মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সম্পর্কের গল্পে দীঘি ও আবুল হায়াত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ণ
সম্পর্কের গল্পে দীঘি ও আবুল হায়াত

শিশুশিল্পী হিসেবে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও। সময়ের সঙ্গে সেই ছোট্ট দীঘি এখন বড় পর্দার নায়িকা। একের পর এক সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি এবার দীর্ঘদিন পর নতুন বিজ্ঞাপনচিত্রে দেখা গেল তাকে।

মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন-এর জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনে ‘বাবা জানো, আমাদের একটা ময়না পাখি আছে না…’ সংলাপের মাধ্যমে দর্শকের পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন দীঘি। সেই স্মৃতি এখনও অনেকের মনে গেঁথে আছে। এবার নায়িকা হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নতুন একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করলেন তিনি।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্মিত এই বিজ্ঞাপনচিত্রটি তৈরি করেছে বিডি ইন্টেরিয়র। নির্মাণ করেছেন হিরু খান। বিজ্ঞাপনটির ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হিসেবে ছিলেন কিউ জামান।

বিজ্ঞাপনটিতে দীঘির সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন কিংবদন্তি অভিনেতা আবুল হায়াত। এর আগে শিশু শিল্পী থাকাকালে তার সঙ্গে কাজ করেছিলেন দীঘি। প্রায় ১৬ বছর পর আবারও একসঙ্গে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন তারা।

নির্মাতা হিরু খান বলেন, “আবুল হায়াত ভাইয়ের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের পরিচয়। কাজের বোঝাপড়াও দারুণ। আর দীঘি আমার অনেক কাছের। দুজনকে নিয়েই কাজটা খুব সুন্দরভাবে হয়েছে। মা-বাবা ও মেয়ের সম্পর্কের আবেগঘন গল্প তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।”

ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর কিউ জামান জানান, গল্প লেখার সময় থেকেই আবুল হায়াত ও দীঘিকে মাথায় রেখেই পুরো ভাবনাটি তৈরি করা হয়েছিল। তার আশা, ঈদের আবহে বিজ্ঞাপনটি দর্শকদের কাছে নতুন অনুভূতি এনে দেবে।

কাজটি নিয়ে দীঘি বলেন, “এই বিজ্ঞাপনে মূলত সম্পর্কের গল্প বলা হয়েছে। আর সহশিল্পী হিসেবে আবুল হায়াত আঙ্কেলকে পাওয়া আমার জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা। তার সঙ্গে ১৬ বছর পর আবার কাজ করলাম। শিশু শিল্পী হিসেবে আগেও বিজ্ঞাপনে কাজ করেছি, তবে নায়িকা হওয়ার পর এটাই প্রথম। তার মতো একজন কিংবদন্তির সঙ্গে কাজ করলে অনেক কিছু শেখা যায়।”

সোমবার থেকে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার শুরু হয়েছে বিজ্ঞাপনচিত্রটির।

Ads small one

মেয়ের চিকিৎসায় কিডনি বিক্রির সিদ্ধান্ত মরিয়মের মায়ের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ
মেয়ের চিকিৎসায় কিডনি বিক্রির সিদ্ধান্ত মরিয়মের মায়ের

খুলনা আর্ট একাডেমির প্রাঙ্গণে খুলনা শিপইয়ার্ড স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণী শিক্ষার্থী মরিয়ম ইসলাম ক্যান্সারে আক্রান্ত তার মা মেয়ের চিকিৎসার জন্য গত ১৯ মে সাহায্যের জন্য কাগজ পত্র জমা দেয়। ২৬ মে দুই মেয়েকে নিয়ে  খুলনা আর্ট একাডেমিতে সকাল ১০টার দিকে আসে  তখন তিনি চিকিৎসার এত টাকা কোথায় পাবে এমন কথার প্রসঙ্গে নিজের একটি কিডনি বিক্রি করে মেয়ের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

 

আগামী জুন মাসের ১৬ তারিখ মরিয়মকে নিয়ে ভেলোরে সিএমসিতে চিকিৎসা করাতে যাবেন। এই হৃদয়বিদারক ঘটনা উপস্থিত সকলকে আবেগাপ্লুত করে তোলে।আমাদের সমাজে এমন অনেক মানুষ আছেন যাদের অর্থ আছে, কিন্তু সন্তান নেই অথচ সেই অর্থ ব্যয় করার মতো উপযুক্ত জায়গাও নেই। তাদের প্রতি চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাসের আন্তরিক অনুরোধ, আপনারা এই নবীন শিক্ষার্থীর চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করুন।

 

নিজেদের সন্তানের মতো মনে করে মরিয়মের মুখে আবার হাসি ফিরিয়ে দিন।চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস বলেন, “আমি একটি ছোট্ট প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করি, যেখানে অল্প কয়েকজন শিক্ষার্থী নিয়ে পথচলা। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও নিজ অর্থায়নে মরিয়মের চিকিৎসার জন্য বড় ধরনের সহযোগিতা করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।”তাই খুলনা আর্ট একাডেমির অভিভাবক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতায় সংগ্রহ করা ৬,৩২০ টাকা এবং বর্ণমালা হ্যান্ডরাইটিং একাডেমির পক্ষ থেকে বাবু ধনঞ্জয় রায়ের প্রদান করা ১,১০০ টাকা মরিয়মের মায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন বর্ণমালা হ্যান্ডরাইটিং একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অক্ষর শিল্পী বাবু ধনঞ্জয় রায়, এস ও এস হারম্যান মেইনার স্কুল খুলনার চারু ও কারুকলার শিক্ষক চিত্রশিল্পী কাকন সরকার, খুলনা আর্ট একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস, সহকারী পরিচালক শিলা বিশ্বাস, মরিয়ম, তার মা ও ছোট বোন হুমায়রা, ১৭তম ব্যাচের নবীন চারুশিল্পী চিরঞ্জিত মন্ডল, মিলন দাস, নুসরাত জাহান জান্নাত এবং খুলনা আর্ট একাডেমির প্রচার সম্পাদক সৌহার্দ্য বিশ্বাস।অর্থ হাতে নিয়ে মরিয়মের মা সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

তিনি জানান, দীর্ঘ নয় মাস ধরে মেয়ের অসুস্থতার কারণে তাদের পরিবারে হাসি-আনন্দ যেন হারিয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় বড় অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করতে পারেননি। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “যদি মেয়ের চিকিৎসার জন্য অর্থ জোগাড় করতে না পারি, তাহলে শেষ পর্যন্ত আমার একটি কিডনি বিক্রি করে হলেও চিকিৎসা চালিয়ে যাবো।”এই সময় মরিয়মের ছোট বোন, প্লে-শ্রেণির শিক্ষার্থী হুমায়রা, নিজের ইচ্ছায় কিছু বলার অনুমতি চায়। সে সকলকে সালাম দিয়ে বলে, “আমার আপু অনেকদিন ধরে অসুস্থ। আপনারা সবাই আমার আপুর জন্য দোয়া করবেন। যারা আমার আপুর জন্য সাহায্য করেছেন, আল্লাহ যেন তাদের সবাইকে ভালো রাখেন।”

 

শিশুটির নিষ্পাপ কথা, মরিয়মের মায়ের কান্না এবং মরিয়মের নীরব অনুভূতি সব মিলিয়ে একাডেমির প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন ও নিস্তব্ধ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।পরিসংখ্যান অনুযায়ী খুলনা সিটিতে বর্তমানে প্রায় ৭ লাখ ১৯ হাজার ৫৫৭ জন মানুষের বসবাস। চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস বলেন, “আমরা যদি সবাই মাত্র ১ টাকা করে সাহায্য করি, তাহলেই একটি পরিবারের মুখে আবার হাসি ফুটতে পারে। ঈদের বন্ধ চলছে তাই”তিনি আরও ঘোষণা দেন, আগামী ১ জুন থেকে ৭জুন পর্যন্ত খুলনা আর্ট একাডেমিতে ছবি আঁকা, আবৃত্তি, সঙ্গীত , হাতের লেখা এবং চারুকলায় ভর্তি হলে ভর্তি ফি মরিয়ম ইসলামের চিকিৎসার জন্য প্রদান করা হবে।চিত্রশিল্পী কাকন সরকার মিলন বিশ্বাসের এই মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সাধুবাদ জানান।

 

পাশাপাশি বাবু ধনঞ্জয় রায় ও চিত্রশিল্পী কাকন সরকার তাদের আলোচনায় মরিয়মের চিকিৎসার জন্য ভবিষ্যতেও বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।পরবর্তীতে যারা সাহায্য করতে ইচ্ছুক, তারা মরিয়মের মায়ের বিকাশ বা নগদ নম্বরে সরাসরি অর্থ পাঠাতে পারবেন। মরিয়ামের মায়ের নম্বর 01994991393 সবশেষে মরিয়ম ইসলামের সুস্থতা কামনা করে এবং সকলের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করে আজকের এই সাহায্য ও আলোচনা সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

বি.ডি.এফ প্রেসক্লাবে কবি সাহিত্যিক ডা. আব্দুল ওয়াহাব আজাদের বই উপহার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
বি.ডি.এফ প্রেসক্লাবে কবি সাহিত্যিক ডা. আব্দুল ওয়াহাব আজাদের বই উপহার

জি এম আমিনুল হক: বিশিষ্ট লেখক, কবি, সাহিত্যিক ও ছড়াকার ডা. আব্দুল ওয়াহাব আজাদ তাঁর স্বরচিত তিনটি কবিতা ও গল্পের বই বি.ডি.এফ প্রেসক্লাব কর্মকর্তাদের নিকট উপহার প্রদান করেছেন।

 

মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যায় বি.ডি.এফ প্রেসক্লাবের সংক্ষিপ্ত পরিসরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ বই উপহার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বি.ডি.এফ প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন বাবু এবং সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান শিমুল।

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আরশাদ আলী, সাবেক সভাপতি আব্দুল হাকিম, সহ-সভাপতি জি.এম. আমিনুল হক, রবিউল ইসলাম, ইমরান হোসেন, শরিফুল আলম রানা, এম.এম. জয়নাল, আছাদুল ইসলাম, সুজন ঘোষ, হাফিজুল ইসলাম হাফিজসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

 

অনুষ্ঠানে ডা. আব্দুল ওয়াহাব আজাদ বলেন, “বই পড়লে মানুষের জ্ঞান বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে অনলাইন নির্ভরতার কারণে অনেকেই বই পড়া থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। অথচ বই মানুষের মনন ও চিন্তার জগতকে সমৃদ্ধ করে।”

 

তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিচারণ করে বলেন, “জ্ঞান অর্জনের জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। নিজের চারপাশের প্রকৃতি, ধানক্ষেতের শিশির ভেজা দৃশ্য থেকেও মানুষ অনেক কিছু শিখতে পারে।”

 

এসময় তিনি সকলকে বই পড়ার আহ্বান জানান এবং তাঁর রচিত তিনটি বই— “ছড়ার দেশে ঘুরে আসি”, “আলো যখন অন্ধকারে” ও “সপ্তসুরের মোহনায়” প্রেসক্লাব কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দেন।

 

ডা. আব্দুল ওয়াহাব আজাদ ব্যক্তিগত জীবনে সাতক্ষীরা ডি.বি খান হোমিওপ্যাথিক কলেজের প্রভাষক এবং সাতক্ষীরা সিটি কলেজের সাবেক প্রধান সহকারী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কবিতা, ছড়া, গল্প ও উপন্যাস রচনার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে একাধিক সম্মাননা অর্জন করেছেন।

 

অনুষ্ঠানের শেষে বি.ডি.এফ প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ডা. আব্দুল ওয়াহাব আজাদকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানানো হয়।

সাংবাদিক আরিফ বিল্লাহ’র উপর হামলায় রিপোর্টার্স ক্লাবের নিন্দা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক আরিফ বিল্লাহ’র উপর হামলায় রিপোর্টার্স ক্লাবের নিন্দা

তালা প্রতিনিধি: ‎তালা সদর ইউনিয়নের জেয়ালা কোলাচ বিলে একটি মৎস্য ঘেরে লুটপাট এবং হামলার সংবাদ সংগ্রহকালে তালার সাংবাদিক আরিফ বিল্লাহ’র  উপর হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। হামলায় তিনি আহত হন এবং তাঁর মোটরসাইকেল ভেঙ্গে গুড়ি দেয়া হয়।

‎এঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিবৃতি প্রদান করেছে তালা রিপোর্টার্স ক্লাব। বিবৃতি প্রদানকারীরা হলেন, তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের আহবায়ক নারায়ণ মজুমদার, সিনিয়র সদস্য মীর জাকির হোসেন, ইন্দ্রজীৎ দাস বাপ্পী, জুলফিকার রায়হান, গোলাম মোস্তফা, প্রভাষক এস.আর. আওয়াল, মিজানুর রহমান, বাবলুর রহমান, মো. বায়জীত হোসেন, শাহিনুর রহমান, সাইদ সম্রাট, তাপস ঘোষ, এহসানুল হক, ফারুক সাগর, গোলাম রাব্বানী, শেখ সিদ্দিক, রিপন হুসেইন, বাহারুল ইসলাম, রেশমা খাতুন ও শেখ বাবলুর রহমান প্রমুখ। বিবৃতিদাতারা অবিলম্বে ঘটনার সাথে জড়িত দুর্বৃত্তদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন।

একইসাথে সাংবাদিক আরিফ বিল্লাহ’র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।