রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পল্লী উন্নয়ন দিবস: টেকসই আগামীর ভিত্তি ও গ্রামীণ সমৃদ্ধি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পল্লী উন্নয়ন দিবস: টেকসই আগামীর ভিত্তি ও গ্রামীণ সমৃদ্ধি

সাকিবুর রহমান বাবলা

মানবসভ্যতার শেকড় প্রোথিত রয়েছে গ্রামীণ জনপদে। কৃষি, খাদ্য উৎপাদন, সংস্কৃতি এবং সামাজিক সংহতির প্রাথমিক কেন্দ্রবিন্দু হলো গ্রাম। আধুনিক নগরায়ণের যুগেও পৃথিবীর বিশাল জনগোষ্ঠী গ্রামাঞ্চলে বসবাস করে, যারা বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রধান চালিকাশক্তি। এই বাস্তবতাকে স্বীকৃতি দিয়ে জাতিসংঘ প্রতি বছর ৬ জুলাইকে ‘বিশ্ব পল্লী উন্নয়ন দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছে।

এই দিবসের সাথে বাংলাদেশের এক গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। ১৯৭৯ সালের ৬ জুলাই ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় ‘সেন্টার অন ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক’। এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সম্মান জানিয়েই ৬ জুলাইকে বেছে নেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে বাংলাদেশসহ ছয়টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত কোর গ্রুপের প্রস্তাবটি ৪৩টি সদস্য রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় গৃহীত হয়। এটি বহুপাক্ষিক সহযোগিতার এক অনন্য নিদর্শন।

বিশ্বের প্রায় ৮০ শতাংশ দরিদ্র মানুষ গ্রামে বাস করে, অথচ তারাই বিশ্বের ৮০ শতাংশ খাদ্য উৎপাদন করে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী, দেশে মোট গ্রামের সংখ্যা ৮৭,৩১৯টি এবং মোট জনসংখ্যার ৬৮.৩৪ শতাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করে। জাতীয় জিডিপিতে কৃষিখাতের সরাসরি অবদান প্রায় ১১.২ শতাংশ। দেশের মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের প্রায় ৬৩ শতাংশ গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত। যদিও মোট কর্মসংস্থানের ৪০.৫৩ শতাংশ কৃষি ও প্রাণিজ খাতে যুক্ত, তথাপি কুটির শিল্প, গ্রামীণ ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রবাসী আয়ের মাধ্যমে অকৃষি খাত গ্রামীণ অর্থনীতিতে ক্রমশ বড় ভূমিকা রাখছে।

জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তিগত বৈষম্য এবং বিনিয়োগ সংকটের কারণে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পল্লী উন্নয়ন অপরিহার্য। দারিদ্র্য বিমোচন, ক্ষুধা মুক্তি, জেন্ডার সমতা এবং জলবায়ু অভিযোজনের প্রতিটি লক্ষ্যই সরাসরি গ্রামীণ উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত। বর্তমানে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি; তাই শহর ও গ্রামের মধ্যকার ডিজিটাল বিভাজন কমিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি ও অনলাইন সেবার প্রসারে এই দিবস বিশেষ গুরুত্ব দেয়। কৃষি খাতে নারীদের অংশগ্রহণ দীর্ঘদিন ধরেই স্বীকৃত, তথাপি ৪৩ শতাংশ অবদান থাকা সত্ত্বেও ভূমি, ঋণ ও প্রযুক্তিতে তাদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।”

“দিবসটির আন্তর্জাতিক প্রস্তাবক হিসেবে বাংলাদেশ আজ গর্বিত। সরকারের ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’ রূপকল্প, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সমন্বিত উদ্যোগ ও কৃষি আধুনিকায়ন এই দিবসের দর্শনের সাথে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ৬ জুলাইকে ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস’ হিসেবে ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত করে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবারই প্রথম দিবসটি পালিত হচ্ছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন অধিদপ্তর মাঠপর্যায়ে দিবসটি পালনের মাধ্যমে পল্লী উন্নয়নের তাৎপর্য তৃণমূল মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।”

আজ যখন পৃথিবী জলবায়ু সংকট ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখে, তখন পল্লী উন্নয়নকে প্রান্তিক বিষয় হিসেবে দেখার অবকাশ নেই। টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায্যতা ও সমৃদ্ধ বিশ্ব গড়ে তুলতে গ্রামকে উন্নয়নের মূল কেন্দ্রে আনতেই হবে। বিশ্ব ও জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ন্যায্যতা, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির পক্ষে একটি বলিষ্ঠ বৈশ্বিক অঙ্গীকার। গ্রামের মানুষের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করার মাধ্যমেই একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক বিশ্ব গঠন সম্ভব।

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।