মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

তালায় ১৫ বছরের কিশোরীর বাল্যবিবাহে নিষেধাজ্ঞা, দুই পরিবারকে মুচলেকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
তালায় ১৫ বছরের কিশোরীর বাল্যবিবাহে নিষেধাজ্ঞা, দুই পরিবারকে মুচলেকা

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর বাল্যবিবাহের উদ্যোগ বন্ধ করে দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় বাল্যবিবাহের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে কিশোরী ও তার পরিবারের পাশাপাশি ছেলের পরিবারের কাছ থেকেও মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার তালা সদর ইউনিয়নের আটারই গ্রামের তপন দাশের ১৫ বছর বয়সী মেয়ে রিক্তা দাশের সঙ্গে ইসলামকাটি ইউনিয়নের ঘোনা দাশপাড়ার বাসুদেব কুমার দাশের (২৪) এর সঙ্গে বিয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

বিষয়টি জানতে পেরে তালা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয় থেকে উভয় পক্ষকে নোটিশ দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) উভয় পক্ষকে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা বাল্যবিবাহের উদ্যোগের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। একই সঙ্গে মেয়ের বিবাহযোগ্য বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিয়ে বা একসঙ্গে বসবাস না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে উভয় পক্ষকে নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং ভবিষ্যতে বাল্যবিবাহে জড়িত না হওয়ার বিষয়ে মুচলেকা নেওয়া হয়।

তালা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার জানান, বাল্যবিবাহের বিষয়টি জানার পর দুই পক্ষকে নোটিশ করা হয়। পরে নির্ধারিত দিনে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাল্যবিবাহ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং উভয় পক্ষের কাছ থেকে মুচলেকা গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ্য, মুচলেকায় কিশোরীর পরিবারের সদস্য, ছেলের পরিবারের সদস্য, সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রতিনিধি ও অন্যান্য সাক্ষীর স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এ উদ্যোগে এলাকায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা আরও বাড়বে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।

Ads small one

সাতক্ষীরায় বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন  

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন  

module: a; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: Auto; cct_value: 5562; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 156.34442; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~25: 0.0;

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা শহ‌রের নিম্নআয়ের মানুষ ও বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন এবং মৌলিক নগরসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সাতক্ষীরা সরকা‌রি ম‌হিলা ক‌লে‌জ সড়কে বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গ‌বেষণা প্রতিষ্ঠান বার‌সিক এবং শিক্ষা সংস্কৃ‌তি ও বৈ‌চিত্র্য রক্ষা টি‌ম আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এসব দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নাগরিক নেতা আব্দুস সামাদ, জি এম রেজা, ইটাগাছা বস্তির বাসিন্দা জাহানারা খাতুন, ফি‌রোজা বেগম, হা‌ফিজা খাতুন, কাজীপাড়া ব‌স্তির সা‌হিদা খাতুন,  বারসিক কর্মকর্তা গাজী মা‌হিদা মিজান প্রমুখ।

এসময় কাজীপাড়া ব‌স্তির সা‌হিদা খাতুন বলেন, আমরা নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হয়ে শহরে এসে আশ্রয় নিয়েছি। এই শহরের নোংড়া বোতল, পলিথিন, ময়লা ইত্যাদি সংগ্রহ করি। শহরকে পরিষ্কার-পরিছন্ন রাখি। কিন্তু আমাদের থাকার জায়গা নেই।

ইটাগাছা বস্তির জাহানারা বেগম বলেন, আমরা এখানে ভোট দেই। মানুষের বাড়িতে কাজ করি।  আমরা কাজ না করলে বা খাবার রান্না না করলে অনেকে খেতে পারেন না। কিন্তু আমাদের সবসময় ঘরবাড়ি ভাঙ্গার আতঙ্কে থাকতে হয়। আমরা আমাদের বাসস্থান, পানি, স্যানিটেশন ও আমাদের সন্তানদের জন্য শিক্ষার অধিকার চাই।

ভূ‌মিহীন নেতা আব্দুস সামাদ বলেন, উন্নয়নের নামে নিম্নআয়ের মানুষকে উচ্ছেদ নয়, তাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন নিশ্চিত করতে হবে। নগর পরিকল্পনায় স্থানীয় জলবায়ু বাস্তবতা, তাপঝুঁকি, আবাসন, নাগরিকসেবা, জীবিকা ও পরিবেশগত নিরাপত্তাকে সমন্বিত করার পাশাপাশি নিম্নআয়ের মানুষের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।

বারসিকের কর্মসূচি কর্মকর্তা গাজী মা‌হিদা মিজান বলেন, নগরের যেসব মানুষ প্রতিদিন নিজেদের শ্রমের মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন সেবা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখেন, তাদের জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করা শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি একটি টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলার প্রয়োজনীয় শর্ত।

মানববন্ধন থেকে বস্তিবাসীর নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসনের নিশ্চয়তা প্রদান, উচ্ছেদের পূর্বে পুনর্বাসন নিশ্চিতকরণ, নিম্নআয়ের মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, বস্তি এলাকায় নিরাপদ পানি, বিদ্যুৎ, স্যানিটেশন, ড্রেনেজ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সরকারি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে সহজ ও বৈষম্যহীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিতকরণ, বস্তি এলাকায় সবুজায়ন, খোলা জায়গা ও নগর কৃষির সুযোগ বৃদ্ধি, নিম্নআয়ের মানুষের জীবিকা ও কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন ও আয়বর্ধক কার্যক্রমে সহায়তা প্রদানের দাবি জানানো হয়।

তর্কে হেরে গিয়ে জীবনে জেতার আনন্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
তর্কে হেরে গিয়ে জীবনে জেতার আনন্দ

‎তারিক ইসলাম

‎প্রায় দুই হাজার বছর আগের কথা। তখন পৃথিবীজুড়ে রোমান সাম্রাজ্যের একচ্ছত্র অধিপতি ছিলেন সম্রাট মার্কাস অরিলিয়াস। দুনিয়ার সবচেয়ে ক্ষমতাধর এই মানুষটির জীবন দর্শনের একটি মূল কথাই ছিল—সব যুদ্ধে জেতার কোনো দরকার নেই। বিশেষ করে পরিবার, আপনজন আর বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে অনেক তর্কে বা বিবাদে জিতলেও মানুষ আসলে ভেতরে ভেতরে হেরে যায়। তাই ইচ্ছা করেই কিছু তর্কে হেরে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

‎আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এই উপলব্ধি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। বর্তমান ব্যস্ত ও যান্ত্রিক সময়ে আমরা প্রতিনিয়त নানা সম্পর্ক ও তর্কের মুখোমুখি হই। কর্মব্যস্ততার ক্লান্তি, সামাজিক চাপ কিংবা ব্যক্তিগত হতাশা—সবকিছু মিলিয়ে আমাদের সহনশীলতা দিন দিন কমে আসছে। ফলস্বরূপ, ছোটখাটো মতপার্থক্য মুহূর্তেই তীব্র তর্কে রূপ নেয়। স্বামী-স্ত্রী, ভাই-বোন, সন্তান কিংবা দীর্ঘদিনের বন্ধু—কাউকে ছাড় দেওয়ার মানসিকতা আজ যেন হারিয়ে যেতে বসেছে। প্রত্যেকেই প্রমাণ করতে চায় যে সে-ই সঠিক।

‎কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছি, এই জয় আসলে কার? স্বামী-স্ত্রীর কোনো তুচ্ছ ঝগড়ায় আপনি আপনার যুক্তির মারপ্যাচে সঙ্গীকে চুপ করিয়ে দিলেন। সাময়িকভাবে আপনার অহংকার হয়তো তৃপ্তি পেল, কিন্তু সঙ্গীটির মনে জমে উঠল কষ্টের এক অদৃশ্য পাহাড়। রক্তের সম্পর্কের আপনজনদের সঙ্গে তর্কে জিতে গেলেও দিন শেষে সম্পর্কগুলো বিবর্ণ হয়ে যায়। সম্পর্কের মূল ভিত্তি তো ভালোবাসা, বিশ্বাস আর ছাড় দেওয়ার মানসিকতা। সেখানে যুক্তির জয় মানেই ভালোবাসার পরাজয়।

‎মনোবিজ্ঞানীরাও বলেন, সম্পর্কে ‘জিততে চাওয়ার’ প্রবণতা দূরত্ব তৈরি করে। প্রতিটি মানুষের ভাবনা, দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্বাসের জগৎ আলাদা। তাই সব বিষয়ে একমত হওয়া অসম্ভব। যখন আমরা প্রতিটি তর্কে নিজের মত প্রতিষ্ঠা করতে চাই, তখন আসলে আমরা অপরপক্ষকে কোণঠাসা করে ফেলি। এতে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ নষ্ট হয়। এর চেয়ে অনেক সময় চুপ থাকা, প্রতিপক্ষের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং প্রয়োজনে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে তর্কে হার মেনে নেওয়া অনেক বেশি পরিপক্বতার পরিচয়।

‎মার্কাস অরিলিয়াসের এই দর্শন আমাদের শেখায়, জীবনের সব লড়াইয়ে জেতার প্রয়োজন নেই। কিছু যুদ্ধ থেকে সসম্মানে সরে দাঁড়ানোই বীরত্ব। ইচ্ছাকৃতভাবে প্রিয়জনদের সঙ্গে তর্কে হেরে যাওয়া মানে নিজের পরাজয় নয়, বরং সম্পর্ককে জয় করে নেওয়া। যখন আপনি সঙ্গীকে বা বন্ধুকে বলবেন, “আচ্ছা, তোমার কথাই ঠিক হলো,” তখন হেরে গিয়েও আপনি আসলে জিতে গেলেন—অর্জিত হলো একটি অমূল্য সম্পর্ক এবং মনের দীর্ঘস্থায়ী শান্তি।

‎তাই আসুন, প্রতিদিনের ছোটখাটো অহংকার আর তর্কের জেদ বিসর্জন দিই। আপনজনদের হাসিমুখে জায়গা করে দিই হৃদয়ে। কারণ দিন শেষে নিখুঁত যুক্তি বা বিজয়ের চেয়ে ভালোবাসার মানুষগুলোর সান্নিধ্য অনেক বেশি মূল্যবান। তর্কে হেরে গিয়েই হোক জীবনের আসল জয়।

‎

লেখক : তারিক ইসলাম, ‎সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি।

যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়ার কারণ জানালেন ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ
যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়ার কারণ জানালেন ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি হুমকির কারণেই যুক্তরাজ্যের একটি ঘাঁটি থেকে মার্কিন বি-১ বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার তিনি এ কথা বলেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

বিমানগুলো রাখা ছিল আরএএফ ফেয়ারফোর্ডে, যা ইউরোপে মার্কিন বোমারু বিমানের পছন্দের ঘাঁটি। সম্প্রতি ইরানে মার্কিন হামলায় বিমানগুলো ব্যবহৃত হয়েছে। গত সপ্তাহে ঘাঁটিটির কাছে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রস্তুতির সন্দেহে পাঁচ ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস আগে ঘাঁটিটিকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু বলেছিলো।

সোমবার সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, আমাদের ধারণা ছিলো যে একটি হুমকি থাকতে পারে, আর আমি কেন সেগুলো সেখানে রেখে দেব? সরিয়ে নিতে খুব সামান্য খরচ হয়। তাই আমাদের হুমকি ছিলো, আর হুমকি পেলে আমরা শুধু সরিয়ে নিই, এতে বিষয়টি কিছুটা সামাল দেওয়া যায়। আর যারা হুমকি দিয়েছে, তাদের আমরা আসলে চিনি। এসব ব্যক্তির সঙ্গে ইরানের যোগ আছে কিনা জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, তাদের যোগ ইরানের সঙ্গেই থাকবে।

এর আগে সোমবার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, সতর্কতার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বোমারু বিমান সরিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা কিছুটা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই মনে করি, ইরানি রাষ্ট্র ৪৯ বছর ধরে যা করে আসছে, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, তারা সেটিই করার চেষ্টা করছে। তাই আমরা অত্যন্ত সতর্ক আছি, এ বিষয়ে আমি শুধু এটুকুই বলব।

তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, বোমারু বিমান হঠাৎ সরিয়ে নেওয়া এবং সন্দেহভাজন ইরানি চক্রান্তের মধ্যে সরাসরি কোনও যোগসূত্র নেই। তার ভাষ্য, পেন্টাগন সব সময়ই সম্পদ প্রয়োজন অনুযায়ী পুনর্বণ্টন করছে। সোমবার রুবিও আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটির নিরাপত্তা নিয়ে তাদের আস্থা রয়েছে।

ঘটনার অনেক কিছু এখনও ব্যাখ্যাতীত থাকলেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বলেছেন, কোনও চক্রান্ত থাকলে তার পেছনে ইরানের সমর্থন থাকার সম্ভাবনা বেশি। ইরান বলেছে, চক্রান্তে তাদের জড়িত থাকার অভিযোগ ভিত্তিহীন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এক্সে লিখেছেন, আমি নিশ্চিত করতে পারি যে ইরানের বিশ্বাস, বিদেশি রাষ্ট্রের হয়ে কাজ করা তথাকথিত সন্ত্রাসীদের ছেড়ে দেওয়াটাই সবকিছু বলে দেয়। আপনারা ভুল জায়গায় দোষারোপ করছেন।