শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

বিপিএল ফিক্সিংকান্ডে ৫ জনের শাস্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১:১২ পূর্বাহ্ণ
বিপিএল ফিক্সিংকান্ডে ৫ জনের শাস্তি

স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ২০২৫ সালের আসরে ক্রিকেটারসহ অন্তত চারজনের বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে তাদের শাস্তি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এ ছাড়া বিপিএলের আরও তিন আসরে ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে আরেকজনকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে বিসিবি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসি দুর্নীতি বিরোধী কোড বা বিধিমালার (দ্য ‘কোড’) বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের দায়ে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়, দলের কর্মকর্তা, ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক এবং অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টি (বিপিএল টি-টোয়েন্টি) এর ১২তম আসরকে কেন্দ্র করে বিসিবি ইনটেগ্রিটি ইউনিটের (বিসিবিআইইউ) তদন্তের প্রেক্ষিতে এই অভিযোগগুলো আনা হয়েছে। তদন্তে দুর্নীতির চেষ্টা, বেটিং বা জুয়ায় সম্পৃক্ততা, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্ত কাজে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগগুলো মূলত জুয়া সংক্রান্ত কার্যক্রম, দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া, বিধিমালার অনুচ্ছেদ ৪.৩ এর অধীনে জারি করা নোটিশ পালনে ব্যর্থতা, তথ্য আদান-প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ গোপন বা মুছে ফেলা এবং নির্ধারিত দুর্নীতি বিরোধী কর্মকর্তার (ড্যাকো) সঙ্গে সহযোগিতা না করার সঙ্গে সম্পর্কিত। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে তারা হলেন-

মো. লাবলুর রহমান (টিম ম্যানেজার):অনুচ্ছেদ ২.৪.৬: কোনো জোরালো কারণ ছাড়াই ড্যাকোর (উঅঈঙ) তদন্তে সহযোগিতা করতে অস্বীকার বা ব্যর্থ হওয়া (অনুচ্ছেদ ৪.৩ এর অধীনে নোটিশ পালনে ব্যর্থতাসহ)। অনুচ্ছেদ ২.৪.৭: তদন্ত কাজে বাধা সৃষ্টি বা বিলম্ব করা (তথ্য ও যোগাযোগ সংক্রান্ত প্রমাণ গোপন, মুছে ফেলা বা ধ্বংস করাসহ)।

মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ (ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক): অনুচ্ছেদ ২.৪.৬: তদন্তে ড্যাকোকে সহযোগিতা করতে অস্বীকার বা ব্যর্থ হওয়া। অনুচ্ছেদ ২.৪.৭: তদন্ত কাজে বাধা প্রদান বা বিলম্ব করা এবং তথ্য গোপন বা ধ্বংস করা।
অমিত মজুমদার (ঘরোয়া ক্রিকেটার):অনুচ্ছেদ ২.২.১: ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল, অগ্রগতি বা অন্য যেকোনো বিষয়ে বাজি ধরা বা বাজি গ্রহণ করা।

রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী (টিম ম্যানেজার): অনুচ্ছেদ ২.২.১: ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল বা খেলার যেকোনো পরিস্থিতির ওপর বাজি ধরা বা বাজিতে অংশ নেওয়া।

অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে এবং অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য নোটিশ পাওয়ার পর থেকে ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এই পর্যায়ে বিসিবি এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করবে না।

এ ছাড়া বিপিএলের ৯ম, ১০ম এবং ১১তম আসরে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে ‘বিসিবি এক্সক্লুডেড পারসন পলিসি’র (বহিষ্কৃত ব্যক্তি নীতিমালা) অধীনে একটি ‘এক্সক্লুশন অর্ডার’ বা বহিষ্কারাদেশ জারি করেছে বিসিবি। তদন্তে দেখা গেছে, তিনি জুয়া সংক্রান্ত কার্যক্রম, খেলোয়াড় ও এজেন্টদের দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া এবং দেশি-বিদেশি বেটিং সিন্ডিকেটের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে ম্যাচ সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিতে ভূমিকা রেখেছেন। নোটিশ পাওয়ার পর সামিনুর রহমান তার আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার ত্যাগ করে এই বহিষ্কারাদেশ মেনে নিয়েছেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Ads small one

শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ও আমাদের দায়িত্ব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ও আমাদের দায়িত্ব

সম্পাদকীয়

দেশ থেকে অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব নির্মূল এবং শিশুমৃত্যু প্রতিরোধ করার মহৎ লক্ষ্য নিয়ে আজ ২৮ জুন দেশজুড়ে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালিত হতে যাচ্ছে। আধুনিক ও সুস্থ জাতি গঠনে প্রতিটি শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজÑউভয়েরই অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এই প্রেক্ষাপটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কেবল একটি রুটিন সরকারি কর্মসূচি নয়, বরং এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রোগমুক্ত ও সচল রাখার এক জাতীয় উদ্যোগ।

ভিটামিন ‘এ’ শুধু চোখের জ্যোতিই ধরে রাখে না, এটি শিশুদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। এবারের ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল রঙের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। একই সঙ্গে শিশুদের বয়স ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পর মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর মতো জরুরি পুষ্টি বার্তাও প্রচার করা হবে, যা শিশুদের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অত্যন্ত কার্যকর।

সাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ের প্রস্তুতি এবং পরিসংখ্যান অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। প্রশাসনের এই ব্যাপক প্রস্তুতি প্রশংসার দাবিদার। তবে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে দেওয়া কিছু নির্দেশনা, যেমনÑশিশুকে ভরা পেটে কেন্দ্রে আনা এবং গত চার মাসের মধ্যে এই ক্যাপসুল খাওয়া শিশুদের পুনরায় তা না খাওয়ানোর বিষয়টি অভিভাবকদের কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

একটি বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন, সরকারের এই বিশাল আয়োজন তখনই শতভাগ সফল হবে, যখন দেশের প্রতিটি প্রান্তের প্রতিটি উপযুক্ত শিশু এই সেবার আওতায় আসবে। অনেক সময় অসচেতনতা, অন্ধবিশ্বাস বা প্রচারণার অভাবে দুর্গম এলাকার কিছু শিশু এই অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। তাই এই ক্যাম্পেইন সফল করতে শুধু স্বাস্থ্য বিভাগ বা স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর ভরসা করে বসে থাকলে চলবে না। গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সমাজের সব স্তরের সচেতন নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রচারণায় অংশ নিতে হবে।

আজকের শিশু আগামী দিনের বাংলাদেশ। তাদের অন্ধত্ব ও অপুষ্টির অভিশাপ থেকে মুক্ত রাখতে প্রতিটি অভিভাবক সচেতন হবেন এবং দায়িত্বসহকারে শিশুকে নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে যাবেনÑএটাই আমাদের প্রত্যাশা। জাতীয় এই উদ্যোগ সফল হোক।

জেলা নাগরিক কমিটির সভা: জেলা প্রশাসককে নিয়ে অহেতুক বিতর্কের প্রতিবাদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
জেলা নাগরিক কমিটির সভা: জেলা প্রশাসককে নিয়ে অহেতুক বিতর্কের প্রতিবাদ

সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির উদ্যোগে শনিবার সকাল সাড়ে দশটায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির হলরুমে এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক অ্যাড. শেখ আজাদ হোসেন বেলাল এবং সঞ্চালনা করেন যুগ্ম সদস্য সচিব আলি নুর খান বাবুল। সভায় জেলা নাগরিক কমিটির ২১ দফা দাবি বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। গত ২৫ জুন জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের পর, সভায় বক্তারা জলাবদ্ধতা, বাইপাস সড়ক, সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, নাভারণ-ভোমরা রেল লাইন এবং ভবিষ্যতে মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত বর্ধিত করার বিষয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা এসব দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
সভায় সম্প্রতি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের একটি মন্তব্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। কিছুদিন আগে ক্রীড়া সংস্থার এক সভায় জেলা প্রশাসক বলেছিলেন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে ধর্মান্ধতা থেকে সাতক্ষীরাকে বেরিয়ে আসতে হবে। এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে একটি মহলের জেলা প্রশাসককে হেয় করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি কর্মীদের প্রতিবাদ করার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। বক্তারা বলেন, জেলা প্রশাসকের মন্তব্যটি ইতিবাচক অর্থে নেওয়া উচিত। ক্রীড়া ও সংস্কৃতির উন্নয়নের জন্য কুসংস্কার ও ধর্মান্ধতা পরিহার করা প্রয়োজন। তারা জেলা প্রশাসকের বক্তব্যের সমর্থনে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করার আহ্বান জানান।
সভায় জেলা নাগরিক কমিটির অন্যান্যদের মধ্য বক্তব্য রাখেন চ্যানেল আই এর জেলা প্রতিনিধি অ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত, সুশীলনের মনিরুজ্জামান, সিপিবি’র জেলা সভাপতি কমরেড আবুল হোসেন, সাংবাদিক আবুল কাসেম, মমতাজ আহমেদ বাপ্পী, উদীচী, সাতক্ষীরার সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান, জীবন ও প্রকৃতি ক্লাবের সভাপতি অ্যাড. মুনীরউদ্দীন, সাংবাদিক আহসানুর রাজীব, শেখ মোসফিকুর রহমান মিল্টন, আসাদুজ্জামান মধু, মুনসুর রহমান, বায়েজিদ হাসান, কবি আবু কাজী, ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

ব্রহ্মরাজপুরে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে টাইব্রেকারে ব্রাজিল সমর্থকেরা বিজয়ী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
ব্রহ্মরাজপুরে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে টাইব্রেকারে ব্রাজিল সমর্থকেরা বিজয়ী

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশ্বকাপ ফুটবলের আমেজকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ডি.বি. ইউনাইটেড হাই স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যকার এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটি ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা যায়।
শত শত দর্শকের উপস্থিতিতে দুই দলের সমর্থকেরা নিজ নিজ দলের জার্সি পরে মাঠে নামেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় দুই দলই মাঠজুড়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলে। নির্ধারিত সময়ে খেলাটি ১-১ গোলে সমতায় শেষ হলে ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়। পরে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলের ব্যবধানে আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করে বিজয় উল্লাসে মাতে ব্রাজিল সমর্থকেরা।
ম্যাচে আর্জেন্টিনা দলের নেতৃত্বে ছিলেন রায়হান হোসেন এবং ব্রাজিলের অধিনায়কত্ব করেন শামসুর আরেফিন রানা। প্রধান রেফারির দায়িত্ব পালন করেন হোসেন আলী। খেলা শেষে মা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ডি.বি. ইউনাইটেড হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান মুকুল বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন। তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সুস্থ বিনোদনের চর্চা বজায় রাখতে সাহায্য করে।