রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

খুলনার তেরখাদায় যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ
খুলনার তেরখাদায় যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ

পত্রদূত ডেস্ক:

খুলনার তেরখাদায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে মো. রামীম বিশ্বাস (৩২) নামে এক যুবদল নেতা আহত হয়েছেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে সেনেরবাজার-মধুপুর সড়কের পারহাজীগ্রামে ‘খান ব্রিকস’-এর কাছে আয়নাল মোল্লার বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

রামীম বিশ্বাস পারহাজীগ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি তেরখাদা উপজেলার ৬ নম্বর মধুপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি।

জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকালে রামীম ওই স্থানে একটি ভ্যানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা পেছন থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে তাঁর পাঁজরে গুলি লাগে এবং তিনি গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে তেরখাদা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং আলামত সংগ্রহ করে। খুলনা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি ওই এলাকায় পুলিশের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

Ads small one

আলিপুর ইউনিয়নে জামায়াতের নির্বাচনী কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
আলিপুর ইউনিয়নে জামায়াতের নির্বাচনী কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার আলিপুর ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় পুষ্পকাটি ফুটবল মাঠে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা হাবিবুর রহমান। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও আলিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা শফিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য শহীদ হাসান ও ডা. শফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া সাবেক ছাত্রনেতা আল মামুন, মাওলানা আমজাদ হোসাইনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও নির্বাচনী কর্মীরা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার ও জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে এলাকার মানুষের প্রত্যাশা, সমস্যা ও সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

 

তিনি আরও বলেন, সাহস ও দৃঢ় মনোবল নিয়ে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। যেকোনো পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীলতা, ধৈর্য ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

সুন্দরবন সংলগ্ন নদীতে প্লাস্টিক বর্জ্য, হুমকিতে পরিবেশ ও সুন্দরবন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
সুন্দরবন সংলগ্ন নদীতে প্লাস্টিক বর্জ্য, হুমকিতে পরিবেশ ও সুন্দরবন

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন সংলগ্ন বিভিন্ন বাজার ও জনবসতি এলাকার নদীতে প্রতিনিয়ত ফেলা হচ্ছে প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, খাবারের প্যাকেটসহ নানা ধরনের অপচনশীল বর্জ্য। এতে নদীর পানি দূষিত হওয়ার পাশাপাশি জলজ প্রাণী, মাছ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর বাড়ছে ক্ষতিকর প্রভাব।

 

দীর্ঘদিন ধরে এভাবে বর্জ্য জমতে থাকায় উপকূলীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনসংলগ্ন বিভিন্ন বাজার ও নদীতীরবর্তী এলাকায় জনসচেতনতার অভাব, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতা এবং অসতর্কভাবে ময়লা ফেলার কারণে নদী দূষণের ঝুঁকি বাড়ছে। বাজারের ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যবহৃত প্লাস্টিকসামগ্রী অনেক সময় নির্দিষ্ট স্থানে না ফেলে নদী, খাল কিংবা নদীর তীরে ফেলা হয়। জোয়ার-ভাটার পানিতে এসব বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ে নদী ও সুন্দরবনের গভীরে।

 

পরিবেশের জন্য প্লাস্টিক বর্জ্য একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা। অধিকাংশ প্রচলিত প্লাস্টিক সহজে পচে মাটির সঙ্গে মিশে যায় না। সময়ের সঙ্গে এগুলো ভেঙে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণায় পরিণত হতে পারে, যা মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর দেহে প্রবেশের আশঙ্কা তৈরি করে। এ ছাড়া নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়া, পানির গুণগত মান কমে যাওয়া এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির ঝুঁকিও বাড়ে।

 

সুন্দরবন সংলগ্ন নদী ও প্লাস্টিক জাতীয বর্জ্য ফেলে যে ক্ষতি করছেন এ বিষয়ে পশ্চিম সুন্দরবনের সরকারি বন সংরক্ষক, শাহিনুর ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো জলবায়ুজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি আরো বলেন, সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ গাছপালা কার্বন ধারণ করে এবং উপকূলকে ঢেউ ও ঝড়ের প্রভাব থেকে সুরক্ষায় সহায়তা করে। তাই এই বন ও এর সঙ্গে সংযুক্ত নদী-খালের পরিবেশ রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।

 

প্লাস্টিক বর্জ্য নদীতে ফেলা জলবায়ু পরিবর্তনের একমাত্র বা প্রধান কারণ নয়। তবে প্লাস্টিকের উৎপাদন, ব্যবহার ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন পর্যায়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হতে পারে। অন্যদিকে, নদী ও বনাঞ্চলে বর্জ্য জমে থাকা বাস্তুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় অঞ্চলে এ ধরনের দূষণ পরিবেশগত সংকটকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। তাই আসুন আমরা সবাই সুন্দরবন সংলগ্ন নদীতে প্লাস্টিক জাতীয় বর্জ্য খোলা বন্ধ করি সুন্দরবন কে বাঁচাই।

 

সুন্দরবন সংলগ্ন নদীতে ও খালে অপচনশীল বর্জ্য ফেল্লে, জীবিকা ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি আছে কিনা এ বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন ইয়ত ফর বাংলাদেশ এর মুখ্য সংগঠক ইমাম হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকার বহু মানুষ মাছ ধরা, কাঁকড়া আহরণ, কৃষিকাজ ও বনজ সম্পদের ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করেন। নদী দূষিত হলে মাছ ও অন্যান্য জলজ সম্পদের আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। একই সঙ্গে দূষিত পানি, দুর্গন্ধ ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

 

বেসরকারি সংস্থা সিসিডিবি এর উপজেলা সমন্বয়কারী, কার্যকর উদ্যোগের দাবি জানিয়ে বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সুন্দরবনসংলগ্ন বাজারগুলোতে পর্যাপ্ত ডাস্টবিন স্থাপন, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, পলিথিন ও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো এবং নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি বাজার কমিটি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, পরিবেশবাদী সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতামূলক প্রচার, নদীতীর পরিষ্কার অভিযান এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নিয়মিত তদারকি চালু করা গেলে দূষণ কমানো সম্ভব।

 

সুন্দরবন ও নদী রক্ষায় প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকার পাশাপাশি প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্বশীল আচরণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় পরিবেশ সচেতন মহলের প্রত্যাশা সুন্দরবন শুধু বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, এটি উপকূলের মানুষের জীবন-জীবিকা ও প্রাকৃতিক সুরক্ষার অন্যতম অবলম্বন। তাই নদীকে প্লাস্টিক বর্জ্যমুক্ত রাখা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় এখনই সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া সময়ের দাবি। সুন্দরবনসংলগ্ন নদী ও বাজারগুলোকে প্লাস্টিক বর্জ্যমুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জরুরী প্রয়োজন।

সাতক্ষীরায় নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে সচেতনতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে সচেতনতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরায় মানবপাচার প্রতিরোধ, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ এবং বিদেশগামী কর্মীদের দালালচক্রের প্রতারণা থেকে রক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা অভিবাসন সমন্বয় কমিটি। একই সঙ্গে অবৈধ অভিবাসনসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

গত ১১ অক্টোবর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জেলা অভিবাসন সমন্বয় কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ। সভায় সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভায় বিদেশগামী কর্মীদের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন না করার বিষয়ে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রচার-প্রচারণা এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ে নিরাপদ অভিবাসনবিষয়ক তথ্য প্রচার এবং সংশ্লিষ্ট কমিটির কার্যক্রম আরও সক্রিয় করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে বিদেশগামী কর্মীদের নিবন্ধন, অভিযোগ গ্রহণ এবং অভিবাসনসংক্রান্ত সেবা প্রদানের বিষয় আলোচনা করা হয়। কমিটির কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও সমন্বয় নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা এবং অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এ ছাড়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন, বিদেশে নিরাপদ কর্মসংস্থান সম্পর্কে প্রশিক্ষণ এবং নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। নারী ও যুব উন্নয়নবিষয়ক দপ্তরের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়েও আলোচনা হয়।

সভায় অবৈধ অভিবাসনসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মানবপাচার প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিবাসন ব্যয় নির্বাহের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত নির্দেশনা অনুসরণ এবং প্রবাসী কর্মীদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা, বৈধভাবে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং অভিবাসনপ্রত্যাশীদের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, জনপ্রতিনিধি ও কমিটির সদস্যদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য প্রতি মাসের ৫ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের প্রতিবেদন জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।