বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

যন্ত্রটিতে চা-পানি ফুটানো ছাড়াও আরো যেসব কাজ করতে পারবেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
যন্ত্রটিতে চা-পানি ফুটানো ছাড়াও আরো যেসব কাজ করতে পারবেন

বর্তমানে আমাদের ব্যস্তময় জীবনের সময় বাঁচানোই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আর এই বাস্তবতায় কিছু স্মার্ট গ্যাজেট আমাদের দৈনন্দিন কাজকে অনেক সহজ করে তোলে। এমনই একটি কার্যকর যন্ত্র হলো ইলেকট্রিক কেটলি।
ইলেকট্রিক কেটলি মূলত একটি মাল্টি-ফাংশনাল যন্ত্র, যা অল্প সময়ে নানা কাজ সম্পন্ন করতে পারে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের হোস্টেল জীবন, ব্যাচেলরদের বাসা কিংবা কর্মজীবীদের সকালে এটি হতে পারে এক নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। রান্না থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত যত্নতে ব্যবহার আপনাকে অবাক করতে পারে।

> চটজলদি ব্রেকফাস্ট তৈরি
সকালে সময় কম থাকলে ইলেকট্রিক কেটলি খুব কাজে আসে। পানি ফুটিয়ে তা ইনস্ট্যান্ট ওটস, ডালিয়া বা মিলেটের সঙ্গে মিশিয়ে কয়েক মিনিটেই তৈরি হয়ে যায় স্বাস্থ্যকর নাস্তা তৈরি করা যায়। আবার রাতের বেলায় হালকা ক্ষুধা লাগলে এতে সহজেই নুডুলস বা পাস্তা বানানো যায়। এতে সময়ও বাঁচে, ঝামেলাও কমে।

> সহজে ডিম সেদ্ধ করা
গ্যাসের ঝামেলা ছাড়াই ইলেকট্রিক কেটলি ডিম সেদ্ধ করা যায়। কেটলিতে পানি ও ডিম দিয়ে সুইচ অন করলেই কয়েক মিনিটে প্রস্তুত হয়ে যায় সেদ্ধ ডিম। এটি দ্রুত, সহজ এবং ঝুঁকিমুক্ত একটি পদ্ধতি।

> গরম স্যুপ তৈরিতে
ইলেকট্রিক কেটল শুধু স্ন্যাকস নয়, গরম স্যুপ তৈরিতেও করতে পারবেন। ফুটন্ত পানিতে স্যুপ মিক্স দিয়ে সহজেই তৈরি করা যায় সুস্বাদু স্যুপ। অবাক করার মতো বিষয় হলো, এতে ভাতও রান্না করা সম্ভব। নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি ও চাল দিয়ে দিলে কেটলের স্টিম সেন্সর ভাতকে ঠিকভাবে সেদ্ধ হতে সাহায্য করে।

> সবজি সেদ্ধ
খুব অল্প সময়ের জন্য ব্রকলি বা ছোট টুকরো করা সবজি ভাপে সেদ্ধ করতে পারেন।

> অতিথি আপ্যায়নে সহজ সমাধান
বাড়িতে অতিথি এলে দ্রুত কফি বা হট চকলেট তৈরি করতে ইলেকট্রিক কেটল দারুণ সহায়ক। একসঙ্গে কয়েকজনের জন্য পানীয় তৈরি করা যায়, যা সময় এবং পরিশ্রম দুইটাই কমাবে।

> রূপচর্চায় ব্যবহার
রান্নাঘরের বাইরেও ইলেকট্রিক কেটলের ব্যবহার রয়েছে। গরম পানির বাষ্প দিয়ে মুখে স্টিম নেওয়া ত্বকের জন্য উপকারী। এটি ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করে এবং ত্বককে সতেজ করে তোলে। যারা নিয়মিত পার্লারে যেতে পারেন না, তাদের জন্য এটি একটি সহজ ও কার্যকর সমাধান।

ইলেকট্রিক কেটলি শুধু একটি সাধারণ যন্ত্র নয়, বরং এটি একটি স্মার্ট লাইফস্টাইল টুল। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এটি আপনার সময় বাঁচাবে, কাজ সহজ করবে এবং দৈনন্দিন জীবনকে আরও আরামদায়ক করে তুলবে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, দ্য স্প্রুস

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।