিতে ভাঙা রাস্তা মেরামত ও পানি নিষ্কাশনে আনসার-ভিডিপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ
ভারি বৃষ্টিতে ভাঙা রাস্তা মেরামত ও পানি নিষ্কাশনে আনসার-ভিডিপি

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর উপজেলায় ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের দত্তনগর গ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে রাস্তা ভেঙে যায়। বিষয়টি গত শুক্রবার উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা মো. মিয়াজান আলীকে জানানো হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে যশোর জেলা কমান্ড্যান্ট মাজহারুল ইসলাম ভূঁইয়াকে অবহিত করেন। জেলা কমান্ড্যান্টের পরামর্শে আনসার সদস্যদের স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে রাস্তা মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই লক্ষ্যে সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের দলনেতা তালিব হোসাইন ও ২ নম্বর সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের দলনেতা আলী হোসেন প্লাটুনভুক্ত ভিডিপি সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে রাস্তা মেরামত ও পাইপ বসিয়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেন।
এ সময় উপস্থিত থেকে সাধুবাদ জানান সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান গাজী গোলাম মোস্তফা। আনসার-ভিডিপির এই স্বেচ্ছাশ্রম ও সামাজিক কাজের প্রশংসা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা মিয়াজান আলী জানান, যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে তাঁর দল ও সদস্যরা সবসময় প্রস্তুত রয়েছেন।

প্রান্তিক যুব সংঘের সভায় জলাবদ্ধতা নিরসনে মানববন্ধনের সিদ্ধান্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
প্রান্তিক যুব সংঘের সভায় জলাবদ্ধতা নিরসনে মানববন্ধনের সিদ্ধান্ত

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার সামাজিক সংগঠন ‘প্রান্তিক যুব সংঘ’-এর জুলাই মাসের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল সাড়ে তিনটায় সাতক্ষীরার প্রাণনাথ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের সভাপতি হৃদয় ম-লের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির সাতক্ষীরা ইউনিটের লাইব্রেরি ইনচার্জ মো. আতিকুজ্জামান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নূরজাহান খাতুন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাদিয়া আফরিন, বোর্ড সদস্য ও সাধারণ সদস্যরা।
সভার শুরুতে সংগঠনের চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা মানবিক ও দায়িত্বশীল সমাজ গঠনে তরুণদের সামাজিক ও পরিবেশবিষয়ক স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
সভায় সাতক্ষীরা জেলার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বক্তারা জানান, দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা স্থানীয় জনজীবন, কৃষি, শিক্ষা ও পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এই সমস্যা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণে শিগগিরই একটি মানববন্ধন কর্মসূচি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবির পাশাপাশি নারীদের দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ, তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ এবং অনলাইন নিরাপত্তা ও ডিজিটাল সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সভায়।