রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩

আমার বিশ্বাস ছিল, আমি মাসুদ রানা হবো: রাসেল রানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
আমার বিশ্বাস ছিল, আমি মাসুদ রানা হবো: রাসেল রানা

বাঙালি পাঠকের হৃদয়ে রোমাঞ্চের ঝড় তোলা সেবা প্রকাশনীর কালজয়ী স্পাই চরিত্র ‘মাসুদ রানা’ এবার আসছে রূপালী পর্দায়। দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর নানামুখী অনিশ্চয়তা কাটিয়ে আগামী ঈদুল আজহায় দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত এই সিনেমাটি।

গতকাল (২৪ মে) এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সিনেমাটির প্রথম অফিসিয়াল পোস্টার প্রকাশ ও আনুষ্ঠানিক প্রচারণার ঘোষণা দেওয়া হয়। জমকালো এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে নিজের দীর্ঘ জার্নি ও অনুভূতির কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সিনেমার মূল চরিত্র ‘মাসুদ রানা’ অর্থাৎ অভিনেতা রাসেল রানা।

সংবাদ সম্মেলনে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে রাসেল রানা বলেন, “আপনারা সবাই জানেন যে মাসুদ রানা সবাই লুকিয়ে লুকিয়ে পড়তো এবং মুরুব্বিদের সাথে এখানে কিছু ঝামেলা ছিল। তো, আমার বাবাও আমাকে পড়তে দিত না। আমার বাবা মাসুদ রানার অনেক বড় ফ্যান ছিল। উনি মাসুদ রানার বই পড়তেন এবং আমাদের বাসায়ও মাসুদ রানার বই ছিল। আমি দেখতাম ওই বইগুলো, বাট আমি ওইভাবে পড়তাম না কারণ আমি ফ্যান ছিলাম হচ্ছে ঐ কিশোর উপন্যাস বা টিন উপন্যাসের।”

 

জেমস বন্ডের প্রতি নিজের ভালোলাগার কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “জেমস বন্ডের আমি অনেক বড় ফ্যান ছিলাম এবং জেমস বন্ডের মুভিগুলো দেখেই আমি বড় হয়েছি—পিয়ার্স ব্রসনান থেকে শুরু করে ড্যানিয়েল ক্রেইগ পর্যন্ত। ওনাদের মুভিগুলো দেখার পর আমি যখন জানতে পারলাম যে আমাদের বাংলাদেশের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স, বিসিআই-এর একজন এজেন্ট হচ্ছে এই মাসুদ রানা ক্যারেক্টার এবং সে হচ্ছে বাংলাদেশের বলতে গেলে জেমস বন্ড, তো তখন আমার আগ্রহটা তিন থেকে চার গুণ বেড়ে যায় যে না, আমার মাসুদ রানার সবগুলো বই পড়তে হবে।”

‘কে হবে মাসুদ রানা’ রিয়েলিটি শো-র মাধ্যমে এই পথচলার শুরুটা মনে করিয়ে দিয়ে রাসেল রানা বলেন, “আমি বেশ কিছু বই পড়ি। পড়ার পর বেশ কয়েক বছর কেটে যায়। হঠাৎ একদিন দেখলাম ‘কে হবে মাসুদ রানা?’। এটা দেখার পর আমি টোটালি অ্যামেজড—ও মাই গড! মানে, আমি মাসুদ রানার এত বড় ফ্যান, আর এই রিয়েলিটি শোটা হচ্ছে মাসুদ রানাকে খোঁজার জন্য! সো, আই থিংক দিস ইজ দ্য টাইম।”

 

সব প্রতিকূলতা জয় করার গল্প শুনিয়ে তিনি বলেন, “সবকিছু শেষ করে, প্রতিকূলতা পার করে, ফাইনালি আমি সিলেক্ট হই। তো, আমার বিশ্বাস ছিল যে আমি মাসুদ রানা হব। এরপর বেশ কয়েক বছর কেটে যায়, আমরা মুভিটা শুরু করি এবং ফাইনালি আমরা মাসুদ রানা কমপ্লিট করতে পারি।”

নিজের ভেতরের আত্মবিশ্বাস আর স্বপ্নের মঞ্চে দাঁড়ানোর অনুভূতি জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি সবসময় আয়নার সামনে দাঁড়াই এবং নিজেকে বলি যে তোমাকে করতে হবে, তুমি পারবে। এই জিনিসটা আমি সবসময় নিজেকে বলি। তো, আজকেও আমি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে এই কথাটাই বলেছি যে এই মঞ্চে, এই পোডিয়ামের সামনে দাঁড়াতে পারাটা অনেক দিনের একটা স্বপ্ন ছিল। আজকে আমি এখানে দাঁড়াতে পারছি, এজন্য আসলে আমি অনেক ইমোশনালি ওভারহোয়েল্মড এবং ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না যে কী বলবো। যা মুখে আসছে, যতটুকু কথা বলতে পারছি, আমি বলছি। আর যেহেতু এটা আমার ফার্স্ট মুভি, সো আমার মনে হয় যে কথাগুলো গুছিয়ে বলতে পারছি না।”

 

পোস্টারের সামনে দাঁড়িয়ে দর্শকদের উদ্দেশ্যে রাসেল রানা বলেন, “আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে আমার যেটা স্বপ্ন ছিল, এই পোস্টারের মাধ্যমে আমার স্বপ্নটা আমার সামনে দেখতে পাচ্ছি। এবং ইনশাল্লাহ আগামী ঈদে এই মুভিটা রিলিজ হতে যাচ্ছে। আশা করি মুভিটা আপনাদের সবার ভালো লাগবে।”

প্রসঙ্গত, ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও জাজ মাল্টিমিডিয়ার যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন সৈকত নাসির। সিনেমাটিতে নামভূমিকায় রাসেল রানা ছাড়াও ‘সোহানা’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন পূজা চেরি এবং ‘অবনিতা’ চরিত্রে দেখা যাবে সৈয়দা তিথি অমনিকে।

উল্লেখ্য, সিনেমাটির প্রথম অফিশিয়াল পোস্টারটি তৈরি করা হয়েছে সেবা প্রকাশনীর সেই চেনা ক্লাসিক বইয়ের প্রচ্ছদের আদলে, যা পাঠকদের মাঝে নতুন করে নস্টালজিয়া তৈরি করেছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ছবিটি আগামী ঈদুল আজহায় দেশের বড় বড় প্রেক্ষাগৃহ ও মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে একযোগে মুক্তি পাবে।

Ads small one

প্রাথমিকে বৃত্তির ফলাফলে পাইকগাছায় সেরা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
প্রাথমিকে বৃত্তির ফলাফলে পাইকগাছায় সেরা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলায় ফলাফলের দিক থেকে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে পাইকগাছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সদ্য প্রকাশিত ২০২৫ সালের বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, এই বিদ্যালয় থেকে মোট ২৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর বিদ্যালয়টি থেকে মোট ৩২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে ২৪ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে, যার মধ্যে ১৯ জন ট্যালেন্টপুলে (মেধাবৃত্তি) এবং ৫ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। উল্লেখ্য, এবার পুরো পাইকগাছা উপজেলায় মোট ৫৩ জন শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে, যার মধ্যে ১৯ জনই এই বিদ্যালয়ের।
শিক্ষার্থীদের এই গৌরবময় সাফল্যে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এস এম আমিনুর রহমান লিটু ও সাবেক প্রধান শিক্ষক মিলি জেসমিনসহ সকল সহকারী শিক্ষকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম ও সহসভাপতি মুহাম্মদ শফিয়ার রহমান। এই সাফল্যে এলাকায় আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে।

 

পাইকগাছার ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী পুজা মন্দির কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছার ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী পুজা মন্দির কমিটি গঠন

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অশোক কুমার ঘোষকে সভাপতি ও সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধানকে সাধারণ সম্পাদক করে পুনরায় বাজার খোলার ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী সর্বজনীন পূজা মন্দিরের ত্রি বার্ষিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১১ জুলাই সন্ধ্যায় পূজা মন্দিরে আয়োজিত সাধারণ সভায় সভাপতিত্বে করেন মন্দির কমিটির সভাপতি অশোক কুমার ঘোষ। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্দির কমিটির নিরজ্ঞন কুমার ঘোষ, শিক্ষক অবসরপ্রাপ্ত বিমল কান্তি ঘোষ, গৌতম বিহারী ঘোষ, অধ্যাপক পিজুষ কান্তি ঘোষ, রজ্ঞন ভদ্র, শেখর রজ্ঞন ভদ্র, তরুন কুমার ঘোষ, অনুপ ঘোষ, সুপ্রিয় ঘোষ, অলোকেশ ঘোষ, প্রদিপ রায়, নারায়ণ ঘোষ, আশুতোষ রায়, অমল বিশ্বাস, স্বপন বিশ্বাস, বিশ্বনাথ রায়, সমর ঘোষ, পুরোহিত অপু চক্রবর্তীসহ অনেকে।

পাইকগাছায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদ্যাপিত, ৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদ্যাপিত, ৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় জাতীয় হারের চেয়ে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কম রয়েছে। উপজেলায় বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ঋণাত্মক ১ দশমিক ২৭ শতাংশ, যেখানে জাতীয় হার ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টায় এই সফলতা এসেছে বলে জানানো হয়েছে।
১২ জুলাই বিকেলে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এই তথ্য তুলে ধরা হয়। উপজেলা প্রশাসন ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০২২ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই উপজেলায় মোট জনসংখ্যা ছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার ২০৯ জন, যা বর্তমানে ৩ লাখ ছাড়িয়েছে। এখানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ৬৯৫ জন, যেখানে জাতীয় ঘনত্ব ১,১৭১ জন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াজিউজ্জামান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ, জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ একরামুল হোসেন ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-ভারপ্রাপ্ত) জুলফিকার আলীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠান শেষে বিগত এক বছরের ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ৬ জন কর্মী ও প্রতিষ্ঠানকে সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।