বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ, শুরু ২ জুলাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ, শুরু ২ জুলাই

অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হয়ে পরীক্ষা শেষ হবে ৮ আগস্ট।

বুধবার (২২ এপ্রিল) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম কামাল উদ্দীন হায়দারের সইয়ে এ রুটিন প্রকাশ করা হয়। বিশেষ প্রয়োজনে বোর্ড কর্তৃপক্ষ এ সময়সূচি পরিবর্তন করতে পারবে বলে রুটিনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, প্রথমদিনে বাংলা প্রথমপ্রত্র (আবশ্যিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর ৮ আগস্ট শেষ দিন ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা হবে। নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে।

আবার দ্বিতীয় শিফটে বিকেল ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার কক্ষে পরীক্ষার্থীদের আসন গ্রহণ করতে হবে।

পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল, রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।

Ads small one

মৃত্যুফাঁদে সাতক্ষীরা সরকারি নার্সিং কলেজ: আতঙ্কেও দিতে হচ্ছে ‘দায়মুক্তি’ স্বাক্ষর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫১ অপরাহ্ণ
মৃত্যুফাঁদে সাতক্ষীরা সরকারি নার্সিং কলেজ: আতঙ্কেও দিতে হচ্ছে ‘দায়মুক্তি’ স্বাক্ষর

filter: 0; jpegRotation: 0; fileterIntensity: 0.000000; filterMask: 0;

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা সরকারি নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের একাডেমিক ভবন ও হোস্টেলের প্রতিটি কোণ এখন যেন একেকটি মৃত্যুফাঁদ। ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে পড়ার টেবিলে, বিম থেকে বেরিয়ে এসেছে মরিচা ধরা রড, আর দেয়ালে দেখা দিয়েছে বিশাল সব ফাটল। এমন ‘অতিঝুঁকিপূর্ণ’ ভবনেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবস্থান করছে প্রায় চারশ শিক্ষার্থী। চরম উৎকণ্ঠার বিষয় হলো, দুর্ঘটনার আশঙ্কায় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে উল্টো ‘দায়মুক্তি’ স্বাক্ষর করিয়ে নিয়েছে।

চারতলা বিশিষ্ট এই কলেজ ও হোস্টেল ভবনের অবস্থা অত্যন্ত জরাজীর্ণ। সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে। বইখাতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বাঁচাতে শিক্ষার্থীদের পলিথিন মুড়িয়ে থাকতে হয়।

প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী শিউলি বলেন, “৪০০ জন ছাত্র-ছাত্রী মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। ফলে পড়ালেখাও দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শিউলিসহ একাধিক ছাত্র-ছাত্রীরা জানায়, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। কখন মাথার ওপর ছাদ ভেঙে পড়ে তার ঠিক নেই। কখনো খাওয়ার সময়, কখনো পড়ার সময় পলেস্তারা খসে পড়ছে। আমরা রীতিমতো আতঙ্ক নিয়ে এখানে দিন কাটাচ্ছি।”

সাতক্ষীরা গণপূর্ত অধিদপ্তর গত ৩০ মার্চ ২০২৬ তারিখে এক প্রতিবেদনে ভবনটিকে ‘অতিঝুঁকিপূর্ণ’ ও ‘সংস্কারের অযোগ্য’ বলে ঘোষণা করেছে। গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী কাওসার আব্দুল ওয়াহিদ জানান, ঢাকা থেকে আসা বিশেষজ্ঞ দল সরেজমিন পরিদর্শন করে নতুন ভবন নির্মাণের সুপারিশ করেছেন।

তবে বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এখনো ওই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে ক্লাস ও আবাসন। কলেজের ইনস্ট্রাক্টর মোছা. সুরাইয়া ইয়াসমিন জানান, ১৯৮৩ সালে কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে কোনো টেকসই সংস্কার হয়নি। তিনি বলেন, “আমরা সিভিল সার্জন, জেলা প্রশাসক ও গণপূর্তকে বারবার লিখিতভাবে জানিয়েছি। দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে আমরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে লিখিত দায়মুক্তি নিতে বাধ্য হয়েছি।”

সাতক্ষীরা সরকারী নার্সিং কলেজ ও হোস্টেল ভবন মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ। জীবনের ঝুকি নিয়ে ক্লাস করছে প্রায় ৪০০ ছাত্র-ছাত্রী। ভবনটি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ায় ইতিমধ্যে অনেক শিক্ষার্থী হোস্টেল ছেড়ে দিয়েছেন। তারা এখন কলেজের আশেপাশে বিভিন্ন মেসে বা ভাড়া বাসায় থাকছেন। এতে সাধারণ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপের সৃষ্টি হয়েছে। নারী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে যাতায়াত ও নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন সংকট। যারা এখনো হোস্টেলে আছেন, তারা প্রতিমুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন।

জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং নতুন ভবন নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছেÑ নতুন বহুতল একাডেমিক ভবন ও আধুনিক হোস্টেল কমপ্লেক্সের জন্য উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি করা হয়েছে। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন এলাকায় নতুন ভবনের জন্য জায়গা নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলছে। আগামী জাতীয় বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া গেলে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে। পর্যাপ্ত ল্যাব সুবিধা না থাকা এবং শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের ছোট ছোট গ্রুপে ভাগ করে বা অস্থায়ী শেডে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। এতে ব্যবহারিক শিক্ষার মান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, , কোনো বড় ধরনের প্রাণহানির অপেক্ষা না করে অনতিবিলম্বে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ বিকল্প আবাসন ও নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করা জরুরি। অন্যথায়, জেলা তথা দেশের নার্সিং শিক্ষা ব্যবস্থা এক বড় সংকটের মুখে পড়বে।

তিনি আরও বলেন, ভবনটি যে ‘অতিঝুঁকিপূর্ণ’ বা ‘বসবাসের অযোগ্য’, এই কারিগরি মূল্যায়নটি এসেছে সাতক্ষীরা গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলীদের পক্ষ থেকে। তারা নিয়মিত পরিদর্শনের পর ভবনটিকে সংস্কারের অযোগ্য বলে মতামত দিয়েছেন, যা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় আলোচিত হয়েছে। অথচ ভবনটি সংস্কারে দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ আজও গ্রহণ করা হয়নি। তবে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সরকারি এই দপ্তরের প্রশাসনিক নথিপত্র এবং বাজেটের খসড়া তালিকা থেকে প্রকল্পের অগ্রগতির তথ্য পাওয়া যায়।

উৎসবের আমেজে আজ সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
উৎসবের আমেজে আজ সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন

নিজস্ব প্রতিনিধি: উৎসবের আমেজে আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির (২০২৬-২০২৭ মেয়াদের) দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে আদালতপাড়াজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। শেষ মুহূর্তে প্রার্থীদের কাছে ভোটারদের কদরও বেড়েছে, চলছে ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচারণা।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মোট ১৩টি পদের বিপরীতে ২৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এর মধ্যে কোষাধ্যক্ষ পদে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়ায় নরেশ মল্লিককে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে বাকি ১২টি পদের বিপরীতে ২৩জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আব্দুল মান্নান বাবলু ও গোলাম নবী। সহ-সভাপতি (২টি পদ) পদে প্রার্থী হয়েছেন আব্দুর রহমান, এসএম ইয়াহিয়া আলম, কাজী শাহাদাত হোসেন মাসুম ও মো. এনায়েত করিম।

সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন সাইফুল ইসলাম বাবু, মো. কামরুল ইসলাম ও এম. শফিকুল ইসলাম। যুগ্ম সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দেবাশীষ সরকার ও আবু সাঈদ। সহ-সম্পাদক পদে রয়েছেন বিধান চন্দ্র ম-ল ও মেহেদী হাসান।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আব্দুস সাত্তার ও ইসমাইল হোসেন। এছাড়া সদস্য পদে ৫টি আসনের বিপরীতে ৮জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন মো. আবু রায়হান, মো. খুরশিদুজ্জামান লাবু, আরাফাত হোসেন, রবিউল ইসলাম, গোলাম হোসেন লিমন, রেজাউল করিম, হারুন অর রশিদ ও মনিরুল ইসলাম।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট মো. আব্দুস সবুর জানান, ২৩ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সমিতির দ্বিতীয় তলায় বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে আইনজীবী সহকারীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

 

 

শ্যামনগরে উৎসবমুখর পরিবেশে মঞ্চস্থ সামাজিক যাত্রাপালা ‘সাত পাকে বাঁধা’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৩ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে উৎসবমুখর পরিবেশে মঞ্চস্থ সামাজিক যাত্রাপালা ‘সাত পাকে বাঁধা’

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর দাসকাটি হরি মন্দির প্রাঙ্গণে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মঞ্চস্থ হলো বর্ণাঢ্য সামাজিক যাত্রাপালা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ৯টা থেকে শুরু হয়ে বুধবার ভোর ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলা এই আয়োজন স্থানীয়দের মাঝে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে।

 

সাতক্ষীরার সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘মহিষাডাঙ্গা তরুণ নাট্য সংস্থা’র পরিবেশনায় ওপার বাংলার নটনাট্যকার রঞ্জন দেবনাথ রচিত “সাত পাকে বাঁধা” শিরোনামের যাত্রাপালাটি মঞ্চস্থ হয়। এতে প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেন জনপ্রিয় গায়ক ও নায়ক কুমার দেবু এবং যাত্রা লক্ষ্মী বাসন্তী রানী সাহা। তাদের প্রাণবন্ত অভিনয়, তীক্ষè সংলাপ এবং চমৎকার সংগীত পরিবেশনা পুরো রাতজুড়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে রাখে।

যাত্রাপালা উপলক্ষ্যে হরি মন্দির সংলগ্ন মাঠে বসেছিল হরেক রকমের গ্রাম্য মেলা। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সকল বয়সের নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে এলাকাটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। গ্রামীণ সংস্কৃতির এই ঐতিহ্যবাহী আয়োজন কেবল বিনোদনই নয়, বরং এলাকাবাসীর মধ্যে সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য বার্তা পৌঁছে দেয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাবু মহাদেব চন্দ্র মন্ডল। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধরে রাখতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে এই ধারা অব্যাহত রাখা হবে।” অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

পুরো অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘেœ সম্পন্ন করতে শ্যামনগর থানা পুলিশ সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো, যার ফলে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়। সব মিলিয়ে, নূরনগর দাসকাটি হরি মন্দির প্রাঙ্গণের এই সামাজিক যাত্রাপালাটি এলাকাবাসীর জন্য এক আনন্দঘন ও স্মরণীয় রাত হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।