রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বঙ্গে ফুটলো পদ্মফুল, দিদির বিদায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
বঙ্গে ফুটলো পদ্মফুল, দিদির বিদায়

গত বছরের নভেম্বর মাসে বিহারে এনডিএ জোটের বড় জয়ের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, ‘বিহার হয়েই গঙ্গা নদী বাংলায় প্রবাহিত হয়’। এই রূপকটিই ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সুর বেঁধে দিয়েছিল এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিল। পাঁচ মাস পর, অবশেষে দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত এই পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যটি দখল করল বিজেপি। দলটি এখন ২০০টি আসনের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) দুই অঙ্কের ঘরে নেমে গিয়ে বেশ পেছনে পড়ে রয়েছে। এই ফলাফল বিজেপির জন্য এক ঐতিহাসিক বিজয় এবং তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়েছে।

বুথফেরত জরিপগুলো আগেই বিজেপিকে এগিয়ে রেখেছিল। পাঁচটি জরিপ সংস্থা গেরুয়া শিবিরকে ১৪৬ থেকে ১৯২টি আসন দিয়েছিল। অন্যদিকে, দুটি সংস্থা মমতার ফেরার পূর্বাভাস দিয়ে তৃণমূলকে ১৭৭ থেকে ২০৫টি আসন দিয়েছিল। মমতা অবশ্য এক্সিট পোলগুলোকে উড়িয়ে দিয়ে দাবি করেছিলেন, তৃণমূল ২২০টিরও বেশি আসন জিতবে। তার দলের নেতারাও ২০২১ সালের উদাহরণ টেনে একই আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছিলেন, যখন মমতা সব পূর্বাভাস চুরমার করে দিয়েছিলেন।

তবে এবার বুথফেরত জরিপের সংখ্যাগুলোই সঠিক প্রমাণিত হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে লিখেছে, এই নির্বাচনের ফলাফল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। উত্তরবঙ্গে বিজেপি বেশ এগিয়ে রয়েছে, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দলটির শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তবে এবার দলটি তৃণমূলের বেশ কয়েকটি শক্তিশালী ঘাঁটিতেও বড় ধরনের অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে। মেদিনীপুরে বিজেপি আদিবাসী ভোট পেয়েছে। এছাড়া তৃণমূলের আরেক দুর্গ বর্ধমানেও গেরুয়া ঝড় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।

একই সঙ্গে কলকাতা এবং হাওড়ার মতো প্রধান শহুরে এলাকাগুলো তৃণমূলের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে এবং নির্বাচনকে বিজেপির পক্ষে নিয়ে গেছে। প্রেসিডেন্সি অঞ্চলেও গেরুয়া ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে। মালদহে ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ কার্যক্রম স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর)-এর পর ব্যাপক ভোটার বাদ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। সেখানে তৃণমূল কোনোমতে সামান্য ব্যবধানে টিকে রয়েছে। তবে দক্ষিণ কলকাতার মমতার নিজের দুর্গ ভবানীপুরে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী ১০ রাউন্ডেরও বেশি গণনা বাকি থাকতেই ১৭ হাজারেরও বেশি ভোটে সুবিধাজনক অবস্থানে এগিয়ে রয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গের এই লড়াই নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য রবিবার ইন্ডিয়া টুডে ইন-কে দেওয়া এক ফোনালাপে বলেছিলেন, এটি ছিল একটি বর্জনের নির্বাচন। তিনি বলেছিলেন, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি থেকে শুরু করে বেকারত্ব, সব বিষয়ই তৃণমূলের পতনে ভূমিকা রাখছে।

প্রতাপশালী বামপন্থিদের বিরুদ্ধে বাঘিনীর মতো রুখে দাঁড়ানো থেকে শুরু করে ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটানো এবং পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী মোদির বিরুদ্ধে অন্যতম সম্ভাব্য মুখ হয়ে ওঠা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উত্থান এক ইতিহাস। তবে তার ১৫ বছরের শাসনকাল দুর্নীতি ও গুন্ডারাজ সংস্কৃতির কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচনের আগে বিজেপির প্রচারণা মূলত মানুষের ভেতরের এক বড় ভয়কে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে, যা কলকাতার আর জি করের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরও তীব্র রূপ নিয়েছিল।

এর পাশাপাশি মমতার বিরুদ্ধে মুসলিম তোষণের অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি, যা দলটির দাবি অনুযায়ী বাংলার হিন্দুদের ক্ষতিগ্রস্ত করছিল। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’ স্লোগানের ওপর ভর করে সাংস্কৃতিক অনুভূতিকে জাগিয়ে তুলতে চেয়েছিল। তারা এই প্রচারণাও চালিয়েছিল যে বিজেপি জিতলে মাছসহ অন্যান্য আমিষ খাবারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। এই প্রচারণার জবাব দিতে গেরুয়া শিবিরের নেতারা বাংলায় এসে ক্যামেরার সামনে মাছ খেয়ে দেখান।

তবে সব কিছুর ঊর্ধ্বে গিয়ে এবার বাংলার মানুষ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। সাহিত্য, সংস্কৃতি, খাবার এবং চিরাচরিত ‘চা-আড্ডা’কে প্রাধান্য দেওয়া এই রাজ্যটি এবার পরিবর্তন চেয়েছে। বিজেপির দাবি, বেকারত্ব, ভয়ভীতি প্রদর্শন, গুন্ডারাজ ও দুর্নীতির কারণেই মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করেছে। যেখানে তৃণমূলের মূল বক্তব্য ছিল যে বিজেপি জিতলে বাংলার ওপর হিন্দি চাপিয়ে দেওয়া হবে এবং তারা বাঙালি পরিচয় ও সংস্কৃতিকেই তুলে ধরেছিল।

যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও আশাবাদী। একটি ভিডিও বার্তায় তিনি তৃণমূল কর্মীদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এখনও অনেক রাউন্ডের ভোট গণনা বাকি রয়েছে। তিনি বলেন, ‘হতাশ হবেন না’।

Ads small one

ভোমরায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর শাহাদাত বার্ষিকী পালন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
ভোমরায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর শাহাদাত বার্ষিকী পালন

সীমান্ত প্রতিনিধি: শনিবার (৩০ মে) বিকাল ৫ টায় শাঁখরা কোমরপুর এজি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কক্ষে ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ শাহানুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুর রশিদ।

 

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ বজলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আমিরুল ইসলাম, ভোমরা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি গ্রাম্য ডাঃ মোঃ নাসিরউদ্দিন, ভোমরা ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক মোঃ খালিদ হোসেন, ৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ কওসার আলী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, ৮নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কবির হোসেন, ৯ নং ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুস সোবহান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ূন কবির লালটু, ২ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মোঃ আল আমিন, সদস্য আজিজুল ইসলামসহ ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ।

 

জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় তারেক মঞ্চের দোয়া মাহফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় তারেক মঞ্চের দোয়া মাহফিল

সংবাদদাতা: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০ মে) রাত ৮ টায় শহরের মিলগেটে তারেক মঞ্চ-সাতক্ষীরা জেলা কমিটির আয়োজনে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

তারেক মঞ্চ-সাতক্ষীরা জেলা কমিটির আহবায়ক মো. মনোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবদলের সাবেক সমন্বয়ক আলিমুজ্জামান, জেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সদস্য সচিব সাইফুল্লাহ আল কাফি, জেলা জাসাসের আহবায়ক শেখ জিল্লুর রহমান, লাবসা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আতিয়ার রহমান, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শেখ আজিজুর রহমান সেলিম, সদর থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ইউপি সদস্য মো. নজিবুর রহমান টুটুল, তারেক মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বাবলু, তারেক মঞ্চ সাতক্ষীরা জেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সদস্য মইনুর ইসলাম, তারেক মঞ্চনেতা মো. মনিরুজ্জামান মনির, লাবসা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আমিরুল ইসলাম রাজু, সদর উপজেলা ইলেকট্রিক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. রেজাউল করিম প্রমুখ। এসময় বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

দোয়া মাহফিলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন, জেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সদস্য সচিব হাফেজ সাইফুল্লাহ আল কাফি।

 

 

পাটকেলঘাটা আল-আমিন ফাজিল মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ঈদ পুনর্মিলনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটা আল-আমিন ফাজিল মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ঈদ পুনর্মিলনী

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটা আল-আমিন ফাজিল মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও বিশিষ্ট শিক্ষক মাওলানা শহীদুর রহমান এর বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৯ মে) বিকাল ৫ টায় পাটকেলঘাটা দারুল ইসলাম ট্রাষ্ট মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটি অ্যালামনাই সদস্য, সাবেক শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানের মধ্যমণি ছিলেন দীর্ঘদিনের প্রিয় শিক্ষক মাওলানা শহীদুর রহমান।

অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জি. এম. হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এস. এম. জাকির হোসাইন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম ও সহকারী অধ্যাপক ইয়াছীন আলী সরদার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফায়সাল, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল জলিল, আইটি বিষয়ক সম্পাদক কামরুল ইসলাম মান্না এবং ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো. মাসুম বিল্লাহ, মুনিরুজ্জামান, খুররম মুরাদ, হাবিবুর রহমান, আলী আজম সম্্রাট, আবু মুসা, শহিদুজ্জামান এবং মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষক মোশাররফ হোসেনসহ আরও অনেকে।

অনুষ্ঠানে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মাওলানা শহীদুর রহমান এর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। এ সময় বক্তারা তাঁর দীর্ঘ শিক্ষাদান, নৈতিক মূল্যবোধ গঠন এবং শিক্ষার্থীদের মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

স্মৃতিচারণ পর্বে সাবেক শিক্ষার্থীরা তাঁদের প্রিয় শিক্ষকের বিভিন্ন স্মরণীয় ঘটনার কথা তুলে ধরেন। অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

বক্তারা বলেন, মাওলানা শহীদুর রহমান এর আদর্শ, সততা ও শিক্ষাদর্শ আগামী প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তাঁর বিদায়ের এই মুহূর্ত অ্যালামনাই সদস্য ও শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।