বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ক্ষোভ, আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ক্ষোভ, আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি

গ্রাচুইটি থেকে ‘লাঞ্চ ভাতা’ বা আহার ভর্তুকির অর্থ কেটে রাখার প্রতিবাদে এবং সেই টাকা ফেরতের দাবিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দীর্ঘদিনেও এই অর্থ ফেরত না পাওয়ায় একে ‘অমানবিক’ আখ্যা দিয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।
সোমবার সকালে খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সাধারণ সভায় এসব দাবি ও অভিযোগ তুলে ধরা হয়। সভায় খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, ২০১৩ সালের সার্কুলার অনুযায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দৈনিক ২০০ টাকা হারে আহার ভর্তুকি অনুমোদিত ছিল। কিন্তু ২০১৫ সালে বাণিজ্যিক নিরীক্ষা দলের (অডিট) আপত্তির মুখে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অজুহাতে অবসরে যাওয়া ব্যক্তিদের গ্রাচুইটি থেকে বড় অঙ্কের অর্থ কেটে রাখা হয়।
বক্তারা বলেন, একই সময়ে অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কর্মীরা মুচলেকা (আন্ডারটেকিং) দিয়ে এই অর্থ উত্তোলনের সুযোগ পেলেও কৃষি ব্যাংকের ক্ষেত্রে তা করা হয়নি। বিশেষ করে খুলনা বিভাগে নিরীক্ষা কার্যক্রম চলায় এই অঞ্চলের অবসরপ্রাপ্তরা সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার হয়েছেন।

সভায় অভিযোগ করা হয়, অসুস্থ ও আর্থিক সংকটে থাকা অনেক সাবেক কর্মকর্তার কাছ থেকে ১৫ হাজার থেকে শুরু করে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত কেটে রাখা হয়েছে। অধিকাংশের ক্ষেত্রেই এই অঙ্ক এক লাখ টাকার ওপরে। বর্তমানে আহার ভর্তুকি ৪০০ টাকায় উন্নীত করা হলেও আগের কেটে রাখা টাকা ফেরতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গড়িমসি করছে।
সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক কাজী আশকার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক মঈনউদ্দীন আহমেদ ও সহকারী মহাব্যবস্থাপক তরফদার শাহাদাৎ হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শেখ সিদ্দিকুর রহমান।

সমস্যা সমাধানে সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সাত সদস্যের একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। দাবি আদায়ে তাঁদের পরবর্তী পদক্ষেপগুলো হবেÑকোনো সংসদ সদস্যের মাধ্যমে জাতীয় সংসদে ‘দৃষ্টি আকর্ষণীয় নোটিশ’ উত্থাপন করা হবে। তাতে কাজ না হলে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বরাবর আইনি নোটিশ পাঠানো হবে। দ্রুত সমাধান না মিললে পরবর্তীতে বিভাগীয় পর্যায়ে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।

নবগঠিত কমিটিতে কাজী আশকার হোসেনকে আহ্বায়ক এবং শাহিদুর রহমানকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। সভায় আরও বক্তব্য দেন মোস্তাফিজুর রহমান, আলিম আল রাজী, রনজিত কুমার সরকার, আশুতোষ শিকদারসহ অন্যান্য সাবেক কর্মকর্তারা। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

 

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।