মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ক্যাশ কী, কেন এবং কীভাবে পরিষ্কার করতে হয়?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ক্যাশ কী, কেন এবং কীভাবে পরিষ্কার করতে হয়?

একটি স্মার্টফোন দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে স্টোরেজ শেষ হয়ে যাওয়া, অ্যাপস চলাকালীন সময়ে বার বার ক্র্যাশ করা কিংবা পারফর্মেন্সের অবনতি ঘটা খুব স্বাভাবিক লক্ষণ। এসব সমস্যার কার্যকর সমাধান হতে পারে নিয়মিত ফোনের ক্যাশ পরিষ্কার করা। অ্যাপ ও ব্রাউজারে জমে থাকা অস্থায়ী ফাইল মুছে ফেলার মাধ্যমে ফোনের জায়গা খালি করার পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে দূর হতে পারে পারফর্মেন্সজনিত নানা সমস্যাও।

ক্যাশ কী এবং কেন জমে?
ক্যাশ হলো অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের প্রয়োজনীয় কিছু তথ্যের অস্থায়ী কপি, যা ফোন বা ব্রাউজারে সংরক্ষিত থাকে। যেমন, কোনো ওয়েবসাইটে থাকা ছবি বা অ্যাপে ব্যবহৃত কিছু ফাইল একবার লোড হওয়ার পর ক্যাশ জমা থাকতে পারে। ফলে পরবর্তী সময়ে একই অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করলে ফাইলগুলো ইন্টারনেট থেকে নতুন করে ডাউনলোড করার প্রয়োজন পড়েনা। এতে অ্যাপ ও ওয়েবসাইট দ্রুত লোড হয় এবং মোবাইল ডেটার ব্যবহারও কমে।
তবে সময়ের সঙ্গে এসব ফাইল জমে ফোনের স্টোরেজের উল্লেখযোগ্য জায়গা দখল করতে পারে। বিশেষ করে কম ধারণক্ষমতার ফোনে এতে স্টোরেজের সংকট দেখা দিতে পারে। আবার ক্যাশ সংরক্ষিত ফাইলে ত্রুটি থাকলেও কোনো কোনো অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সমস্যা হতে পারে। তাই ফোনের জায়গা কমে গেলে বা বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহারে সমস্যা দেখা দিলে ক্যাশ পরিষ্কার করা যেতে পারে।

নির্দিষ্ট অ্যাপের ক্যাশে পরিষ্কার করবেন যেভাবে
কোনো নির্দিষ্ট অ্যাপের ক্যাশ পরিস্কার করতে প্রথমেই ফোনের সেটিংসে গিয়ে অ্যাপস মেনু থেকে ইনস্টল করা অ্যাপের তালিকা থেকে যে অ্যাপটির ক্যাশ পরিষ্কার করতে চান, সেটি নির্বাচন করতে হবে। অ্যাপের তথ্যের উইন্ডো থেকে স্টোরেজ অথবা স্টোরেজ অ্যান্ড ক্যাশ অপশনে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে ক্লিয়ার ক্যাশ নির্বাচন করলেই অ্যাপটির অস্থায়ী ফাইল মুছে যাবে। ফোনের ব্র্যান্ড ও অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ অনুযায়ী মেনুর নাম বা অবস্থানে কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে, তবে সব ক্ষেত্রেই প্রক্রিয়া প্রায় অনুরূপ।

ক্রোম ব্রাউজারের ক্যাশে মুছবেন যেভাবে
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে বহুল ব্যবহৃত ব্রাউজার গুগল ক্রোম। ক্রোম ব্রাউজারে জমে থাকা ক্যাশ পরিষ্কার করতে প্রথমে ব্রাউজারটি খুলে ডান দিকে থাকা তিন ডট মেনুতে ট্যাপ করে হিস্ট্রি থেকে ক্লিয়ার ব্রাউজিং ডেটা নির্বাচন করতে হবে। সেখানে সময়সীমা নির্ধারণ করে ক্যাশড ইমেজেস অ্যান্ড ফাইলস অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। এখন পর্যন্ত সকল ক্যাশ মুছতে চাইলে সময়সীমা হিসেবে অল টাইম বেছে নেওয়া যাবে। এরপর ক্লিয়ার ডেটাতে ট্যাপ করলেই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে।

ক্যাশ মুছতে গিয়ে যে বিষয়ে সতর্ক থাকবেন
ক্যাশ পরিষ্কার করতে গিয়ে অনেক সময় ব্যবহারকারীরা ভুলবসত ক্লিয়ার ডেটা বা ক্লিয়ার স্টোরেজ অপশন নির্বাচন করে ফেলেন। এতে শুধু অস্থায়ী ফাইলই নয়, অ্যাপের লগইন তথ্য, সেটিংস সহ সংরক্ষিত অন্যান্য সকল তথ্যও মুছে যেতে পারে। তাই ক্যাশ মুছতে গিয়ে সঠিক অপশনটি নির্বাচন করা জরুরি।
ক্যাশ পরিষ্কার করার পর অ্যাপ বা ওয়েবসাইট প্রথমবার চালু হতে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে, কারণ এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো পুনরায় ডাউনলোড করতে হয়। তাই প্রতিনিয়ত ক্যাশ পরিস্কার করা আবশ্যক নয়। স্মার্টফোনের স্টোরেজ শেষের দিকে থাকলে অথবা কোন অ্যাপে বা ফোনের সার্বিক পারফর্মেন্সে অবনতি দেখা দিলে ক্যাশ পরিস্কার করা সুফল দিতে পারে।

Ads small one

কপ৩১-কে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জলবায়ু পদযাত্রা: ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ণ
কপ৩১-কে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জলবায়ু পদযাত্রা: ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতের দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি: তুরস্কে অনুষ্ঠিতব্য কপ৩১-কে সামনে রেখে ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে সাতক্ষীরায় জলবায়ু পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক ও শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিম এই পদযাত্রার আয়োজন করে।

সাতক্ষীরা শহরের পোস্ট অফিস মোড় থেকে পদযাত্রাটি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এর আগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী দেশ ও পক্ষগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নে সবচেয়ে কম ভূমিকা রেখেও উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষকে এর ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হচ্ছে।

বক্তারা আরো বলেন, দিন দিন বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ছে। এর প্রভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্রতা ও ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা করছেন। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন ও লবণাক্ততার কারণে তাদের বসতভিটা, কৃষিজমি, জীবিকা ও সুপেয় পানির উৎস ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বারবার দুর্যোগে নিঃস্ব হয়ে অনেক মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছেন। জীবিকার তাগিদে তাদের কেউ কেউ অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

তারা বলেন, কপ৩১-কে সামনে রেখে জলবায়ু ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতে জোরালো দাবি তুলে ধরতে হবে।

এসময় গ্রীন কোয়ালিশনের সভাপতি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবু আফফান রোজ বাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জলবায়ু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, গ্রীন কোয়ালিশনের উপদেষ্টা ও মানবাধিকারকর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত, জেলা ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরামের সদস্যসচিব ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন, জেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান, সদর উপজেলা পানি কমিটির সভাপতি মো. মফিজুর রহমান, ভূমিহীন নেতা আব্দুস সামাদ, বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার গাজী মাহিদা মিজান, যুব সংগঠক জাহাঙ্গীর আলম, শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের সদস্য জ্যোতি সরকার প্রমুখ। #

সম্পাদকীয়/ সাতক্ষীরায় ডেঙ্গুর বাড়বাড়ন্ত: প্রয়োজন সমন্বিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ সাতক্ষীরায় ডেঙ্গুর বাড়বাড়ন্ত: প্রয়োজন সমন্বিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্যোগ

সারাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় সংক্রমণ ও প্রাণহানির হার প্রতিদিন বাড়ছে। সীমান্তঘেঁষা জেলা সাতক্ষীরাতেও প্রতিদিন নতুন করে ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় আরও ২৪ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যাদের বড় একটি অংশ কাজের বা পড়াশোনার জন্য পার্শ্ববর্তী জেলা খুলনায় অবস্থান করছিলেন। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছরে সাতক্ষীরায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়ে গেছে। সারাদেশে মৃত্যু প্রায় তিন শতাধিক এবং আক্রান্ত লাখ ছুঁইছুঁইÑযা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিগত বছরগুলোর চরম ব্যর্থতা ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা সংকটের কথাই মনে করিয়ে দেয়।

বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছেন যে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত তাপমাত্রার তারতম্য, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ এডিস মশার বংশবৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে। বর্তমানে এডিস মশার বিস্তার কেবল রাজধানী বা বিভাগীয় শহরে সীমাবদ্ধ নেই; গ্রাম ও মফস্বলেও তা ছড়িয়ে পড়েছে। সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতালে শয্যা, প্রয়োজনীয় কিট ও ওষুধের সংকট এই মুহূর্তে না থাকলেও মূল সমস্যা রয়ে গেছে প্রতিরোধের জায়গায়। কেবল আক্রান্তদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেই এ মহামারির মতো সংকট নিরসন সম্ভব নয়; প্রয়োজন এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র নির্মূল করা।

প্রতি বছর ডেঙ্গুর মওসুমে রুটিনমাফিক কিছু স্প্রে ও মৌখিক প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি দেখা গেলেও দীর্ঘমেয়াদি ও বিজ্ঞানভিত্তিক কৌশলের ঘাটতি সুস্পষ্ট। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রথমত স্থানীয় প্রশাসন ও কৌরসভাগুলোকে ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে কার্যকর মশক নিধন অভিযান চালাতে হবে। ব্যবহৃত কীটনাশকের মান, কার্যকারিতা ও সঠিক মাত্রা নিয়মিত মনিটর করা জরুরি, যাতে নি¤œমানের কীটনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থ ও শ্রমের অপচয় না ঘটে।

দ্বিতীয়ত, ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এডিস মশা স্বচ্ছ জমাটবদ্ধ পানিতে বংশবৃদ্ধি করে এবং মূলত দিনের বেলায় কামড়ায়। ফলে নিজ নিজ ঘরবাড়ি, আঙিনা, অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব প্রতিটি নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানের। কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কেবল একটি মওসুমি স্বাস্থ্য সমস্যা নয়, এটি একটি স্থায়ী জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ। সময় এসেছে প্রথাগত মশক নিধন কার্যক্রমের বাইরে এসে বছরব্যাপী গবেষণা, মশার লার্ভা ধ্বংসের কার্যকর প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতামূলক প্রচারণাকে সমন্বিত করার। সাতক্ষীরাসহ সারা দেশকে এডিস মুক্ত রাখতে এখনই সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে; নতুবা ডেঙ্গুর এই রূপ আরও ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনবে।

বাঁশদহায় কাওনডাঙ্গা বাজারে রমজান আলীর মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ
বাঁশদহায় কাওনডাঙ্গা বাজারে রমজান আলীর মতবিনিময়

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১নম্বর বাঁশদহা ইউনিয়নের কাওনডাঙ্গা বাজারে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা রমজান আলী। সোমবার কাওনডাঙ্গা বাজারে তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কুশল বিনিময় করেন এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন।