বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

আদ-দুহা ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প সফল করতে মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
আদ-দুহা ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প সফল করতে মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিনিধি: মানবতার সেবায় দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প সফল করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় বিডিএফ ( ব্রহ্মরাজপুর, ধুলিহর ও ফিংড়ি) প্রেসক্লাবে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আদ-দুহা ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শনিবার (২৩ মে) রাত সাড়ে ৯টায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, আগামী ২৬ মে মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সাতক্ষীরার ধুলিহর ইউনিয়নের কোমরপুর উত্তরপাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। এতে এলাকার সাধারণ মানুষ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, সমাজের অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ ধরনের মানবিক আয়োজন সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মেডিসিন, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. গাজী আব্দুস সাদিক অপু এবং গাইনী ও প্রসূতিরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ফারাহানা ফেরদৌস। তারা রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ প্রদান করবেন।

ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের সৌজন্যে রয়েছেন বিশিষ্ট নিউরোসার্জন ডাঃ মোঃ হাসানুজ্জামান, আদ-দুহা ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা ও ব্রিটিশ নাগরিক মোঃ হাফিজুল ইসলাম আকাশ, আলহাজ্ব মোঃ খলিলুর রহমান, আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান, আলমঙ্গীর হোসেন মন্টু, মোঃ সাইফুল্লাহ সরদার, আল-মামুন, মোঃ ইমরান খান এবং সাংবাদিক মেহেদী হাসান শিমুলসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানের আয়োজক আদ-দুহা ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ মফিজুল ইসলাম ফাহিম বলেন, “সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতেই এই আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

এসময় বিডিএফ প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহাদাত হোসেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরশাদ আলী, সহ-সভাপতি জি এম আমিনুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম রেজা, ক্রীড়া সম্পাদক শিক্ষক মুকুল হোসেন, প্রচার সম্পাদক এম এম জয়নাল, দপ্তর সম্পাদক মেহেদী হাসান শিমুল, কার্যনির্বাহী সদস্য এস এম ইসমাইল হোসেন, এম এ হাকিম, এম এ সাইদ, আসাদুল ইসলাম, ইমরান হোসেন, সাংবাদিক মোঃ হাফিজুল ইসলাম ও সুজন ঘোষসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে সহযোগিতায় রয়েছে এন জে হাসপাতাল, পুরাতন সাতক্ষীরা (মুন্সিপাড়া) এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে কোমরপুরের আলোর দিশারী যুব সংঘ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।