মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আশাশুনিতে ১০৬ মন্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ১০৬ মন্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি

সচ্চিদানন্দ দে সদয়, আশাশুনি: আশাশুনিতে ১০৬টি ম-পে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি চলছে শেষ পর্যায়ে। প্রতিমায় রং, ম-প সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জার কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পী ও আয়োজকেরা। এর মধ্যে শনিবার বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন করে নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সার্বিক প্রস্তুতির খোঁজ নিয়েছেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম। তিনি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দেন।

উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে এবার ১০৬টি ম-পে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনার পর থেকেই পূজাকে ঘিরে বিভিন্ন এলাকায় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। কোথাও প্রতিমায় দেওয়া হচ্ছে শেষ তুলির আঁচড়, কোথাও চলছে ম-প সাজানোর কাজ। প্রতিমা তৈরির পাশাপাশি ঢাক ও অন্যান্য বাদ্যযন্ত্রের কারিগরেরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন।

এবার আশাশুনির তিনটি ম-পের ব্যতিক্রমী আয়োজন বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে। বড়দল ইউনিয়নের বুড়িয়া সার্বজনীন দুর্গামন্দিরে প্রায় ৩৫ হাজার মুক্তা দিয়ে প্রতিমা সাজানো হয়েছে। অন্যদিকে বুধহাটা কাছারিবাড়ি সার্বজনীন দুর্গাম-পে মুগডাল দিয়ে তৈরি করা হয়েছে প্রতিমা। আর বুধহাটা সুবর্ণ বণিকপাড়ার মাটির কাজে নান্দনিকতা ফুটিয়ে তুলেছেন শিল্পী। কুল্যা ইউনিয়নের শিল্পী উত্তম প্রামাণিক বুধহাটা সুবর্ণ বণিকপাড়া পূজাম-পে প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। সেখানে কাজ করা এক প্রতিমাশ্রমিক বলেন, ‘কয়েক দিন আগে মাটির কাজ শেষ হয়েছে। এরপর থেকে রং করার কাজ শুরু করেছি।’

তবে প্রতিমা তৈরির উপকরণের দাম বাড়লেও সে অনুযায়ী পারিশ্রমিক বাড়েনি বলে জানিয়েছেন কারিগরেরা। প্রতিমাশ্রমিক অরবিন্দু ম-ল বলেন, ‘রঙের দাম অনেক বেড়ে গেছে। কিন্তু বর্তমানে আমাদের কাজের মূল্য সেই হারে পাওয়া যায় না।’ বুধহাটা কাছারিবাড়ি পূজাম-পের আয়োজক গোপাল দেবনাথ বলেন, ‘শিল্পীদের কাজ এখনো চলছে। আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। এরপর কাজ শেষ হয়ে যাবে।’

শনিবার বিকেলে প্রথমে বুধহাটা সুবর্ণ বণিকপাড়া ও বুধহাটা কাছারিবাড়ি সার্বজনীন দুর্গাপূজাম-প পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম। এ সময় তিনি পূজা উদযাপন পরিষদের নেতা ও ম-প পরিচালনা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সার্বিক পরিবেশ ও নিরাপত্তাব্যবস্থার খোঁজ নেন। ম-পের ভেতরে গিয়ে প্রতিমাও দর্শন করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের বলেন, সাতক্ষীরা জেলায় এবার ৬০৯টি ম-পে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ জেলায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য রয়েছে। হিন্দু-মুসলিম সবাই মিলেমিশে বসবাস করেন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় আয়োজনে একসঙ্গে অংশ নেন। বুধহাটায় উপস্থিত সবার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, এখানে যেমন হিন্দু-মুসলিম সবাই একসঙ্গে এসেছেন, তেমনি সবাই মিলে পূজার সময় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখবেন। পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। পূজাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি যানজট এড়াতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাও রাখা হবে।

পুলিশ সুপার জানান, অধিকাংশ পূজাম-পে ইতিমধ্যে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। বাকি ম-পগুলোও দ্রুত সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আশাশুনি পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্যসচিব রণজিৎ বৈদ্য জানান, পূজাম-পের নিরাপত্তায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ম-পে স্বেচ্ছাসেবক দলও দায়িত্ব পালন করবে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ১০৬টি ম-পে দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পূজার দিনগুলোতে দায়িত্ব পালন করবে। প্রতিমা নির্মাণ, ম-প সাজসজ্জা ও নিরাপত্তাব্যবস্থার প্রস্তুতি মিলিয়ে আশাশুনিতে এখন শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা। আয়োজকদের প্রত্যাশা, সবার সহযোগিতায় উৎসবের দিনগুলো শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর হয়ে উঠবে।

Ads small one

কপ৩১-কে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জলবায়ু পদযাত্রা: ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ণ
কপ৩১-কে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জলবায়ু পদযাত্রা: ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতের দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি: তুরস্কে অনুষ্ঠিতব্য কপ৩১-কে সামনে রেখে ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে সাতক্ষীরায় জলবায়ু পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক ও শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিম এই পদযাত্রার আয়োজন করে।

সাতক্ষীরা শহরের পোস্ট অফিস মোড় থেকে পদযাত্রাটি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এর আগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী দেশ ও পক্ষগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নে সবচেয়ে কম ভূমিকা রেখেও উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষকে এর ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হচ্ছে।

বক্তারা আরো বলেন, দিন দিন বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ছে। এর প্রভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্রতা ও ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা করছেন। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন ও লবণাক্ততার কারণে তাদের বসতভিটা, কৃষিজমি, জীবিকা ও সুপেয় পানির উৎস ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বারবার দুর্যোগে নিঃস্ব হয়ে অনেক মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছেন। জীবিকার তাগিদে তাদের কেউ কেউ অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

তারা বলেন, কপ৩১-কে সামনে রেখে জলবায়ু ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতে জোরালো দাবি তুলে ধরতে হবে।

এসময় গ্রীন কোয়ালিশনের সভাপতি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবু আফফান রোজ বাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জলবায়ু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, গ্রীন কোয়ালিশনের উপদেষ্টা ও মানবাধিকারকর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত, জেলা ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরামের সদস্যসচিব ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন, জেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান, সদর উপজেলা পানি কমিটির সভাপতি মো. মফিজুর রহমান, ভূমিহীন নেতা আব্দুস সামাদ, বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার গাজী মাহিদা মিজান, যুব সংগঠক জাহাঙ্গীর আলম, শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের সদস্য জ্যোতি সরকার প্রমুখ। #

সম্পাদকীয়/ সাতক্ষীরায় ডেঙ্গুর বাড়বাড়ন্ত: প্রয়োজন সমন্বিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ সাতক্ষীরায় ডেঙ্গুর বাড়বাড়ন্ত: প্রয়োজন সমন্বিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্যোগ

সারাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় সংক্রমণ ও প্রাণহানির হার প্রতিদিন বাড়ছে। সীমান্তঘেঁষা জেলা সাতক্ষীরাতেও প্রতিদিন নতুন করে ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় আরও ২৪ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যাদের বড় একটি অংশ কাজের বা পড়াশোনার জন্য পার্শ্ববর্তী জেলা খুলনায় অবস্থান করছিলেন। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছরে সাতক্ষীরায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়ে গেছে। সারাদেশে মৃত্যু প্রায় তিন শতাধিক এবং আক্রান্ত লাখ ছুঁইছুঁইÑযা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিগত বছরগুলোর চরম ব্যর্থতা ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা সংকটের কথাই মনে করিয়ে দেয়।

বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছেন যে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত তাপমাত্রার তারতম্য, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ এডিস মশার বংশবৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে। বর্তমানে এডিস মশার বিস্তার কেবল রাজধানী বা বিভাগীয় শহরে সীমাবদ্ধ নেই; গ্রাম ও মফস্বলেও তা ছড়িয়ে পড়েছে। সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতালে শয্যা, প্রয়োজনীয় কিট ও ওষুধের সংকট এই মুহূর্তে না থাকলেও মূল সমস্যা রয়ে গেছে প্রতিরোধের জায়গায়। কেবল আক্রান্তদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেই এ মহামারির মতো সংকট নিরসন সম্ভব নয়; প্রয়োজন এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র নির্মূল করা।

প্রতি বছর ডেঙ্গুর মওসুমে রুটিনমাফিক কিছু স্প্রে ও মৌখিক প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি দেখা গেলেও দীর্ঘমেয়াদি ও বিজ্ঞানভিত্তিক কৌশলের ঘাটতি সুস্পষ্ট। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রথমত স্থানীয় প্রশাসন ও কৌরসভাগুলোকে ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে কার্যকর মশক নিধন অভিযান চালাতে হবে। ব্যবহৃত কীটনাশকের মান, কার্যকারিতা ও সঠিক মাত্রা নিয়মিত মনিটর করা জরুরি, যাতে নি¤œমানের কীটনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থ ও শ্রমের অপচয় না ঘটে।

দ্বিতীয়ত, ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এডিস মশা স্বচ্ছ জমাটবদ্ধ পানিতে বংশবৃদ্ধি করে এবং মূলত দিনের বেলায় কামড়ায়। ফলে নিজ নিজ ঘরবাড়ি, আঙিনা, অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব প্রতিটি নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানের। কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কেবল একটি মওসুমি স্বাস্থ্য সমস্যা নয়, এটি একটি স্থায়ী জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ। সময় এসেছে প্রথাগত মশক নিধন কার্যক্রমের বাইরে এসে বছরব্যাপী গবেষণা, মশার লার্ভা ধ্বংসের কার্যকর প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতামূলক প্রচারণাকে সমন্বিত করার। সাতক্ষীরাসহ সারা দেশকে এডিস মুক্ত রাখতে এখনই সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে; নতুবা ডেঙ্গুর এই রূপ আরও ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনবে।

বাঁশদহায় কাওনডাঙ্গা বাজারে রমজান আলীর মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ
বাঁশদহায় কাওনডাঙ্গা বাজারে রমজান আলীর মতবিনিময়

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১নম্বর বাঁশদহা ইউনিয়নের কাওনডাঙ্গা বাজারে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা রমজান আলী। সোমবার কাওনডাঙ্গা বাজারে তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কুশল বিনিময় করেন এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন।