শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

অনিয়ম আর দুর্নীতিতে ডুবছে দরগাহপুর এনডিএস ফাজিল মাদ্রাসা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ
অনিয়ম আর দুর্নীতিতে ডুবছে দরগাহপুর এনডিএস ফাজিল মাদ্রাসা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরের দরগাহপুর এনডিএস ফাজিল মাদ্রাসায় অনিয়ম আর দুর্নীতি চরম আকার ধারণ করেছে। প্রতিষ্ঠানের অনুকুলে থাকা শতাধিক বিঘা কৃষি জমি হতে বাৎসরিকভাবে আদায়কৃত অর্ধ্ব কোটি টাকার মালিকানা নিয়ে অধ্যক্ষ ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। যার ফলে প্রায় পাঁচ দশক আগে গড়ে উঠা ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘিœত হচ্ছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠাতা পরিবারগুলোর সাথে অধ্যক্ষ ও তার অনুসারীদের মধ্যে দিনে দিনে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরী হচ্ছে।
দীর্ঘ সময় ধরে এমন অবস্থা অব্যাহত থাকার সত্ত্বেও প্রশাসন কিংবা জনপ্রতিধিদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অনতিবিলম্বে অবস্থার উন্নতি না হলে ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার পরিবেশ সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হবে বলেও দাবি তাদের।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৭৩ সালে ডা. রাহাতুল্লাহ গাজী প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন। মাদ্রাসার অনুকুলে থাকা প্রায় একশ বিঘা কৃষি জমি মৎস্যঘেরের জন্য ইজারা দিয়ে প্রতিবছর কতৃপক্ষ মোটা অংকের টাকা আদায় করে।
অনুসন্ধানকালে স্পষ্ট তথ্য মিলেছে যে মাদ্রাসার অনুকুলে এত বিপুল পরিমান টাকা বাৎসরিকভাবে আয় হলেও তার যৎসামান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যয় হয়। মুলত অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস হোসেন ও তার কয়েক অনুসারী সিংহভাগ টাকা আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ। প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে বিভিন্ন খরচের ছিলিপ তৈরী করে অধ্যক্ষ খাতা-খতিয়ান ঠিক রাখার চেষ্টা করেন বলেও দাবি তাদের। এমনকি মাদ্রসার বিরুদ্ধে কোন অনিয়মের তদন্ত হলে তদন্ত কর্মকর্তাকে ‘ম্যানেজ’ করার জন্য তারা মাদ্রাসার ফান্ড থেকে মোটা অংকের অর্থ খরচ করে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরী করে হিসেবে স্বচ্ছতা রাখার অপচেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ তুলেছে খোদ পরিচালনা পর্ষদ ও প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্যরা।
প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের আলহাজ্ব মুরাদ হোসেন জানান তার দাদা মাদ্রসা গড়ে তুলেছিলেন ধর্মীয় শিক্ষার বিস্তার ঘাঁতে। কিন্তু অধ্যক্ষ ইউনুস হোসেন তার কয়েক অনুসারীকে নিয়ে লুটেপুটে খাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বার বার প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দারস্থ হওয়া সত্ত্বেও পরিবার ইউনুস হোসেন মাদ্রাসার অর্থ দিয়ে তাদের মুখ বন্ধ করে চলেছে।
প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের অপর এক সদস্য এবং নকিপুর এইচসি সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন জানান, ইউনুস হোসেন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে ব্যাপক জালিয়াতির আশ্রয় েিনেছন। সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ছাত্র জোবায়েরকে মাদ্রসায় ভর্তি দেখিয়ে তার পিতা ও নিজ বন্ধু এবং সকল অপকর্মের সাথী আজিজুর রহমানকে পরিচালনা পর্ষদের অভিভাবক সদস্য বানিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদারকি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করা সত্ত্বেও ইউনুস সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে ফেলেছেন বলে তিন বছর ধরে বিষযটি ঝুলে আছে।
মাদ্রসার সাবেক সভাপতি আব্দুর রউফের ভাষ্য তিনি তার পিতা ও মাতার নামে ছাত্রাবাস এবং কবরস্থান তৈরীর জন্য সাড়ে বিঘা জমি দিয়েছেন। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও অদ্যাবধি তার কোন অস্থিত্ত্ব নেই। বাধ্য হয়ে তিনি দুই বছর আগে নিরুপণ দলিলের উল্লেখিত শর্ত পূরণ করতে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছিলেন অধ্যক্ষের নিকট। সেসময় মাদ্রাসার প্রবেশদ্বারে তার পিতা ও মাতার নাম লেখা হলেও আজ পর্যন্ত সেই ছাত্রাবাস ও কবরস্থান তৈীর করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তিনি উক্ত জমির টাকার দেয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।
আব্দুর রউফ আরও অভিযোগ করেন অধ্যক্ষ ইউনুস মাওলানার কারনে মাদ্রাসায় শিক্ষার পরিবেশ নেই বললেই চলে। দিন দিন ছাত্রসংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। তার দুর্নীতি এবং অনিয়মের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রায়১০ মাস আগে একযোগে পরিচালনা পর্ষদের বিভিন্ন পদ হতে তারা ছয়জন অব্যাহতি নিয়েছেন। তারপরও স্বেচ্ছাচারী মনোভাব নিয়ে মাদ্রাসার অনুকুলে আদায়কৃত অর্থের অবৈধ ব্যবহার করে ইউনুস মাওলানা দিবি একক ক্ষমতায় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে তিনি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকসহ উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস হোসেন জানান তিনি দায়িত্ব নেয়ার আগে অন্য অধ্যক্ষরা একইভাবে মাদ্রাসা পরিচালনা করেছেন। প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের কয়েকজন সদস্য পরিচালনা পর্ষদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলেও তিনি স্বীকার করেন। স্বেচ্ছাচারিতার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।

Ads small one

শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ও আমাদের দায়িত্ব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ও আমাদের দায়িত্ব

সম্পাদকীয়

দেশ থেকে অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব নির্মূল এবং শিশুমৃত্যু প্রতিরোধ করার মহৎ লক্ষ্য নিয়ে আজ ২৮ জুন দেশজুড়ে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালিত হতে যাচ্ছে। আধুনিক ও সুস্থ জাতি গঠনে প্রতিটি শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজÑউভয়েরই অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এই প্রেক্ষাপটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কেবল একটি রুটিন সরকারি কর্মসূচি নয়, বরং এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রোগমুক্ত ও সচল রাখার এক জাতীয় উদ্যোগ।

ভিটামিন ‘এ’ শুধু চোখের জ্যোতিই ধরে রাখে না, এটি শিশুদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। এবারের ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল রঙের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। একই সঙ্গে শিশুদের বয়স ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পর মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর মতো জরুরি পুষ্টি বার্তাও প্রচার করা হবে, যা শিশুদের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অত্যন্ত কার্যকর।

সাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ের প্রস্তুতি এবং পরিসংখ্যান অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। প্রশাসনের এই ব্যাপক প্রস্তুতি প্রশংসার দাবিদার। তবে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে দেওয়া কিছু নির্দেশনা, যেমনÑশিশুকে ভরা পেটে কেন্দ্রে আনা এবং গত চার মাসের মধ্যে এই ক্যাপসুল খাওয়া শিশুদের পুনরায় তা না খাওয়ানোর বিষয়টি অভিভাবকদের কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

একটি বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন, সরকারের এই বিশাল আয়োজন তখনই শতভাগ সফল হবে, যখন দেশের প্রতিটি প্রান্তের প্রতিটি উপযুক্ত শিশু এই সেবার আওতায় আসবে। অনেক সময় অসচেতনতা, অন্ধবিশ্বাস বা প্রচারণার অভাবে দুর্গম এলাকার কিছু শিশু এই অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। তাই এই ক্যাম্পেইন সফল করতে শুধু স্বাস্থ্য বিভাগ বা স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর ভরসা করে বসে থাকলে চলবে না। গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সমাজের সব স্তরের সচেতন নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রচারণায় অংশ নিতে হবে।

আজকের শিশু আগামী দিনের বাংলাদেশ। তাদের অন্ধত্ব ও অপুষ্টির অভিশাপ থেকে মুক্ত রাখতে প্রতিটি অভিভাবক সচেতন হবেন এবং দায়িত্বসহকারে শিশুকে নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে যাবেনÑএটাই আমাদের প্রত্যাশা। জাতীয় এই উদ্যোগ সফল হোক।

জেলা নাগরিক কমিটির সভা: জেলা প্রশাসককে নিয়ে অহেতুক বিতর্কের প্রতিবাদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
জেলা নাগরিক কমিটির সভা: জেলা প্রশাসককে নিয়ে অহেতুক বিতর্কের প্রতিবাদ

সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির উদ্যোগে শনিবার সকাল সাড়ে দশটায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির হলরুমে এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক অ্যাড. শেখ আজাদ হোসেন বেলাল এবং সঞ্চালনা করেন যুগ্ম সদস্য সচিব আলি নুর খান বাবুল। সভায় জেলা নাগরিক কমিটির ২১ দফা দাবি বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। গত ২৫ জুন জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের পর, সভায় বক্তারা জলাবদ্ধতা, বাইপাস সড়ক, সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, নাভারণ-ভোমরা রেল লাইন এবং ভবিষ্যতে মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত বর্ধিত করার বিষয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা এসব দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
সভায় সম্প্রতি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের একটি মন্তব্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। কিছুদিন আগে ক্রীড়া সংস্থার এক সভায় জেলা প্রশাসক বলেছিলেন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে ধর্মান্ধতা থেকে সাতক্ষীরাকে বেরিয়ে আসতে হবে। এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে একটি মহলের জেলা প্রশাসককে হেয় করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি কর্মীদের প্রতিবাদ করার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। বক্তারা বলেন, জেলা প্রশাসকের মন্তব্যটি ইতিবাচক অর্থে নেওয়া উচিত। ক্রীড়া ও সংস্কৃতির উন্নয়নের জন্য কুসংস্কার ও ধর্মান্ধতা পরিহার করা প্রয়োজন। তারা জেলা প্রশাসকের বক্তব্যের সমর্থনে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করার আহ্বান জানান।
সভায় জেলা নাগরিক কমিটির অন্যান্যদের মধ্য বক্তব্য রাখেন চ্যানেল আই এর জেলা প্রতিনিধি অ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত, সুশীলনের মনিরুজ্জামান, সিপিবি’র জেলা সভাপতি কমরেড আবুল হোসেন, সাংবাদিক আবুল কাসেম, মমতাজ আহমেদ বাপ্পী, উদীচী, সাতক্ষীরার সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান, জীবন ও প্রকৃতি ক্লাবের সভাপতি অ্যাড. মুনীরউদ্দীন, সাংবাদিক আহসানুর রাজীব, শেখ মোসফিকুর রহমান মিল্টন, আসাদুজ্জামান মধু, মুনসুর রহমান, বায়েজিদ হাসান, কবি আবু কাজী, ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

ব্রহ্মরাজপুরে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে টাইব্রেকারে ব্রাজিল সমর্থকেরা বিজয়ী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
ব্রহ্মরাজপুরে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে টাইব্রেকারে ব্রাজিল সমর্থকেরা বিজয়ী

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশ্বকাপ ফুটবলের আমেজকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ডি.বি. ইউনাইটেড হাই স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যকার এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটি ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা যায়।
শত শত দর্শকের উপস্থিতিতে দুই দলের সমর্থকেরা নিজ নিজ দলের জার্সি পরে মাঠে নামেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় দুই দলই মাঠজুড়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলে। নির্ধারিত সময়ে খেলাটি ১-১ গোলে সমতায় শেষ হলে ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়। পরে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলের ব্যবধানে আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করে বিজয় উল্লাসে মাতে ব্রাজিল সমর্থকেরা।
ম্যাচে আর্জেন্টিনা দলের নেতৃত্বে ছিলেন রায়হান হোসেন এবং ব্রাজিলের অধিনায়কত্ব করেন শামসুর আরেফিন রানা। প্রধান রেফারির দায়িত্ব পালন করেন হোসেন আলী। খেলা শেষে মা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ডি.বি. ইউনাইটেড হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান মুকুল বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন। তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সুস্থ বিনোদনের চর্চা বজায় রাখতে সাহায্য করে।