রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

পরিবেশ দিবসে অস্তিত্বের সন্ধিক্ষণে সুন্দরবন ও উপকূল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
পরিবেশ দিবসে অস্তিত্বের সন্ধিক্ষণে সুন্দরবন ও উপকূল

সোহাগ হোসেন

প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস আমাদের পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের বার্তা নিয়ে আসে। কিন্তু বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় জনপদ এবং বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের জন্য এই দিবসের গুরুত্ব আরও গভীর।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আজ সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান এই অঞ্চলে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং সুপেয় পানির সংকট উপকূলের মানুষের জীবনকে প্রতিনিয়ত দুর্বিষহ করে তুলছে। একই সঙ্গে হুমকির মুখে পড়ছে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য।

জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশের দায় তুলনামূলকভাবে কম হলেও এর বিরূপ প্রভাবের অন্যতম প্রধান শিকার এ দেশের উপকূলীয় অঞ্চল। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সিডর, আইলা, আম্পান, ইয়াস ও রেমালের মতো ঘূর্ণিঝড় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ডেকে এনেছে। দুর্যোগ শেষ হলেও এর প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে। জলোচ্ছ্বাসের নোনা পানি কৃষিজমিতে প্রবেশ করে ফসল উৎপাদন ব্যাহত করছে, অনেক এলাকায় সুপেয় পানির সংকট তীব্রতর হচ্ছে এবং জীবিকার অনিশ্চয়তায় মানুষ বাধ্য হচ্ছে স্থানান্তরিত হতে।

অন্যদিকে, দেশের প্রাকৃতিক সুরক্ষাবলয় সুন্দরবনও বহুমাত্রিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততার বিস্তার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যান্য প্রভাবে বনের পরিবেশগত ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সুন্দরী গাছের আগামরা রোগ, বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল সংকুচিত হওয়া এবং মিষ্টি পানির উৎস কমে যাওয়া উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সুন্দরবন দুর্বল হয়ে পড়লে উপকূলীয় অঞ্চল প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে।

এই বাস্তবতায় সুন্দরবন ও উপকূল রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি, সমন্বিত ও কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।
প্রথমত, উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি বিদ্যমান বাঁধগুলোর নিয়মিত সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, কপোতাক্ষ, বেতনা, ইছামতী, শিবসাসহ উপকূলীয় নদ-নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে নিয়মিত খনন ও বিজ্ঞানভিত্তিক নদী ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে হবে।

তৃতীয়ত, সুন্দরবনে অবৈধ শিকার, বন উজাড়, বিষ দিয়ে মাছ ধরা এবং পরিবেশ দূষণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

চতুর্থত, উপকূলজুড়ে ম্যানগ্রোভ বনায়ন সম্প্রসারণ করে প্রাকৃতিক সবুজ বেষ্টনী গড়ে তুলতে হবে।
পঞ্চমত, লবণাক্ততা-সহিষ্ণু ফসলের চাষ সম্প্রসারণ এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
ষষ্ঠত, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও আধুনিক পানি সরবরাহ ব্যবস্থার মাধ্যমে সুপেয় পানির সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

সপ্তমত, মৌয়াল, বাওয়ালি ও জেলেদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে, যাতে সুন্দরবনের ওপর চাপ কমে। সবশেষে, সরকার, স্থানীয় জনগণ, গবেষক ও পরিবেশবাদী সংগঠনের সমন্বিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে; কারণ সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া সুন্দরবন ও উপকূল রক্ষা সম্ভব নয়।

এ ছাড়া লবণাক্ততা-সহনশীল কৃষি সম্প্রসারণ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, সুপেয় পানির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং স্থানীয় জনগণের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাও সময়ের দাবি। সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ছাড়া বন সংরক্ষণের প্রচেষ্টা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। তাই পরিবেশ সংরক্ষণ ও মানবকল্যাণকে সমন্বিত করেই পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে আমাদের মনে রাখতে হবে, সুন্দরবন শুধু একটি বন নয়, এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোটি মানুষের জীবন, জীবিকা ও নিরাপত্তার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। উপকূল ও সুন্দরবন রক্ষা করা মানে দেশের পরিবেশগত নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা। তাই সময় এসেছে আনুষ্ঠানিকতার গন্ডি পেরিয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের। প্রকৃতিকে রক্ষা করতে পারলেই প্রকৃতি আমাদের রক্ষা করবে-এই উপলব্ধিই হোক বিশ্ব পরিবেশ দিবসের সবচেয়ে বড় অঙ্গীকার।

লেখক: সোহাগ হোসেন, পরিবেশ কর্মী, রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগ, মাস্টার্স (শেষ বর্ষ), সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, সাতক্ষীরা।

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।