বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৫ লাখ টাকার চোরাচালান পণ্য আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ
সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৫ লাখ টাকার চোরাচালান পণ্য আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: কলারোয়া সীমান্তে অভিযান চালিয়ে পাঁচ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের বিভিন্ন চোরাচালানি পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধীন কাকাডাঙ্গা, মাদরা, তলুইগাছা ও হিজলদী বিওপির টহল দল এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ওষুধ ও পাতার বিড়ি জব্দ করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, কাকাডাঙ্গা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ১৩/৩-এস এর ৬ আরবি এলাকা থেকে আনুমানিক ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালী এলাকা থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় ওষুধ উদ্ধার করে।
একই দিন মাদরা বিওপির দল সীমান্ত পিলার ১৩/৩-এস এর ১০ আরবি এলাকা থেকে আনুমানিক ২০০ গজ ভেতরে রাজপুর এলাকা থেকে ৯০ হাজার টাকা মূল্যের মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করে। এ ছাড়া তলুইগাছা বিওপির সদস্যরা মেইন পিলার ১৩ থেকে ৩০০ গজ ভেতরের চারাবাড়ি এলাকা থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের মোবাইল যন্ত্রাংশ আটক করেন।
অন্যদিকে হিজলদী বিওপির দল সীমান্ত পিলার ১৩/৩-এস এর ১৪ আরবি এলাকা থেকে আনুমানিক ২০০ গজ ভেতরে কলারোয়ার বড়ালী গ্রাম থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার টাকার ভারতীয় পাতার বিড়ি জব্দ করে। অভিযানে মোট ৫ লাখ ৬ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক করা হয়েছে।

Ads small one

আশাশুনিতে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট, পাম্পে গ্রাহকদের দীর্ঘ সারি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট, পাম্পে গ্রাহকদের দীর্ঘ সারি

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার পেট্রোল পাম্প, ডিপো ও খুচরা দোকানগুলোতে হঠাৎ জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে। এতে করে পাম্পগুলোতে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।

আন্তর্জাতিক অস্থিরতার অজুহাতে উপজেলার মহেশ্বরকাটি পাম্পটি পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ বন্ধ ঘোষণা করেছে। সেখানে মজুত নেই জানিয়ে কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়। বুধহাটা পাম্প থেকে কিছু তেল সরবরাহ করা হলেও চালকদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

এ ছাড়া উপজেলার অধিকাংশ ডিপো ও খুচরা দোকান তেল বিক্রি বন্ধ রেখেছে। দু-একটি দোকানে জ্বালানি মিললেও লিটারপ্রতি অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন গ্রাহকেরা। হঠাৎ এমন কৃত্রিম সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও পরিবহন চালকেরা।

শ্যামনগরে চুনা নদীতে র‌্যাবের অভিযান: বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে চুনা নদীতে র‌্যাবের অভিযান: বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক ২

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের চুনা নদী এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, ভারতীয় ওষুধ ও প্রসাধনী সামগ্রীসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের চুনা নদীর চরে নোঙর করা একটি নৌকায় অভিযান চালায় র‌্যাব-৬-এর একটি দল। তল্লাশি চালিয়ে নৌকা থেকে এসব চোরাচালানি পণ্য ও মাদক জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের রাশিদুল ইসলামের ছেলে ইসমাইল হোসেন (২৮) এবং বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের চুনা গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে মো. সুমন (২৫)।
র‌্যাব জানায়, নৌকায় অভিযানের পাশাপাশি চোরাচালান ও পাচারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আটক ব্যক্তিদের বাড়িসহ আশপাশের কয়েকটি বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে।
সীমান্তবর্তী ও দুর্গম এই উপকূলে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দের ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা জানান, মাদকের প্রভাবে এলাকার যুবসমাজ বিপথগামী হচ্ছে। এ ধরনের নিয়মিত অভিযান চললে এলাকা থেকে মাদক নির্মূল করা সম্ভব হবে।

আশাশুনিতে জরাজীর্ণ ভবনে পাঠদান, দুশ্চিন্তায় অভিভাবকেরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে জরাজীর্ণ ভবনে পাঠদান, দুশ্চিন্তায় অভিভাবকেরা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১০৫ নম্বর নাটানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান চলছে। প্রায় তিন দশকের পুরোনো এই ভবনটি যেকোনো মুহূর্তে ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে চার কক্ষবিশিষ্ট এই ভবনটি নির্মিত হয়। বর্তমানে ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ছে এবং রড বেরিয়ে গেছে। গত এক মাসের টানা বর্ষণে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ায় পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। নতুন ভবনের জন্য গ্রামবাসী ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপঙ্কর মল্লিক, সহকারী শিক্ষক অমরনাথ ঢালী, রুম্পা সরকার, তাপসী সরকার, সাধনা মন্ডল ও চম্পা রানী সরকার বলেন, জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান চালাতে হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অন্তত একটি টিনশেড ঘর নির্মাণ বা বিকল্প ব্যবস্থা করা না হলে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে জানতে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার বর্মনের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অতি দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী।