রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩

‎সাতক্ষীরার কৃষি বৈচিত্র্যে রয়েছে অপার সম্ভাবনা, প্রয়োজন সৎ প্রচেষ্টা ও বিনিয়োগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ
‎সাতক্ষীরার কৃষি বৈচিত্র্যে রয়েছে অপার সম্ভাবনা, প্রয়োজন সৎ প্রচেষ্টা ও বিনিয়োগ

এম শফিকুল ইসলাম
হাজার হাজার ক্ষুদ্র কৃষক, কৃষি উদ্ভাবন এবং সরকারি সহয়তায় সাতক্ষীরার কৃষিখাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। সাতক্ষীরা ধান উৎপাদনের স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে এবং ধানের উৎপাদনও বেড়েছে। সবজি, ফল, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদনে ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করেছে সাতক্ষীরা। সাতক্ষীরার কৃষিখাত বর্তমানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের চাহিদা পূরণের বাস্তবতা সামনে রেখে উন্নয়নের পথে অগ্রসর হচ্ছে। বর্ধিত উদপাদন, কৃষিপণ্যের গুণমানের প্রক্রিয়াজাতকরণ, জলবায়ু সহনশীল ফসল উদ্ভাবন এবং উন্নত কৃষি অনুশীলনসহ শস্য, প্রাণী সম্পদ, জলজ চাষ, সুনীল অর্থনীতির বিকাশ এবং কৃষির আরও অনেক ক্ষেত্রে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে সাতক্ষীরাতে।

স্থানীয় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের আমাদের অবশ্যই তথ্যনির্ভর সমাধান এবং প্রযুক্তিগুলোকে কাজে লাগাতে হবে। উন্নত কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে আমাদের জ্ঞান সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে, যা আমরা কোনভাবেই উপেক্ষা করতে পারি না। জলবায়ুর যে চ্যালেঞ্জে রয়েছে, তা মোকাবেলা করে কৃষি পূর্ণ সক্ষমতা পুনরুজ্জীবিত ও উন্নত করার দিকে আরো গভীর মনোনিবেশ করা দরকার। কৃষি বৈচিত্র্যের সম্ভাবনাও রয়েছে সীমাহীন। কিন্তু এখানে প্রয়োজন সৎ প্রচেষ্টা ও বিনিয়োগ। সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির উন্নয়ন এবং দরিদ্র হ্রাস করতে আমাদের অবশ্যই বর্ধিত উৎপাদনশীলতা এবং কৃষির বাণিজ্যিককরণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তাই এ খাতকে জলবায়ু বিষয়ক সমাধানগুলো দরকার হাতের কাছেই এবং খুব কম সময়ের ভিতর। আমরা খুব ভালোভাবেই জানি, জলবায়ু পরিবর্তন ছাড়াও উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়া ফসল ফলানোর পর নানা কারণে ফসলের ক্ষতি, ন্যায্য মূল্য না পাওয়া এবং অপ্রতুল খাদ্য গুদাম ব্যবস্থা এসব চ্যালেঞ্জে মোকাবিলা করা অতি জরুরী। এসব চ্যালেঞ্জে মোকাবিলার একটি অনস্বীকার্য হাতিয়ার হয়ে উঠবে উন্নত প্রযুক্তি যা বাইরের বিভিন্ন দেশে দেখার সুযোগ তৈরি হবে। সাতক্ষীরার মাটি সোনার চেয়েও খাঁটি। এ ভূমি বড় আশীর্বাদ, এটি দেশের অন্যতম বিস্তৃত নদী ব্যবস্থার অন্তর্গত।

জলের মতো ছড়িয়ে থাকা নদীই এ ভূমিকে উর্বর করে। সহজ শেষ ব্যবস্থাপনায় এতে ফলে সোনার ফসল। তবে নদী যেমন আশীর্বাদ তেমন ঝুঁকিও আছে। বর্ষা মৌসুমে ৫০-৬০ ভাগ জমি পানিতে তলিয়ে যায় আবার শুষ্ক মৌসুমে থাকে কম পানি। বিশেষ করে সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চল জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকিতে থাকে। এজন্য সঠিক পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা সমগ্র কৃষি ও প্রান্তিক মানুষের উন্নয়নের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন, সেচ, পানি সরবরাহ এবং সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার মূল বিকাশক্ষেত্র। আমাদের কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা টেকসই সম্প্রসারণ এবং বৈচিত্র্যকে সমর্থন করতে হবে, যা স্থানীয় বাজারে সঙ্গে আরো ভালোভাবে সংহত, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি গ্রামীন জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য, বিশেষ করে নারী ও প্রান্তিক মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। পরিশেষে বলব, সাতক্ষীরার অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে অপরিসীম ভূমিকা রাখছে অথচ এখনকার কৃষকের অবস্থা এখনও নাজুক। তাদের সামাজিক মর্যাদা নেই বললেই চলে। এই জন্য শিক্ষিত নাগরিকের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো প্রয়োজন। যে শিক্ষিত জনগোষ্ঠী শহরে বসে কৃষকের ভাগ্য নির্ধারণ করেন তাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নই দেশের উন্নয়ন। কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নের গৃহীত সময়োচিত পদক্ষেপ জাতীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে পারে। তাই এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। লেখক: সাংবাদিক ও নাট্যকার

Ads small one

সাতক্ষীরায় প্রতি ১০ জনে ৭ কিশোরী বাল্যবিবাহের শিকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রতি ১০ জনে ৭ কিশোরী বাল্যবিবাহের শিকার

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় মা কাজের তাগিদে ঢাকায় পাড়ি জমিয়েছিলেন। সাতক্ষীরা শহরের বাড়িতে একা হয়ে পড়া মেয়েটির ওপর তখন পরিবারের কার্যকর কোনো নজরদারি ছিল না। সেই সুযোগে স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে মাত্র ১৫ বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয় তাকে। কিন্তু বিয়ের কয়েক মাস পার হতেই সে জানতে পারে তার স্বামী একজন পেশাদার জুয়াড়ি। পাওনাদারদের চাপ, পারিবারিক কলহ আর স্বামীর শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের মুখে বাপের বাড়িতে ফিরে আসতে বাধ্য হয় সে। পরবর্তীতে পুনরায় পড়াশোনা শুরু করে সম্প্রতি প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় ‘এ-মাইনাস’ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। জীবনে বাল্যবিবাহের তিক্ত অভিজ্ঞতাকে পেছনে ফেলে এই তরুণী এখন বিবাহ বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ভুক্তভোগী ওই কিশোরী উল্লেখ করেন, অবুঝ বয়সে বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর সংসারে অশান্তি শুরু হয় এবং জানতে পারেন স্বামী নিয়মিত জুয়া খেলত ও ঋণের মধ্যে ছিল। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে পরিবারের কাছে ফিরে এসে আবার পড়াশোনা শুরু করেছেন এবং ভবিষ্যতে নিজের মতো করে জীবন গড়ে তুলতে চান।
সাতক্ষীরা শহরজুড়ে আইনি ফাঁকফোকর, সামাজিক অবক্ষয় ও প্রশাসনিক নজরদারির অভাবে শতশত কিশোরীর জীবন এভাবে অনিশ্চয়তার মুখে পড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে শ্যামনগর উপজেলার দাতিনাখালী গ্রামের কলবাড়ি নেকজানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ১৫ বছর বয়সী এক ছাত্রী ও পার্শ্ববর্তী ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরের বাল্যবিবাহ সম্পন্ন হয়।
স্থানীয়রা জানান, কিছুদিন আগে এই কিশোর-কিশোরী এক সাথে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজনের মধ্যস্থতায় বৈঠকের মাধ্যমে উভয় পক্ষ থেকে লিখিত অঙ্গীকারনামা দেওয়া হয়েছিল যে, বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেওয়া হবে না। কিন্তু সেই অঙ্গীকারনামা অমান্য করে ছেলের বাবা রফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা জজ কোর্টের একজন আইনজীবীর মাধ্যমে এফিডেভিট করিয়ে ১৫ ও ১৬ বছরের দুই নাবালক-নাবালিকাকে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করেন।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত থাকলেও আইনি ও দাপ্তরিক কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মহিলা বিষয়ক কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সাহায্য না চাইলে পুলিশ সরাসরি গিয়ে অভিযান চালাতে পারে না।
শ্যামনগর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারিদ বিন শফিক জানান, খবর পাওয়ার পর অভিযুক্ত ছেলের বাবাকে কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য অফিশিয়াল নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং তিনি উপস্থিত হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে ছেলের বাবা রফিকুল ইসলামের দাবি, পরিস্থিতি বিবেচনা করে এফিডেভিটের মাধ্যমে সামাজিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, সাতক্ষীরায় বাল্যবিবাহের বর্তমান গড় হার দাঁড়িয়েছে ৭২ শতাংশে, যার মধ্যে শ্যামনগর উপজেলায় এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। উপকূলীয় এই অঞ্চলে সুপেয় পানির তীব্র সংকট ও অতিরিক্ত লবণাক্ততায় নিয়মিত কাজ করার ফলে কম বয়সে মেয়েদের শরীরের ত্বক নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয়ে সামাজিক ভীতি থেকে অভিভাবকেরা দ্রুত বিয়ে দিয়ে দেন।
গাবুরা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিএইচসিপি হেলেনা বিলকিস জানান, ক্লিনিকে আসা গর্ভবতী নারীদের একটি বড় অংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক। এই বয়সে সন্তান ধারণের কারণে এবং অতিরিক্ত লবণাক্ত পরিবেশের প্রভাবে তাদের উচ্চ রক্তচাপ, এপিলেপসি ও রক্তস্বল্পতার হার বেশি। নদী পার হয়ে জেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে অনেক প্রসূতির মৃত্যু ঘটে।
সাতক্ষীরা জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম বিপ্লব হোসেন জানান, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে মেয়ে এবং ২১ বছরের নিচে ছেলের বিয়ে বেআইনি। অসাধু নোটারি পাবলিক ও জালিয়াতি চক্র টাকার বিনিময়ে এফিডেভিট করে দিচ্ছে, যার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।
মানবাধিকার কর্মী মাধব দত্ত জানান, কার্যকর নজরদারির অভাবের কারণেই অঙ্গীকারনামা থাকার পরও বাল্যবিবাহ রোখা যাচ্ছে না। স্থানীয় সরকারের উদ্যোগ ও সঠিক সনদ যাচাই ছাড়া বিবাহ রেজিস্ট্রি বন্ধ করা প্রয়োজন।
সাতক্ষীরা জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার জানান, গোপনে ও এফিডেভিটের অপব্যবহার করে বিয়ে সম্পাদন করার কারণে সব ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয় না, তবে স্থানীয় নজরদারি জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আশাশুনিতে তামাক নিয়ন্ত্রণে অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতা শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে তামাক নিয়ন্ত্রণে অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতা শুরু

সংবাদদাতা: আশাশুনিতে তামাকজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার দুপুর ১২টায় উপজেলা সমাজসেবা অফিস ও বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের অনুদানে, বেসরকারি সংস্থা ‘মৌমাছি’-এর আয়োজনে এই প্রতিযোগিতার সূচনা হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, তামাকের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। তরুণ প্রজন্মকে সচেতন করতে এ ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে। আয়োজক এনজিও মৌমাছির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তামাকমুক্ত সমাজ গঠনে কুইজ প্রতিযোগিতাটি ইতিবাচক জনমত ও সামাজিক আন্দোলন গঠনে সহায়ক হবে।

প্রতাপনগরে প্রাথমিক চিকিৎসা ও দুর্যোগ প্রস্তুতিমূলক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
প্রতাপনগরে প্রাথমিক চিকিৎসা ও দুর্যোগ প্রস্তুতিমূলক কর্মশালা

সংবাদদাতা: আশাশুনির প্রতাপনগরে প্রাথমিক চিকিৎসা, নিরাপদ অপসারণ ও আগাম সতর্কবার্তা বিষয়ক পরিবারভিত্তিক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘আইডিয়াল’-এর বাস্তবায়নে, ‘সিডিডি’-এর কারিগরি সহায়তায় এবং ‘লিলিয়ান ফন্ডস’-এর অর্থায়নে ‘রেজিলেন্স বিগিনস এট হোম’ প্রকল্পের অধীনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় ২৫ জন প্রতিবন্ধী শিশুর কেয়ারগিভার অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিদর্শক মো. ইলিয়াস হোসেন। বক্তব্য দেন প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার মো. মামুন আলী ও প্রজেক্ট ফোকাল এস এম মিজানুর রহমান।