রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

বল্লী ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিদারুল আলমের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
বল্লী ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিদারুল আলমের

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১২ নম্বর বল্লী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক সেনাসদস্য ও ব্যবসায়ী মো. দিদারুল আলম দিদার। তিনি ইউনিয়নের শীবনগর গ্রামের বাসিন্দা।

দিদারুল আলম জানান, নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করতে চান। পাশাপাশি মাদক নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছেন তিনি।

দিদারুল আলমের পিতা আলহাজ রেজাউল করিম সরদার। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে তিনি জ্যেষ্ঠ। তিনি কলারোয়া সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর মৎস্য চাষ এবং গবাদিপশু ও মাছের খাদ্যের ব্যবসায় যুক্ত হন। তাঁর সরদার এন্টারপ্রাইজের শাখা রয়েছে লাবসা পলিটেকনিক মোড় ও ঝাউডাঙ্গা বাজারে। এ ছাড়া বিনেরপোতায় তাঁর একটি মৎস্য আড়ৎ রয়েছে।

দিদারুল আলমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর নিজস্ব অর্থায়নে ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, ঈদগাহ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহযোগিতা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে বল্লী ইউনিয়নের ১২টি ওয়ার্ডে গণসংযোগ করছেন দিদারুল আলম। এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন এবং নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরছেন।

তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের অংশগ্রহণে ইউনিয়নের সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেবেন।

Ads small one

বাল্যবিবাহমুক্ত কালীগঞ্জে স্কুলছাত্রীর বিয়ে, মুচলেকা ও নিষেধাজ্ঞা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩৯ অপরাহ্ণ
বাল্যবিবাহমুক্ত কালীগঞ্জে স্কুলছাত্রীর বিয়ে, মুচলেকা ও নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিবাহের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের খাঁরহাট গ্রামে ১৫ বছর বয়সী ওই ছাত্রীর বিয়ে হয়। এ ঘটনায় তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে ২৫ অক্টোবর জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।

ছাত্রীটি বড়শিমলা কারবালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী, তার জন্মতারিখ ১৭ নভেম্বর ২০১০। সে হিসাবে বিয়ের সময় তার বয়স ছিল ১৫ বছর ১১ মাস। তার বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী মারকা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ২৭ বছর বয়সী ছেলে আব্দুল মান্নানের সঙ্গে।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধকর্মী সাকিবুর রহমান বাবলা জানান, ২০১৫ সালে কালীগঞ্জকে বাল্যবিবাহমুক্ত উপজেলা ঘোষণা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় তদন্ত ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নজরদারি জোরদারের দাবি জানান তিনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তারের নির্দেশে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আর্ণা চক্রবর্তী ছাত্রীর পরিবারকে ডেকে বাল্যবিবাহবিরোধী আইন সম্পর্কে অবহিত করেন। পরে ছাত্রীর বাবা শেখ ইমান আলী মুচলেকা দেন। একই সঙ্গে বিয়ের উপযুক্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করে উপজেলা প্রশাসন।

সাতক্ষীরা সদরে তিন শিশুবিবাহে নিষেধাজ্ঞা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সদরে তিন শিশুবিবাহে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় তিনটি শিশুবিবাহের ঘটনায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্ত। সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যরা শিশুবিবাহের বিষয়টি স্বীকার করে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না ঘটানোর মুচলেকা দিয়েছেন।

ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে ফিংড়ী ইউনিয়নের বালিথা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর বিয়ে। কয়েক দিন আগে ওই বিয়ে সম্পন্ন হয়। বরের বয়স ১৭ বছর। অন্যদিকে, ধুলিহর ইউনিয়নের নাথপাড়ায় দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীর বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল গত বৃহস্পতিবার। ওই কিশোরী ধুলিহর ব্রহ্মরাজপুর আদর্শ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

শিশুবিবাহ প্রতিরোধকর্মী সাকিবুর রহমান বাবলা বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনেন। পরে নারী বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রকল্প কর্মকর্তা ফাতেমা জোহরা ও কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সদস্যরা সংশ্লিষ্ট পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সচেতন করেন।

রোববার সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের প্রশাসনের কার্যালয়ে হাজির করা হলে তাঁরা ভুল স্বীকার করে ভবিষ্যতে শিশুবিবাহ না দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। পরে ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অর্ণব দত্ত তিনটি শিশুবিবাহের ঘটনায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

অপপ্রচার ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে ব্যাংক কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
অপপ্রচার ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে ব্যাংক কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলন

আশাশুনি প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে অপপ্রচার, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ব্যাংক কর্মকর্তা ও কুল্যা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল হাসান বাবলু।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে আশাশুনি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আজিজ কো-অপারেটিভ কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স ক্রেডিট সোসাইটির বুধহাটা শাখায় তিনি ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রতিষ্ঠানটিতে তাঁর নিজের নামে ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং পরিবারের সদস্যদের নামে প্রায় আড়াই কোটি টাকা জমা রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

বাবলু অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান এম তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০২২ সালে হাইকোর্টে মামলা করা হয়। মামলাটি বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে তিনি জানান। মামলা নিষ্পত্তি হলে গ্রাহকেরা তাঁদের পাওনা ফেরত পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বাবলু। এ ঘটনায় কিছু গ্রাহককে ভুল বুঝিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে প্রচার চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। একই সঙ্গে অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।