শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

বিভাগীয় পর্যায়ে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ
বিভাগীয় পর্যায়ে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

বিভাগীয় পর্যায়ে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠান আজ (সোমবার) ফুলবাড়ি গেটস্থ বক্ষব্যাধি হাসপাতাল চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ নাজমুল হক সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, হঠাৎ করেই দেশজুড়ে হামের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার ফলে শিশুমৃত্যু বেড়ে যায়। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিশুর স্বাস্থ্য-সুরক্ষা নিশ্চয়তার মধ্যমে একটি সুস্থ জাতি উপহার দেওয়া সম্ভব। তাই এই প্রার্দুভাবের হাত থেকে আমাদের শিশুদেরকে সুরক্ষার জন্য সরকার তাৎক্ষণিক মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের মধ্য দিয়ে আজ খুলনাতেও এ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

 

এসময় গণমাধ্যমকর্মীদেরকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারাই পারেন সমাজের প্রতিটি স্তরের জনগণকে এই টিকা বিষয়ে সচেতন করে তুলতে। আমাদের নিজ নিজ জায়গা থেকে সকলকে সচেতন করতে হবে যেন একটি শিশুও এই টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে। তাহলেই এই কর্মসূচির স্বার্থকতা আসবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন, পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আকিব উদ্দিন, খুলনা ইউনিসেফ এর চীফ মোঃ কাওসার হোসেন, বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. মোঃ আরিফুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এতে স্বাগত বক্তৃতা করেন খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান। বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ১৫ লাখ ৯৭ হাজার ৮২১ শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিভাগে ১৪ হাজার ৯৩৬টি টিকা কেন্দ্রে দুই হাজার ২৯৮৯ জন টিকাদানকারী এবং সাত হাজার ৭৫৪ জন ভলান্টিয়ার দায়িত্ব পালন করবে। ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত এই ক্যাম্পেইন চলবে।

২০ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। যাদের ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচের শিশু রয়েছে তারা াধীবঢ়র.মড়া.নফ এই ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন জন্মনিবন্ধন দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। তবে যাদের জন্মনিবন্ধন নেই তারাও রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই টিকা নিতে পারবে। তথ্যবিবরণী

Ads small one

বুধহাটায় জমি দখল ও ঘর নির্মাণের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
বুধহাটায় জমি দখল ও ঘর নির্মাণের অভিযোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় জোরপূর্বক জমি দখল ও সেখানে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার বাড়ির সীমানা প্রাচীরের গ্রেডবিম কেটে পুকুরে ফেলে দেওয়ারও গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর থানায় অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার না পেয়ে তিনি ১৫ সেপ্টেম্বর আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা করেন। কিন্তু বিজ্ঞ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অভিযুক্ত মিজানুর লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে পুনরায় নির্মাণকাজ চালাতে থাকেন। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের অসহযোগিতায় তিনি এই সুযোগ পেয়েছেন দাবি করে ভুক্তভোগী গত ৮ অক্টোবর আদালতে আরও একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে আদালত আশাশুনি থানাকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে, একই এলাকার সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ আলী অভিযোগ করেন, তিনি সুশীল কর্মকারের নিকট থেকে ১৯৯৭ সালে জমি কিনে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন এবং বাড়ির সীমানায় নিরাপদে গ্রেডবিম নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু গত ১০ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে অভিযুক্ত মিজানুর লোকজন নিয়ে এসে তাঁর সীমানা প্রাচীরের গ্রেডবিম কেটে পাশের পুকুরে ফেলে দেন। এ ঘটনায় তিনি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করলে আদালত আশাশুনি থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। এসআই লিটন কুমার ঘোষ তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

এই ভূমিদস্যুর হাত থেকে রক্ষা পেতে ও পৈতৃক বা কেনা সম্পত্তি রক্ষায় ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শ্যামনগরে জামায়াতের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে জামায়াতের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

শ্যামনগর প্রতিনিধি: ক্রমবর্ধমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। দলীয় কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার সকাল ১০টা থেকে শ্যামনগর পৌরসভার নকিপুর বাজারসহ জনবহুল এলাকাগুলোতে এই প্রচারপত্র বিলি করা হয়।
উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে অংশ নেন পৌর জামায়াতের আমির হারুন-অর রশীদ সাচ্চু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মঈনুদ্দীন, গোলাম মোস্তফা, যুব বিভাগের সাঈদী হাসান বুলবুল এবং ছাত্রশিবিরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এর আগে সকালে জামায়াতের একটি দল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করে।
কর্মসূচিপালনের সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে, যা সাধারণ মানুষের জনজীবন ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। এই মহামারি থেকে রক্ষা পেতে হলে নিজের আঙিনাসহ চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে ডেঙ্গু লক্ষণে ভয় না পেয়ে চিকিৎসকের পরমর্শ অনুযায়ী সঠিক ওষুধ সেবন ও মানসিক শক্তি ধরে রাখার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।

 

পাটকেলঘাটা-কলারোয়া সড়কের দুপাশে ঝোপঝাড়: পথচারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটা-কলারোয়া সড়কের দুপাশে ঝোপঝাড়: পথচারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

এমএম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: পাটকেলঘাটা-কলারোয়া সড়কের সরুলিয়া বাজার থেকে মুরারিকাটি পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার সড়কের উভয় পাশ দীর্ঘদিন ধরে ঘন ঝোপঝাড়ে আচ্ছাদিত হয়ে আছে। এতে রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। পাশাপাশি ডাকাতি, মাদকসেবন ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধমূলক কর্মকা- বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এই রুটে চলাচলকারী যানবাহনচালক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তালা ও কলারোয়াÑএই দুই উপজেলার প্রায় তিন লাখ মানুষ প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ের কারণে বেশ কিছু স্থান দিনের বেলাতেও নির্জন ও আড়ালযুক্ত হয়ে থাকে। ফলে সেখানে অপরাধীরা সহজেই লুকিয়ে থাকে।

নিয়মিত যাতায়াতকারী ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি মাহমুদুল হক জানান, দীর্ঘদিন ধরে ঝোপঝাড় পরিষ্কার না করায় পরিবেশ নষ্ট হয়েছে এবং উচ্ছৃঙ্খল যুবকরা এই জঙ্গলের আড়ালকে অপরাধের কাজে ব্যবহার করছে। ধানদিয়া চৌরাস্তা মোড়ের মুদি দোকানদার ফরিদুল ইসলাম জানান, বাইরের পথচারীরা প্রায়ই ছিনতাইয়ের শিকার হন। সন্ধ্যার পর ক্রেতাদের সুরক্ষায় বাড়তি সতর্ক থাকতে হয়, কারণ অপরাধীরা লুটপাট করে দ্রুত জঙ্গলের মধ্যে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের ধরা সম্ভব হয় না।

স্থানীয়দের দাবি, সড়কের দুই পাশের আগাছা ও জঙ্গল নিয়মিত পরিষ্কার করা হলে দৃশ্যমানতা বাড়বে এবং অপরাধীদের লুকিয়ে থাকার সুযোগ থাকবে না। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের চলাচলের আতঙ্ক কাটাতে সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত টহল বাড়ানোর জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে এলজিআরডির এক কর্মকর্তা জানান, খুব দ্রুতই সড়কটির দুই পাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার করা হবে। তবে বর্ষাকাল হওয়ায় জঙ্গল দ্রুত বেড়ে ওঠে। পাটকেলঘাটা থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাস্তার দুই পাশ পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। জনগণের জানমালের সুরক্ষা দিতে নিয়মিত পুলিশি টহল অব্যাহত রয়েছে এবং আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে এই টহল আরও জোরদার করা হবে।