রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩

বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনে মৌতলা ইউনিয়ন বিএনপির মিলাদ মাহফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনে মৌতলা ইউনিয়ন বিএনপির মিলাদ মাহফিল

সংবাদদাতা: সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে মৌতলা ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট ২০২৬) বাদ মাগরিব সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১২নং মৌতলা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি শেখ আলমগীর হোসেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাজী আশরাফুল আলম পলাশ, সহ-সভাপতি শেখ জয়নাল, সহ-সভাপতি শেখ হযরত, সহ-সভাপতি মোঃ ছামু, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক কাজী মাহবুর রহমান, সংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আকুল এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মোফাজ্জল কবীর পলাশ। এছাড়াও মীর শাহাদাত আজম, যুগ্ম আহবায়ক, কালিগঞ্জ উপজেলা যুবদল এবং কাজী আবু সাঈদ, সভাপতি, মৌতলা ইউনিয়ন যুবদলও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন, খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের মা হিসেবে দেশবাসীর মনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। দোয়া মাহফিলে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে মৌতলা ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দসহ ছাত্রদল, যুবদল এবং অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তারা সকলেই খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণ করেন এবং তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি তিন বারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তাঁর নেতৃত্বে বিএনপি দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাঁর আদর্শ ও অবদানকে স্মরণ করেন।

ভবিষ্যতে বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রম ও বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়ার আদর্শ কতটুকু প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে বিশ্লেষকরা বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করছেন। তবে, তাঁর রাজনৈতিক জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নতুন প্রজন্মের নেতৃবৃন্দ দেশকে আরও উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে অনেকেই আশাবাদী

Ads small one

প্রতাপনগরে প্রাথমিক চিকিৎসা ও দুর্যোগ প্রস্তুতিমূলক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
প্রতাপনগরে প্রাথমিক চিকিৎসা ও দুর্যোগ প্রস্তুতিমূলক কর্মশালা

সংবাদদাতা: আশাশুনির প্রতাপনগরে প্রাথমিক চিকিৎসা, নিরাপদ অপসারণ ও আগাম সতর্কবার্তা বিষয়ক পরিবারভিত্তিক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘আইডিয়াল’-এর বাস্তবায়নে, ‘সিডিডি’-এর কারিগরি সহায়তায় এবং ‘লিলিয়ান ফন্ডস’-এর অর্থায়নে ‘রেজিলেন্স বিগিনস এট হোম’ প্রকল্পের অধীনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় ২৫ জন প্রতিবন্ধী শিশুর কেয়ারগিভার অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিদর্শক মো. ইলিয়াস হোসেন। বক্তব্য দেন প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার মো. মামুন আলী ও প্রজেক্ট ফোকাল এস এম মিজানুর রহমান।

আজকের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
আজকের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের ৬টি হিন্দু পরিবারের ২৫ শতক জমি দখল করে বানানো খুপড়ি ঘর ও বেড়া আজ সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে অপসারনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় কালিগঞ্জ থানার গোলঘরে অনুষ্ঠিত এক সালিশি সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ফতেপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানান, আদালতের নির্দেশ অমান্য করে গত ১৪ আগস্ট রাতে গ্রাম পুলিশ সাইফুল ও তার সহযোগীরা জয়দেব রজক ও বাসুদেব রজকসহ ছয়টি পরিবারের জমিতে খুপড়ি ঘর নির্মাণ করে জমি দখল করে নেয়। পরবর্তীতে বাসুদেব রজক ও রীনা রানী রজক থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করলে শালিসি সভা ডাকা হয়।
সাবেক ইউপি সদস্য আনারুল মীর জানান, সাইফুলের পক্ষ থেকে জমির সপক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় আজ সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে অবৈধ ঘর ও বেড়া সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শালিসি সভায় দক্ষিণ শ্রীপুর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহম্মদ শাহজী, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জুলফিকার সাঁফুই ও সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান পাড় উপস্থিত থেকে সিদ্ধান্তনামায় স্বাক্ষর করেন। কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মল্লিক মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম হাওলাদারকে বদলী করে সাতক্ষীরা আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে মো. শাহীন যোগদান করেছেন।

 

‎সাতক্ষীরার কৃষি বৈচিত্র্যে রয়েছে অপার সম্ভাবনা, প্রয়োজন সৎ প্রচেষ্টা ও বিনিয়োগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ
‎সাতক্ষীরার কৃষি বৈচিত্র্যে রয়েছে অপার সম্ভাবনা, প্রয়োজন সৎ প্রচেষ্টা ও বিনিয়োগ

এম শফিকুল ইসলাম
হাজার হাজার ক্ষুদ্র কৃষক, কৃষি উদ্ভাবন এবং সরকারি সহয়তায় সাতক্ষীরার কৃষিখাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। সাতক্ষীরা ধান উৎপাদনের স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে এবং ধানের উৎপাদনও বেড়েছে। সবজি, ফল, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদনে ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করেছে সাতক্ষীরা। সাতক্ষীরার কৃষিখাত বর্তমানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের চাহিদা পূরণের বাস্তবতা সামনে রেখে উন্নয়নের পথে অগ্রসর হচ্ছে। বর্ধিত উদপাদন, কৃষিপণ্যের গুণমানের প্রক্রিয়াজাতকরণ, জলবায়ু সহনশীল ফসল উদ্ভাবন এবং উন্নত কৃষি অনুশীলনসহ শস্য, প্রাণী সম্পদ, জলজ চাষ, সুনীল অর্থনীতির বিকাশ এবং কৃষির আরও অনেক ক্ষেত্রে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে সাতক্ষীরাতে।

স্থানীয় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের আমাদের অবশ্যই তথ্যনির্ভর সমাধান এবং প্রযুক্তিগুলোকে কাজে লাগাতে হবে। উন্নত কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে আমাদের জ্ঞান সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে, যা আমরা কোনভাবেই উপেক্ষা করতে পারি না। জলবায়ুর যে চ্যালেঞ্জে রয়েছে, তা মোকাবেলা করে কৃষি পূর্ণ সক্ষমতা পুনরুজ্জীবিত ও উন্নত করার দিকে আরো গভীর মনোনিবেশ করা দরকার। কৃষি বৈচিত্র্যের সম্ভাবনাও রয়েছে সীমাহীন। কিন্তু এখানে প্রয়োজন সৎ প্রচেষ্টা ও বিনিয়োগ। সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির উন্নয়ন এবং দরিদ্র হ্রাস করতে আমাদের অবশ্যই বর্ধিত উৎপাদনশীলতা এবং কৃষির বাণিজ্যিককরণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তাই এ খাতকে জলবায়ু বিষয়ক সমাধানগুলো দরকার হাতের কাছেই এবং খুব কম সময়ের ভিতর। আমরা খুব ভালোভাবেই জানি, জলবায়ু পরিবর্তন ছাড়াও উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়া ফসল ফলানোর পর নানা কারণে ফসলের ক্ষতি, ন্যায্য মূল্য না পাওয়া এবং অপ্রতুল খাদ্য গুদাম ব্যবস্থা এসব চ্যালেঞ্জে মোকাবিলা করা অতি জরুরী। এসব চ্যালেঞ্জে মোকাবিলার একটি অনস্বীকার্য হাতিয়ার হয়ে উঠবে উন্নত প্রযুক্তি যা বাইরের বিভিন্ন দেশে দেখার সুযোগ তৈরি হবে। সাতক্ষীরার মাটি সোনার চেয়েও খাঁটি। এ ভূমি বড় আশীর্বাদ, এটি দেশের অন্যতম বিস্তৃত নদী ব্যবস্থার অন্তর্গত।

জলের মতো ছড়িয়ে থাকা নদীই এ ভূমিকে উর্বর করে। সহজ শেষ ব্যবস্থাপনায় এতে ফলে সোনার ফসল। তবে নদী যেমন আশীর্বাদ তেমন ঝুঁকিও আছে। বর্ষা মৌসুমে ৫০-৬০ ভাগ জমি পানিতে তলিয়ে যায় আবার শুষ্ক মৌসুমে থাকে কম পানি। বিশেষ করে সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চল জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকিতে থাকে। এজন্য সঠিক পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা সমগ্র কৃষি ও প্রান্তিক মানুষের উন্নয়নের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন, সেচ, পানি সরবরাহ এবং সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার মূল বিকাশক্ষেত্র। আমাদের কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা টেকসই সম্প্রসারণ এবং বৈচিত্র্যকে সমর্থন করতে হবে, যা স্থানীয় বাজারে সঙ্গে আরো ভালোভাবে সংহত, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি গ্রামীন জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য, বিশেষ করে নারী ও প্রান্তিক মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। পরিশেষে বলব, সাতক্ষীরার অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে অপরিসীম ভূমিকা রাখছে অথচ এখনকার কৃষকের অবস্থা এখনও নাজুক। তাদের সামাজিক মর্যাদা নেই বললেই চলে। এই জন্য শিক্ষিত নাগরিকের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো প্রয়োজন। যে শিক্ষিত জনগোষ্ঠী শহরে বসে কৃষকের ভাগ্য নির্ধারণ করেন তাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নই দেশের উন্নয়ন। কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নের গৃহীত সময়োচিত পদক্ষেপ জাতীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে পারে। তাই এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। লেখক: সাংবাদিক ও নাট্যকার