রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

প্রসঙ্গ: আন্তর্জাতিক জরুরি কিট দিবস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ণ
প্রসঙ্গ: আন্তর্জাতিক জরুরি কিট দিবস

সাকিবুর রহমান বাবলা

ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প বা অগ্নিকা-ের মতো দুর্যোগ মুহূর্তেই জনজীবন বিপর্যস্ত করে দেয়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, দুর্যোগের সময় পূর্বপ্রস্তুতিই হলো সবচেয়ে কার্যকর সুরক্ষা। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ৯ জুলাই পালিত হয় ‘আন্তর্জাতিক জরুরি কিট দিবস’। দিবসটির লক্ষ্য হলো ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজকে দুর্যোগের আগেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা।

জরুরি প্রস্তুতির ধারণাটি আধুনিক নয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও শীতল যুদ্ধের সময় পারমাণবিক হামলার আশঙ্কায় পরিবারগুলো জরুরি সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা শুরু করে, যা আজ আধুনিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই দিবসের অনুপ্রেরণায় রয়েছেন আমেরিকান রেড ক্রসের প্রতিষ্ঠাতা ক্লারা বার্টন, ১৮২১ সালে জন্মগ্রহণকারী এই অগ্রগামী মার্কিন নার্স মার্কিন গৃহযুদ্ধের সময় আহত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। তাঁর কর্ম ও দর্শন আধুনিক জরুরি সাড়া প্রদান ব্যবস্থার ভিত্তি নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

দুর্যোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় ধরনের দুর্যোগের পর প্রথম ৭২ ঘণ্টা সবচেয়ে সংকটপূর্ণ। এ সময় বিদ্যুৎ, বিশুদ্ধ পানি ও যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে। তাই প্রতিটি পরিবারের অন্তত তিন দিন স্বনির্ভর থাকার মতো একটি ‘জরুরি কিট’ থাকা অপরিহার্য। একটি মৌলিক কিটে পর্যাপ্ত পানি (প্রতিজনে প্রতিদিন অন্তত এক গ্যালন), শুকনো খাবার, প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম, ওষুধ, টর্চ, রেডিও, পাওয়ার ব্যাংক, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের কপি, নগদ অর্থ, বাঁশি ও স্বাস্থ্যবিধি সামগ্রী, অফলাইন ম্যাপ বা দুর্যোগকালীন জরুরি অ্যাপ থাকা প্রয়োজন।

বিশ্বের অনেক দেশে দুর্যোগ প্রস্তুতি এখন সামাজিক অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। জাপানে ছোটবেলা থেকেই শিশুদের ভূমিকম্প মোকাবিলার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এবং ইউরোপের অনেক দেশ পরিবারভিত্তিক ৭২ ঘণ্টার জরুরি প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়। স্কুল, কর্মক্ষেত্র ও কমিউনিটি পর্যায়ে নিয়মিত মহড়া পরিচালনার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও সক্ষমতা গড়ে তোলা হচ্ছে।

ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দুর্যোগের প্রস্তুতি ও জীবন রক্ষা একটি পবিত্র দায়িত্ব। ইসলামসহ সব ধর্মই সতর্কতা, দূরদর্শিতা ও পরিকল্পনার শিক্ষা দেয়। আল-কোরআনের আলোকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূল শিক্ষা হলো—আগাম প্রস্তুতি, জীবন রক্ষা, ধৈর্য, মহান আল্লাহর ওপর ভরসা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা। অর্থাৎ দুর্যোগের সময় আল্লাহর উপর ভরসা ও দোয়ার মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ, ঝুঁকি হ্রাস এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোও ইসলামের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

ভৌগোলিক অবস্থান ও অধিক ঘনবসতির কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এখানে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, বজ্রপাত ও অগ্নিকা-ের মতো দুর্যোগের ঝুঁকি ক্রমাগত বাড়ছে। উপকূলীয় ও নদীবিধৌত অঞ্চলের মানুষের জন্য পরিবারভিত্তিক জীবনরক্ষাকারী প্রস্তুতি তাই অত্যন্ত জরুরি।

বাংলাদেশে দুর্যোগ মোকাবিলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, আবহাওয়া অধিদপ্তর, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি এবং রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিসহ অনেক স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি, জরুরি প্রস্তুতি সামগ্রী এবং আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিশ্বব্যাপী গবেষণাপ্রতিষ্ঠানসমূহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এখন আর শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়; এটি নাগরিক, প্রতিষ্ঠান ও সম্প্রদায়ভিত্তিক অংশীদারত্বের একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া।

আমাদের করণীয় অত্যন্ত স্পষ্ট: প্রতিটি পরিবারে জরুরি কিট রাখা, বছরে অন্তত দুইবার তা পরীক্ষা ও নবায়ন করা, শিশু, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের বিশেষ চাহিদা বিবেচনায় রাখা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ ও মহড়ার ব্যবস্থা করা। একই সঙ্গে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র, বিকল্প পথ এবং জরুরি যোগাযোগব্যবস্থা সম্পর্কে আগাম ধারণা রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, দুর্যোগকে পুরোপুরি ঠেকানো না গেলেও সচেতনতা ও প্রস্তুতির মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব। আজকের সিদ্ধান্ত হোকÑপ্রতিটি ঘরে একটি জরুরি কিট এবং প্রতিটি নাগরিকের মধ্যে দুর্যোগ-সচেতন মানসিকতা গড়ে তোলা।

 

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।