নীতিমালা ভেঙে ইজারা নেওয়া জলমহল সাবলিজ, বাতিল চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন
সংবাদদাতা: আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের চেউটিয়া নদী (বন্ধ) জলমহলের ইজারা আবেদন বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। খালিয়া পূর্বপাড়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার ম-ল ফটিকখালি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি গোলাম রব্বানির বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কাছে এ লিখিত আবেদন জমা দেন।
আশাশুনি উপজেলার খালিয়া গ্রামের বাসিন্দা সুকুমার ম-ল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জমা দেওয়া আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন, পশ্চিম খোলপেটুয়া নদী থেকে চেউটিয়া নদীর শেষ পর্যন্ত প্রায় ৮৩ একরের বন্ধ জলমহলটি বাংলা ১৪৩০ থেকে ১৪৩২ সন পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ইজারা নেন ফটিকখালি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি গোলাম রব্বানী। ইজারা নেওয়ার পর নিয়ম ভেঙে তিনি ওই জমি সাত্তার গাজী, কুদ্দুস মোড়ল, শ্যামল ম-ল, অসিত ম-ল, ইমাদুল গাজী, নেছার আলী সরদার ও রামপদ সানার কাছে সাবলিজ (পুনরায় ইজারা) দেন।
ইজারা নীতিমালা অনুযায়ী, ইজারাকৃত জমি সাবলিজ দিলে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারের লাইসেন্স বাতিল হবে এবং মেয়াদ শেষে তিনি নতুন করে আবেদনের সুযোগ পাবেন না বলে ২০১৯ ও ২০২৬ সালের নীতিমালার ১৮ নম্বর কলামে উল্লেখ রয়েছে। গোলাম রব্বানী নীতি লঙ্ঘন করে যা সাবলিজ দিয়েছিলেন, সে বিষয়ে খাজরা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল হাই গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর আশাশুনি সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর প্রতিবেদনও দাখিল করেন। অভিযোগ উঠেছে, তা সত্ত্বেও নিয়মবহির্ভূতভাবে ফটিকখালি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর ওই বন্ধ জলমহল ইজারা নেওয়ার জন্য পুনরায় আবেদন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অসিত ম-ল ও রামপদ সানা গোলাম রব্বানির কাছ থেকে চেউটিয়া নদীর অংশ বিশেষ ইজারা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। যোগাযোগ করা হলে মুঠোফোনে কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি অভিযুক্ত গোলাম রব্বানির।









