শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

আইনের অজ্ঞতা ক্ষমার যোগ্য নয়, কিন্তু আইন শেখানোর দায়িত্ব কার?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
আইনের অজ্ঞতা ক্ষমার যোগ্য নয়, কিন্তু আইন শেখানোর দায়িত্ব কার?

গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

আমাদের আইনি ব্যবস্থার একটি বহুল প্রচলিত নীতি হলো—Ignorantia juris non excusat। অর্থাৎ, আইনের অজ্ঞতা সাধারণত আইনি দায় থেকে মুক্তির অজুহাত হতে পারে না। রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন মেনে চলা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব। কিন্তু যে আইন সম্পর্কে জানার সুযোগ কিংবা আগ্রহ—কোনোটিই বেশির ভাগ নাগরিকের মধ্যে তৈরি হয়নি, সেই আইন সম্পর্কে তাঁদের সচেতনতা গড়ে উঠবে কীভাবে? রাষ্ট্র যখন নাগরিকের কাছে আইন মেনে চলার প্রত্যাশা করে, তখন নাগরিককে আইন জানার সুযোগ করে দেওয়ার দায়িত্ব কার?

বাংলাদেশে সংবিধান রয়েছে, প্রচলিত আইন রয়েছে, নাগরিকের অধিকার ও দায়িত্বও নির্ধারিত রয়েছে। কিন্তু এসব অধিকার সম্পর্কে সাধারণ মানুষের জ্ঞান ও সচেতনতা এখনো পর্যাপ্ত নয়। অনেকেই জানেন না, সরকারি দপ্তর থেকে তথ্য পাওয়ার অধিকার তাঁদের রয়েছে, পুলিশের কাছ থেকে সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের আইনগত অধিকার কী, ভাড়াবাড়ির চুক্তিতে কী কী বিষয় থাকা প্রয়োজন কিংবা অনলাইনে হয়রানি ও প্রতারণার শিকার হলে কোথায় প্রতিকার চাইতে হবে। ফলে কোনো আইনি জটিলতায় পড়লে তাঁরা অনেক সময় অন্যের পরামর্শ, মধ্যস্থতাকারী কিংবা প্রভাবশালী ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন।

এই বাস্তবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্র উঠে এসেছে ২০২৬ সালের বাংলাদেশ রাইট টু ইনফরমেশন সার্ভেতে। বাংলাদেশ রাইট টু ইনফরমেশন ফোরামের উদ্যোগে পরিচালিত জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, ২০২৫ সাল পর্যন্ত দেশের মাত্র ১০ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে জানতেন। অর্থাৎ, প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষই এ গুরুত্বপূর্ণ আইন সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, আইনটি সম্পর্কে জানেন এমন ব্যক্তিদের মধ্যেও মাত্র ৮ দশমিক ১ শতাংশ তথ্য চাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে ধারণা রাখেন। অর্থাৎ, তথ্য পাওয়ার অধিকার থাকলেও কীভাবে সেই অধিকার প্রয়োগ করতে হয়, তা জানেন না অধিকাংশ মানুষ।

সমস্যাটি শুধু তথ্য অধিকার আইনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষেত্রে আইনি জ্ঞানের অভাব সাধারণ মানুষকে অসহায় করে তুলছে। জমি কেনাবেচা, উত্তরাধিকার, ভাড়াবাড়ির চুক্তি, পারিবারিক বিরোধ, কর্মক্ষেত্রে অধিকার, ভোক্তা অধিকার কিংবা ডিজিটাল মাধ্যমে হয়রানির মতো ঘটনায় অনেকেই নিজের আইনগত অবস্থান সম্পর্কে জানেন না। ফলে কেউ প্রতারণার শিকার হন, কেউ অপ্রয়োজনীয় হয়রানির মুখে পড়েন, আবার কেউ প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সঠিক কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছাতে পারেন না।

এখানে আমাদের সমাজের আরেকটি বাস্তবতা হলো, সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশের মধ্যে আইন সম্পর্কে জানার আগ্রহ ও অভ্যাস গড়ে ওঠেনি। অনেকের কাছে আইন মানেই মামলা, আদালত, থানা কিংবা নানা ধরনের ঝামেলা। আইন নিয়ে পড়াশোনা করা বা আইনি অধিকার সম্পর্কে জানার বিষয়টিকেও অনেকে প্রয়োজনীয় জ্ঞান হিসেবে বিবেচনা করেন না। বরং যাঁরা আইন নিয়ে পড়াশোনা করেন, আইনগত অধিকার সম্পর্কে কথা বলেন কিংবা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আইনসম্মত প্রতিকারের পরামর্শ দেন, তাঁদের কখনো কখনো নেতিবাচকভাবে দেখা হয়। কাউকে কাউকে ব্যঙ্গ করে বলা হয়, তিনি বেশি আইন বোঝেন কিংবা সবকিছুতেই আইন খোঁজেন।

অথচ আইন জানা মানেই মামলা করা নয়, অন্যের সঙ্গে বিরোধে জড়ানোও নয়। বরং আইন সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে অনেক বিরোধ ও প্রতারণা শুরুতেই এড়িয়ে চলা সম্ভব। নিজের অধিকার, দায়িত্ব ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে জানা একজন সচেতন নাগরিকের পরিচয়। সমাজে আইনজ্ঞানকে নেতিবাচকভাবে দেখার এই প্রবণতা পরিবর্তন করা জরুরি। আইন নিয়ে পড়াশোনা করা কিংবা আইন সম্পর্কে সচেতন হওয়াকে উৎসাহিত করতে হবে, নিরুৎসাহিত নয়।

বর্তমান সমাজে এক ধরনের আইনি পরনির্ভরশীলতা তৈরি হয়েছে। নিজের অধিকার সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ধারণা না থাকায় একজন নাগরিককে সামান্য সমস্যার সমাধানেও অন্যের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এই নির্ভরশীলতা শুধু ব্যক্তিগত অসুবিধাই সৃষ্টি করে না, বরং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য, প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সুযোগও বাড়িয়ে দেয়। অথচ নাগরিকের আইনি সচেতনতা থাকলে এসব পরিস্থিতি অনেকাংশে মোকাবিলা করা সম্ভব।

আইনি শিক্ষা গ্রহণের অর্থ সবাইকে আইনজীবী হতে হবে, এমন নয়। বরং একজন সাধারণ মানুষ যেন বুঝতে পারেন কখন তাঁর অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে, কোথায় অভিযোগ জানাতে হবে, কোন বিষয়ে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন এবং কীভাবে আইনসম্মত উপায়ে প্রতিকার চাইতে হয়—সেই মৌলিক জ্ঞান নিশ্চিত করাই আইনি শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য।

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিক কেবল ভোটার নন, তিনি রাষ্ট্রের অধিকারসম্পন্ন অংশীদার। রাষ্ট্রের কাছে জবাবদিহি চাওয়া, সরকারি সেবা গ্রহণ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নাগরিকের প্রয়োজনীয় জ্ঞান থাকা অপরিহার্য। নাগরিক যত বেশি আইন সম্পর্কে সচেতন হবেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহির ক্ষেত্রও তত বেশি শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে নাগরিকেরও মনে রাখতে হবে, অধিকার ভোগের পাশাপাশি আইন মেনে চলা এবং অন্যের অধিকারকে সম্মান করা তাঁর দায়িত্ব।

আমরা প্রায়ই দুর্নীতি, অনিয়ম, হয়রানি ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে কথা বলি। কিন্তু এসব সমস্যা মোকাবিলায় নাগরিকের আইনি সচেতনতা যে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি, তা যথেষ্ট গুরুত্ব পায় না। আইন সম্পর্কে অজ্ঞ মানুষ অনেক সময় নিজের অধিকার হারান, অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে ভয় পান কিংবা প্রতিকারের সঠিক পথ খুঁজে পান না। অন্যদিকে সচেতন নাগরিক আইনসম্মতভাবে নিজের অধিকার দাবি করতে পারেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।

অতএব, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে শুধু আইন প্রণয়ন কিংবা আইন প্রয়োগ করলেই চলবে না; আইনের ভাষা, উদ্দেশ্য ও প্রয়োগের পথ সাধারণ মানুষের কাছে সহজভাবে পৌঁছে দিতে হবে। রাষ্ট্রকে নাগরিকের আইন জানার সুযোগ তৈরি করতে হবে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মৌলিক আইনি জ্ঞান দিতে হবে, পরিবার ও সমাজকে ইতিবাচক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, গণমাধ্যমকে সচেতনতা ছড়াতে হবে এবং নাগরিককেও আইন জানার আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

Ads small one

৭ নভেম্বরের কর্মসূচি সফল করতে তালা উপজেলা বিএনপির প্রস্তুতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
৭ নভেম্বরের কর্মসূচি সফল করতে তালা উপজেলা বিএনপির প্রস্তুতি সভা

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে তালা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বিকেল ৪টায় পাটকেলঘাটা প্রেসক্লাবে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়ের সভাপতিত্বে সভা সঞ্চালনা করেন অধ্যক্ষ মো. শফিকুল ইসলাম।

সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ, জেলা কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলী, শরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশেদুল রাজু ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব এবং সরুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ডা. মো. রফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন।

সভায় নেতারা জানান, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে তালা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের বিকেল ৩টায় পাটকেলঘাটার পাঁচ রাস্তার মোড়ে শহীদ স ম আলাউদ্দীন চত্বরে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

লাবসা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
লাবসা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন

oplus_0

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লাবসা ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. আব্দুল আলীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবুল হাসান, শেখ জাহাঙ্গীর হাসেমী, সাংবাদিক আবু সাঈদ ও বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান মনি।

এ সময় বক্তব্য দেন আবুল হাসান, ডা. আনোয়ার হোসেন, শাহজাহান আলী, কবীর হোসেন, যশোর আলী, মাসুম বিল্লাহ ও রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সাতক্ষীরার কয়েকটি ইউনিয়নে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। লাবসা ইউনিয়নেও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, এ কার্ডের মাধ্যমে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারগুলো প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে সহায়তা পাবে।

অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য, বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তারিকুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় দোয়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
তারিকুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় দোয়া

module: a; hw-remosaic: 0; touch: (0.54907405, 0.54907405); modeInfo: ; sceneMode: Night; cct_value: 4726; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 305.237; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~25: 0.0;

পত্রদূত ডেস্ক: বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তারিকুল ইসলামের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ও পৌর বিএনপির সম্মিলিত উদ্যোগে এবং পৌরসভার সাবেক মেয়র তাসকিন আহমেদ চিশতীর আয়োজনে পাবলিক লাইব্রেরিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জেলা কৃষক দলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র তাসকিন আহমেদ চিশতী।

এ সময় বক্তব্য দেন জেলা ওলামা দলের সদস্যসচিব সাইফুল্লাহ আল কাফি, সদর উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আনারুল ইসলাম, ফিংড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরনবী খান মিঠু, বাঁশদহ ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এইচ এম কামরুজ্জামান, কুশখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান লিটু, সাবেক ছাত্রনেতা ওমর ফারুক, সাতক্ষীরা পৌরসভার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অজিয়ার রহমান ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক পলাশ আহমেদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা তারিকুল ইসলামের রাজনৈতিক জীবন এবং দেশ ও দলের প্রতি তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করেন। পরে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।