শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কারা, কেমন তাদের অতীত ইতিহাস?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কারা, কেমন তাদের অতীত ইতিহাস?

গ্রুপ সি-তে কাগজে-কলমে সবচেয়ে এগিয়ে ব্রাজিল ও মরক্কো। তবে বিশ্বকাপের ইতিহাস বলছে, প্রত্যাবর্তনের গল্পও অনেক সময় বড় চমক উপহার দেয়। স্কটল্যান্ড ও হাইতি সেই স্বপ্ন নিয়েই মাঠে নামবে। তবে ব্রাজিল চাইবে দুই দশকের বেশি সময়ের শিরোপা খরা কাটানোর পথে প্রথম পদক্ষেপটি দৃঢ়ভাবে রাখতে। মরক্কোও প্রমাণ করতে চাইবে কাতারের সাফল্য বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা ছিল না।

এবার দেখে নেওয়া যাক তাদের অতীত ইতিহাস-

ব্রাজিল

বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে সফল দল ব্রাজিল সর্বশেষ শিরোপা জিতেছিল ২০০২ সালে। এরপর থেকে বারবার শিরোপার স্বপ্ন নিয়ে মঞ্চে এলেও শেষ পর্যন্ত হতাশাই সঙ্গী হয়েছে সেলেসাওদের।

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা ২০১৪ সালে স্বাগতিক হিসেবে সেমিফাইনালে উঠলেও জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের লজ্জাজনক হার এখনও ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের দুঃস্বপ্ন। চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের।

এবার দলের নেতৃত্বে থাকবেন রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও বার্সেলোনার উইঙ্গার রাফিনহা। তবে হাঁটুর চোটে বিশ্বকাপ মিস করছেন রিয়াল মাদ্রিদের আরেক গুরুত্বপূর্ণ ফরোয়ার্ড রদ্রিগো।

ব্রাজিল এমনিতেই বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে পারেনি। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার কাছে হতাশাজনক হারসহ একাধিক ব্যর্থতার পর ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন রিয়াল মাদ্রিদ থেকে অভিজ্ঞ কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে দায়িত্ব দিয়েছে।

আনচেলত্তি দলকে বিশ্বকাপে তুলতে সক্ষম হলেও দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাই পর্বে ব্রাজিল শেষ করেছে পঞ্চম স্থানে। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগজয়ী এই কোচের বিশ্বকাপ অভিজ্ঞতা অবশ্য সীমিত। ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে ইতালির সহকারী কোচ ছিলেন তিনি। সেবার ফাইনালে ব্রাজিলের কাছেই হেরেছিল ইতালি।

মরক্কো
গত বিশ্বকাপে চতুর্থ স্থান অর্জন করে ইতিহাস গড়েছিল মরক্কো।
মরক্কো

গত বিশ্বকাপে চতুর্থ স্থান অর্জন করে ইতিহাস গড়েছিল মরক্কো। বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনও আফ্রিকান দলের সেরা সাফল্য সেটিই।

কাতারে শেষ ষোলোতে স্পেন এবং কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে হারিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল দলটি। শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালে ফ্রান্সের কাছে হেরে থামতে হয় তাদের।

তবে বিশ্বকাপের আগে দলটি এসেছে এক অস্থির সময় পার করে। নিজেদের মাটিতে অনুষ্ঠিত আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের ফাইনালে সেনেগালের কাছে হারলেও পরে সেই ফল বাতিল করে আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (সিএএফ)। রেফারির অনুমতি ছাড়া মাঠ ছাড়ায় সেনেগালের কাছ থেকে কাপ ছিনিয়ে মরক্কোকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়।

ফাইনালের পর দায়িত্ব ছাড়েন কোচ ওয়ালিদ রেগরাগুই। ফলে বিশ্বকাপে নতুন কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবির অধীনে খেলবে মরক্কো। যুব বিশ্বকাপে মরক্কোর অনূর্ধ্ব-২০ দলকে শিরোপা জেতানোর কৃতিত্ব রয়েছে তার।

হাইতি
১৯৭৪ সালের পর বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছে হাইতি।
হাইতি

ক্যারিবীয় দেশ হাইতির জন্য এবারের বিশ্বকাপ এক ঐতিহাসিক উপলক্ষ। ১৯৭৪ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলতে যাচ্ছে দলটি।

কনকাকাফ অঞ্চলের বাছাই পর্বে নিজেদের গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে টিকিট নিশ্চিত করেছে হাইতি। তবে ১৯৭৪ সালের অভিজ্ঞতা সুখকর ছিল না। ইতালি, পোল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার কাছে টানা তিন ম্যাচ হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। এবারও কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে তারা। ফরাসি কোচ সেবাস্তিয়ান মিনের অধীনে থাকা দলটি বর্তমানে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের ৮৩তম দল। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮ দলের মধ্যে কেবল নিউজিল্যান্ডই তাদের নিচে অবস্থান করছে।

দলের সবচেয়ে বড় ভরসা ৩২ বছর বয়সী স্ট্রাইকার ডুকেন্স নাজো। বাছাই পর্বে ছয় গোল করে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ছিলেন তিনি। কোস্টারিকার বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে হ্যাটট্রিক করাও ছিল তার অন্যতম স্মরণীয় অর্জন।

১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে ফিরেছে স্কটল্যান্ড।
১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে ফিরেছে স্কটল্যান্ড।
স্কটল্যান্ড

প্রায় তিন দশকের অপেক্ষার পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরছে স্কটল্যান্ড। ১৯৯৮ সালের পর এবারই প্রথম তারা বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। গত বছরের শেষ বাছাই ম্যাচে ডেনমার্ককে নাটকীয়ভাবে ৪-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে স্কটিশরা। সেই ম্যাচে গোল করেছিলেন দলের অন্যতম তারকা স্কট ম্যাকটোমিনে।

২০১৯ সাল থেকে দায়িত্বে থাকা স্টিভ ক্লার্ক স্কটল্যান্ডকে টানা তিনটি বড় টুর্নামেন্টে নেতৃত্ব দেওয়া প্রথম কোচ হতে যাচ্ছেন। এর আগে ২০২০ ও ২০২৪ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল দলটিকে।

বিশ্বকাপে আগের আটবারের অংশগ্রহণে কখনও গ্রুপ পর্বের বাধা পেরোতে পারেনি স্কটল্যান্ড। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপেও তাদের প্রতিপক্ষ ছিল ব্রাজিল। সেবার শিরোপাধারী ব্রাজিলের কাছে ২-১ গোলে হেরে যাত্রা শুরু হয়েছিল স্কটিশদের।

Ads small one

বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, ৫ দিন বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ
বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, ৫ দিন বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

অনলাইন ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঘনীভূত হতে পারে।

শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

রোববারও দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সোমবার চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ওই দিন তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

মঙ্গলবার খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

খুলনার তেরখাদায় যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ
খুলনার তেরখাদায় যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ

পত্রদূত ডেস্ক:

খুলনার তেরখাদায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে মো. রামীম বিশ্বাস (৩২) নামে এক যুবদল নেতা আহত হয়েছেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে সেনেরবাজার-মধুপুর সড়কের পারহাজীগ্রামে ‘খান ব্রিকস’-এর কাছে আয়নাল মোল্লার বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

রামীম বিশ্বাস পারহাজীগ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি তেরখাদা উপজেলার ৬ নম্বর মধুপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি।

জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকালে রামীম ওই স্থানে একটি ভ্যানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা পেছন থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে তাঁর পাঁজরে গুলি লাগে এবং তিনি গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে তেরখাদা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং আলামত সংগ্রহ করে। খুলনা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি ওই এলাকায় পুলিশের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

পাইকগাছায় পলিথিনের জীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন সাকাত দম্পতির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় পলিথিনের জীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন সাকাত দম্পতির

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): দারিদ্র্যের সঙ্গে যুদ্ধ যেন থামছেই না। জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসে অনেকটাই ক্লান্ত খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের সিলেমানপুর গ্রামের ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ মো. সাকাত মোড়ল। অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে তিনি বসবাস করছেন জরাজীর্ণ একটি ঘরে। ঘরটির একাংশ ইতোমধ্যে ভেঙে পড়েছে। বাকি অংশও যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ঘরের চালের কোথাও ভাঙা টিন, কোথাও মাটির টালি, আবার কোথাও পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। মাটির দেয়াল জরাজীর্ণ, ভরসা বলতে বাঁশের খুঁটি আর পলিথিনের বেড়া। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, এটি পরিত্যক্ত কোনো ঝুপড়ি। অথচ এই ঘরেই স্ত্রী আনোয়ারা বেগমকে নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন সাকাত মোড়ল।

ছেলেমেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন তিনি। বর্তমানে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত স্ত্রীকে নিয়ে অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটছে তাঁর। স্থায়ী আয়ের কোনো উৎস নেই। বয়স্ক ভাতা ছাড়া সরকারি কোনো সহায়তাও পান না। জমি বলতে আছে মাত্র দুই শতক, যার ওপর দাঁড়িয়ে আছে তাঁদের জীর্ণ ঘরটি।

বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে ঘরের চাল পলিথিন দিয়ে ঢেকে রেখেছেন সাকাত মোড়ল। তারপরও বৃষ্টি বা বন্যা হলে ঘরের ভেতর পানি ঢুকে কাদা হয়ে যায়। তখন সেখানে থাকা সম্ভব হয় না; আশ্রয় নিতে হয় প্রতিবেশীদের ঘরে। এমনকি ঘরে থাকার মতো একটি খাটও নেই। মেঝেতে পলিথিন বিছিয়ে রাত কাটান এই বৃদ্ধ দম্পতি।

এত কষ্টের মধ্যেও সাকাত মোড়লের স্বপ্ন, তাঁদের একটি নিরাপদ ঘর হবে। ঝড়-বৃষ্টি এলেও অন্তত অন্যের কাছে আশ্রয় চাইতে হবে না।

সাকাত মোড়ল বলেন, “সরকারের দেওয়া বয়স্ক ভাতা ছাড়া আর কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাই না। প্রতিবেশীদের কেউ খাবার দেন, কেউ টাকা-পয়সা দিয়ে সাহায্য করেন। বৃষ্টির সময় তাঁদের ঘরেও আশ্রয় নিতে হয়। বলা যায়, তাঁদের দয়াতেই টিকে আছি। মানুষের সাহায্যে দুমুঠো ভাত জোটে। কেউ সাহায্য না করলে না খেয়েও থাকতে হয়। থাকার জায়গাটুকু ছাড়া আর কোনো সম্বল নেই। সরকার অনেককে ঘর দিয়েছে। আমাকেও একটি ঘর দিলে অন্তত মাথা গোঁজার ঠাঁই হতো।”

স্থানীয় বাসিন্দা ফরিদ গাজী বলেন, “স্থানীয় প্রশাসন, মানবিক সংগঠন ও সমাজের বিত্তবানদের কাছে অনুরোধ, তাঁরা যেন এই অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির পাশে দাঁড়ান। তাঁদের একটি নিরাপদ ঘর তৈরি করে দেওয়া গেলে অন্তত শান্তিতে বসবাস করতে পারবেন।”