রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩

বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুহীন এক মহাকাব্য: জন্মদিনে বিনম্র শ্রদ্ধা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুহীন এক মহাকাব্য: জন্মদিনে বিনম্র শ্রদ্ধা

এম. এম হায়দার আলী

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে কিছু নাম কেবল নাম নয়, তারা একেকটি অধ্যায়, একেকটি সংগ্রামের প্রতীক। বেগম খালেদা জিয়া তেমনই এক অবিস্মরণীয় নাম। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপার্সন এবং তাঁর সমর্থকদের কাছে ‘আপোসহীন নেত্রী, যাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা রচিত হয়েছে আন্দোলন, প্রতিকূলতা, ত্যাগ ও দৃঢ়তার অনন্য উপাখ্যানে।

১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন খালেদা জিয়া। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আবির্ভূত হন এমন এক সময়ে, যখন দেশের গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নানা সংকটে আবর্তিত হচ্ছিল। স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তিনি ধীরে ধীরে সক্রিয় রাজনীতিতে এগিয়ে আসেন এবং একসময় বিএনপির নেতৃত্বের কেন্দ্রে অধিষ্ঠিত হন।

 

১৯৯১ সালের নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বে বিএনপি বিজয়ী হলে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর নেতৃত্বে দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। পরবর্তীতেও তিনি একাধিক বার বাংলাদেশের সরকার প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। দেশের অবকাঠামো, শিক্ষা, অর্থনীতি, নারী উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর সরকারের সময় নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক জীবন কখনোই কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। রাজপথের আন্দোলন, রাজনৈতিক সংঘাত, কারাবরণ, মামলা, ব্যক্তিগত শোক ও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েই তাঁকে এগিয়ে যেতে হয়েছে। তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল আপোসহীন অবস্থান। সমর্থকদের কাছে সেই কারণেই তিনি হয়ে ওঠেন ‘আপোসহীন নেত্রী। যিনি প্রতিকূলতার সামনে নত না হয়ে নিজের রাজনৈতিক বিশ্বাস ও অবস্থানকে আঁকড়ে রেখেছিলেন।

 

খালেদা জিয়ার জীবন কেবল একজন রাজনীতিবিদের জীবন নয়; এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে থাকা এক দীর্ঘ সংগ্রামের কাহিনি। কখনো ক্ষমতার কেন্দ্রে, কখনো রাজপথে, কখনো কারাগারের নির্জন প্রহরে, তবুও তাঁর নাম উচ্চারিত হয়েছে বাংলাদেশের রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ বাঁক গুলোতে। জীবনের শেষ অধ্যায়েও তিনি ছিলেন রাজনৈতিক ভাবে আলোচিত ও প্রভাবশালী এক ব্যক্তিত্ব।

 

দীর্ঘ অসুস্থতা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তাঁর রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও আদর্শকে ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ছিল গভীর আবেগ ও আনুগত্য। আজ তাঁর জন্মদিনে তাঁকে স্মরণ করা মানে শুধু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে স্মরণ করা নয়, বাংলাদেশের রাজনীতির একটি দীর্ঘ অধ্যায়কে স্মরণ করা। তাঁর জীবনের সাফল্য, সংগ্রাম, ভুল-ত্রুটি, অর্জন ও ত্যাগ সবকিছু মিলিয়েই তিনি ইতিহাসের এক অনিবার্য চরিত্র। সময়ের গ্রোত অনেক নামকে বিস্মৃতির অতলে নিয়ে যায়।

 

কিন্তু কিছু মানুষ সময়কে অতিক্রম করে ইতিহাসের পাতায় থেকে যান। বেগম খালেদা জিয়া তেমনই এক নাম। তাঁর রাজনৈতিক জীবন নিয়ে মত পার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ও ঐতিহাসিক ভূমিকা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। প্রিয় নেত্রীর জন্মদিনে তাই উচ্চারিত হোক গভীর শ্রদ্ধার বাণী আপোসহীন সংগ্রামের প্রতীক, গণতান্ত্রিক রাজনীতির এক দীর্ঘ অধ্যায়, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

 

আপনি স্মৃতিতে নন, ইতিহাসের পাতায় এক অনন্ত উপস্থিতি। বিনম্র শ্রদ্ধা, প্রিয় নেত্রী। আপনার জীবন যেন সত্যিই মৃত্যুহীন এক মহাকাব্য হয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অমর হয়ে থাকে।

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

সাতক্ষীরায় প্রতি ১০ জনে ৭ কিশোরী বাল্যবিবাহের শিকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রতি ১০ জনে ৭ কিশোরী বাল্যবিবাহের শিকার

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় মা কাজের তাগিদে ঢাকায় পাড়ি জমিয়েছিলেন। সাতক্ষীরা শহরের বাড়িতে একা হয়ে পড়া মেয়েটির ওপর তখন পরিবারের কার্যকর কোনো নজরদারি ছিল না। সেই সুযোগে স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে মাত্র ১৫ বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয় তাকে। কিন্তু বিয়ের কয়েক মাস পার হতেই সে জানতে পারে তার স্বামী একজন পেশাদার জুয়াড়ি। পাওনাদারদের চাপ, পারিবারিক কলহ আর স্বামীর শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের মুখে বাপের বাড়িতে ফিরে আসতে বাধ্য হয় সে। পরবর্তীতে পুনরায় পড়াশোনা শুরু করে সম্প্রতি প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় ‘এ-মাইনাস’ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। জীবনে বাল্যবিবাহের তিক্ত অভিজ্ঞতাকে পেছনে ফেলে এই তরুণী এখন বিবাহ বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ভুক্তভোগী ওই কিশোরী উল্লেখ করেন, অবুঝ বয়সে বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর সংসারে অশান্তি শুরু হয় এবং জানতে পারেন স্বামী নিয়মিত জুয়া খেলত ও ঋণের মধ্যে ছিল। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে পরিবারের কাছে ফিরে এসে আবার পড়াশোনা শুরু করেছেন এবং ভবিষ্যতে নিজের মতো করে জীবন গড়ে তুলতে চান।
সাতক্ষীরা শহরজুড়ে আইনি ফাঁকফোকর, সামাজিক অবক্ষয় ও প্রশাসনিক নজরদারির অভাবে শতশত কিশোরীর জীবন এভাবে অনিশ্চয়তার মুখে পড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে শ্যামনগর উপজেলার দাতিনাখালী গ্রামের কলবাড়ি নেকজানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ১৫ বছর বয়সী এক ছাত্রী ও পার্শ্ববর্তী ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরের বাল্যবিবাহ সম্পন্ন হয়।
স্থানীয়রা জানান, কিছুদিন আগে এই কিশোর-কিশোরী এক সাথে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজনের মধ্যস্থতায় বৈঠকের মাধ্যমে উভয় পক্ষ থেকে লিখিত অঙ্গীকারনামা দেওয়া হয়েছিল যে, বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেওয়া হবে না। কিন্তু সেই অঙ্গীকারনামা অমান্য করে ছেলের বাবা রফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা জজ কোর্টের একজন আইনজীবীর মাধ্যমে এফিডেভিট করিয়ে ১৫ ও ১৬ বছরের দুই নাবালক-নাবালিকাকে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করেন।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত থাকলেও আইনি ও দাপ্তরিক কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মহিলা বিষয়ক কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সাহায্য না চাইলে পুলিশ সরাসরি গিয়ে অভিযান চালাতে পারে না।
শ্যামনগর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারিদ বিন শফিক জানান, খবর পাওয়ার পর অভিযুক্ত ছেলের বাবাকে কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য অফিশিয়াল নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং তিনি উপস্থিত হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে ছেলের বাবা রফিকুল ইসলামের দাবি, পরিস্থিতি বিবেচনা করে এফিডেভিটের মাধ্যমে সামাজিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, সাতক্ষীরায় বাল্যবিবাহের বর্তমান গড় হার দাঁড়িয়েছে ৭২ শতাংশে, যার মধ্যে শ্যামনগর উপজেলায় এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। উপকূলীয় এই অঞ্চলে সুপেয় পানির তীব্র সংকট ও অতিরিক্ত লবণাক্ততায় নিয়মিত কাজ করার ফলে কম বয়সে মেয়েদের শরীরের ত্বক নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয়ে সামাজিক ভীতি থেকে অভিভাবকেরা দ্রুত বিয়ে দিয়ে দেন।
গাবুরা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিএইচসিপি হেলেনা বিলকিস জানান, ক্লিনিকে আসা গর্ভবতী নারীদের একটি বড় অংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক। এই বয়সে সন্তান ধারণের কারণে এবং অতিরিক্ত লবণাক্ত পরিবেশের প্রভাবে তাদের উচ্চ রক্তচাপ, এপিলেপসি ও রক্তস্বল্পতার হার বেশি। নদী পার হয়ে জেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে অনেক প্রসূতির মৃত্যু ঘটে।
সাতক্ষীরা জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম বিপ্লব হোসেন জানান, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে মেয়ে এবং ২১ বছরের নিচে ছেলের বিয়ে বেআইনি। অসাধু নোটারি পাবলিক ও জালিয়াতি চক্র টাকার বিনিময়ে এফিডেভিট করে দিচ্ছে, যার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।
মানবাধিকার কর্মী মাধব দত্ত জানান, কার্যকর নজরদারির অভাবের কারণেই অঙ্গীকারনামা থাকার পরও বাল্যবিবাহ রোখা যাচ্ছে না। স্থানীয় সরকারের উদ্যোগ ও সঠিক সনদ যাচাই ছাড়া বিবাহ রেজিস্ট্রি বন্ধ করা প্রয়োজন।
সাতক্ষীরা জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার জানান, গোপনে ও এফিডেভিটের অপব্যবহার করে বিয়ে সম্পাদন করার কারণে সব ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয় না, তবে স্থানীয় নজরদারি জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রতাপনগরে প্রাথমিক চিকিৎসা ও দুর্যোগ প্রস্তুতিমূলক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
প্রতাপনগরে প্রাথমিক চিকিৎসা ও দুর্যোগ প্রস্তুতিমূলক কর্মশালা

সংবাদদাতা: আশাশুনির প্রতাপনগরে প্রাথমিক চিকিৎসা, নিরাপদ অপসারণ ও আগাম সতর্কবার্তা বিষয়ক পরিবারভিত্তিক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘আইডিয়াল’-এর বাস্তবায়নে, ‘সিডিডি’-এর কারিগরি সহায়তায় এবং ‘লিলিয়ান ফন্ডস’-এর অর্থায়নে ‘রেজিলেন্স বিগিনস এট হোম’ প্রকল্পের অধীনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় ২৫ জন প্রতিবন্ধী শিশুর কেয়ারগিভার অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিদর্শক মো. ইলিয়াস হোসেন। বক্তব্য দেন প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার মো. মামুন আলী ও প্রজেক্ট ফোকাল এস এম মিজানুর রহমান।

আজকের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
আজকের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের ৬টি হিন্দু পরিবারের ২৫ শতক জমি দখল করে বানানো খুপড়ি ঘর ও বেড়া আজ সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে অপসারনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় কালিগঞ্জ থানার গোলঘরে অনুষ্ঠিত এক সালিশি সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ফতেপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানান, আদালতের নির্দেশ অমান্য করে গত ১৪ আগস্ট রাতে গ্রাম পুলিশ সাইফুল ও তার সহযোগীরা জয়দেব রজক ও বাসুদেব রজকসহ ছয়টি পরিবারের জমিতে খুপড়ি ঘর নির্মাণ করে জমি দখল করে নেয়। পরবর্তীতে বাসুদেব রজক ও রীনা রানী রজক থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করলে শালিসি সভা ডাকা হয়।
সাবেক ইউপি সদস্য আনারুল মীর জানান, সাইফুলের পক্ষ থেকে জমির সপক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় আজ সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে অবৈধ ঘর ও বেড়া সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শালিসি সভায় দক্ষিণ শ্রীপুর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহম্মদ শাহজী, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জুলফিকার সাঁফুই ও সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান পাড় উপস্থিত থেকে সিদ্ধান্তনামায় স্বাক্ষর করেন। কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মল্লিক মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম হাওলাদারকে বদলী করে সাতক্ষীরা আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে মো. শাহীন যোগদান করেছেন।