শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ১৩ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ১৩ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলা সীমান্তে পৃথক মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় মালামাল আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গত বুধবার (২০ মে) দিনভর সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত চৌকি (বিওপি) ও চেকপোস্টের সদস্যরা এসব অভিযান পরিচালনা করেন।

 

বিজিবি সূত্র জানায়, ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ তলুইগাছা, কালিয়ানী, কাকডাঙ্গা, হিজলদী, মাদরা ও চান্দুরিয়া বিওপি এবং বাঁকাল চেকপোস্টের টহল দল নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এই অভিযান চালায়। অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ওষুধ এবং মদ উদ্ধার করা হয়।

ব্যাটালিয়নের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তলুইগাছা বিওপির একটি দল সাতক্ষীরা সদরের চৌরঙ্গী মোড় এলাকা থেকে ৩ লাখ ৬ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের মোবাইল যন্ত্রাংশ জব্দ করে। কালিয়ানী বিওপির সদস্যরা সদর থানার নীলকুঠি এলাকা থেকে ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় ওষুধ উদ্ধার করেন। কলারোয়া উপজেলার দখলের মোড় থেকে ১৫ হাজার টাকার মদ জব্দ করে কাকডাঙ্গা বিওপির টহল দল।

 

এছাড়া কলারোয়ার শ্মশানঘাট এলাকা থেকে মাদরা বিওপি ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের এবং হিজলদী এলাকা থেকে হিজলদী বিওপি ১ লাখ ৬০ হাজার ৯০০ টাকা মূল্যের মোবাইল যন্ত্রাংশ জব্দ করে। অন্যদিকে, চান্দুরিয়া বিওপির একটি বিশেষ দল কলারোয়ার কাদপুর এলাকা থেকে ৩ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল যন্ত্রাংশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

 

বিজিবি জানিয়েছে, জব্দকৃত চোরাচালানি পণ্য ও মাদকদ্রব্যের সর্বমোট বাজারমূল্য ১৩ লাখ ৪২ হাজার ১০০ টাকা। চোরাকারবারিরা কর ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে এসব মালামাল ভারত থেকে বাংলাদেশে নিয়ে এসেছিল।

Ads small one

না-এ কোনও ইতিহাস নয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
না-এ কোনও ইতিহাস নয়

মারিয়া নূর
কয়েক মিলিয়ন কষ্টের বরাদ্দ নেওয়া ছিলো
আগেই, অনেক আগেই।
এখন আর বাড়তি দেনার দায় নেই ভাগ্যলিপিতে।
সুখেরা তো বরাবরই মুখচোরা
তাই আর ঘাঁটাতে চাইনি ওদের নতুন করে।

ফিরে যাওয়া বসন্তের আক্ষেপ পত্রে
অভিযোগ ছিলো – অপয়া মুখদর্শনের।
এখন দফায় দফায় হাজিরা চলে
জজকোর্ট থেকে হাইকোর্টের বারান্দায়।

সানগ্লাসটা ছোট হতে হতে
এখন মোটা ফ্রেমের চশমায় পরিনত।
চোখের নিচে বয়সের পাটিগণিত।
নামতা ভুলে গেছি সেই কবে;
উপপাদ্য বা সম্পাদ্য যাই বলো
সকল সুত্রের কারসাজিতে এখন
চোখ রাঙানি দেখি ভীষণ রকম।

যারা একসময় স্বপ্নের পরিচয়ে
চোখের সমুদ্রে খেলতো গোল্লাছুট;
বৃদ্ধ বটের নুয়ে পড়া তর্জনী আঁকড়ে
ওরাও ঝুলে থাকে অলস দুপুরে।

এখন আর দিবাকরের হৃদপি-ে কামড় দিয়ে
রোদ চুরি করে না কেউ।

না – এ কোনও ইতিহাস নয়;
রবীঠাকুরের ছোট গল্প? না তাও না।
এ হলো সেই চমকপ্রদ উপন্যাস
যার বিশেষ ক’টা পৃষ্ঠা অলক্ষেই অন্তর্ধান।

নবান্ন ও চন্দ্রাহত একজন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
নবান্ন ও চন্দ্রাহত একজন

বাবুল চৌধুরী
খোলা চুলে বাইরে এসো না এই ঘোর পূর্ণিমা-রাতে
সনাতন চাঁদ আকাশে সওয়ার চাঁদের জোয়ার, তাই
জোছনায় আহত হতে পারো আমিও চন্দ্রগ্রস্থ বলে
এক শ’ বছর পেছনে তাকাই অথবা তারও বেশি
সময়ের উল্টো স্রোতে, তোমার মুখে দেখি দীঘল
ফসলের মাঠ, চুলে খরতর নদী, ও শাড়ির জমিনে
জড়ানো স্থির অথবা অনেক উড়ন্ত ফিঙের ডানা,
আঁচলে আদরে আগলে রেখেছ নাকি ধান স্বর্ণালী!
আরেক মানবীর মতো তখন তুমি, যে মুখ বহু বছর
আগে দেখেছি – সে ছন্দে নাচে, উঠোনে হেসে যায়

এখনি ঢেঁকির শব্দ উঠবে, ঢেঁকিতে পড়ছে তার পা
স্বপ্নের ভেতর তার ছন্দিত পা দেখি, ধান ভাঙা হলে
এখনই দেবে সে নবান্নের ডাক, এখন চাঁদের মতো
সব থালা ভরবে নতুন খাদ্য-কণায়, নিরন্ন লোকালয়

নবান্নের সাড়া পেয়ে যায়, আকাশে চাঁদের জোয়ার –
এ নবান্নে নিমগ্ন আমি – খোলাচুলে বাইরে এসো না

সুখের দিনে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ
সুখের দিনে

ফাহিম শাহরিয়ার রুমি
সুখের দিনে কেন এ হৃদয়
নিভৃতে কাঁদিতে চায়?
হাসির আড়ালে কার যেন বেদনা
নীরবে ভাসিয়া যায়।

রৌদ্রঝলমল প্রভাত-আকাশে
স্বর্ণরেখা খেলে যায়,
তবু মোর চিত্তে অকারণ ছায়া
নিভৃত ব্যথা বুনে যায়।

সবাই যখন গাহে আনন্দগান,
মিলন-সুরে মাতে প্রাণ,
আমি কেন শুনি বিরহের বীণা
অশ্রুর মৃদু তান?

ফুলে ভরা এ জীবনের বাগান,
গন্ধে ভরে চারিধার,
তবু কেন যেন মলিন হইয়া
ঝরে পড়ে অন্তর-হার।

হায়, সুখের মাঝে লুকায়ে থাকে
দুঃখের অচেনা রূপ,
মানব-হৃদয় তাই চিরদিন
বিরোধে গাঁথা এক সুরূপ।