জলবায়ু পরিবর্তন ও লবণাক্ততায় সাতক্ষীরার কৃষি ঝুঁকিতে, টেকসই খাদ্য ব্যবস্থার তাগিদ
module: a; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: Hdr; cct_value: 5375; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 277.0634; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~25: 0.0;
ইব্রাহীম খলিল: উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততার কারণে কৃষিজমি, নিরাপদ পানির উৎস এবং খাদ্য উৎপাদন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। এই অবস্থা মোকাবিলায় পরিবেশবান্ধব কৃষি, সমন্বিত চাষাবাদ ও টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
রোববার সাতক্ষীরা শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক) আয়োজিত ‘খাদ্য ব্যবস্থা, উপকূলীয় বাস্তবতা ও এগ্রোইকোলজি: ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই ভবিষ্যতের সন্ধানে’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে এই তাগিদ দেওয়া হয়।
সবুজ সংহতি সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি আবু আফফান রোজ বাবুর সভাপতিত্বে সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা তথ্য কর্মকর্তা জাহারুল ইসলাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়ক মো. শাহিন ইসলাম।
সংলাপে বক্তারা বলেন, উপকূলীয় জেলা হওয়ায় সাতক্ষীরায় লবণাক্ততা দিন দিন বাড়ছে। ফলে অনেক ঐতিহ্যবাহী ফসলের আবাদ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং কৃষকদের চাষাবাদের ধরন পরিবর্তন করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে নিরাপদ পানির তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় অনেক পরিবারকে পানি কিনে ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
কৃষিকাজে নারীর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, কৃষিতে নারীর শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শুধু খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোই যথেষ্ট নয়; মাটি, পানি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে কৃষকের ন্যায্যমূল্য ও সাধারণ মানুষের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে। এর জন্য স্থানীয় বীজ সংরক্ষণ ও রাসায়নিকের ব্যবহার কমানোর ওপর জোর দেওয়া হয়।
সংলাপে আরও বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা প্লাবনী সরকার, নাগরিক নেতা আশেক ই এলাহী, কল্যাণ ব্যানার্জি, পবিত্র মোহন দাস, কিশোরী মোহন সরকার, মাধব চন্দ্র দত্ত, আলী নুর খান বাবুল, এম. কামরুজ্জামান, গোলাম সরোয়ার, শেখ সিদ্দিকুর রহমান, সাকিবুর রহমান বাবলা, মনিরুজ্জামান, এম. বেলাল হোসাইন, ইব্রাহিম খলিল, ইফতি জামিল, শাহেদা আজবেলা ও আমরীন বিনতে আজাদ।









