বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

কলমের দায়, সমাজের আয়না ও সাংবাদিকতার সংস্কার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৯:২৩ অপরাহ্ণ
কলমের দায়, সমাজের আয়না ও সাংবাদিকতার সংস্কার

শেখ সিদ্দিকুর রহমান

সভ্য সমাজে সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়, এটি রাষ্ট্র, সমাজ ও মানুষের বিবেকের প্রতিচ্ছবি। একটি দেশের প্রশাসন, রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি কিংবা সামাজিক বাস্তবতার প্রকৃত চিত্র সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরেন সংবাদকর্মীরা। তাই সাংবাদিকদের বলা হয় সমাজের দর্পণ, রাষ্ট্রের অনানুষ্ঠানিক প্রহরী এবং গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ। একজন প্রকৃত সাংবাদিক নিজের স্বার্থের চেয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বার্থকে বড় করে দেখেন।

 

কোথাও দুর্নীতি, অন্যায়, অবহেলা কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার হলে একজন সংবাদকর্মী তার কলম ও ক্যামেরা দিয়ে সেই চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরেন। আবার কোনো অসহায় মানুষের কান্না, কৃষকের কষ্ট, শ্রমিকের অধিকার, শিক্ষার সংকট কিংবা জনদুর্ভোগের চিত্রও সাংবাদিকতার মাধ্যমেই রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ে পৌঁছে যায়। “নিউজ” শব্দটি নিয়ে একটি জনপ্রিয় ব্যাখ্যা রয়েছে যে এটি উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম—এই চার দিকের আদ্যক্ষর নিয়ে গঠিত। অর্থাৎ চারদিকের ঘটনা মানুষের সামনে তুলে ধরাই সংবাদ। সংবাদ মানে শুধু তথ্য নয়; সংবাদ মানে সত্য, দায়িত্ব ও জনস্বার্থ। একসময় সাংবাদিকতা ছিল সমাজসেবামূলক ও আদর্শভিত্তিক একটি মহান পেশা। তখন সংবাদকর্মীরা আর্থিক লাভের চেয়ে সত্য প্রকাশকে বড় করে দেখতেন। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির পাশাপাশি ঢুকে পড়েছে কিছু অপসংস্কৃতিও।

 

বর্তমানে দেশে “হলুদ সাংবাদিকতা” ভয়াবহভাবে বিস্তার লাভ করেছে। টাকার বিনিময়ে অনেকে বিভিন্ন নামধারী অনলাইন পোর্টাল বা অখ্যাত প্রতিষ্ঠানের কার্ড সংগ্রহ করে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিচ্ছেন, যাদের অনেকেরই সংবাদ লেখার ন্যূনতম দক্ষতা কিংবা পেশাগত নৈতিকতা নেই। কেউ কেউ সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অনৈতিক কর্মকা-ে জড়িয়ে পড়ছেন, যা প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকদের জন্য বিব্রতকর এবং গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

পূর্বের ধারণা ছিল যে লিখতে পড়তে জানলেই সাংবাদিক হওয়া যায়, কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় এটি একটি গভীর দক্ষতা ও জবাবদিহিতার পেশা। একজন সংবাদকর্মীর মধ্যে সত্যনিষ্ঠা, ভাষাজ্ঞান, পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা ও আইনি জ্ঞান থাকা অত্যন্ত জরুরি। তাই সাংবাদিকতা পেশার জন্য একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা এখন সময়ের দাবি। ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়া সাংবাদিকতার পরিচয়পত্র প্রদান বন্ধ করা এবং জাতীয় পর্যায়ের গণমাধ্যমে কাজের ক্ষেত্রে স্নাতক ডিগ্রিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা প্রয়োজন।

 

একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সমন্বয়ে একটি যাচাইকরণ ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে যাতে প্রকৃত সংবাদকর্মী ও অপসাংবাদিকদের পার্থক্য করা সহজ হয়। একটি জাতীয় সাংবাদিক নিবন্ধন বোর্ড গঠন করা এখন সময়ের প্রয়োজন। একজন সাংবাদিককে কেবল মানবসৃষ্ট প্রতিকূলতা নয়, বরং ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে কাজ করতে হয়।

 

ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা কিংবা মহামারীর মতো সংকটে যখন সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছোটে, তখন সংবাদকর্মীরা জীবন বাজি রেখে দুর্যোগকবলিত এলাকায় ছুটে যান। উত্তাল সমুদ্রের ঢেউ কিংবা উপকূলের বিধ্বংসী বাতাসের মধ্যেও তারা সংবাদ সংগ্রহ করেন যাতে মানুষ আগাম সতর্কবার্তা পায় এবং জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস পায়। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের সংবাদ প্রচার করতে গিয়ে অনেক সাংবাদিক শারীরিক জখম ও সম্পদ হারানোসহ নানা বিপদের সম্মুখীন হন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি সামাজিক ও রাজনৈতিক ঝুঁকিও কম নয়। দুর্নীতি, মাদক বা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লিখতে গিয়ে বহু সাংবাদিক হামলা ও মামলার শিকার হচ্ছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত অন্তত ১,০৭৩ জন সংবাদকর্মী বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শুধু এক বছরেই প্রায় ৫০০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনা ঘটেছে।

 

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, সাংবাদিকতা এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পেশা হওয়া সত্ত্বেও প্রকৃত সংবাদকর্মীদের জন্য কার্যকর নিরাপত্তা কাঠামো বা ঝুঁকি ভাতার কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা নেই। একজন সাংবাদিক যখন ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন, তিনি পুরো সমাজের পক্ষ হয়েই সেই ঝুঁকি গ্রহণ করেন। তাই রাষ্ট্রের উচিত প্রকৃত ও নিবন্ধিত সাংবাদিকদের জন্য ঝুঁকি ভাতা, জীবনবীমা ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা। সাংবাদিকতা কোনো ভয় প্রদর্শনের অস্ত্র নয়, এটি মানুষের অধিকার রক্ষার মাধ্যম।

 

কলমের পবিত্রতা রক্ষায় কঠোর নীতিমালা এবং পেশাগত শুদ্ধি অভিযান এখন অপরিহার্য। কারণ একটি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাই পারে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র নিশ্চিত করতে। প্রকৃত সংবাদকর্মীদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র ও সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, তবেই কলমের শক্তি সমাজকে সত্য ও ন্যায়ের আলোয় আলোকিত করতে পারবে।

তথ্যসূত্র:
১. ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) প্রতিবেদন।
২. আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদন ২০২৫।
৩. মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএসএস মাসিক প্রতিবেদন।
৪. দ্য ডেইলি স্টার অনলাইন ও প্রিন্ট আর্কাইভ।
৫. বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও গণমাধ্যম গবেষণা রিপোর্ট।

Ads small one

কলারোয়ায় আধুনিক মৎস্য ও গবাদিপশু পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় আধুনিক মৎস্য ও গবাদিপশু পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আধুনিক মৎস্য ও গবাদিপশু চাষে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক একদিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ ব্রজবাকসা বাজারে ‘নিউ হোপ পোল্ট্রি এন্ড ফিস ফিড’-এর পরিবেশক মেসার্স হাফিজ ট্রেডার্স-এর উদ্যোগে এবং এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের সার্বিক সহায়তায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় এলাকার প্রায় ৪০ জন নিবন্ধিত ও স্থানীয় মৎস্য চাষী অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে চাষীদের গুণগত মানসম্মত ওষুধ ও সাপ্লিমেন্টের সঠিক ব্যবহার বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তাবৃন্দ। প্রশিক্ষণ প্রদানকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার আকরামুল কবীর, সহকারী ম্যানেজার সাজ্জাদ আরেফিন এবং সিনিয়র অফিসার রবিউল ইসলাম। অনুষ্ঠানটির সার্বিক সমন্বয়ে ছিলেন- কলারোয়ার মার্কেটিং অফিসার রবিউল ইসলাম।

 

 

শহরের কামালনগর: নোংরা পানি মাড়িয়েই স্কুলে যাচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
শহরের কামালনগর: নোংরা পানি মাড়িয়েই স্কুলে যাচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

সংবাদদাতা: সামান্য বৃষ্টি হলেই যেন নরকযন্ত্রণায় পরিণত হয় কামালনগর উদয়ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় সংলগ্ন রাস্তাটি। ড্রেন উপচে আসা কাদা আর নোংরা পানিতে একাকার হয়ে পড়া এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে বিদ্যালয়টির কোমলমতি শিক্ষার্থীদের।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটিতে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। রাস্তার পাশ ঘেঁষে থাকা ড্রেনের দূষিত ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি সরাসরি সড়কে ছড়িয়ে পড়ছে। চলাচলের বিকল্প কোনো পথ না থাকায় প্রতিদিন সকালে এই নোংরা পানি মাড়িয়েই ক্লাসে যেতে বাধ্য হচ্ছে ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা।

 

দীর্ঘদিন ধরে জমা এই দূষিত পানির সংস্পর্শে আসায় শিক্ষার্থীদের চর্মরোগ, ঘা-পাঁচড়াসহ নানা পানিবাহিত রোগের উপদ্রব দেখা দেওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্কুলের পোশাকে নোংরা পানি ছিটকে কাদা লেগে যাওয়া এখন নিত্যদিনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় অভিভাবক ও বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটির বেহাল দশা হলেও তা নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

 

কাদা ও নোংরা পানির মধ্য দিয়ে সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে প্রতি মুহূর্তে দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়।

এ অবস্থায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে এবং চলাচলের পথ সুগম করতে সড়কটি দ্রুত সংস্কার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার সঠিক সমাধানের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

 

 

তালায় নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নে নাগরিক সমাজ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
তালায় নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নে নাগরিক সমাজ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালায় নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নে নাগরিক সমাজ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে তালা উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি হলরুমে একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং ভূমিজ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলন উপলক্ষে সকালে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালি শেষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।

ভূমিজ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং নির্বাহী প্রধান অচিন্ত্য সাহা ও সুশীল প্রকল্প-একশনএইডের প্রজেক্ট ম্যানেজার মৌসুমী বিশ্বাসের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. মাহমুদুল হক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তালা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও সাতক্ষীরা জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুল নাহার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাজিরা খাতুন, সমতা ফোরাম ও সিএসও হাবের সভাপতি আনিছুর রহমান, সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন জোয়ারদার এবং তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার প্রমুখ।

এ সময় শিক্ষক, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সমতা ফোরাম ও সিএসও হাবের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়ন বিষয়ক একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা বলেন, নারীর অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন জরুরি। তারা নারীদের জন্য বরাদ্দকৃত বিশেষ তহবিলের স্বচ্ছ ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সিদ্ধান্ত গ্রহণের সকল পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়ন বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।