রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩

সম্পর্কের গল্পে দীঘি ও আবুল হায়াত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ণ
সম্পর্কের গল্পে দীঘি ও আবুল হায়াত

শিশুশিল্পী হিসেবে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও। সময়ের সঙ্গে সেই ছোট্ট দীঘি এখন বড় পর্দার নায়িকা। একের পর এক সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি এবার দীর্ঘদিন পর নতুন বিজ্ঞাপনচিত্রে দেখা গেল তাকে।

মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন-এর জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনে ‘বাবা জানো, আমাদের একটা ময়না পাখি আছে না…’ সংলাপের মাধ্যমে দর্শকের পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন দীঘি। সেই স্মৃতি এখনও অনেকের মনে গেঁথে আছে। এবার নায়িকা হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নতুন একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করলেন তিনি।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্মিত এই বিজ্ঞাপনচিত্রটি তৈরি করেছে বিডি ইন্টেরিয়র। নির্মাণ করেছেন হিরু খান। বিজ্ঞাপনটির ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হিসেবে ছিলেন কিউ জামান।

বিজ্ঞাপনটিতে দীঘির সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন কিংবদন্তি অভিনেতা আবুল হায়াত। এর আগে শিশু শিল্পী থাকাকালে তার সঙ্গে কাজ করেছিলেন দীঘি। প্রায় ১৬ বছর পর আবারও একসঙ্গে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন তারা।

নির্মাতা হিরু খান বলেন, “আবুল হায়াত ভাইয়ের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের পরিচয়। কাজের বোঝাপড়াও দারুণ। আর দীঘি আমার অনেক কাছের। দুজনকে নিয়েই কাজটা খুব সুন্দরভাবে হয়েছে। মা-বাবা ও মেয়ের সম্পর্কের আবেগঘন গল্প তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।”

ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর কিউ জামান জানান, গল্প লেখার সময় থেকেই আবুল হায়াত ও দীঘিকে মাথায় রেখেই পুরো ভাবনাটি তৈরি করা হয়েছিল। তার আশা, ঈদের আবহে বিজ্ঞাপনটি দর্শকদের কাছে নতুন অনুভূতি এনে দেবে।

কাজটি নিয়ে দীঘি বলেন, “এই বিজ্ঞাপনে মূলত সম্পর্কের গল্প বলা হয়েছে। আর সহশিল্পী হিসেবে আবুল হায়াত আঙ্কেলকে পাওয়া আমার জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা। তার সঙ্গে ১৬ বছর পর আবার কাজ করলাম। শিশু শিল্পী হিসেবে আগেও বিজ্ঞাপনে কাজ করেছি, তবে নায়িকা হওয়ার পর এটাই প্রথম। তার মতো একজন কিংবদন্তির সঙ্গে কাজ করলে অনেক কিছু শেখা যায়।”

সোমবার থেকে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার শুরু হয়েছে বিজ্ঞাপনচিত্রটির।

Ads small one

প্রাথমিকে বৃত্তির ফলাফলে পাইকগাছায় সেরা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
প্রাথমিকে বৃত্তির ফলাফলে পাইকগাছায় সেরা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলায় ফলাফলের দিক থেকে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে পাইকগাছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সদ্য প্রকাশিত ২০২৫ সালের বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, এই বিদ্যালয় থেকে মোট ২৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর বিদ্যালয়টি থেকে মোট ৩২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে ২৪ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে, যার মধ্যে ১৯ জন ট্যালেন্টপুলে (মেধাবৃত্তি) এবং ৫ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। উল্লেখ্য, এবার পুরো পাইকগাছা উপজেলায় মোট ৫৩ জন শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে, যার মধ্যে ১৯ জনই এই বিদ্যালয়ের।
শিক্ষার্থীদের এই গৌরবময় সাফল্যে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এস এম আমিনুর রহমান লিটু ও সাবেক প্রধান শিক্ষক মিলি জেসমিনসহ সকল সহকারী শিক্ষকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম ও সহসভাপতি মুহাম্মদ শফিয়ার রহমান। এই সাফল্যে এলাকায় আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে।

 

পাইকগাছার ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী পুজা মন্দির কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছার ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী পুজা মন্দির কমিটি গঠন

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অশোক কুমার ঘোষকে সভাপতি ও সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধানকে সাধারণ সম্পাদক করে পুনরায় বাজার খোলার ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী সর্বজনীন পূজা মন্দিরের ত্রি বার্ষিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১১ জুলাই সন্ধ্যায় পূজা মন্দিরে আয়োজিত সাধারণ সভায় সভাপতিত্বে করেন মন্দির কমিটির সভাপতি অশোক কুমার ঘোষ। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্দির কমিটির নিরজ্ঞন কুমার ঘোষ, শিক্ষক অবসরপ্রাপ্ত বিমল কান্তি ঘোষ, গৌতম বিহারী ঘোষ, অধ্যাপক পিজুষ কান্তি ঘোষ, রজ্ঞন ভদ্র, শেখর রজ্ঞন ভদ্র, তরুন কুমার ঘোষ, অনুপ ঘোষ, সুপ্রিয় ঘোষ, অলোকেশ ঘোষ, প্রদিপ রায়, নারায়ণ ঘোষ, আশুতোষ রায়, অমল বিশ্বাস, স্বপন বিশ্বাস, বিশ্বনাথ রায়, সমর ঘোষ, পুরোহিত অপু চক্রবর্তীসহ অনেকে।

পাইকগাছায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদ্যাপিত, ৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদ্যাপিত, ৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় জাতীয় হারের চেয়ে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কম রয়েছে। উপজেলায় বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ঋণাত্মক ১ দশমিক ২৭ শতাংশ, যেখানে জাতীয় হার ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টায় এই সফলতা এসেছে বলে জানানো হয়েছে।
১২ জুলাই বিকেলে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এই তথ্য তুলে ধরা হয়। উপজেলা প্রশাসন ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০২২ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই উপজেলায় মোট জনসংখ্যা ছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার ২০৯ জন, যা বর্তমানে ৩ লাখ ছাড়িয়েছে। এখানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ৬৯৫ জন, যেখানে জাতীয় ঘনত্ব ১,১৭১ জন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াজিউজ্জামান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ, জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ একরামুল হোসেন ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-ভারপ্রাপ্ত) জুলফিকার আলীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠান শেষে বিগত এক বছরের ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ৬ জন কর্মী ও প্রতিষ্ঠানকে সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।