মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে প্রায় পঁচিশ লক্ষ টাকার মালামাল জব্দ, আটক-দুই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে প্রায় পঁচিশ লক্ষ টাকার মালামাল জব্দ, আটক-দুই

পত্রদূত রিপোর্ট: সোমবার ও মঙ্গলবার (১০ ও ১১ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ ভোমরা, বৈকারী, গাজীপুর, ঘোনা, কাকডাঙ্গা, মাদরা, হিজলদী ও সুলতানপুর বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২ জন বাংলাদেশী আসামীসহ ভারতীয় গলদা চিংড়ি মাছের রেনুপোনা, মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ঊঝকটঋ ঝণজটচ ও টাপেন্টাডল ট্যাবলেট আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, ভোমরা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার লক্ষীদাড়ি হতে ২ লাখ ১৫ হাজার ৪০০ টাকার ভারতীয় টাপেন্টাডল ট্যাবলেট আটক করে। গাজীপুর বিওপির আভিযানে সদর থানার বেলতলা হতে ৮২ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

 

বৈকারী বিওপির আভিযানে সদর থানার ছয়ঘরিয়া হতে ৬০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। ঘোনা বিওপির আভিযানে সদর থানাধীন খলিলনগর মোড় হতে ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকার ভারতীয় গলদা চিংড়ি মাছের রেনুপোনা ও মোটরসাইকেল আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

 

মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ১৮ হাজার টাকার ভারতীয় এসকুফ সিরাপ আটক করে। হিজলদী বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বড়ালি আমবাগান হতে ২ লাখ ১০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, সুলতানপুর বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বর্মীতলা হতে ৬০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২৪ লাখ ৮৫ হাজার ৯০০ টাকা।

বিবিজি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলায় প্রথম পুস্কার পেল সাতক্ষীরা নার্সারি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলায় প্রথম পুস্কার পেল সাতক্ষীরা নার্সারি

সংবাদদাতা: ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সমৃদ্ধ হোক বাংলাদেশ’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকাল ৪টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বিভাগের আয়োজনে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে ১০ দিনব্যাপী এ বৃক্ষমেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যুগ্মসহকারী বন সংরক্ষক প্রিয়াঙ্কা হালদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল, জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাসান হাদী, সামাজিক বনাঞ্চল জোন সাতক্ষীরার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জি এম মারুফ বিল্লাহ ও সাতক্ষীরা জেলা নার্সারির মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ নূরুল আমিন।

মেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেন সাতক্ষীরা নার্সারি, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে সাঈদ নার্সারি ও তৃতীয় স্থান অধিকার করে সরদার নার্সারি।

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডেপুটি রেঞ্জার মোহাম্মদ আওছাফুর রহমান।

 

কলারোয়ায় পুলিশের অভিযানে প্রতিবন্ধীসহ ২ জন গ্রেপ্তার, ১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় পুলিশের অভিযানে প্রতিবন্ধীসহ ২ জন গ্রেপ্তার, ১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের নিকট থেকে ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট ২০২৬) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথক স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কলারোয়া থানার ব্রজবাকসা মোল্যাপাড়ার বদরউদ্দীন এর ছেলে শারীরিক প্রতিবন্ধী মোঃ রানা হোসেন (৩৯) ও একই থানার লাঙ্গলঝাড়া কারিকরপাড়ার মৃত আবুল হোসেন কারিকর এর ছেলে মোঃ মিনারুল ইসলাম ওরফে মিনা (২৩)।

অভিযান পরিচালনাকারী দল জানায়, কলারোয়া থানাধীন লাঙ্গলঝাড়া পূর্বপাড়া গ্রামস্থ জনৈক আরশাদ আলীর চায়ের দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর এবং কলারোয়া থানাধীন দক্ষিণ দিগং গ্রামস্থ জনৈক আমিনুর হুজুরের বাড়ীর সামনে ব্রজবাকসা-কাজীরহাটগামী পাকা রাস্তার উপর হতে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকালে তাদের নিকট থেকে ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম শাহীন জানান, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক মামলার দুই এজাহারনামীয় আসামিকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মঙ্গলবার (১১/০৮/২০২৬ খ্রিঃ) বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে কলারোয়া থানা পুলিশের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কেশবপুরে বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমান ক্ষুধার তাড়নায় হানা দিচ্ছে লোকালয়ে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমান ক্ষুধার তাড়নায় হানা দিচ্ছে লোকালয়ে

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে খাদ্য সংকটে পড়েছে ঐতিহ্যবাহী বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমান। পর্যাপ্ত খাবারের অভাবে তারা লোকালয়ে ঢুকে বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হানা দিচ্ছে। একই সঙ্গে খাদ্যের সন্ধানে বেরিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একাধিক হনুমান মারা যাচ্ছে। আবার কেউবা আহত হয়ে মানুষের দারস্থ হচ্ছে চিকিৎসা নিতে।

হনুমানের খাদ্য সরবরাহের সাথে সংশ্লিষ্টরা বলেন, হনুমানের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় খাদ্য সংকট বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে হনুমানের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণে আনুষ্ঠানিক গণনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্য সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্র ও বন বিভাগের ধারণা অনুযায়ী, বর্তমানে কেশবপুরে প্রায় চার শতাধিক কালোমুখো হনুমান রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক গণনা না হওয়ায় প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমানে কেশবপুর ও আশ-পাশের অন্তত ১২টি এলাকায় হনুমানের বিচরণ বেশি দেখা যাচ্ছে। এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে ভোগতী, বালিয়াডাঙ্গা, মধ্যকুল, ক্ষতিয়াখালী, সুজাপুর, ব্রহ্মকাটি, আলতাপোল, বায়সা, রামচন্দ্রপুর, মাগুরাডাঙ্গা এবং মণিরামপুর উপজেলার মুজগুন্নী ও দুর্গাপুর। বনজ সম্পদের পরিমাণ কমে যাওয়ায় হনুমানগুলো আশপাশের নতুন এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়ছে।

বন বিভাগ থেকে প্রতিদিন কালোমুখো হনুমানের জন্য ৪৭ কেজি ২০০ গ্রাম কলা, ৬ কেজি ৭০০ গ্রাম পাউরুটি, ৭ কেজি ৩৫০ গ্রাম বাদাম এবং ৭ কেজি সবজি সরবরাহ করা হয়। তবে এই খাদ্য প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে দাবি স্থানীয়দের। হনুমানের সংখ্যার তুলনায় খাদ্যের স্বল্পতার কারণে সব এলাকায় পৌঁছানো সম্ভব হয় না।

খাদ্য সরবরাহকারী ভ্যানচালকআতিয়ার রহমান বলেয়ব্দুর রহমান কাছে যেতেই হনুমানটি তার কাঁধে চড়ে বসে।পরে তিনিটি চলে য সেটিকে পাশের একটি ফার্মেসিতে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করলে হনুমনটি চলে যায়। ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তাদের মতে, সঠিকভাবে হনুমান গণনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হলে এমন পরিস্থিতি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।

কেশবপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা অলোকেশ কুমার সরকার বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুটি হনুমানের মৃত্যুর তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। এছাড়া কয়েকটি আহত হনুমানের চিকিৎসাও দেওয়া হয়েছে। উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা সমীরণ বিশ্বাস বলেন, সম্প্রতি কেশবপুরে হনুমানের সংখ্যা বেড়েছে। উপজেলা সদর ও হাসপাতাল এলাকায় বিচরণকারী অধিকাংশ মা হনুমানের কোলে শাবক দেখা যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমানে কেশবপুরে চার শতাধিক হনুমান রয়েছে। আনুষ্ঠানিক গণনা করা হলে প্রকৃত সংখ্যা জানা সম্ভব হবে।