বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

filter: 0; fileterIntensity: 0.000000; filterMask: 0; captureOrientation: 0; shaking: 0.200845; highlight: 0; algolist: 0; multi-frame: 1; brp_mask: 0; brp_del_th: 0.0000,0.0000; brp_del_sen: 0.0000,0.0000; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: 0;weatherinfo: null;temperature: 32;

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের শহর শাখা।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় মুন্সিপাড়ায় আল-আমিন ট্রাস্টের কাজী শামসুর রহমান মিলনায়তনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। শহর ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে এবং শহর সেক্রেটারি মো. নুরুন্নবীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল আমিন। প্রধান আলোচক ছিলেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক আব্দুর রহিম।

বক্তারা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনায় নিহতদের স্মরণ করেন এবং আহতদের ত্যাগের কথা তুলে ধরেন। তাঁরা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। আলোচনা শেষে নিহতদের রুহের মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

 

Ads small one

পাইকগাছা ইউসিসিএর ৪০তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকগাছা ইউসিসিএর ৪০তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছা উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিমিটেডের (ইউসিসিএ) ৪০তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ইউসিসিএর সভাপতি প্রাণকৃষ্ণ দাশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদ মুরাদ স্বাগত বক্তব্য দেন এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পার্থ প্রতিম রায় ও সমবায় কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির।

অনুষ্ঠানে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সফল সমবায়ীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেন অতিথিরা।

সভায় বক্তব্য দেন ইউসিসিএর কার্যকরী কমিটির সহসভাপতি প্রভাষক আবু সালেহ মো. ইকবাল, পরিচালক দীপক চন্দ্র সরকার, সমবায়ী আব্দুল আলীম, বৈদ্যনাথ মণ্ডল, পরিদর্শক নিলুফার ইয়াসমিন, মো. মাসুম বিল্লাহ, দিলীপ নারায়ণ রায় ও আফজাল হোসেন।

এ সময় বিআরডিবির এআরডিও চিন্ময় কুমার মণ্ডল ও সঞ্জয় কুমার মণ্ডল, ইউসিসিএর পরিচালক সুধীর চন্দ্র দাশ, মো. লুৎফর রহমান, মো. রেজাউল করিম, দীপংকর রায়, প্রকাশ চন্দ্র মণ্ডল, সুমন চৌধুরী ও মো. আনিছুর রহমানসহ সমবায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছার আলমতলা মাদ্রাসায় সংবর্ধিত এমপি আবুল কালাম আজাদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
পাইকগাছার আলমতলা মাদ্রাসায় সংবর্ধিত এমপি আবুল কালাম আজাদ

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছার আলমতলা ইসলামিয়া আজিজিয়া ফাজিল মাদ্রাসার পক্ষ থেকে খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও মানপত্র প্রদান করা হয়।

মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আব্দুস সবুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা গোলাম সরোয়ার, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ মাওলানা আমিনুল ইসলাম, পাইকগাছা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাঈদুর রহমান, নায়েবে আমির মাওলানা জিএম বুলবুল আহমেদ, সেক্রেটারি মাওলানা আলতাফ হোসেন, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি মিজানুর রহমান ও সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ শফিয়ার রহমান।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান, রবীন্দ্রনাথ রায়, গাজী শফিকুল ইসলাম, মাওলানা মোজাফফর হোসেন, মাওলানা কামরুল ইসলাম, জহির রায়হান, মাওলানা আফসার উদ্দিন ফিরোজী, মাওলানা শামছুর রহমান, আলহাজ মুরশাফুল আলম, আসাদুল ইসলাম, সোহেল হোসেন, মুজাহিদুল ইসলাম, শিবির নেতা ওয়াস কুরনী, আল মামুন, তামিম রায়হান ও আব্দুল হালিম।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী অধ্যাপক আব্দুল গনি সরদার ও শিক্ষক মো. ইব্রাহিম গাজী। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আফসার উদ্দিন ফিরোজী।

রাতের রানি শিউলি ফুল/ প্রকাশ ঘোষ বিধান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
রাতের রানি শিউলি ফুল/ প্রকাশ ঘোষ বিধান

প্রকাশ ঘোষ বিধান

প্রকৃতির স্নিগ্ধতা ও মায়াবী আবেশ ছড়ায় ছোট্ট শিউলি ফুল। রাতের বেলা ফোটা এবং সূর্য ওঠার আগেই ঝরে পড়ার বৈশিষ্ট্যের কারণে ফুলটিকে বলা হয় ‘রাতের রানি’। ভোরে শিউলি গাছের নিচে সাদা-কমলা ফুলের বিছানা তৈরি হয়। শিশিরভেজা ফুলের মিষ্টি সুবাসে চারপাশ ভরে ওঠে এক অপূর্ব স্নিগ্ধতায়।

শরৎ ও হেমন্তের অন্যতম আকর্ষণ শিউলি। এর সাদা পাপড়ির মাঝখানে উজ্জ্বল কমলা রঙের বোঁটা ফুলটিকে দিয়েছে স্বতন্ত্র সৌন্দর্য। ফুলটি আকারে ছোট; সাধারণত পাঁচ থেকে সাতটি সাদা পাপড়ি থাকে। শিউলি গাছের ছাল ধূসর ও কিছুটা নরম, উচ্চতা প্রায় ১০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। এর পাতাগুলো খসখসে এবং বিপরীতমুখী বিন্যাসে সাজানো থাকে। ইংরেজিতে ফুলটি ‘নাইট জেসমিন’ নামেও পরিচিত। হিন্দু পুরাণে একে স্বর্গের ফুল ‘পারিজাত’ বলা হয়েছে।

শিউলি ফুল ছাড়া বাঙালির শারদীয় উৎসব ও দুর্গাপূজার আবহ যেন পূর্ণতা পায় না। হিন্দুধর্মে পূজার্চনায় ফুলটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। মাটিতে ঝরে পড়ার পরও শিউলি ফুল পূজার অঞ্জলিতে ব্যবহার করা হয়। এর সৌন্দর্য ও সুবাস বাঙালির শরৎকালীন প্রকৃতি ও উৎসবের সঙ্গে গভীরভাবে মিশে আছে।

পুরাণের কাহিনি অনুসারে, পারিজাতিকা নামে এক রাজকন্যা সূর্যদেবের প্রতি ব্যর্থ প্রেমের কারণে আত্মহত্যা করলে তাঁর চিতাভস্ম থেকে শিউলি গাছের জন্ম হয়। সূর্যের তীব্র আলো সহ্য করতে পারে না বলেই ফুলটি ভোরে ঝরে পড়ে—এমন লোকবিশ্বাসও প্রচলিত রয়েছে।

আবহমান বাংলার এই চিরচেনা ফুলকে ঘিরে পৌরাণিক কাহিনি, গান, কবিতা ও সাহিত্য রচিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিউলিকে ‘শেফালি’ নামেও উল্লেখ করেছেন। কাজী নজরুল ইসলামসহ বহু কবি-সাহিত্যিকের সৃষ্টিতে শিউলি ফুলের সৌন্দর্য ও সুবাস স্থান পেয়েছে।

শিউলি ফুলের সৌন্দর্যের পাশাপাশি রয়েছে এর ঐতিহ্যগত ব্যবহারও। অতীতে ফুলের কমলা রঙের বোঁটা শুকিয়ে গুঁড়া করে কাপড় রং করার কাজে ব্যবহার করা হতো। এ থেকে সোনালি-হলুদ রং তৈরি করা সম্ভব। ভারতের কিছু অঞ্চলে শিউলি ফুল ও এর বিভিন্ন অংশ খাবার তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়। শিউলি পাতার রস লোকজ চিকিৎসায় জ্বর, বাতব্যথা, কৃমি ও কাশির উপশমে ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। তবে এসব চিকিৎসাগত ব্যবহারের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ প্রয়োজন।

শিউলি কেবল একটি ফুল নয়; এটি বাংলার ঋতুবৈচিত্র্য, শারদীয় উৎসব ও নস্টালজিয়ার এক অনন্য প্রতীক। ভোরের শিশিরে ভেজা সাদা-কমলা পাপড়ি আর মিষ্টি সুবাস নিয়ে শিউলি প্রতিবছর প্রকৃতিকে সাজায় নতুন রূপে।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট