শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রেম, প্রতারণা, পরকীয়া ও প্রতিশোধের গল্পে এলো ‘পাপ কাহিনী ২’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
প্রেম, প্রতারণা, পরকীয়া ও প্রতিশোধের গল্পে এলো ‘পাপ কাহিনী ২’

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিনে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পেয়েছে ওয়েব সিরিজ ‘পাপ কাহিনী টু’। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বিকেল ৩টায় সিরিজটির প্রথম পর্ব উন্মুক্ত করা হয়, যা দর্শকদের জন্য প্রিমিয়াম কনটেন্ট হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে।

নির্মাতা শাহরিয়ার নাজিম জয়–এর নির্মিত এই সিরিজটি চারটি আলাদা গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে।

তিনি জানান, প্রতিটি গল্পেই সমাজ ও ব্যক্তিজীবনের নানা টানাপোড়েন তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে সম্পর্ক, লোভ, প্রতারণা, বিশ্বাসঘাতকতা এবং প্রতিশোধকে কেন্দ্র করে এগিয়েছে কাহিনী।

সিরিজের প্রথম পর্বে মূলত মিডিয়া ও গ্ল্যামার জগতের আড়ালের বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এখানে দেখানো হয়েছে, বাহ্যিক চাকচিক্যের আড়ালে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও পেশাগত জীবনের জটিল দ্বন্দ্ব কীভাবে চরিত্রগুলোর জীবনকে প্রভাবিত করে।

নির্মাতাদের মতে, “পাপ কাহিনী টু” শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য নয়, বরং মানুষের ভেতরের অন্ধকার দিক এবং সামাজিক বাস্তবতাকে গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরার একটি প্রয়াস। প্রতিটি পর্বে আলাদা গল্প থাকলেও সবগুলোর মধ্যে একটি সাধারণ থিম হিসেবে মানবিক সম্পর্কের ভাঙন ও টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করা হয়েছে।

 

সিরিজটির বাকি পর্বগুলো ধাপে ধাপে মুক্তি দেওয়া হবে বলে জানা গেছে, যেখানে গল্পের গভীরতা আরও বাড়বে এবং চরিত্রগুলোর মানসিক সংঘাত ধীরে ধীরে প্রকাশ পাবে।

নাজিম জয় বলেন, “সিরিজের প্রতারণার গল্পটি এই মুহূর্ত থেকে দেখতে পাবেন। ‘প্রতিশোধ’, ‘পরকীয়া’ এবং ‘প্রেম’ দেখবার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। সিরিজের বিভিন্ন পর্বে অভিনয় করেছেন, ইমতিয়াজ বর্ষণ, রুনা খান, কুসুম শিকদার, আশনা হাবিব ভাবনা, শাহরিয়ার নাজিম জয় প্রমুখ।

‘প্রতারনার’ গল্পটি দেখে দর্শকদের মতমত জানাতে অনুরোধ করেছেন, সমালোচনাও করতে অনুরোধ করেছেন। তিনি বলেন, “যদি আপনাদের ভালো লাগে তো জানাবেন। যদি খারাপ লাগে কমেন্ট বক্সে গালাগালি করবেন। এটা আপনাদের অধিকার।”

প্রথম সিজনের সাফল্যের পর নতুন কিস্তি হিসেবে ‘পাপ কাহিনী টু’ মুক্তির পরপরই দর্শকমহলে আগ্রহ তৈরি করেছে এবং ওটিটি কনটেন্টে নতুন আলোচনা যোগ করেছে।

Ads small one

শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ও আমাদের দায়িত্ব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ও আমাদের দায়িত্ব

সম্পাদকীয়

দেশ থেকে অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব নির্মূল এবং শিশুমৃত্যু প্রতিরোধ করার মহৎ লক্ষ্য নিয়ে আজ ২৮ জুন দেশজুড়ে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালিত হতে যাচ্ছে। আধুনিক ও সুস্থ জাতি গঠনে প্রতিটি শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজÑউভয়েরই অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এই প্রেক্ষাপটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কেবল একটি রুটিন সরকারি কর্মসূচি নয়, বরং এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রোগমুক্ত ও সচল রাখার এক জাতীয় উদ্যোগ।

ভিটামিন ‘এ’ শুধু চোখের জ্যোতিই ধরে রাখে না, এটি শিশুদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। এবারের ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল রঙের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। একই সঙ্গে শিশুদের বয়স ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পর মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর মতো জরুরি পুষ্টি বার্তাও প্রচার করা হবে, যা শিশুদের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অত্যন্ত কার্যকর।

সাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ের প্রস্তুতি এবং পরিসংখ্যান অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। প্রশাসনের এই ব্যাপক প্রস্তুতি প্রশংসার দাবিদার। তবে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে দেওয়া কিছু নির্দেশনা, যেমনÑশিশুকে ভরা পেটে কেন্দ্রে আনা এবং গত চার মাসের মধ্যে এই ক্যাপসুল খাওয়া শিশুদের পুনরায় তা না খাওয়ানোর বিষয়টি অভিভাবকদের কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

একটি বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন, সরকারের এই বিশাল আয়োজন তখনই শতভাগ সফল হবে, যখন দেশের প্রতিটি প্রান্তের প্রতিটি উপযুক্ত শিশু এই সেবার আওতায় আসবে। অনেক সময় অসচেতনতা, অন্ধবিশ্বাস বা প্রচারণার অভাবে দুর্গম এলাকার কিছু শিশু এই অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। তাই এই ক্যাম্পেইন সফল করতে শুধু স্বাস্থ্য বিভাগ বা স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর ভরসা করে বসে থাকলে চলবে না। গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সমাজের সব স্তরের সচেতন নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রচারণায় অংশ নিতে হবে।

আজকের শিশু আগামী দিনের বাংলাদেশ। তাদের অন্ধত্ব ও অপুষ্টির অভিশাপ থেকে মুক্ত রাখতে প্রতিটি অভিভাবক সচেতন হবেন এবং দায়িত্বসহকারে শিশুকে নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে যাবেনÑএটাই আমাদের প্রত্যাশা। জাতীয় এই উদ্যোগ সফল হোক।

জেলা নাগরিক কমিটির সভা: জেলা প্রশাসককে নিয়ে অহেতুক বিতর্কের প্রতিবাদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
জেলা নাগরিক কমিটির সভা: জেলা প্রশাসককে নিয়ে অহেতুক বিতর্কের প্রতিবাদ

সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির উদ্যোগে শনিবার সকাল সাড়ে দশটায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির হলরুমে এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক অ্যাড. শেখ আজাদ হোসেন বেলাল এবং সঞ্চালনা করেন যুগ্ম সদস্য সচিব আলি নুর খান বাবুল। সভায় জেলা নাগরিক কমিটির ২১ দফা দাবি বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। গত ২৫ জুন জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের পর, সভায় বক্তারা জলাবদ্ধতা, বাইপাস সড়ক, সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, নাভারণ-ভোমরা রেল লাইন এবং ভবিষ্যতে মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত বর্ধিত করার বিষয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা এসব দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
সভায় সম্প্রতি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের একটি মন্তব্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। কিছুদিন আগে ক্রীড়া সংস্থার এক সভায় জেলা প্রশাসক বলেছিলেন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে ধর্মান্ধতা থেকে সাতক্ষীরাকে বেরিয়ে আসতে হবে। এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে একটি মহলের জেলা প্রশাসককে হেয় করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি কর্মীদের প্রতিবাদ করার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। বক্তারা বলেন, জেলা প্রশাসকের মন্তব্যটি ইতিবাচক অর্থে নেওয়া উচিত। ক্রীড়া ও সংস্কৃতির উন্নয়নের জন্য কুসংস্কার ও ধর্মান্ধতা পরিহার করা প্রয়োজন। তারা জেলা প্রশাসকের বক্তব্যের সমর্থনে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করার আহ্বান জানান।
সভায় জেলা নাগরিক কমিটির অন্যান্যদের মধ্য বক্তব্য রাখেন চ্যানেল আই এর জেলা প্রতিনিধি অ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত, সুশীলনের মনিরুজ্জামান, সিপিবি’র জেলা সভাপতি কমরেড আবুল হোসেন, সাংবাদিক আবুল কাসেম, মমতাজ আহমেদ বাপ্পী, উদীচী, সাতক্ষীরার সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান, জীবন ও প্রকৃতি ক্লাবের সভাপতি অ্যাড. মুনীরউদ্দীন, সাংবাদিক আহসানুর রাজীব, শেখ মোসফিকুর রহমান মিল্টন, আসাদুজ্জামান মধু, মুনসুর রহমান, বায়েজিদ হাসান, কবি আবু কাজী, ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

ব্রহ্মরাজপুরে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে টাইব্রেকারে ব্রাজিল সমর্থকেরা বিজয়ী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
ব্রহ্মরাজপুরে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে টাইব্রেকারে ব্রাজিল সমর্থকেরা বিজয়ী

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশ্বকাপ ফুটবলের আমেজকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ডি.বি. ইউনাইটেড হাই স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যকার এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটি ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা যায়।
শত শত দর্শকের উপস্থিতিতে দুই দলের সমর্থকেরা নিজ নিজ দলের জার্সি পরে মাঠে নামেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় দুই দলই মাঠজুড়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলে। নির্ধারিত সময়ে খেলাটি ১-১ গোলে সমতায় শেষ হলে ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়। পরে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলের ব্যবধানে আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করে বিজয় উল্লাসে মাতে ব্রাজিল সমর্থকেরা।
ম্যাচে আর্জেন্টিনা দলের নেতৃত্বে ছিলেন রায়হান হোসেন এবং ব্রাজিলের অধিনায়কত্ব করেন শামসুর আরেফিন রানা। প্রধান রেফারির দায়িত্ব পালন করেন হোসেন আলী। খেলা শেষে মা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ডি.বি. ইউনাইটেড হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান মুকুল বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন। তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সুস্থ বিনোদনের চর্চা বজায় রাখতে সাহায্য করে।