বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৫ লক্ষ টাকা মূল্যের চোরাচালান পণ্য আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৫ লক্ষ টাকা মূল্যের চোরাচালান পণ্য আটক

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ওষুধ এবং চিংড়ি মাছের রেনুপোনাসহ প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার চোরাচালানি মালামাল আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার (৬ মে) দিনব্যাপী সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধীনস্থ মাদরা, কাকডাঙ্গা ও ভোমরা বিওপির টহলদল এসব অভিযান পরিচালনা করে।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, এদিন মাদরা বিওপির একটি বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া থানার শ্মশান ঘাট এলাকায় অভিযান চালায়। সীমান্ত পিলার ১৩/৩-এস থেকে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পরিচালিত এই অভিযানে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় ওষুধ আটক করা হয়।

অন্যদিকে, কাকডাঙ্গা বিওপির সদস্যরা কেরাগাছি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

একই দিনে ভোমরা বিওপির একটি দল সাতক্ষীরা সদর থানাধীন কুলিয়া রোড ভাঙা ব্রিজ এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে আনুমানিক ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা জব্দ করা হয়। বিজিবি জানিয়েছে, জব্দকৃত এসব মালামালের মোট বাজারমূল্য ১৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, চোরাকারবারিরা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে এসব মালামাল ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করছিল। এ ধরনের চোরাচালানের ফলে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকার বড় অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে।

Ads small one

সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: সুন্দরবনে দস্যুতা এবং আমাদের নিরাপত্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: সুন্দরবনে দস্যুতা এবং আমাদের নিরাপত্তা

দীর্ঘদিন শান্ত থাকার পর সুন্দরবন আবারও অশান্ত হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ থেকে জলদস্যু ‘আলিম’ ও ‘নানাভাই’ বাহিনীর হাতে অন্তত ২২ জন জেলের অপহরণ এবং মুক্তিপণ দাবির ঘটনা উপকূলীয় জনপদে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। একই সময়ে দাকোপের ইকো রিসোর্টে পর্যটকদের ওপর হামলা এবং সরকারি এক কর্মীকে অপহরণের ঘটনাগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, সুন্দরবনের গহিন অরণ্য ও পার্শ্ববর্তী লোকালয়ে দস্যুরা আবারও শক্তিশালী হওয়ার চেষ্টা করছে।
২০১৮ সালে সুন্দরবনকে ‘দস্যুমুক্ত’ ঘোষণা করা হয়েছিল, যা ছিল সরকারের এক অনন্য সাফল্য। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি বলছে, সেই অর্জন এখন হুমকির মুখে। উদ্বেগের বিষয় হলো, লোকালয় থেকে মাত্র ১০-১২ মিনিটের দূরত্বে থাকা নদী বা খাল থেকেও জেলেদের অনায়াসে তুলে নিয়ে যাচ্ছে দস্যুরা। এটি বন ও লোকালয় সংলগ্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি ও সক্রিয়তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তোলে। ফিরে আসা জেলেদের ভাষ্যমতে, বন সংলগ্ন এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা বাহিনীর ‘নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ’ নিচ্ছে দস্যুরা। যখন বনজীবীরা বৈধ পাশ (অনুমতিপত্র) নিয়ে বনে গিয়েও জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তখন তা কেবল তাদের জীবিকাকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে না, বরং দেশের সুনীল অর্থনীতির জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
অত্যন্ত আশঙ্কাজনক তথ্য হলো, মুক্তিপণের দাবিতে প্রজনন কর্মীকে অপহরণের ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে আটককৃতদের মধ্যে এমন ব্যক্তিও রয়েছেন যারা ২০১৭ সালে ‘আত্মসমর্পণকারী’ জলদস্যু। এটি একটি গভীর উদ্বেগের বিষয়। এর অর্থ হলো, পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় হয়তো কোনো ফাঁক রয়ে গেছে অথবা তাদের কর্মকা-ের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি পর্যাপ্ত ছিল না। যদি আত্মসমর্পণকারী দস্যুরা আবারও পুরনো পথে ফিরে আসে, তবে তা সাধারণ বনজীবীদের জন্য আরও ভয়াবহ বার্তা বহন করে।
তবে অন্ধকারের মধ্যেও আশার আলো দেখিয়েছে কোস্ট গার্ড ও পুলিশের সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপ। দাকোপে পর্যটকদের ওপর হামলায় জড়িতদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার এবং পুলিশের তৎপরতায় প্রজনন কর্মীর উদ্ধার দস্যুদের জন্য একটি কঠোর সতর্কবার্তা। কিন্তু কেবল বিচ্ছিন্ন উদ্ধার অভিযানই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন স্থায়ী সমাধান।
সুন্দরবনকে পুনরায় দস্যুমুক্ত ও নিরাপদ করতে হলে সমন্বিত টহল ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে হবে। বিশেষ করে কদমতলা, কৈখালী ও হরিনগর সংলগ্ন এলাকাগুলোতে কোস্ট গার্ড, পুলিশ ও বন বিভাগের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। একই সাথে, সুন্দরবনের ভেতরে থাকা ছোট ছোট খালগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করতে হবে যাতে দস্যুরা কোনো স্থায়ী আস্তানা গড়তে না পারে।
উপকূলীয় মানুষের জীবন ও জীবিকা সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল। তাদের এই নির্ভীক চলাচল নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আমরা আশা করি, প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বর্তমান পরিস্থিতিকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে এবং দস্যুদের শিকড় উৎপাটনে পুনরায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে সুন্দরবনের শান্তি ফিরিয়ে আনবে।

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস: তিন ইভেন্টে জেলা চ্যাম্পিয়ন শ্যামনগরের মেয়েরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস: তিন ইভেন্টে জেলা চ্যাম্পিয়ন শ্যামনগরের মেয়েরা

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস টুর্নামেন্টে’ দাপট দেখিয়েছে শ্যামনগর উপজেলার মেয়েরা। ফুটবল, ব্যাডমিন্টন ও তায়কোয়ান্দোÑতিনটি ইভেন্টেই জেলা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে তারা। মঙ্গলবার সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের জমজমাট ফাইনালে কালিগঞ্জ উপজেলা দলকে ২-০ গোলে পরাজিত করে শ্যামনগর বালিকা ফুটবল দল। দলের হয়ে জয়সূচক গোল দুটি করেন অধিনায়ক উজ্জ্বলনী জোয়ারদ্দার। পুরো ম্যাচে অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করে দর্শকদের নজর কাড়েন তিনি। তায়কোয়ান্দো ইভেন্টে জি এম রাজগুল আহমেদ রাজুর নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে শ্যামনগর দল। একই সঙ্গে এই উপজেলার কারাতে দলটি রানার্সআপ হওয়ার সাফল্য পেয়েছে।
অন্যদিকে, ব্যাডমিন্টন কোর্টেও শ্যামনগরের জয়জয়কার দেখা গেছে। বালিকাদের একক ও দ্বৈত—উভয় বিভাগেই তারা জেলা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। বিপুল এই বিজয়ে চ্যাম্পিয়ন দল ও খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানিয়েছেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনক। এছাড়া জেলার বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা তরুণ এই ক্রীড়াবিদদের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আয়োজকেরা জানান, তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনতেই এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে এবং শ্যামনগরের এই সাফল্য অন্য উপজেলাগুলোর জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রথম সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ
খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রথম সভা

খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রথম সভা ৬ মে ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার। সভা পরিচালনা করেন ক্লাবের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম।

সভার শুরুতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত ছাত্র ও জনতা এবং মৃত্যুবরণকারী সকল সাংবাদিক, পাইকগাছা চাদখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়ার্দার রসুল বাবু, ক্লাবের নির্বাহী সদস্য মো. মাকসুদুর রহমান মাকসুদের চাচা শামসুল হক হাওলাদার’র আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
সভায় ক্লাবের সভাপতি তার শুভেচ্ছা বক্তৃতায় সদস্যদেরকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ক্লাবের মান-মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখে খুলনা প্রেসক্লাবকে একটি প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকদের প্রতিষ্ঠানে রূপদিতে সকলের সহায়তা কামনা করেন।
সভায় ক্লাবের বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, ক্লাব পরিচালনার জন্য বিভিন্ন উপ-পরিষদ গঠন করাসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তৃতা করেন প্রেসক্লাবের নির্বাচিত কমিটির সহ-সভাপতি সোহরাব হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম ও কাজী শামীম আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ বিমল সাহা, যুগ্ম-সম্পাদক মো. বেল্লাল হোসেন সজল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ মিলন, পাঠাগার, প্রকাশনা ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক বশির হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য কাজী মোতাহার রহমান, মহেন্দ্রনাথ সেন, সোহেল মাহমুদ, মো. আনিস উদ্দিন ও কে এম জিয়াউস সাদাত। প্রেসবিজ্ঞপ্তি