বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী ইউয়ান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী ইউয়ান

চীনের মুদ্রা রেনমিনপি বা ইউয়ান মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১৭ পিপস বেড়ে ৬ দশমিক ৮১৩০-এ দাঁড়িয়েছে। বুধবার এ তথ্য দিয়েছে চীনের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা।

চীনের স্পট বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে প্রতিদিন কেন্দ্রীয় মধ্যমূল্যের তুলনায় ইউয়ান সর্বোচ্চ ২ শতাংশ পর্যন্ত ওঠানামা করতে পারে।

এই কেন্দ্রীয় হার নির্ধারণ করা হয় আন্তঃব্যাংক বাজার খোলার আগে বাজার-নির্ধারকদের দেওয়া দরগুলোর গড়ের ভিত্তিতে।

সূত্র: সিএমজি

Ads small one

লিচু টাটকা না রাসায়নিক মেশানো, বুঝবেন যেভাবে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ণ
লিচু টাটকা না রাসায়নিক মেশানো, বুঝবেন যেভাবে

গরমে রসালো লিচুর চাহিদা বাড়তেই বাজারে দেখা যায় নানা ধরনের লিচু। তবে সব লিচু যে সমান ভালো বা নিরাপদ, তা নয়। অনেক সময় ফলকে বেশি টাটকা ও আকর্ষণীয় দেখাতে কৃত্রিম রং বা রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। তাই লিচু কেনার আগে কিছু সহজ বিষয় খেয়াল করলে ভালো, মিষ্টি ও তুলনামূলক নিরাপদ লিচু বেছে নেওয়া সহজ হয়।

লিচু কেনার সময় প্রথমেই ফলের রঙের দিকে নজর দিন। সাধারণত টাটকা ও পাকা লিচুর রং উজ্জ্বল লাল বা হালকা গোলাপি হয়। তবে অতিরিক্ত চকচকে বা অস্বাভাবিক উজ্জ্বল রং থাকলে সতর্ক হওয়া ভালো। খোসার গায়ে বেশি কালো বা বাদামি দাগ থাকলে বুঝতে হবে ফলটি পুরোনো বা নষ্ট হতে শুরু করেছে।

লিচুর খোসা হাত দিয়ে আলতো চাপ দিয়েও এর অবস্থা বোঝা যায়। ভালো লিচু সাধারণত সামান্য শক্ত কিন্তু কিছুটা নমনীয় অনুভূত হয়। খুব বেশি শক্ত হলে সেটি কাঁচা হতে পারে, আবার অতিরিক্ত নরম হলে ভেতরের অংশ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

খোসার গঠনও গুরুত্বপূর্ণ। লিচুর গায়ে থাকা ছোট ছোট উঁচু অংশগুলো যদি সমান ও কিছুটা ছড়ানো হয়, তাহলে ফলটি পরিপক্ব হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। খোসায় ছোট ছিদ্র বা ফাটল থাকলে সেই লিচু না কেনাই ভালো, কারণ এতে পোকা বা নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।

সবসময় ডালসহ বা গুচ্ছ আকারে থাকা লিচু কেনার চেষ্টা করুন। এতে ফল তুলনামূলক বেশি সময় টাটকা থাকে। যদি ডাল একেবারে শুকিয়ে যায় বা সহজে ভেঙে পড়ে, তাহলে বুঝতে হবে লিচু অনেক আগে পাড়া হয়েছে।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কি লিচু খাওয়া নিরাপদ
লিচুর গন্ধ থেকেও এর মান বোঝা যায়। টাটকা লিচুতে সাধারণত হালকা মিষ্টি সুবাস থাকে। কিন্তু টক বা ফারমেন্টেড ধরনের গন্ধ পাওয়া গেলে সেটি এড়িয়ে চলা ভালো, কারণ ফলটি নষ্ট হতে শুরু করেছে।

আকার ও ওজনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গোল বা ডিম্বাকৃতির এবং তুলনামূলক ভারী লিচু সাধারণত বেশি রসালো হয়। চ্যাপ্টা বা অস্বাভাবিক আকৃতির লিচুতে অনেক সময় বীজ বড় এবং শাঁস কম থাকে।

কৃত্রিম রং ব্যবহার করা হয়েছে কি না, সেটিও সহজে বোঝা যায়। লিচু হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ রাখার পর যদি হাতে রং লাগে বা সামান্য পানি লাগালে রং উঠে আসে, তাহলে সেটি না কেনাই ভালো। প্রাকৃতিকভাবে পাকা লিচু সাধারণত অতিরিক্ত চকচকে বা একদম নিখুঁত দেখায় না।

লিচু খাওয়ার আগে কিছুক্ষণ ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ময়লা ও কিছু রাসায়নিক দূর হতে পারে। খোসা ছাড়ানোর পর দ্রুত খেয়ে ফেলা ভালো। অনেকক্ষণ ছিলে রাখা লিচু না খাওয়াই নিরাপদ।

লিভার ভালো রাখতে প্রতিদিন পান করুন এই পানীয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
লিভার ভালো রাখতে প্রতিদিন পান করুন এই পানীয়

অনেক মানুষের দিনের শুরুই হয় এক কাপ কফি দিয়ে। ব্যস্ত কাজের মাঝে ক্লান্তি দূর করা থেকে শুরু করে মন সতেজ রাখতেও কফির ওপর ভরসা করেন অনেকে। তবে দীর্ঘদিন ধরেই কফিকে ঘিরে নানা স্বাস্থ্যঝুঁকির আলোচনা রয়েছে। যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে, সমস্যার মূল কারণ সবসময় কফি নয়, বরং কফির সঙ্গে মেশানো অতিরিক্ত চিনি ও প্রসেসড উপাদান।

চিকিৎসক ডা. সৌরভ শেঠি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় বলেন, সাধারণ ব্ল্যাক কফি বরং লিভারের জন্য উপকারী হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ব্ল্যাক কফি পান ফ্যাটি লিভার, লিভার ফাইব্রোসিস এমনকি সিরোসিসের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে।

তার মতে, সমস্যা তৈরি হয় তখনই, যখন কফির সঙ্গে অতিরিক্ত ফ্লেভার, সিরাপ, হুইপড ক্রিম বা অতিরিক্ত প্রসেসড ক্রিমার যোগ করা হয়।

ডা. শেঠি বলেন, অনেক সময় মানুষ এমন ধরনের ফ্লেভারড লাতে বা মিষ্টি কফি পান করেন, যেখানে কফির চেয়ে চিনি বেশি থাকে। বিশেষ করে অতিরিক্ত ফ্রুক্টোজযুক্ত চিনি সরাসরি লিভারে গিয়ে চর্বি জমার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

অতিরিক্ত চিনি কেন ক্ষতিকর
বিশেষজ্ঞদের মতে, কফির সঙ্গে অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ করলে শরীরে হঠাৎ শক্তি বাড়ার অনুভূতি তৈরি হয়, তবে কিছু সময় পর আবার দ্রুত ক্লান্তি চলে আসে। এতে আরও মিষ্টি খাবারের প্রতি আকর্ষণ বাড়তে পারে।

এ ছাড়া দীর্ঘদিন অতিরিক্ত চিনি খেলে শরীরে প্রদাহ বাড়তে পারে, কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বাড়তে পারে এবং হৃদযন্ত্রের ওপরও চাপ তৈরি হতে পারে।

তাহলে কীভাবে কফি পান করবেন
চিকিৎসকদের পরামর্শ হলো, কফি পান করতে চাইলে যতটা সম্ভব কম চিনি ব্যবহার করা ভালো। ব্ল্যাক কফি বা অল্প দুধ মেশানো কফি তুলনামূলক ভালো বিকল্প হতে পারে। সবচেয়ে ভালো হয় দুধ-চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি খেলে।

দৈনিক কতটা চিনি খাওয়া উচিত, কীভাবে সচেতন থাকবেন
অনেক বাজারজাত ওট মিল্ক বা আমন্ড মিল্কেও অতিরিক্ত চিনি থাকে। তাই এসব ব্যবহারের আগে লেবেল দেখে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

চিনি ব্যবহার করতেই হলে অল্প পরিমাণে ব্যবহার করা উচিত। বিকল্প হিসেবে স্টেভিয়া বা মঙ্ক ফ্রুট ব্যবহার করা যেতে পারে।

কফির স্বাদ বাড়ানোর স্বাস্থ্যকর উপায়
চিনি ছাড়াও কফির স্বাদ ও ঘ্রাণ বাড়ানোর কিছু স্বাস্থ্যকর উপায় রয়েছে। যেমন-

কফির সঙ্গে দারুচিনি, জায়ফল বা এলাচ গুঁড়া যোগ করা
চিনি ছাড়া কোকো পাউডার ব্যবহার করা
কয়েক ফোঁটা ভ্যানিলা এক্সট্র্যাক্ট যোগ করা
এসব উপাদান কফিকে সুগন্ধি ও সুস্বাদু করে তুলতে পারে, আবার অতিরিক্ত চিনি গ্রহণের ঝুঁকিও কমায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিমিত পরিমাণে ব্ল্যাক কফি সাধারণত ক্ষতিকর নয়। বরং এটি লিভারসহ শরীরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে কফির সঙ্গে অতিরিক্ত চিনি ও প্রসেসড উপাদান যোগ করার অভ্যাস স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই কফি পান করার ধরনেই আসল পার্থক্য তৈরি হয়।

ক্লাসরুম ছাড়িয়ে খুদে বিজ্ঞানীদের চোখ এবার ‘স্মার্ট কৃষি’তে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
ক্লাসরুম ছাড়িয়ে খুদে বিজ্ঞানীদের চোখ এবার ‘স্মার্ট কৃষি’তে

স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট এবং ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রতিযোগিতা শুরু কাল

পত্রদূত রিপোর্ট: সেদ্ধ চালের গন্ধ, মাটির সোঁদা সুবাস আর ল্যাবরেটরির টেস্টটিউবÑসব মিলিয়ে ক্লাসরুমের চেনা গ-ি পেরিয়ে একদল কিশোর এখন বুঁদ হয়ে আছে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নে। সাতক্ষীরার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখন টিফিনের আড্ডায় কিংবা ছুটির পরের অলস সময়েও চলছে তুমুল আলোচনা।

 

উদ্দেশ্য একটাইÑকেমন হবে ভবিষ্যতের ‘স্মার্ট কৃষি’? কীভাবে রাসায়নিক ছাড়া দীর্ঘদিন ভালো রাখা যাবে আমাদের ঘরের খাবার? অনেকেই সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার কীভাবে করা যায়? কীভাবে রোবটের সাহায্যে দ্রুত পণ্য সরবরাহ করা যায়? কীভাবে যুদ্ধ হানাহানি বন্ধ করে শান্তি স্থাপন করা যায়? কীভাবে গ্রীন হাউজ ইফেক্ট থেকে পৃথিবীকে বাঁচানো যায়-এসব নানা আবিস্কারের নেশায় এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে ক্ষদে শিক্ষার্থীরা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে সাতক্ষীরায় আয়োজন হতে যাচ্ছে “স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট এবং ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং” প্রতিযোগিতা। আর এই মেধা অন্বেষণের মঞ্চে নিজেদের সেরা উদ্ভাবন নিয়ে হাজির হতে দিন-রাত এক করে খাটছে বিভিন্ন স্কুলের একঝাঁক খুদে বিজ্ঞানী।

সাতক্ষীরা শহরের একটি বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানাগারে গিয়ে দেখা যায়, টেবিলজুড়ে ছড়ানো নানা রকম প্রজেক্টের নকশা। দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তৌসিফ মোস্তফা তাওসিফ, নবম শ্রেণীর আশেকুর রহমান আর অষ্টম শ্রেণীর খুদে সদস্য সাফওয়ান সিদ্দিকী বিনÑতিনজনের চোখেই নতুন কিছু করার দারুণ উত্তেজনা। তাদের এই স্বপ্নের পেছনে বাতিঘর হিসেবে কাজ করছেন বিদ্যালয়ের দুজন শিক্ষকÑমোহা. হুমায়ুন কবির এবং ইমরান হোসেন।

সাতক্ষীরার খুদে বিজ্ঞানীদের মূল লক্ষ্যÑ”স্মার্ট কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ”। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে কীভাবে কৃষকের শ্রম কমানো যায় এবং উৎপাদিত ফসল নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা যায়, তারই একটি দুর্দান্ত মডেল তৈরি করেছে এই তিন শিক্ষার্থী।

দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তৌসিফ মোস্তফা বলে, “আমরা এমন একটি ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছি, যা সাধারণ কৃষকদের একদম সাশ্রয়ী মূল্যে আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা দেবে।”

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, “পারফরমেন্স বেজড গ্রান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশন স্কিম”-এর আওতায় আগামী ১২জুন সকাল ৯টা থেকে স্থানীয় নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে এই বিজ্ঞান মেলা ও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আবুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়, মেলা প্রাঙ্গণে স্টল পরিদর্শনের জন্য প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন বিজ্ঞান শিক্ষকের নেতৃত্বে ৯ম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থীকে উপস্থিত থাকার অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী, ইতিমধ্যে প্রজেক্টের যাবতীয় বিবরণী ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে দ্য পোল-স্টার পৌর হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ। তবে স্কুলের দাপ্তরিক নথির চেয়েও এখন বড় হয়ে উঠেছে শিক্ষার্থীদের মেধার এই উন্মেষ।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এ ধরনের প্রতিযোগিতা কেবল একটি পুরস্কার জেতার লড়াই নয়, বরং শিক্ষার্থীদের ভেতরের সুপ্ত মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে জাগিয়ে তোলার মোক্ষম হাতিয়ার। আজকের এই ছোট ছোট আইডিয়াগুলোই হয়তো আগামী দিনের বাংলাদেশের কৃষি খাতের চেহারা বদলে দেবে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার এই প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবন দিয়ে বিচারকদের মন জয় করতে পারবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে নিজেরা নতুন কিছু তৈরি করতে পারার যে আনন্দ ও আত্মবিশ্বাস এই কিশোরদের চোখে-মুখে ফুটে উঠেছে, সেটাই এই আয়োজনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা।

সাতক্ষীরা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আলমগীর কবীর দৈনিক পত্রদূতকে বলেনÑ সারা দেশের ন্যায় সাতক্ষীরা জেলার সাতটি উপজেলায় শুক্রবার (১২ জুন) শুরু হচ্ছে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট এবং ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রতিযোগিতা। সাতক্ষীরা শহরের নবারুণ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে সদর উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এ প্রতিযোগিতার সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ১৮টি স্টল প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। কৃষি বিভাগের ৪জন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের প্রজেক্ট পর্যবেক্ষণ করবেন।