বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

সাংবাদিকদের নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট, তালা প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০৪ অপরাহ্ণ
সাংবাদিকদের নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট, তালা প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ

তালা প্রতিনিধি: সাংবাদিকদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে তালা প্রেসক্লাব। তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমানের ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

২০ অক্টোবর রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে ডা. মিজানুর রহমান লিখেন, “আমার মনে হয় কেয়ামতের ময়দান থেকে সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী।” তাঁর এ মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সাংবাদিকদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ২১ অক্টোবর সকাল থেকে তালা ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন সাংবাদিক এ মন্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

এক বিবৃতিতে তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী জাহিদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক জোয়ার্দ্দার ফারুকসহ ক্লাবের নেতারা এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তাঁরা বলেন, সাংবাদিকেরা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য তুলে ধরার মাধ্যমে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা ও চিকিৎসকের কাছ থেকে সাংবাদিকদের নিয়ে এমন মন্তব্য অনাকাক্সিক্ষত।

পরে ২১ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে আরেকটি পোস্ট দিয়ে আগের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন ডা. মিজানুর রহমান। সেখানে তিনি লেখেন, “কেয়ামতের ময়দান থেকে সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে কে, একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন। আমার দেওয়া পোস্ট এক্সপ্লেইন করলাম। আমার পোস্টে কোনো মিডিয়াকর্মী কষ্ট পেলে আমি দুঃখিত।”

প্রতিবাদ জানানো নেতারা হলেন-তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী জাহিদুর রহমান, সহ-সভাপতি কাজী আরিফুল হক ভুলু, আছাদুজ্জামান রাজু ও খলিলুর রহমান লিথু, সাধারণ সম্পাদক জোয়ার্দ্দার ফারুক, যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রেন্টু, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন ও মো. খলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মো. মুতাহিরুল হক শাহিন, দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফি, প্রচার সম্পাদক সেকেন্দার আবু জাফর বাবলু, উপ-প্রচার সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ, সাহিত্য সম্পাদক অর্জুন বিশ্বাস, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আজমল হোসেন জুয়েল, ক্রীড়া সম্পাদক কাজী লিয়াকত হোসেন এবং তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক রিয়াদ হোসেন।

এ ছাড়া নির্বাহী সদস্য প্রণব ঘোষ বাবলু, রোকনুজ্জামান টিপু, কে এম শাহিনুর রহমান, এস এম নাহিদ হাছান, শিরিনা সুলতানা, জয়দেব চক্রবর্তী, আজিজুর রহমান ও মো. ইমরান হোসেন এবং সদস্য নূর ইসলাম, তপন চক্রবর্তী, সব্যসাচী মজুমদার বাপ্পী, সরদার মশিয়ার রহমান, আব্দুল্লাহ আল ফারুক (সাগর), মুকুল হোসেন, তাপস সরকার, এস. কে. রায়হান, সুমন রায় গণেশ, মীর ইমরান মাহমুদ হিল্লোল, তাজমুল ইসলাম, সৈয়দ মারুফ হোসেন, সন্তোষ ঘোষ, শেখ বিল্লাল হোসেন, মো. কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল-মামুন (সৈকত), রফিকুল ইসলাম নয়ন, শামীম হোসেন, মোস্তাফিজুল রহমান মোখলেস, খায়রুল আলম, সেলিম হোসেন, শাহিনুর ইসলাম ও হারুন অর রশিদ।

 

Ads small one

হেমন্তের শান্ত বলুয়া নদীতে বিজয়া দশমীর নৌকাবাইচ: তালের ছন্দে মুখর দুই তীর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
হেমন্তের শান্ত বলুয়া নদীতে বিজয়া দশমীর নৌকাবাইচ: তালের ছন্দে মুখর দুই তীর

আসাদুজ্জামান সরদার: কার্তিকের সোনাঝরা রোদ আর স্নিগ্ধ বাতাসের স্পর্শে প্রকৃতিতে তখন হেমন্তের রূপময় উপস্থিতি। শারদীয় দুর্গাপূজার মহাবিজয়াদশমীর বিষাদ ও আনন্দের মিশ্র সুরের মাঝেই গ্রামীণ জনপদে বেজে উঠেছিল উৎসবের অন্যরকম এক বাদ্য। দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী বলুয়া নদীর শান্ত বুকে স্বর্গীয় বাশিরাম স্মরণে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল এক বর্ণিল ও রোমাঞ্চকর নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা।

 

বিজয়া দশমীর সিঁদুর খেলা আর প্রতিমা বিসর্জনের পূর্বলগ্নে নদীমাতৃক বাংলার এই প্রাচীন রূপ দেখতে বলুয়া নদীর দুই তীরে উপচে পড়ে হাজারো মানুষের ভিড়। স্বচ্ছ জলের আলপনায় নদীর বুকে তখন সাজ সাজ রব। বৈঠার জাদুকরী ছন্দে চঞ্চল হয়ে ওঠা জলের ঢেউ আর দর্শকদের মুহুর্মুহু করতালি ও উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। ঐতিহ্য ও উদ্দীপনার এই প্রতিযোগিতায় মোট ৮টি সুসজ্জিত নৌকা অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া দলগুলো হলোÑসোনা বাঁধাল, দাদপুর, বনবিবি, চর মাগুরা, কুলপোতা, মহিষাডাংগা কালিমাতা ও মহিষাডাংগা জয়মা।

নৌকাগুলোর গতি আর মাঝিদের সমস্বরে গাওয়া ভাটিয়ালি ও জারি গানের সুরে নদীর দুই তীরের দর্শকেরা আনন্দে মেতে ওঠেন। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ও তীব্র উত্তেজনার মধ্য দিয়ে নির্ধারিত হয় বিজায়ীদের নাম। এতে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করে কুলপোতা। দ্বিতীয় স্থান লাভ করে চর মাগুরা এবং তৃতীয় হয় মহিষাডাংগা কালীমাতা। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী দলগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য কাজী আলাউদ্দিন। সহকারী অধ্যাপক হিরুলাল বিশ্বাস ও দেবব্রত বিশ্বাস দেবুর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীদুর রহমান, কুল্যা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওমর ছাকী পলাশ, চিত্তরঞ্জন বিশ্বাস ও মেহেদী হাসান সগর।

 

এ ছাড়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা এতে উপস্থিত ছিলেন। হেমন্তের এই আনন্দময় সন্ধ্যায় বিজয়াদশমীর অনন্য নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা বলুয়া নদীর তীরে উপস্থিত মানুষের মনে দীর্ঘদিনের জন্য এক অমলিন উৎসবের রেশ রেখে গেছে।

 

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

খলিষখালি (পাটকেলঘাটা) প্রতিনিধি: দীর্ঘ পাঁচ দিন ধরে দেবী দুর্গাকে আপন মনে পূজা-অর্চনা করার পর ২১ অক্টোবর সাতক্ষীরা ও তালার খলিলপুর, দলুয়া, মাগুরা, ইসলামকাটি, কুমিরা ও পাটকেলঘাটাসহ বিভিন্ন পূজাম-পে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ইসলামকাটি কপোতাক্ষ নদের দুই তীরে হাজার হাজার নারী-পুরুষ হাজির হন প্রতিমা বিসর্জনের জন্য। শুধু তাই নয়, নদের দুই তীরে বসেছিল নানা রকম মাটির তৈরি হাঁড়ি-পাতিল, কসমেটিকস ও হরেক রকমের মিষ্টির দোকান।

বিকেল থেকে দলুয়া শালিকা নদীর তীরে, মাগুরা কপোতাক্ষ নদের তীরে ও ইসলামকাটি কপোতাক্ষ নদের দুই তীরে হাজার হাজার নারী-পুরুষের সমাগমে উৎসব ও আনন্দে একাকার হয়ে যায় চারপাশ। অবশেষে সন্ধ্যা নামতেই প্রতিমা বিসর্জনের কাজ শুরু হয়। বিসর্জন শেষে নারী-পুরুষ অশ্রুসিক্ত নয়নে বাড়ি ফিরে যান।

আশাশুনি সদরের চেয়ারম্যান প্রার্থী তারিকুজ্জমানের পূজা ম-প পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
আশাশুনি সদরের চেয়ারম্যান প্রার্থী তারিকুজ্জমানের পূজা ম-প পরিদর্শন

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন দুর্গাপূজা ম-প পরিদর্শন করেছেন। বুধবার বিকেল ৩টায় পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করেন তিনি।

সঙ্গীদের নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী তারিকুজ্জামান তুষার দাসেরআটি সার্বজনীন দুর্গাপূজা ম-প, বলাবাড়িয়া সার্বজনীন দুর্গাপূজা ম-প, বিল দুর্গাপুর সার্বজনীন দুর্গাপূজা ম-প, হাঁসখালী সার্বজনীন দুর্গাপূজা ম-প, হাড়িভাঙ্গা সার্বজনীন দুর্গাপূজা ম-প, কোদন্ডা সার্বজনীন দুর্গাপূজা ম-প ও বড় দুর্গাপুর সার্বজনীন দুর্গাপূজা ম-প পরিদর্শন করেন।