মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

এআই ট্রাফিক জরিমানার নামে সাইবার ফাঁদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
এআই ট্রাফিক জরিমানার নামে সাইবার ফাঁদ

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বসানো হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক ক্যামেরা। এসব ক্যামেরার জেরে সড়কে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরেছে। স্বয়ংক্রিয় নজরদারি ব্যবস্থার কারণে চালকদের মধ্যে জরিমানা বা মামলার ভয়ও বেড়েছে। আর সেই ভয়কেই এবার অস্ত্র বানিয়েছে সাইবার প্রতারকরা।

ভুয়া জরিমানার এসএমএস পাঠিয়ে সাধারণ গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে। সরকারি নোটিশের আদলে পাঠানো এসব মেসেজে থাকে ভুয়া পেমেন্ট লিংক। অনেকেই যাচাই না করে লিংকে ক্লিক করছেন, আর মুহূর্তেই খালি হয়ে যাচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতারকরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই প্রতারণা চালাচ্ছে। প্রথমে চালকদের মোবাইলে ট্রাফিক বিভাগের বার্তার মতো দেখতে একটি এসএমএস পাঠানো হয়। সেখানে উল্লেখ থাকে— নির্দিষ্ট কোনও সড়কে গাড়িটি গতিসীমা অতিক্রম করেছে বা ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করেছে। এরপর বলা হয়, এআই ক্যামেরায় ধরা পড়ায় নির্দিষ্ট অঙ্কের জরিমানা করা হয়েছে।

মেসেজের সঙ্গে দেওয়া হয় একটি লিংক, যা দেখতে সরকারি ওয়েবসাইট বা অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মতো। কিন্তু, প্রকৃতপক্ষে সেগুলো ফিশিং বা ক্লোন সাইট। কোথাও .gov.bd-এর মতো ডোমেইন ব্যবহার করা হয়, কোথাও আবার bit.ly বা অন্য সংক্ষিপ্ত লিংকের মাধ্যমে ফাঁদ তৈরি করা হয়।

শুধু তাই নয়, চালকদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করতেও কৌশল নেয় প্রতারকরা। এসএমএসে বলা হয়— ২৪ বা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে অর্থদণ্ড দ্বিগুণ হবে। এমনকি, লাইসেন্স বাতিল বা আইনি ব্যবস্থারও হুমকি দেওয়া হয়। আতঙ্কে অনেকেই আর বিস্তারিত যাচাই করেন না।

এই প্রতারণার শিকার হয়ে শুধু জরিমানার টাকা নয়, অনেক ক্ষেত্রে পুরো ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা।

প্রতারণার শিকার হওয়া মোটরসাইকেল চালক আসাদুল ইসলাম বলেন, “গত সপ্তাহে আমার মোবাইলে একটা মেসেজ আসে। সেখানে বলা হয়, প্রগতি সরণিতে আমার বাইক স্পিড লিমিট অতিক্রম করেছে। জরিমানা দেওয়ার জন্য একটি লিংক ছিল। আমি বিকাশ দিয়ে টাকা দিতে যাই। কিছুক্ষণ পর দেখি অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫ হাজার টাকা উধাও।”

আবদুর রাকিব নামে এক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ভিডিও বার্তায় জানান, তিনি বাইক না চালিয়েই এ ধরনের প্রচারণামূলক মেসেজ পেয়েছিলেন। প্রথমে তার কাছেও বিষয়টি বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দিলে ডিসকাউন্টের কথাও বলা হয়। পরে বুঝতে পারেন এটা প্রতারকদের কাজ।

সাইবার নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূলত ওটিপি ও পিন সংগ্রহ করাই প্রতারকদের প্রধান লক্ষ্য। ভুয়া ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর ব্যবহারকারীদের বিকাশ, নগদ, রকেট কিংবা ডেবিট-ক্রেডিট কার্ডের তথ্য দিতে বলা হয়। এরপর ওটিপি বা পিন ইনপুট করার সঙ্গে সঙ্গেই অ্যাকাউন্টে প্রবেশাধিকার পেয়ে যায় প্রতারক চক্র।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসল ও ভুয়া ট্রাফিক নোটিশের মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। সরকারি নোটিশ সাধারণত নির্ভরযোগ্য ডোমেইন থেকে আসে এবং সেখানে সরাসরি পিন বা ওটিপি চাওয়া হয় না। অন্যদিকে, প্রতারণামূলক লিংকে প্রায়ই বানান ভুল, অস্বাভাবিক ওয়েব ঠিকানা বা অতিরিক্ত ভয়ভীতি প্রদর্শনের বিষয় দেখা যায়।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ও সাইবার ক্রাইম ইউনিটের কর্মকর্তারা চালকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তারা বলছেন, কোনও জরিমানার মেসেজ পেলে আতঙ্কিত না হয়ে প্রথমে ট্রাফিক পুলিশের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মে গিয়ে গাড়ির নম্বর দিয়ে তথ্য যাচাই করতে হবে। সন্দেহজনক কোনও লিংকে ক্লিক করা বা সেখানে আর্থিক তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা আরও বলেন, কোনও অবস্থাতেই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের পিন, কার্ডের সিভিভি নম্বর বা ওটিপি কারও সঙ্গে শেয়ার করা যাবে না। প্রতারণামূলক কোনও মেসেজ পেলে সেটির স্ক্রিনশট সংরক্ষণ করে নিকটস্থ থানা বা সাইবার ক্রাইম ইউনিটে অভিযোগ করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

গত ২৪ মে এ ধরনের প্রতারণা নিয়ে সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি দেয় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি ট্রাফিক জরিমানার নামে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে নগরবাসীর কাছে ভুয়া বার্তা পাঠানো হচ্ছে। এসব এসএমএস সম্পূর্ণ বানোয়াট ও অসত্য।

ডিএমপির ভাষ্য অনুযায়ী, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ লঙ্ঘনের ঘটনায় এআই বা ভিডিও মামলার ক্ষেত্রে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কোনও যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা হলে সংশ্লিষ্ট মালিকের ঠিকানায় ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষরযুক্ত আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়। এছাড়া প্রয়োজনে শুধুমাত্র ০১৩২০-০৪২২০৭ এবং ০১৩২০-০৪২২২৭ নম্বর থেকে এসএমএস পাঠানো হয়ে থাকে বলেও জানানো হয়েছে।

ডিএমপি আরও জানায়, ট্রাফিক জরিমানার অর্থ কেবল অনুমোদিত অনলাইন ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম— উপায় ও সিবিবিএলের মাধ্যমে পরিশোধ করা যায়। কোনও অবস্থাতেই ট্রাফিক বিভাগ মোবাইল ব্যাংকিং পিন, পাসওয়ার্ড বা ওটিপি জানতে চায় না।

ট্রাফিক এআই বা ভিডিও মামলা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য জানতে ডেল্টা-৩ শাখা, ০১৩২০-০৪২২০৭, ০১৩২০-০৪২২২৭ নম্বর অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে ডিএমপি।

Ads small one

বাংলাদেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিয়ে বড় অগ্রগতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিয়ে বড় অগ্রগতি

শুরুতে ফিফার সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রির ক্ষেত্রে উচ্চমূল্যের কারণে বাংলাদেশে বিশ্বকাপ দেখানো নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। এবার সুখবরই মিলেছে।  এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মিডিয়া স্বত্ব পাওয়া সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্প্রিংবক চুক্তি থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। ফলে সম্প্রচার প্রতিষ্ঠানগুলো এখন কম দামে সরাসরি ফিফার সঙ্গে নতুন করে দর-কষাকষির সুযোগ পাচ্ছে। তাতে বিশ্বকাপ ফুটবল সম্প্রচার নিয়ে অনিশ্চয়তার মেঘ কেটে যাচ্ছে।

সোমবার দ্য ডেইলি স্টারকে স্প্রিংবকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোপাল পাডিয়া বলেছেন, ‘হ্যাঁ, বিষয়টি সত্য। বাংলাদেশে স্বত্ব বিক্রি করতে না পারায় আমি স্বত্ব ছেড়ে দিয়েছি।’

মার্চে প্রায় ৭২ লাখ ১১ হাজার মার্কিন ডলারের (প্রায় ৮৮ কোটি টাকা) এই চুক্তি হয়েছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা অন্তত তিন দফা অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় চুক্তিটি বাতিল হয়।

চুক্তি বাতিলের পর এখন বাংলাদেশের টি স্পোর্টস ও স্টার নিউজের যৌথ উদ্যোগে এবং দুবাইভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান সরাসরি ফিফার কাছ থেকে স্বত্ব কেনার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য ক্রেতা হিসেবে সামনে এসেছে।

বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আলোচনা ও বাজার বিশ্লেষণের পর ফিফা বাংলাদেশের জন্য তাদের চাওয়া মূল্য কমাতে সম্মত হয়েছে এবং বর্তমানে উভয় পক্ষের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করার আলোচনা চলছে।

এক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে বাংলাদেশ সরকারও ফিফার কাছে বিনামূল্যে স্বত্ব চেয়েছিল। কিন্তু ফিফা সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে। সংস্থাটি যুক্তি দিয়েছে, এই স্বত্ব থেকে পাওয়া আয়ের একটি বড় অংশ তারা প্রতি বছর স্থানীয় ফুটবল ফেডারেশনকে দিয়ে থাকে। তাই বিনামূল্যে স্বত্ব দেওয়া সম্ভব নয়।

বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত ও চীনের কোটি কোটি ফুটবল সমর্থকও সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তায় ছিলেন। তবে সম্প্রতি ফিফা চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম চায়না মিডিয়া গ্রুপের সঙ্গে ২০২৬ ও ২০৩০ পুরুষ বিশ্বকাপ এবং ২০২৭ ও ২০৩১ নারী বিশ্বকাপের সম্প্রচার চুক্তি চূড়ান্ত করেছে।

অন্যদিকে, ভারতে ২০২৬ বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে আলোচনাও শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। মূলত এশিয়ার কয়েকটি বাজারে সম্প্রচারের লক্ষ্যে ফিফা আরও নমনীয় বাণিজ্যিক কৌশল গ্রহণ করাতেই অনিশ্চয়তার মেঘ কেটে যাচ্ছে।

পাসপোর্ট চুরি, বিশ্বকাপ ক্যাম্পে যোগ দিতে দেরি সৌদি ডিফেন্ডারের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ
পাসপোর্ট চুরি, বিশ্বকাপ ক্যাম্পে যোগ দিতে দেরি সৌদি ডিফেন্ডারের

নিজের বিয়ের আনন্দ দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে সৌদি আরবের ডিফেন্ডার সৌদ আব্দুলহামিদের। আমস্টারডামে পরিবারের সঙ্গে বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে চুরির শিকার হয়েছেন তিনি। আর সেই ঘটনায় হারিয়ে গেছে তার পাসপোর্টও। ফলে বিশ্বকাপের আগে জাতীয় দলের ক্যাম্পে নির্ধারিত সময়ে যোগ দিতে পারছেন না এই সৌদি ফুটবলার। সোমবার এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সৌদি আরব ফুটবল ফেডারেশন (এসএএফএফ)।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সামনে রেখে জাতীয় দলের শেষ ধাপের প্রস্তুতি চলছে। তবে সৌদ আব্দুলহামিদ নির্ধারিত সময়ে রিয়াদে যেতে পারেননি।’

এসএএফএফ জানায়, আমস্টারডামে অবস্থানকালে তার ব্যক্তিগত গাড়িতে চুরি হয়। সেখানে পরিবারের সঙ্গে নিজের বিয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষে ছিলেন এই ডিফেন্ডার। ওই ঘটনায় তার পাসপোর্টসহ ব্যক্তিগত কিছু জিনিসপত্র খোয়া গেছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করছে সৌদি ফুটবল ফেডারেশন। একই সঙ্গে নেদারল্যান্ডসে সৌদি দূতাবাসের সহায়তায় দ্রুত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে আব্দুলহামিদ দ্রুত দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন।

বিশ্বকাপ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সৌদি আরব দল বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছে। নিউইয়র্ক ও টেক্সাসে অনুশীলন ক্যাম্প করবে তারা। সেখানে ইকুয়েডর, পুয়ের্তো রিকো ও সেনেগালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে সৌদি আরব। তার পর বিশ্বকাপে ‘এইচ’ গ্রুপে স্পেন, উরুগুয়ে ও কেপ ভার্দের সঙ্গে খেলবে।

কেয়া পায়েলের জন্য মুশফিক ফারহানের ‌‘ডুব’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ
কেয়া পায়েলের জন্য মুশফিক ফারহানের ‌‘ডুব’

সাদ্দাম, ঢাকায় ব্যবসা করে। গ্রামে এসেছে বন্ধুর বিয়ের অনুষ্ঠানে। সেখানেই তার ভালো লেগে যায় শেফালিকে। কিন্তু শেফালির সাথে একা কথা বলার সুযোগ পাওয়া যাচ্ছিলো না। তাই শেফালি যে পুকুরে গোসল করে, তাতে ডুব দেয় সাদ্দাম।

কিন্তু মুখ তোলার পর সে সামনে দেখতে পায় আলোকে এবং ওদের দু’জনকে আপাত: দৃষ্টিতে আপত্তিকর ভঙ্গিতে দেখে ফেলে মসজিদ ফেরত কিছু মানুষ। অবধারিতভাবেই বিচার বসে। সে বিচারে আলো যতই বলুক সাদ্দামকে সে চেনে না, সাদ্দাম কিন্তু অস্বীকার করে না। কারণ, আলোকে তার শেফালির চেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। ফলে সাদ্দাম চাইতে থাকে, তাদের অপরাধ সাব্যস্ত হোক; তাদের বিয়ে দেয়া হোক।

এমনই এক মজার গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে ঈদের বিশেষ নাটক ‘ডুব’। সিএমভি’র ব্যানারে নাটকটি নির্মাণ করেছেন তৌফিকুল ইসলাম। তার সঙ্গে গল্পটির চিত্রনাট্য লিখেছেন শাহজাহান সৌরভ। এর বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মুশফিক আর ফারহান, কেয়া পায়েল, সাবিনা মিম, নরেশ ভুঁইয়া প্রমুখ।

প্রযোজক এসকে সাহেদ আলী জানান, আসছে ঈদের বিশেষ আয়োজনে সিএমভি’র ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাচ্ছে ‘ডুব’।