সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

মাদক: কী হচ্ছে, আর হচ্ছে না/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
মাদক: কী হচ্ছে, আর হচ্ছে না/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ১২ বছরের ছেলেকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের দেওয়া তথ্য আমাদের সামনে মাদকের ভয়াবহতার একটি নির্মম ছবি তুলে ধরেছে। পুলিশের দাবি, বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে হত্যাকা-ের সূত্রপাত; পরে ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটি নিছক একটি হত্যাকা- নয়। এর ভেতরে রয়েছে আরও বড় একটি প্রশ্নÑমাদকের বিরুদ্ধে এত অভিযান, এত গ্রেপ্তার, এত প্রচার-প্রচারণার পরও মাদক কেন কমছে না? আমরা কী করছি, আর কী করছি নাÑএই দুই প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়ার সময় এসেছে।

 

মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান হচ্ছে। মাদক উদ্ধার হচ্ছে। মামলা হচ্ছে। গ্রেপ্তার হচ্ছে। কিন্তু একই সঙ্গে মাদকও ছড়িয়ে পড়ছে। অর্থাৎ আমরা হয়তো মাদকের দৃশ্যমান অংশটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি, কিন্তু এর গভীর শিকড়ে যথেষ্ট আঘাত করতে পারছি না। সরকারের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্যেও মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি স্পষ্ট। অধিদপ্তরের প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, ২০২৫ সালে সরকারি-বেসরকারি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে উল্লেখ যোগ্য সংখ্যক মানুষ সেবা নিয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, একজন মাদকাসক্তকে চিকিৎসার আওতায় আনার পাশাপাশি তাকে মাদক সরবরাহকারী ব্যক্তির কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাচ্ছে কি না। যদি না যায়, তাহলে চিকিৎসা শেষে সে আবার একই পরিবেশে ফিরে গিয়ে পুনরায় মাদকে জড়িয়ে পড়তে পারে।

 

মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা সম্ভবত এখানেইÑআমরা অনেক সময় মাদকসেবীকে দেখি, কিন্তু মাদকের ব্যবসাকে দেখি না।একজন তরুণ কোথা থেকে ইয়াবা পেল? কে তাকে দিল? কে বিক্রি করল? সেই বিক্রেতার পেছনে কে? মাদক পরিবহনের সঙ্গে কারা যুক্ত? অর্থের লেনদেন কোথায় হচ্ছে? এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা ছাড়া মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। আরেকটি বিষয়ও ভাবতে হবে। মাদক এখন শুধু কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণি বা বয়সের মানুষের সমস্যা নয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্রÑসব জায়গায় এর ঝুঁকি রয়েছে। প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিস্তারের সঙ্গে মাদক কেনাবেচার পদ্ধতিও বদলাচ্ছে। ফলে পুরোনো পদ্ধতিতে নতুন মাদকের বাজার মোকাবিলা করা কঠিন। শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর দায়িত্ব দিয়ে বসে থাকলেও চলবে না।

 

পরিবারকে জানতে হবে সন্তানের বন্ধু কারা, সে কোথায় যায়, আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন হচ্ছে কি না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে শুধু পরীক্ষার ফল নিয়ে ব্যস্ত থাকলে হবে না; শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য, হতাশা, একাকিত্ব ও ঝুঁকিপূর্ণ বন্ধুত্বের বিষয়েও নজর দিতে হবে। তবে এখানে একটি সতর্কতাও জরুরি। মাদকাসক্ত মানুষকে শুধু ‘অপরাধী’ হিসেবে দেখলে সমস্যার সমাধান হবে না। কেউ যদি আসক্ত হয়ে পড়ে, তাকে চিকিৎসা, কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসনের সুযোগ দিতে হবে। একই সঙ্গে যারা মাদককে ব্যবসা হিসেবে চালায়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ও কার্যকর আইন প্রয়োগ করতে হবে। রংপুরের হত্যাকা- আমাদের আরও ভয়াবহ একটি বাস্তবতার সামনে দাঁড় করিয়েছে।

 

পুলিশের বর্ণনা অনুযায়ী, হত্যার পরও অভিযুক্তরা ওই বাড়িতে অবস্থান করে, প্রমাণ নষ্ট ও ঘটনাকে ডাকাতি হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করে। অর্থাৎ বিষয়টি শুধু নেশাগ্রস্ততার নয়; এর সঙ্গে অপরাধবোধের অবক্ষয়, ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা এবং অপরাধ আড়াল করার মানসিকতাও যুক্ত হতে পারে। অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট মামলার অভিযুক্তদের আচরণ দিয়ে সব মাদকসেবীকে বিচার করা যাবে না। কিন্তু ঘটনাটি আমাদের সতর্ক করেÑমাদকের সঙ্গে যখন অপরাধী মানসিকতা যুক্ত হয়, তখন তার পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে। তাই এখন প্রশ্ন হওয়া উচিতÑআমরা কি শুধু মাদক ধরছি, নাকি মাদকের বাজারও ভাঙছি? আমরা কি শুধু অভিযান পরিচালনা করছি, নাকি সীমান্ত ও সরবরাহ পথ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করছি? আমরা কি শুধু মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করছি, নাকি বড় কারবারিদের অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক শনাক্ত করছি? আমরা কি শুধু মাদকবিরোধী সভা করছি, নাকি পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা তৈরি করছি? আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নÑমাদকাসক্ত একজন মানুষকে আমরা ফিরিয়ে আনতে পারছি কি?

 

মাদকের বিরুদ্ধে সফলতা শুধু কত কেজি মাদক উদ্ধার হলো বা কতজন গ্রেপ্তার হলোÑএই হিসাব দিয়ে মাপা উচিত নয়। সফলতার আসল মাপকাঠি হলো, নতুন কতজন তরুণ মাদকে জড়াল না, কতজন আসক্ত মানুষ সুস্থ জীবনে ফিরল এবং মাদকের ব্যবসার বড় নেটওয়ার্ক কতটা দুর্বল হলো। রংপুরের চারটি প্রাণের মর্মান্তিক পরিণতি তাই আমাদের জন্য শুধু শোকের বিষয় নয়, সতর্ক হওয়ারও সময়। মাদককে ‘ছোটখাটো সামাজিক সমস্যা’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি পরিবার ভাঙে, অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত করে, অপরাধ বাড়ায় এবং শেষ পর্যন্ত মানুষের জীবন কেড়ে নিতে পারে। এখন প্রয়োজন মাদকের বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্ন অভিযান নয়, সমন্বিত সামাজিক আন্দোলন।

 

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সীমান্তরক্ষী বাহিনী, স্বাস্থ্য বিভাগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার ও স্থানীয় সমাজÑসবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাই আমাদের নতুন করে হিসাব করতে হবেÑকী করছি, কী হচ্ছে এবং সবচেয়ে বড় কথা, কী হচ্ছে না। কারণ মাদক কমছে না, অথচ আমাদের সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে। আজ যে তরুণটি মাদকের প্রথম ট্যাবলেটটি হাতে নিচ্ছে, তাকে থামানোর সুযোগ হয়তো এটাই শেষ সুযোগ। আগামীকাল সেই সুযোগ আর নাও থাকতে পারে। লেখক: সংবাদকর্মী

 

 

Ads small one

শাপলা প্রতিবন্ধী যুব উন্নয়ন সংস্থার কমিটি গঠন ও নির্বাচন সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ
শাপলা প্রতিবন্ধী যুব উন্নয়ন সংস্থার কমিটি গঠন ও নির্বাচন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি: স্বচ্ছ, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে সাতক্ষীরার সামাজিক সংগঠন ‘শাপলা প্রতিবন্ধী যুব উন্নয়ন সংস্থা’-এর ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের ২১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন ও নির্বাচন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ উপস্থিতি এবং সংস্থার সাধারণ সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটিতে মো. সিহাব সিদ্দিকী সভাপতি, আজমিরা খাতুন সহ-সভাপতি এবং মো. রিপন হোসেন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন-কোষাধক্ষ পাপিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শহীদ হোসেন এবং ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. হাফিজ।
নির্বাচনী সভায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস. এম. আজিজুর রহমান উপস্থিত থেকে নির্বাচন পরিচালনা ও সার্বিক কার্যক্রমে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। সংস্থাসংশ্লিষ্ট মোট ৩০জন সদস্যের উপস্থিতিতে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।

ডিবি গার্লস স্কুলে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ, অভিভাবক সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ
ডিবি গার্লস স্কুলে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ, অভিভাবক সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ

oplus_0

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর (ডিবি) গার্লস স্কুলে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ, অভিভাবক সমাবেশ এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) স্কুলের হলরুমে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবুল হোসেন এতে প্রধান অতিথি ছিলেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. এমাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক প্রতিনিধি মো. হাফিজুল ইসলাম, অভিভাবক সদস্য রবীন্দ্র কর্মকার, সিনিয়র শিক্ষক মো. নজিবুল ইসলাম, গীতা রাণী সাহা, শামীমা আক্তার, অরুন কুমার মন্ডল, দেবব্রত ঘোষ, কনক কুমার ঘোষ, মৃনাল কুমার বিশ্বাস, ভানুবতী সরকার, খালেদা খাতুন, আসমাতারা জাহান, আজহারুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করে সিনিয়র শিক্ষক এসএম শহীদুল ইসলাম।

সুন্দরবনে প্রবেশের অপেক্ষায় বনজীবী ও পর্যটকেরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
সুন্দরবনে প্রবেশের অপেক্ষায় বনজীবী ও পর্যটকেরা

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: দীর্ঘ তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে সুন্দরবনের দুয়ার। আর মাত্র সাত দিন পর সুন্দরবনে প্রবেশ করে মাছ ও কাঁকড়া আহরণের সুযোগ পাবেন উপকূলীয় এলাকার জেলে ও বাওয়ালিরা। একই সঙ্গে পর্যটকদের জন্যও খুলে দেওয়া হবে সুন্দরবনের পর্যটনকেন্দ্রগুলো। ফলে দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকা বনজীবীদের মধ্যে ফিরেছে স্বস্তি।
তবে নিষেধাজ্ঞার সময় উপকূলের বহু পরিবারকে ধারদেনা ও ঋণ করে কিংবা বিকল্প পেশায় যুক্ত হয়ে সংসারের খরচ চালাতে হয়েছে।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর সোরা এলাকার বাসিন্দা জিন্নাত গাজী বলেন, সুন্দরবন বন্ধ থাকার সময় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। বাধ্য হয়ে এনজিও থেকে ঋণ নিতে হয়েছে। এখন বন খুলবে, এটাই বড় আশার বিষয়।
বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের নীলডুমুর গ্রামের জেলে রিপন গাজী বলেন, সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরে যারা জীবিকা নির্বাহ করে, তাদের জন্য এই সময়টা খুব কঠিন। ধারদেনা করে দিন পার করতে হয়েছে। বন খুললে আবার আয়-রোজগার শুরু হবে।
এদিকে সুন্দরবন খোলার প্রস্তুতি শুরু করেছে বন বিভাগ। জেলে-বাওয়ালিদের নিরাপদে প্রবেশ, অনুমতিপত্র প্রদান এবং সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও বনজ সম্পদ রক্ষায় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সুন্দরবন খুলে দেওয়ার পর জেলে-বাওয়ালিদের বৈধভাবে বনে প্রবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বনদস্যুদের তৎপরতা কঠোরভাবে দমন করতে হবে। একই সঙ্গে বিষ দিয়ে মাছ ধরা, ক্ষতিকর জাল ব্যবহার ও বন্য প্রাণী শিকার বন্ধে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।
আগামী ১ সেপ্টেম্বরকে সামনে রেখে উপকূলের জেলেদের মধ্যে এখন দারুণ ব্যস্ততা। কেউ নৌকা ও জাল মেরামত করছেন, আবার কেউ দীর্ঘদিনের ঋণের বোঝা লাঘবের আশায় নতুন করে সুন্দরবনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।