মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

কলারোয়া পৌরসভা: উন্নত সড়কের মাঝে ৪০০ মিটারের দুর্ভোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
কলারোয়া পৌরসভা: উন্নত সড়কের মাঝে ৪০০ মিটারের দুর্ভোগ

0-4024x1784-0-0-{}-0-12#bokehtype:0#;ts:3590044044000;appts:1782871592151;qlty:1;;illum:2 scene:0 humanIn:0;

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া পৌরসভা এলাকার হাসপাতাল সড়কের নজরকাড়া ইউনিব্লক রাস্তাটি যেখানে শেষ হয়েছে, ঠিক সেখান থেকেই শুরু হয়েছে সাধারণ মানুষের চরম দুর্ভোগ। পশ্চিমমুখী এই সড়কের কদম আলী মেসের সামনের অংশ থেকে পৌরসভার শেষ প্রান্ত কানিপাড়া পর্যন্ত প্রায় ৪০০ মিটার রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সড়কের দুই পাশেই উন্নত ও চলাচল উপযোগী রাস্তা থাকলেও মাঝখানের এই ভাঙা অংশটি এখন পথচারী ও যানবাহন চলাচলের বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সড়কটি সংস্কারের দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পৌর কর্তৃপক্ষ ও উপজেলার আইনশৃঙ্খলা সভায় বিষয়টি একাধিকবার তুলে ধরা হয়েছে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক বিষয়টি অবগত হয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।
বর্তমানে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানিতে এসব গর্ত ভরে যাওয়ায় রাস্তাটি প্রায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীসহ শত শত মানুষ চরম ভোগান্তির মধ্য দিয়ে এই পথ ব্যবহার করছেন।

সীমান্তবর্তী চন্দনপুর ইউনিয়নের কাঁঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা আতাউর রহমান জানান, মোটরসাইকেল নিয়ে এই ৪০০ মিটার ভাঙা রাস্তা পার হতে ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় লেগে যায়। থ্রি-হুইলার বা ইজিবাইকের যাত্রীদের যে পরিমাণ ঝাঁকুনি সহ্য করতে হয়, তা অবর্ণনীয়। স্থানীয় বাসিন্দা রমজান আহমেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বছরের পর বছর এই সড়কের প্রতি যে অবহেলা দেখানো হয়েছে, তা অত্যন্ত হতাশাজনক। দেখে মনে হয়, সড়কটির দুর্দশা দেখার কেউ নেই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন, খুব দ্রুতই এই রাস্তাটি সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করা হবে এবং পরবর্তীতে এখানে কার্পেটিংয়ের কাজও করা হবে।

Ads small one

কলারোয়ায় তিন দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম বাড়ায় বিপাকে ক্রেতারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় তিন দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম বাড়ায় বিপাকে ক্রেতারা

কলারোয়া প্রতিনিধি: মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হাটবাজারগুলোতে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন নি¤œ ও মধ্যবিত্ত আয়ের সাধারণ ক্রেতারা। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি, দেশের বিভিন্ন পাইকারি আড়তে দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কলারোয়া বাজার ও সরসকাটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ১৫ টাকা বেড়ে বর্তমানে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা তিন দিন আগেও ছিল ৩৫ টাকা। অন্যদিকে কেজিপ্রতি ১০ টাকা বেড়ে রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, যা আগে ছিল ৭০ টাকা।

নিত্যপণ্যের বাজারে কেনাকাটা করতে আসা ভ্যানচালক রসুল আমিন ও ক্রেতা মনিরুজ্জামান জানান, আদা, আলুসহ সব পণ্যের দাম প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকায় সীমিত আয়ের মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে তদারকি বাড়ানোর দাবি জানান তাঁরা।

মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে কলারোয়া বাজারের আড়তদার আলাউদ্দিন ও বিক্রেতা আবুল কাশেম জানান, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন আড়ত এবং বর্ষা মৌসুমের কারণে সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকায় দেশি পেঁয়াজের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। কলারোয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শওকত হোসেন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, মৌসুমের প্রভাব কেটে গেলে ও আমদানি স্বাভাবিক হলে বাজার দর পুনারায় কমে আসবে।

 

 

ময়নাতদন্ত শেষে ফারজানার মরদেহ বাড়িতে পৌঁছাতেই হাজারো মানুষের ঢল, শোকে স্তব্ধ এলাকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
ময়নাতদন্ত শেষে ফারজানার মরদেহ বাড়িতে পৌঁছাতেই হাজারো মানুষের ঢল, শোকে স্তব্ধ এলাকা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের কাশিবাটি গ্রাম যেন মঙ্গলবার শোকের জনপদে পরিণত হয়। তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ফারজানা খাতুনের ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ বিকালে বাড়িতে পৌঁছালে তাকে একনজর দেখতে হাজার হাজার মানুষ ভিড় করেন। স্বজনদের আহাজারি আর এলাকাবাসীর কান্নায় পুরো গ্রামে নেমে আসে হৃদয়বিদারক পরিবেশ।

ফারজানার মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর খবর ছড়িয়ে পড়তেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ তার বাড়িতে ছুটে আসেন। ছোট্ট এই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় উপস্থিত সবাই গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

স্বজনরা বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “আমাদের ফারজানাকে আর ফিরে পাব না। কিন্তু যারা এই নির্মম ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।”

এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ফারজানার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। তারা নিহতের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।

ফারজানার মৃত্যুতে পুরো নলতা ইউনিয়নজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এমন হৃদয়বিদারক ঘটনায় তারা আগে কখনও এত মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি দেখেননি। ছোট্ট ফারজানার শেষ বিদায়ে মানুষের এই ঢল তার প্রতি সবার ভালোবাসা ও ঘটনার প্রতি গভীর ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ।

উল্লেখ্য, কালিগঞ্জের নলতা ইউনিয়নের কাশিবাটি গ্রামে কানের স্বর্ণের দুলের লোভে ফারজানা (৯) নামে তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে অভিযুক্ত সুমা বেগম নামের এক নারী নিহত হয়।

সোমবার (২০ জুলাই) রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু ফারজানা কাশিবাটি গ্রামের খান এনামুলের মেয়ে এবং স্থানীয় কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।

সকালে ফারজানা স্কুলে গিয়ে স্কুলের সামনের এক ঝালমুড়ির দোকানে যায়। দোকানটি পরিচালনা করতেন স্থানীয় আমিরুলের স্ত্রী সুমা বেগম। ফারজানার কানের স্বর্ণের দুলের লোভে সুমা তাকে কৌশলে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটির হাত-পা ও মুখ বেঁধে একটি ওয়ারড্রোবের ভেতর আটকে রেখে হত্যা করা হয় এবং মরদেহটি সেখানেই লুকিয়ে রাখা হয়।

 

কলারোয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ক্লিনিকে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ক্লিনিকে জরিমানা

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ক্লিনিক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কলারোয়া উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়ন এর মা জননী নার্সিং হোম এবং মাতৃকল্যাণ ক্লিনিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম।

 

এ সময় ক্লিনিকে সরকারি অনুমোদন না থাকায়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং অনুমোদিত ডাক্তার না থাকায় উভয় প্রতিষ্ঠানকে মেডিকেল প্র্যাকটিস এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ- ১৯৮২ অনুযায়ী পাঁচ হাজার করে সর্বমোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সাথে ক্লিনিকের সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

 

আদালত পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. বাপ্পি কুমার দাস, বেঞ্চ সহকারী এমএ মান্নানসহ থানা পুলিশের সদস্যবৃন্দ। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম।