রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

তালার সাবেক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের মৃত্যু, শেষ বিদায়ে মানুষের ঢল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
তালার সাবেক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের মৃত্যু, শেষ বিদায়ে মানুষের ঢল

তালা প্রতিনিধি: তালা সদর ইউনিয়নের বারবার নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান, তালা ব্রজেন দে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় শেখ রিয়াজুল ইসলাম (৮২) আর নেই। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

রবিবার (২৩ আগস্ট) সকালে দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় চিকিৎসাধীন থাকার পর খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন, সহকর্মী, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষকসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মরহুম শেখ রিয়াজুল ইসলাম সাবেক চেয়ারম্যান ও তালা উপজেলার আটারই গ্রামের মরহুম শেখ তয়েজ উদ্দীনের বড় ছেলে। তিনি তালা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলামের বড় ভাই। তাঁর আরেক ভাই মরহুম শেখ নজরুল ইসলামও ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

দীর্ঘদিন জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে শেখ রিয়াজুল ইসলাম এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পাশাপাশি শিক্ষকতা পেশায় থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞান ও মানবিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেন। রাজনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষা অঙ্গনে তাঁর অবদান ও গ্রহণযোগ্যতা ছিল ব্যাপক। রবিবার বিকেল ৫টায় তালা ব্রজেন দে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাঁর প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

 

এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। জানাজায় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুর ইসলাম হাবিব মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বক্তব্য দেন এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

পরে মরদেহ গ্রামের বাড়ি আটারইতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে শেখ রিয়াজুল ইসলামকে দাফন করা হয়।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ ইনামুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, তালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের শূরা সদস্য আফতাব উদ্দীন, বিএনপির সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা, মহব্বত হোসেন, অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন, যুবদলের আহ্বায়ক মির্জা আতিয়ার রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান, উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান রেন্টু, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, জেএসডির জেলা সাধারণ সম্পাদক মীর জিল্লুর রহমান, সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান, সাবেক চেয়ারম্যান এস এম লিয়াকত হোসেন, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সাধারণ সম্পাদক ফারুক জোয়ার্দার, সাতক্ষীরা জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার শাহিনুর রহমানসহ বিভিন্ন এনজিওর প্রধান, উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

এ সময় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ব্যবসায়ী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

শেখ রিয়াজুল ইসলামের মৃত্যুতে এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

Ads small one

হামের উচ্চঝুঁকি : প্রতিরোধ ও প্রতিকার জরুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
হামের উচ্চঝুঁকি : প্রতিরোধ ও প্রতিকার জরুরি

এম শফিকুল ইসলাম

২০২৬ সালের মার্চ থেকে দেশে হামের প্রার্দুভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক প্রতিবেদনে এবং গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর মধ্য মার্চ থেকে শুরু করে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত নিশ্চিত হাম ও সন্দেহজনক উপসর্গে ৯০৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৯৯ জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৮০৯ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা বিভাগের সংক্রমণ ও মৃত্যু বেশি হলেও রাজশাহী, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগেও এর প্রভাব রয়েছে।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময় মত টিকা না দেওয়া এবং শিশুদের পুষ্টিহীনতা এ মৃত্যুর প্রধান কারণ। বাংলাদেশের হাম পরিস্থিতি নিয়ে সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। জাতীয়ভাবে অবস্থা উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ বলে মূল্যায়ন করছে দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ সংক্রমণ ছড়ানো, বিপুল সংখ্যক শিশুর আক্রান্ত হওয়া, সময় মত টিকাদানের অভাবে রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতায় ঘাটতি এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর ঘটনাবলির আলোকে সংস্থাটি এ মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তারা বলছে, এ প্রার্দুভাবের আগে বাংলাদেশ হাম নির্মূলে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছিল।

 

হাম প্রতিরোধী টিকার প্রথম ডোজের কভারেজ ২০০০ সালে ছিল ৮৯ শতাংশ। ২০১৬- তে বেড়ে দাঁড়ায় ১১৮। ২০২৪ সালে তা আরো বেড়ে হয় ১২১ শতাংশ। এ সময় পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হাম রোগীর হার কমে এসেছিল। তবে ২০২৪-২৫ সালে জাতীয় পর্যায়ে এমআর টিকা ঘাটতির কারণে প্রথম ও দ্বিতীয় ডজের কভারেজ কমে যায়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নিয়মিত টিকা দানের ফাঁক এবং ২০২০ সালের পর দেশব্যাপী নিয়মিত সম্পূরক হাম রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি না থাকা। এসব কারণে সংক্রমনের ঝুঁকিতে থাকা শিশু সংখ্যা বেড়েছে এবং বর্তমান প্রাদুর্ভাব সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে এই ঝুঁকি ‘উচ্চ’ হিসেবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

 

এ সময় দ্রুত জরুরি ব্যবস্থা না নিলে সংক্রমণ আরো ছড়াতে পারে। সেজন্য নজরদারি শক্তিশালী করা দূরত্ব রোগ শনাক্ত ও আরোগ্যের পদক্ষেপ নেওয়া কর্তব্য। পাশাপাশি উন্নত মানের টিকাদান কার্যক্রমের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধের ঘাটতি পূরণ করণীয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ বিষয়ে আরো যেসব পরামর্শ দিয়েছে, সেগুলোর প্রতিপালন শিশুদের সুরক্ষায় সহায়ক হবে। ৮ শতাধিক শিশু মৃত্যুর মর্মান্তিক বেদনার বেদীতে দাঁড়িয়ে দেশবাসী প্রত্যাশা করে, কর্তৃপক্ষের টনক নড়ক। সময় মতো প্রতিরোধ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থতার জন্য তাদের মধ্যে অপরাধবোধ জাগুক। ভবিষ্যতের জন্য তারা সচেতন হোক।

 

সব ব্যর্থতার জন্য সরকার বা সরকার প্রধানের দিকে আঙ্গুল তুলেও পার পাওয়া যাবে না। রাষ্ট্রয়ন্ত্রের কোথায় কার কি দায়িত্ব ছিল, কার ব্যর্থতায় এ বির্পযয় ঘটল-তা খোঁজা হবে। কৃতকর্মের দায়ভোগও করতে হবে তাদের। সুতরাং সাধু সাবধান। লেখক: সাংবাদিক ও নাট্যকার

দেবহাটায় অফসিজন তরমুজ চাষে বেকারত্ব দূর, মহিলাসহ কৃষকরা হচ্ছেন স্বাবলম্বী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় অফসিজন তরমুজ চাষে বেকারত্ব দূর, মহিলাসহ কৃষকরা হচ্ছেন স্বাবলম্বী

Oplus_131072

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: দেবহাটায় অফসিজন তরমুজ চাষ করে অনেক বেকার যুবক, মহিলা, শিক্ষার্থী ও কৃষক স্বাবলম্বী হচ্ছেন। দেবহাটা উপজেলায় এই অফসিজন তরমুজের চাষ করে একদিকে যেমন বেকার ও কৃষকরা স্বাবলম্বী হচ্ছেন, অন্যদিকে নতুন এই কৃষিপণ্য চাষে মহিলারাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। ঘেরের জমির পাড়ে মাচা তৈরি করে এই তরমুজের চাষ করা হচ্ছে, যার কারণে বাড়তি কোনো জমিরও প্রয়োজন পড়ছে না।

দেবহাটা উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, দেবহাটা উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উদ্যোগে গত ৪-৫ বছর ধরে এই অফসিজন তরমুজ ও সবজির চাষ হচ্ছে। গত ২ মাস পূর্বে কৃষক ও বেকার যুবকদের বিনামূল্যে অফসিজন তরমুজের বীজ ও সার সরবরাহ করা হয়। এছাড়া তরমুজের মাচা তৈরি ও প্রশিক্ষণ প্রদানসহ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়। কৃষি অধিদপ্তরের মাধ্যমে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ বছর মোট ৩৭ হেক্টর জমিতে এই অফসিজন তরমুজ চাষ করা হচ্ছে, যা গত বছর ছিল ৩০ হেক্টর। মোট চারটি জাতের বীজÑতৃপ্তি, ব্ল্যাক বেবি, সুগারকুইন ও বাংলালিংক নামের বীজ প্রদান করা হয়।

 

প্রতি বিঘা জমিতে ১০০ গ্রাম থেকে ১২০ গ্রাম বীজ রোপণ করা যায়। এই অফসিজন তরমুজ প্রতি কেজি ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় করা হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার পাশাপাশি তাদের ঘেরের নিজস্ব জমিতে এই তরমুজের চাষে ঝুঁকছে। এ বছর আশানুরূপ ফলন ও লাভজনক হওয়ায় আগামীতে বেশি করে এই তরমুজ চাষে কৃষকরা উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন বলে কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

এ বিষয়ে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল টিকিট গ্রামের কৃষক কৃঞ্চ চন্দ্র জানান, সে বেকার থাকায় ঘেরের পাশাপাশি দেবহাটা কৃষি অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাক আহমেদ তাকে এই অফসিজন তরমুজ চাষে উদ্বুদ্ধ করে। মোস্তাক আহমেদের পরামর্শে সে তার নিজস্ব জমিতে অফসিজন তরমুজের চাষ করেছে। এখানে পানি লোনা হওয়ার কারণে কোনো সবজি হতো না, কিন্তু তরমুজ চাষ করে ইতোমধ্যে লক্ষাধিক টাকা মুনাফা করেছে এবং আরও ৫০ হাজার টাকার মতো বিক্রি হবে বলে কৃঞ্চ জানান।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাক আহমেদ জানান, দেবহাটা কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে তিনি সার্বক্ষণিক কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছেন। এই অফসিজন তরমুজ চাষের পদ্ধতি ও বিভিন্ন নিয়ম সম্পর্কে কৃষকদের অবহিত করেছেন।

দেবহাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শওকত ওসমান দেবহাটা উপজেলায় এই তরমুজের আশানুরূপ ফলন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, এই চাষে মহিলারা উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। আগামীতে আরও বড় আকারে এই তরমুজ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হবে। তিনি বলেন, চলতি বছরে ৩৭ হেক্টর জমিতে এই অফসিজন তরমুজ চাষ করা হচ্ছে, যা থেকে কৃষকরা বাড়তি মুনাফা অর্জন করতে পারছেন।

দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা বলেন, এই মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কৃষকদেরকে বিনামূল্যে অফসিজন তরমুজের বীজ, সার ও সকল প্রকার সহযোগিতা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষকরা স্বাবলম্বী হচ্ছেন এবং দেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে।

 

পুনঃখননে প্রাণ ফিরেছে উলাশী জিয়া খালে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
পুনঃখননে প্রাণ ফিরেছে উলাশী জিয়া খালে

বাগআঁচড়া (শার্শা) প্রতিনিধি: যশোর শার্শার ঐতিহাসিক উলাশী জিয়া খাল দ্বিতীয়বারের মতো পুনঃখননের ফলে সচল হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি পুনঃখনন কাজ শেষ হওয়ার পর স্থানীয় খাল ও বিলের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

খালটি পুনঃখননের ফলে বর্ষা মৌসুমে শার্শা উপজেলার ২২টি বিলে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়নি। এতে সোনামুখী ও বনমান্দার বিলসহ আশপাশের হাজার হাজার একর জমিতে এবার প্রান্তিক কৃষকেরা অনায়াসে আমন ধান রোপণ করতে পেরেছেন। স্থানীয় জেলে ও সাধারণ মানুষ খালের প্রবাহিত পানিতে মাছ ধরছেন ও ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার সাহা জানান, দীর্ঘদিন খনন না করায় খালের নাব্যতা হারিয়ে গিয়েছিল। খননের কারণে পানিবদ্ধতা দূর হওয়ায় চলতি মৌসুমে উপজেলার ২০ হাজার ৪৪৮ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রার প্রায় পুরোটাই অর্জিত হতে চলেছে।