মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

নেক্সাস কর্মসূচির মূল স্তম্ভ ও নীতিমালা কমিউনিটির কর্ম-পরিকল্পনা প্রশিক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ
নেক্সাস কর্মসূচির মূল স্তম্ভ ও নীতিমালা কমিউনিটির কর্ম-পরিকল্পনা প্রশিক্ষণ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা ইয়ূথ হাবে যুব-নেতৃত্বাধীন যুব নেতৃত্বাধীন নেক্সাস কর্মসূচির মূল স্তম্ভ ও নীতিমালা অনুসরণে কমিউনিটির কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন ২৬) সকাল ৯ টায় সাতক্ষীরা ইয়ূথ হাবে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো সাতক্ষীরার বাস্তবায়নে এবং একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো: তহিদুজ্জামান (তহিদ)। প্রশিক্ষণে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন ও পৌরসভা এবং তালা উপজেলার ধানদিয়া ও নগরঘাটা ইউনিয়ন থেকে ২৫ জন যুব সদস্য ও কমিউনিটির মানুষ অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণটি চলবে ৩ দিন।

অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক উন্নয়ন, সামাজিক দায়বদ্ধতা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং নাগরিক অধিকার প্রসারে তরুণরা এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে, অনেক তরুণ নেতারই স্থানীয় শাসন কাঠামোর সাথে কার্যকরভাবে যুক্ত হওয়া এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনের পক্ষে কথা বলার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও জ্ঞান অর্জনের সুযোগ সীমিত।

এই প্রশিক্ষণটি নেক্সাস অ্যাপ্রোচ, লিঙ্গ ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, ক্ষমতা ও সম্পদ ম্যাপিং, বাজেট বিশ্লেষণ, সামাজিক পরিকল্পনা, পর্যবেক্ষণ এবং জলবায়ু অভিযোজন উদ্যোগের উপর আলোকপাত করবে। দলগত আলোচনা, ব্যবহারিক অনুশীলন, কেস স্টাডি, ভূমিকাভিনয় এবং কর্মপরিকল্পনা সেশনের মতো অংশগ্রহণমূলক শিক্ষণ পদ্ধতির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাদের নেতৃত্বের সক্ষমতা জোরদার করবে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক, দায়বদ্ধ ও জলবায়ু-সহনশীল সামাজিক উন্নয়ন প্রসারের জন্য ব্যবহারিক সরঞ্জাম অর্জন করবে।

 

এই ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে, প্রকল্প এলাকার তরুণ নেতা এবং সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের জন্য তিন দিনব্যাপী “যুব নেতৃত্বাধীন নেক্সাস উন্নয়ন সামাজিক পদ্ধতি” শীর্ষক একটি প্রশিক্ষণের আয়োজন করা । সিডিওডব্লিউ-এর যে সকল তরুণ-তরুণী জিপিবি এবং এ৪টি প্রকল্পের কর্মীদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন, তারা এই প্রশিক্ষণে সহায়ক হিসেবে কাজ করবেন। এছাড়া, সহযোগী প্রশিক্ষক সকল প্রশিক্ষণ অধিবেশনে সহায়তা করবেন।

প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ইয়ুথ লিড নেক্সাস ডেভেলপমেন্ট কমিউনিটি পদ্ধতি সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের বোঝাপড়া বৃদ্ধি করা এবং স্থানীয় কর্মসূচি পরিকল্পনা, পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়নে এটি প্রয়োগ করার সক্ষমতা জোরদার করা। স্থানীয় চাহিদা চিহ্নিতকরণ, ক্ষমতার কাঠামো বিশ্লেষণ, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও লিঙ্গ সংবেদনশীলতা নিশ্চিতকরণ এবং সম্প্রদায়-ভিত্তিক জলবায়ু অভিযোজন ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ প্রণয়নে অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা। কার্যকর সম্প্রদায় উন্নয়ন ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য পরিকল্পনা সরঞ্জাম, পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা, অংশগ্রহণমূলক সংলাপ এবং অনলাইন ও অফলাইন উভয় পদ্ধতি ব্যবহারে অংশগ্রহণকারীদের ব্যবহারিক দক্ষতা তৈরি করা।

প্রশিক্ষণ থেকে প্রত্যাশিত ফলাফল অংশগ্রহণকারীরা ‘যুব নেতৃত্বাধীন নেক্সাস ডেভেলপমেন্ট কমিউনিটি’ পদ্ধতি এবং কমিউনিটি উন্নয়ন পরিকল্পনা ও পর্যবেক্ষণে এর বাস্তব প্রয়োগ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা প্রদর্শন করবে। এছাড়াও, তারা তরুণ ও কমিউনিটি সদস্যদের সহায়তায় ক্ষমতা ম্যাপিং, সম্পদ ম্যাপিং, পরিকল্পনা এবং কমিউনিটি উদ্যোগের পর্যবেক্ষণ পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। অংশগ্রহণকারীরা স্থানীয় প্রতিবন্ধকতা, ক্ষমতার কাঠামো এবং অন্তর্ভুক্তির ঘাটতি চিহ্নিত করতে এবং জলবায়ু সহনশীলতা, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও টেকসই কমিউনিটি উন্নয়নকে উৎসাহিত করে এমন বাস্তবসম্মত যুব-নেতৃত্বাধীন কর্ম-পরিকল্পনা তৈরি করতে সক্ষম হবে।

 

অংশগ্রহণকারীরা পরিকল্পনা সরঞ্জাম, পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি ব্যবহারে বাস্তব দক্ষতা অর্জন করবে এবং স্থানীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে অনলাইন ও অফলাইন উভয় পদ্ধতি প্রয়োগ করতে সক্ষম হবে। প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেকের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

৩ দিন ব্যাপী এই প্রশিক্ষণের দায়িত্ব পালন করেন, রিপন হোসেন, আরাফাত হোসেন, স্বপ্না খাতুন, ময়না খাতুন। প্রশিক্ষণের সহায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সাকিব হোসেন। উপস্থিত ছিলেন ইন্সপেরিটর একশনএইড বাংলাদেশ নয়ন হোসেন, প্রোগ্রাম অফিসার চন্দ্রশেখর হালদার প্রমুখ।

 

 

Ads small one

কেশবপুরে সীমানা বিরোধে স্কুল ভবন নির্মাণ: জমির মালিককে মারধরের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ
কেশবপুরে সীমানা বিরোধে স্কুল ভবন নির্মাণ: জমির মালিককে মারধরের অভিযোগ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর উপজেলার রেজাকাটি শহীদ জিয়াউর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে জোরপূর্বক নতুন ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। বাধা দেওয়ায় প্রধান শিক্ষক ও তাঁর সহযোগীর হাতে জমির মালিক দম্পতি লাঞ্ছিত ও মারধরের শিকার হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় গত ২০ জুলাই (সোমবার) জমির মালিক ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জাহানারা বেগম ও সহকারী শিক্ষক কাকরকে অভিযুক্ত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হাসানপুর ইউনিয়নের ৫০ নম্বর রেজাকাটি মৌজার ৩৭৫৪ নম্বর দলিল ও সংশ্লিষ্ট খতিয়ান সূত্রে ফিরোজা খাতুন ডাঙ্গা ও অন্যান্য শ্রেণিতে মোট ১৮.৩৮ শতক জমির মালিক হয়ে ভোগদখল করে আসছেন। জমিতে বিভিন্ন ফলের গাছগাছালিও রোপণ করেছিলেন তিনি। তবে প্রধান শিক্ষিকা স্কুলের আয়াকে দিয়ে গাছগুলো উপড়ে ফেলেন এবং উক্ত বিতর্কিত জমিতেই স্কুলের নতুন ভবনের কাজ শুরু করেন।
গত ২০ জুলাই সকালে ফিরোজা বেগম ও তাঁর স্বামী মো. আব্দুল হাদিস নির্মাণকাজে বাধা দেন এবং সরকারি আমিন দিয়ে জমি মেপে ভবন করার অনুরোধ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্তরা আব্দুল হাদিসকে মারধর ও গলাধাক্কা দিয়ে তাড়িয়ে দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষিকা জাহানারা বেগম বলেন, মারামারির কোনো ঘটনা ঘটেনি। স্কুলে শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের কাজ চলছে। ফিরোজা বেগমের জমি স্কুলের ভেতর রয়েছে কিনা তা তাঁর জানা নেই; সরকারিভাবে নকশা এলে জমি মেপে দেখা হবে।
যোগাযোগ করা হলে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেকসোনা খাতুন জানান, অভিযোগপত্রটি পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাইকগাছায় শিক্ষকদের স্বাক্ষর জাল করে অর্থ আদায়ের মিথ্যা অভিযোগের প্রমাণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:০৪ পূর্বাহ্ণ
পাইকগাছায় শিক্ষকদের স্বাক্ষর জাল করে অর্থ আদায়ের মিথ্যা অভিযোগের প্রমাণ

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা আদায়ের যে অভিযোগ উঠেছিল, তা ভুয়া এবং স্বাক্ষর জালের মাধ্যমে করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। সোমবার (২০ জুলাই) বিকেল পর্যন্ত উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে শেষ ধাপের তদন্ত শেষে এ তথ্য জানা যায়।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে তেরখাদা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এম এম মতিয়ার রহমান ও খুলনা সদর থানা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম এই অভিযোগের ওপর তদন্ত চালান। এতে উপজেলার ৩৪ জন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাজির হয়ে নিজেদের বক্তব্য লিখিত ও মৌখিকভাবে জমা দেন।
অভিযোগে দাবি করা হয়েছিল, ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের রিট মামলার খরচ বাবদ শিক্ষক সমিতির সভাপতি রবীন্দ্রনাথ রায়, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান ও সহকারী শিক্ষক আবদুল আলীম মিলে শিক্ষকদের কাছ থেকে ৬ হাজার ২০০ টাকা করে আদায় করেছেন। তবে অভিযোগের মূল ভিত্তি নিয়েই বিতর্ক তৈরি হয়।
তদন্তে হাজির হয়ে অভিযোগকারী হিসেবে নাম থাকা সহকারী শিক্ষক হাফিজুল ইসলাম স্পষ্টভাবে জানান, তিনি এমন কোনো কাগজে সই করেননি; তাঁর স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। অন্যদিকে ফোনে যোগাযোগের পর অপর অভিযোগকারী সুভাষ চন্দ্র মন্ডলও একই কথা জানিয়ে বলন, মধুখালী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল আক্তার তাঁর সই জাল করেছেন।
অবশ্য বাবুল আক্তার জানান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অনুমতি নিয়েই অন্য প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান কাগজে স্বাক্ষর করেছিলেন। এ বক্তব্যের পরই সেখানে উপস্থিত অন্যান্য শিক্ষকরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং স্বাক্ষর জালিয়াতদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।
পাইকগাছা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান বলেন, ১০ম গ্রেড নিয়ে কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন হয়নি। শিক্ষক সংগঠনকে হেয় করতে একদল শিক্ষক জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন। পুরো বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনার মাধ্যমে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।

আশাশুনিতে জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে সমন্বয় সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি: উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরার আশাশুনিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম সতর্কতা, ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীদের নিয়ে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১১টায় আশাশুনি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মুসলিম এইড ইউকে বাংলাদেশ ফিল্ড অফিসের আর্থিক সহায়তায় এবং ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) ‘আইসিআরডিসিভি-৩’ প্রকল্পের আওতায় এ সভার আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু।
ইএসডিওর প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. শামসুল হক মৃধার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক আহ্বায়ক সম হেদায়েতুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুসা তারিকুজ্জামান তুষার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নিতীশ চন্দ্র গোলদার, কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সোবহান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার বর্মণ, এবং সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান মনির।
এ ছাড়া সভায় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার দাস, বন বিভাগের কর্মকর্তা মো. রিজাউল করিম, আশাশুনি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আকাশ হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান হাজী আবু দাউদ ঢালী ও আবু বক্কর সিদ্দিকসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সিপিপি দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা, নদীভাঙন ও লবণাক্ততা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছানো এবং টেকসই অভিযোজন কৌশলের ওপর জোর দেন বক্তারা। দুর্যোগ পূর্ববর্তী প্রস্তুতি গ্রহণ ও ঝুঁকি হ্রাসে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।