শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

কলারোয়া পৌরসভার পশুহাট মোড়, ২বছর ধরে মরণফাঁদে লাখো মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ
কলারোয়া পৌরসভার পশুহাট মোড়, ২বছর ধরে মরণফাঁদে লাখো মানুষ

সংবাদদাতা: পৌরসভা আছে ঠিকই, কিন্তু জনগণের ভোগান্তি লাঘবে কিংবা নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের কোনো তৎপরতা নেই। সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রধান সড়ক দীর্ঘ দুই বছর ধরে চরম সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বিশেষ করে কলারোয়া পশুহাট মোড়ের এই স্থানটির পিচ-খোয়া পুরোপুরি উঠে গিয়ে বিশাল ও গভীর খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে, যা বর্তমানে নোংরা পানির এক স্থায়ী ‘কৃত্রিম পুকুরে’ এবং পথচারীদের জন্য এক ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।

 

দীর্ঘ দুই বছর ধরে এই নরকযন্ত্রণা সহ্য করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ। সামান্য বৃষ্টি হোক বা না হোক, ড্রেনেজ ব্যবস্থার চরম ত্রুটি ও রাস্তার মাঝখানে বিশাল গর্তের কারণে এখানে বারো মাসই নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি জমে থাকে। এই জলমগ্ন মরণফাঁদে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত পড়ে যাচ্ছে ভ্যান, ইজিবাইক, মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল। প্রায় প্রতিদিনই এখানে উল্টে যাচ্ছে পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী যানবাহন, ঘটছে ছোট-বড় নানা দুর্ঘটনা।

 

কলারোয়া পশুহাট মোড়টি এখন সাধারণ পথচারী ও চালকদের জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম। ভুক্তভোগী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, কলারোয়া পশুহাট মোড়টি অত্র অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্থনৈতিক কেন্দ্র। এখানে প্রতি সপ্তাহে বিশাল পশুর হাট বসে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শত শত ব্যবসায়ী ও খামারিরা আসেন। কিন্তু রাস্তার এই মরণফাঁদের কারণে কোনো যানবাহনে করে পশু নিয়ে ওই স্থানটুকু পার হওয়া সম্ভব হয় না।

 

অনেক সময় পশু বোঝাই ভ্যান বা গাড়ি গর্তে উল্টে গিয়ে পশু মারাত্মক জখম হয়। ফলে ব্যবসায়ী ও খামারিদের চরম লোকসান ও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে স্থানীয় অর্থনীতিতে। রাস্তার এই বেহাল দশার কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে স্থানীয় বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। এই নোংরা পানি ও কাদার ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিনিয়ত দ্রুতগামী যানবাহনের চাকায় ময়লা পানি ছিটকে তাদের স্কুল ইউনিফর্ম, বই-খাতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

 

প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীদের পরিচ্ছন্ন পোশাক কাদায় একাকার হওয়ার ঘটনা ঘটছে। বাধ্য হয়ে অনেক শিক্ষার্থীকে জুতো-মোজা হাতে নিয়ে নোংরা কাদা-পানি মাড়িয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক ও দুঃখজনক। স্থানীয় ব্যবসায়ী, চালক ও পথচারীদের অভিযোগ-পৌর কর্তৃপক্ষ জনগণের এই চরম অসুবিধা ও নিত্যদিনের ভোগান্তি দেখেও না দেখার ভান করে অন্ধ সেজে আছে।

 

মাসের পর মাস পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঠিকই জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বেতন তুলছেন, কিন্তু এই জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তার বেহাল দশা ও মরণফাঁদ দূর করার কোনো উদ্যোগ নেই। ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকাবাসী বলেন, কলারোয়া পৌরসভা এখন জনগণের সেবা দেওয়ার চেয়ে কেবলই এক ‘নামসর্বস্ব’ সংস্থায় পরিণত হয়েছে। পৌর কর্তৃপক্ষের এমন চরম উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা।

 

এই দীর্ঘস্থায়ী ভোগান্তি ও মরণফাঁদ থেকে মুক্তি পেতে এবং কলারোয়া পশুহাট মোড়ের এই বিপজ্জনক স্থানটি দ্রুত জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারের জন্য কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরিফুল ইসলামের সরাসরি হস্তক্ষেপ ও সুদৃষ্টি কামনা করেন ভুক্তভোগী পথচারী, ব্যবসায়ী এবং সচেতন এলাকাবাসী।

 

এ বিষয়ে শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতা প্রকাশ করেন। তিনি পথচারী ও ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে বলেন, “জনসাধারণের ভোগান্তির বিষয়টি আমি জেনেছি। জনস্বার্থে ওই বিপজ্জনক স্থানটি দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” ইউএনও’র এমন আশ্বাসে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন কলারোয়ার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানী পন্য আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানী পন্য আটক

পত্রদূত ডেস্ক: শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ কুশখালি, কাকডাঙ্গা ও মাদরা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, কসমেটিক্স, জিরা ও কাজুবাদাম এবং মদ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কুশখালি বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার চৌরঙ্গী হতে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ৯ হাজার টাকার ভারতীয় মদ আটক করে।
এছাড়াও, মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বারেকের মোড় হতে ১৬ হাজার ৭৭৮ টাকার ভারতীয় কসমেটিক্স, জিরা ও কাজুবাদাম আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২ লাখ ৫ হাজার ৭৭৮ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

কয়রায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
কয়রায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: বিএনপি সরকার সবসময় পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে আন্তরিক। দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি, বনভূমি সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

 

স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সড়কের পাশে, খাল-বিলের তীরে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে চারা বিতরণ ও সরকারি স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির চেয়ারম্যান, দেশের প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৫ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে মন্তব্য করেছেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব, জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।

বৃক্ষমেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি সরদার মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় কয়রার বেদকাশী কাছারীবাড়ী ঐতিহ্যবাহী বটতলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় এই অঞ্চলে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সবাই মিলে নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা, রাস্তার পাশে ও পতিত জমিতে বেশি করে গাছ লাগাই। সরকারের পাশাপাশি আমাদেরকেও এই অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে হবে। ঘূর্ণিঝড় সহ পরিবেশের বায়ুদূষণ, বন্যা, খরতাপ, নদীভাঙ্গন রোধ, বজ্রপাত প্রতিরোধে বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ। তেমনি সবুজায়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই বাংলাদেশ গড়তে বৃক্ষরোপণ প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, কয়রা-পাইকগাছার অর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আধুনিক ছোঁয়া শুধুই নয় অত্যাধুনিক ভাবে এই অঞ্চল কে গড়ে তুলতে চাই। এই অঞ্চলের জন্য ইতিমধ্যে হাসপাতাল, স্টেডিয়াম, স্কুল, কলেজের নতুন নতুন ভবনের বরাদ্দ দিয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো কে জাতীয় জাতীয়করনে কাজ করছি, অনেক গুলোর যৌক্তিকতার আলোকে চিঠি ইস্যু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো জাতীয়করণ হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি পাইকগাছা উপজেলা বিএনপি আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম শামীম কবির, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, জেলা জাসাস আহবায়ক শহিদুল ইসলাম সহিদ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মনিরুজ্জামান বেল্টু, জি এম মাওলা বক্স, শরিফুল আলম, আব্দুস সামাদ, প্রফেসর আবুল কালাম, জিএম রফিকুল, হাবিবুর রহমান, নাজমুল হুদা, সালাউদ্দিন লিটন, সাইফুজ্জামান, আইয়ুব আলী, রওশন মোল্লা, গোলাম রসুল, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জিএম রাসেল ইসলাম, জাহিদুর রহমান শোভন, পীর আলী, মোহতাসিম বিল্লাহ, জামাল জাফরিন, ডিএম হেলালউদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ কাজল, আরিফ বিল্লাহ সবুজ, মামুন হাসান, এহসানুল ইছান, জুবায়ের হোসেন প্রমুখ।

বৃক্ষ মেলায় আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

উত্তর বেদকাশি ঐতিহ্যবাহী বৃক্ষ মেলা ২৬ বছর ধরে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। মেলায় উপজেলার বিভিন্ন নার্সারি শতাধিক স্টলে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছ নিয়ে অংশগ্রহণ করে। মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করে জেলা পরিষদ প্রশাসক প্রদর্শিত চারা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদ বৃক্ষ মেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

এরপরে তিনি কয়রার সেন্ট্রাল হাসপাতাল উদ্বোধন করেন এবং কয়রা উপজেলা জামে মসজিদে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ক্লাসভিত্তিক ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ক্লাসভিত্তিক ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

মাসুদ রানা: ‎বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার অন্তর্গত স্কুল বিভাগের উদ্যোগে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাসভিত্তিক ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে।

‎শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮:৩০ মিনিটে স্কুল বিভাগের পরিচালক তাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি রেদোয়ান কবির তাজিমের সঞ্চালনায় আয়োজিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা শহর শাখার প্রকাশনা সম্পাদক মো. মাসুদুজ্জামান।

‎উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি মো. মাসুদুজ্জামান বলেন, “শিক্ষার্থীদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; সৎ, যোগ্য ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে শারীরিক সুস্থতা ও মেধা বিকাশের বিকল্প নেই। মাদক ও অনৈতিক কর্মকান্ড থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে খেলাধুলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষার্থীদের নৈতিক চরিত্রের পাশাপাশি শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইসলামী ছাত্রশিবির সর্বদা এ ধরনের গঠনমূলক উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।”

‎উদ্বোধনী ম্যাচে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণীর দলগুলো উৎসবমুখর পরিবেশে অংশ নেয়। খেলা দেখতে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের উপস্থিতি মাঠে এক প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি করে