শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

তালার জলাশয়ে কচুরিপানার বেগুনি-সাদা ফুলের সমারোহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
তালার জলাশয়ে কচুরিপানার বেগুনি-সাদা ফুলের সমারোহ

এম এম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: শরৎ পেরিয়ে হেমন্তের আগমনী আবহে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জলাশয়, বিল ও নিচু জমিতে ফুটেছে কচুরিপানার বেগুনি ও সাদা ফুল। একসময় অবহেলিত এই জলজ উদ্ভিদের ফুল এখন প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলেছে। সবুজের বুকে বেগুনি-সাদা ফুলের সমারোহ মুগ্ধ করছে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।

উপজেলার বিভিন্ন জলাশয় ঘুরে দেখা যায়, পানির ওপর ছড়িয়ে থাকা কচুরিপানার ফুলে কোথাও কোথাও তৈরি হয়েছে প্রাকৃতিক গালিচার মতো দৃশ্য। নিভৃত জলাশয়ে ফুটে থাকা এসব ফুল দেখতে চলার পথে থমকে দাঁড়াচ্ছেন স্থানীয় তরুণ-তরুণী ও পথচারীরা। কেউ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে সৌন্দর্য উপভোগ করছেন, কেউবা মুঠোফোনে ছবি তুলে রাখছেন।

কচুরিপানার ফুল দেখতে আসা স্থানীয় শিক্ষার্থী আহনাফ হক বলেন, “প্রতিদিনের পড়ালেখার ক্লান্তি কাটাতে প্রকৃতির এই রূপ সত্যিই মনকে প্রফুল্ল করে তোলে।”

কাজের ফাঁকে ঘুরতে আসা আবুল হোসেন বলেন, “যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততার পর গ্রামবাংলার এমন শান্ত পরিবেশ ও ফুলের সৌন্দর্য দেখতে চমৎকার লাগে। প্রকৃতির এই স্বাভাবিক রূপ মনে একধরনের প্রশান্তি এনে দেয়।”

গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ বাসিন্দা হায়দার আলী বলেন, “একসময় বিল-ঝিলে এমন কচুরিপানার ফুল অনেক দেখেছি। কিন্তু এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না।” কচুরিপানাকে ঘিরে তাঁর জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

পরিবেশবিদদের মতে, কচুরিপানার ফুল সাময়িকভাবে জলাশয়ের সৌন্দর্য বাড়ালেও অতিরিক্ত কচুরিপানা জলাশয়ের স্বাভাবিক পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এর নান্দনিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি জলাশয়ের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

জেলা সবুজ পরিবেশ আন্দোলনের সভাপতি এজাজ আহম্মেদ স্বপন বলেন, ঋতুবদলের এই সময়ে কচুরিপানার বেগুনি ও সাদা ফুল গ্রামীণ পরিবেশে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। সাধারণ এই জলজ উদ্ভিদের ফুল প্রকৃতিপ্রেমীদের মনে করিয়ে দিচ্ছে, গ্রামবাংলার চিরচেনা সৌন্দর্য আজও লুকিয়ে আছে নিভৃত জলাশয় ও সবুজের মাঝে।

Ads small one

বীর মুক্তিযোদ্ধা সুজাত আলীর সুস্থতা কামনায় তালা রিপোর্টার্স ক্লাব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
বীর মুক্তিযোদ্ধা সুজাত আলীর সুস্থতা কামনায় তালা রিপোর্টার্স ক্লাব

তালা প্রতিনিধি: তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক এস. আর. আওয়ালের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার সুজাত আলী (৯৫) গুরুতর অসুস্থ। তিনি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর সুস্থতা কামনায় সবার কাছে দোয়া চেয়েছে পরিবার ও তালা রিপোর্টার্স ক্লাব।

সাংবাদিক এস. আর. আওয়াল জানান, গত ১০ অক্টোবর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শে সরদার সুজাত আলীকে মাদার তেরেসা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। পরদিন তাঁর ডান পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুল কেটে বাদ দিতে হয়। এরপরও শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গত সপ্তাহে তাঁকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসক ডা. প্রবীর কুমার দাশের অধীনে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আগামী ১৪ নভেম্বর তাঁর আরেকটি অস্ত্রোপচারের কথা রয়েছে।

সরদার সুজাত আলী তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের মুড়াগাছা গ্রামের মৃত সৈয়দ আলী সরদারের জ্যেষ্ঠ ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতে প্রশিক্ষণ নিয়ে খেশরা ইউনিয়নের বাতুয়াডাঙ্গা গ্রামে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ক্যাম্প গড়ে তোলেন এবং ক্যাম্প কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন। পরে দীর্ঘদিন তালা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৪ সালে তিনি শালিখা কলেজ প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হন এবং দীর্ঘদিন প্রতিষ্ঠানটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক নারায়ণ মজুমদার, সিনিয়র সদস্য মীর জাকির হোসেন, ইন্দ্রজিৎ দাস বাপ্পী, বি এম জুলফিকার রায়হান, গোলাম মোস্তফা, মিজানুর রহমান, মারুফ উল ইসলাম, বাবলুর রহমান, মো. বায়েজীত হোসেন, হাফিজুর রহমান, মো. শাহিনুর রহমান, সাইদ সম্রাট, তাপস ঘোষ, আবু জাফর, এহসানুল হক, লিটন পারভেজ, দেলোয়ার হোসেন, গোলাম রাব্বানী, শেখ সিদ্দিক, রিপন হুসেইন, বাহারুল ইসলাম, রেশমা খাতুন ও শেখ বাবলুর রহমানসহ ক্লাবের সদস্যরা।

 

কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগরে সাবেক চেয়ারম্যানের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগরে সাবেক চেয়ারম্যানের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

কৃষ্ণনগর (কালিগঞ্জ) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা আব্দুস সাত্তার বিশ্বাসের রুহের মাগফিরাত কামনায় আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে শহীদ মাদানী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক জামাল ফারুক ও মাস্টার আছাদুল্লাহর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাস্টার ইব্রাহিম বাহারী। প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুল ওহাব সিদ্দিকী, সাবেক আমির মাস্টার আব্দুল গফফার, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী সহকারী অধ্যাপক চৌধুরী মোশাররফ হোসাইন চৌধুরী, মাওলানা নুরুজ্জামান হাবিবী, আব্দুস সাত্তার আজাদী, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি শরিফুল ইসলাম, ইউপি সদস্য জামাল ফারুক মন্টু, ওয়ালিদ মুহতারাম ও ওহিদুর রহমানসহ স্থানীয় নেতারা।

অনুষ্ঠানে মরহুম মাওলানা আব্দুস সাত্তার বিশ্বাসের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। শেষে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

আশাশুনিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে একজনের কারাদণ্ড, পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে একজনের কারাদণ্ড, পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার ২

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে মাদক সেবন করে জনশান্তি বিঘ্নিত করার অপরাধে এক যুবককে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া পৃথক অভিযানে দুটি মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপজেলার মানিকখালী সেতুর পাশ থেকে শ্রীকলস গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে জাহিদ হোসেন বাবুকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে প্রায় পাঁচ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদক সেবন করে উচ্ছৃঙ্খল আচরণের মাধ্যমে জনশান্তি বিঘ্নিত করার অপরাধে তাঁকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন।

অন্যদিকে, পুলিশের পৃথক অভিযানে সন্ত্রাসবিরোধী মামলা ২২(৬)২৬-এর আসামি মৃত আব্দুল জলিল সরদারের ছেলে গোলাম মোস্তফা এবং জিআর ১০২/২২ মামলার আসামি তুয়ারডাঙ্গা গ্রামের মৃত রাজ্জাক গাজীর ছেলে রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আশাশুনি থানার ওসি শাহিদুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের শুক্রবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।