৯০ ফুট কাঁচা রাস্তা ও জরাজীর্ণ কালভার্টে ৩ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ
কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের বিরাশী ও বারুইডাঙ্গা গ্রামে গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। দুই কিলোমিটার দীর্ঘ ইটের সলিং রাস্তার মাঝে মাত্র ৯০ ফুট অংশ কাঁচা রেখে দেওয়ায় এবং পানি নিষ্কাশনের একমাত্র কালভার্টটি মরণফাঁদে পরিণত হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তিন গ্রামের কয়েক হাজার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কপিলমুনির আগড়ঘাটা বাজার ভেদামাড়ী মোড় থেকে বিরাশী নতুন পুকুর হয়ে পূর্ব দিকে প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা ইটের সলিং করা হয়েছে। এমনকি আশপাশের শাখা রাস্তাগুলোও সলিংয়ের আওতায় এসেছে। কিন্তু ছুরমান গাজীর বাড়ির সামনে থেকে ইমাম মো. সোহরাব গাজীর বাড়ি পর্যন্ত ৯০ ফুট রাস্তা অজ্ঞাত কারণে কাঁচা রেখে দেওয়া হয়। প্রায় দুই বছর আগে পুরো গ্রামের রাস্তা সলিং করা হলেও এই অংশটি বাদ পড়ে। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ায় এই কাঁচা অংশটুকু এখন কর্দমাক্ত হয়ে পড়েছে, ফলে যাতায়াত করা দুরূহ হয়ে পড়েছে।
যাতায়াতের দুর্ভোগের পাশাপাশি বারুইডাঙ্গা গ্রামে জলাবদ্ধতার আতঙ্কও বাড়ছে। বারুইডাঙ্গা, বিরাশী ও শ্যামনগর—এই তিন গ্রামের সংযোগ এবং পানি নিষ্কাশনের একমাত্র কালভার্টটি দীর্ঘকাল ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। যেকোনো মুহূর্তে এটি ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে থাকায় সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধের উপক্রম হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. বদরুল আলম জানান, কালভার্টটির জরাজীর্ণ অবস্থা সম্পর্কে তিনি অবগত আছেন। এটি দ্রুত পুন:নির্মাণ বা সংস্কারের লক্ষ্যে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজিব বিশ্বাসকে লিখিত ও মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে।
কপিলমুনি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. ইউনুস আলী মোড়ল বলেন, তিনি অতি সম্প্রতি দায়িত্ব গ্রহণ করায় বিষয়টি আগে জানা ছিল না। তবে জনস্বার্থে মানুষের এই ভোগান্তি দূর করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাকি ৯০ ফুট রাস্তা ইটের সলিংয়ের আওতায় আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।












