সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩

যন্ত্রটিতে চা-পানি ফুটানো ছাড়াও আরো যেসব কাজ করতে পারবেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
যন্ত্রটিতে চা-পানি ফুটানো ছাড়াও আরো যেসব কাজ করতে পারবেন

বর্তমানে আমাদের ব্যস্তময় জীবনের সময় বাঁচানোই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আর এই বাস্তবতায় কিছু স্মার্ট গ্যাজেট আমাদের দৈনন্দিন কাজকে অনেক সহজ করে তোলে। এমনই একটি কার্যকর যন্ত্র হলো ইলেকট্রিক কেটলি।
ইলেকট্রিক কেটলি মূলত একটি মাল্টি-ফাংশনাল যন্ত্র, যা অল্প সময়ে নানা কাজ সম্পন্ন করতে পারে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের হোস্টেল জীবন, ব্যাচেলরদের বাসা কিংবা কর্মজীবীদের সকালে এটি হতে পারে এক নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। রান্না থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত যত্নতে ব্যবহার আপনাকে অবাক করতে পারে।

> চটজলদি ব্রেকফাস্ট তৈরি
সকালে সময় কম থাকলে ইলেকট্রিক কেটলি খুব কাজে আসে। পানি ফুটিয়ে তা ইনস্ট্যান্ট ওটস, ডালিয়া বা মিলেটের সঙ্গে মিশিয়ে কয়েক মিনিটেই তৈরি হয়ে যায় স্বাস্থ্যকর নাস্তা তৈরি করা যায়। আবার রাতের বেলায় হালকা ক্ষুধা লাগলে এতে সহজেই নুডুলস বা পাস্তা বানানো যায়। এতে সময়ও বাঁচে, ঝামেলাও কমে।

> সহজে ডিম সেদ্ধ করা
গ্যাসের ঝামেলা ছাড়াই ইলেকট্রিক কেটলি ডিম সেদ্ধ করা যায়। কেটলিতে পানি ও ডিম দিয়ে সুইচ অন করলেই কয়েক মিনিটে প্রস্তুত হয়ে যায় সেদ্ধ ডিম। এটি দ্রুত, সহজ এবং ঝুঁকিমুক্ত একটি পদ্ধতি।

> গরম স্যুপ তৈরিতে
ইলেকট্রিক কেটল শুধু স্ন্যাকস নয়, গরম স্যুপ তৈরিতেও করতে পারবেন। ফুটন্ত পানিতে স্যুপ মিক্স দিয়ে সহজেই তৈরি করা যায় সুস্বাদু স্যুপ। অবাক করার মতো বিষয় হলো, এতে ভাতও রান্না করা সম্ভব। নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি ও চাল দিয়ে দিলে কেটলের স্টিম সেন্সর ভাতকে ঠিকভাবে সেদ্ধ হতে সাহায্য করে।

> সবজি সেদ্ধ
খুব অল্প সময়ের জন্য ব্রকলি বা ছোট টুকরো করা সবজি ভাপে সেদ্ধ করতে পারেন।

> অতিথি আপ্যায়নে সহজ সমাধান
বাড়িতে অতিথি এলে দ্রুত কফি বা হট চকলেট তৈরি করতে ইলেকট্রিক কেটল দারুণ সহায়ক। একসঙ্গে কয়েকজনের জন্য পানীয় তৈরি করা যায়, যা সময় এবং পরিশ্রম দুইটাই কমাবে।

> রূপচর্চায় ব্যবহার
রান্নাঘরের বাইরেও ইলেকট্রিক কেটলের ব্যবহার রয়েছে। গরম পানির বাষ্প দিয়ে মুখে স্টিম নেওয়া ত্বকের জন্য উপকারী। এটি ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করে এবং ত্বককে সতেজ করে তোলে। যারা নিয়মিত পার্লারে যেতে পারেন না, তাদের জন্য এটি একটি সহজ ও কার্যকর সমাধান।

ইলেকট্রিক কেটলি শুধু একটি সাধারণ যন্ত্র নয়, বরং এটি একটি স্মার্ট লাইফস্টাইল টুল। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এটি আপনার সময় বাঁচাবে, কাজ সহজ করবে এবং দৈনন্দিন জীবনকে আরও আরামদায়ক করে তুলবে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, দ্য স্প্রুস

Ads small one

গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ
গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট

ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও তা প্রকাশের অনৈতিক চর্চা বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এ রায় ঘোষণা করেন।
সোমবার (১১ মে) রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।

রায়ে বলা হয়েছে, অনাগত শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ ও প্রকাশ নারীর প্রতি বৈষম্য, কন্যাশিশু হত্যার প্রবণতা, সামাজিক ভারসাম্যহীনতা এবং সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থি। আদালতের মতে, এ ধরনের চর্চা নারীর মর্যাদা, সমতা ও জীবনের অধিকারের বিরুদ্ধে যায় এবং এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতারও লঙ্ঘন।

আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, বাংলাদেশে এ বিষয়ে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ, মনিটরিং ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ছিল। শুধু একটি গাইডলাইন প্রণয়ন করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; বাস্তবায়ন, ডিজিটাল নজরদারি ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছাড়া এই অনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব নয়।

রায়ে উল্লেখ করা হয়, নিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরিচালিত অনাগত শিশুর ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট সংরক্ষণ ও তদারকির জন্য একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ থাকা প্রয়োজন।

হাইকোর্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে ৬ মাসের মধ্যে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি ও নিয়মিত হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে আদালত বলেন, ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণের মাধ্যমে কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে বৈষম্য ও সম্ভাব্য নারী ভ্রূণ হত্যার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা সংবিধানের ১৮, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আদালত আরও উল্লেখ করেন, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে এ ধরনের কার্যক্রম আইন দ্বারা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত।

রায়ে আদালত এ নির্দেশনাকে “continuous mandamus” হিসেবে ঘোষণা করেন, যাতে ভবিষ্যতে নির্দেশনার বাস্তবায়ন আদালত তদারকি করতে পারেন।

২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান গর্ভের শিশুর পরিচয় প্রকাশ বন্ধে এ রিট আবেদন দায়ের করেন।আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। তাকে সহযোগিতা করেন তানজিলা রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত।

শক্তি কাপুরের মৃত্যুর গুজব, কঠোর ব্যবস্থা নেবেন অভিনেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ
শক্তি কাপুরের মৃত্যুর গুজব, কঠোর ব্যবস্থা নেবেন অভিনেতা

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা শক্তি কাপুরের মৃত্যুর খবর নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) সকাল থেকে একাধিক পোস্টে তার মৃত্যুর দাবি করা হলেও অভিনেতা নিজেই সামনে এসে সেই খবরকে ভুয়া বলে নিশ্চিত করেছেন। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন বলে জানা গেছে।
শুক্রবার সকালে হঠাৎ করেই শক্তি কাপুরের মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে ভক্তদের মাঝে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই সব ধোঁয়াশা কাটিয়ে অভিনেতা সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা শেয়ার করেন।

সেখানে তিনি তার সুস্থতার খবর নিশ্চিত করে জানান, তার মৃত্যু নিয়ে প্রচারিত তথ্যগুলো পুরোপুরি মিথ্যা। অভিনেতা বলেন, সবাইকে স্বাগত। আমার মৃত্যুর খবর পুরোপুরি ভুয়া। আমি সুস্থ আছি, আনন্দে আছি। দয়া করে এই খবর উপেক্ষা করুন।

বিভ্রান্তিকর এই তথ্য ছড়ানোর বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছেন ৭৩ বছর বয়সী এই অভিনেতা। জানিয়েছেন, এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ কাজের জন্য তিনি আইনি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন। ভিডিও বার্তায় তিনি আরও যোগ করেন, আমি সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ দায়ের করতে যাচ্ছি, কারণ যা ঘটেছে সেটা মোটেই কাঙ্ক্ষিত নয়।

উল্লেখ্য, বিনোদন জগতে তারকাদের নিয়ে এমন মৃত্যুর গুজব নতুন কিছু নয়। এর আগেও কলকাতার প্রবীণ অভিনেত্রী সাবিত্রী চ্যাটার্জি এবং পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তীসহ অনেক জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব এ ধরনের অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন। শক্তি কাপুরের সুস্থতার খবর প্রকাশের পর স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তার অগণিত ভক্ত ও অনুরাগী। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই এই ভুয়া খবর ছড়ানোর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

বাজারে সিন্ডিকেট ভাঙতে পরিকল্পিতভাবে এগোচ্ছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
বাজারে সিন্ডিকেট ভাঙতে পরিকল্পিতভাবে এগোচ্ছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে সিন্ডিকেট ভাঙতে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, সরবরাহ ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
সোমবার (১১ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ট্রাকসেল কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, টিসিবির কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এবার খাদ্যপণ্যের সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে। গত বছরের কোরবানির ঈদে যেখানে প্রায় ১০ হাজার ৯০০ টন খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছিল, এবার সেই পরিমাণ বাড়িয়ে প্রায় ১৪ হাজার টনে নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি পণ্য সরবরাহ করা হবে।

এই কার্যক্রম চলমান থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে বিভিন্ন উৎসব বা বিশেষ সময়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আবারও ট্রাক সেল চালু করা হবে। পাশাপাশি টিসিবির মাধ্যমে প্রতি মাসে ভর্তুকি মূল্যে খাদ্যপণ্য সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে।

তিনি জানান, গত সরকার পতনের পর টিসিবির এক কোটি উপকারভোগীর তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, এর মধ্যে প্রায় ৫৯ লাখই ছিল প্রশ্নবিদ্ধ বা ভুয়া। পরে নতুন ও স্বচ্ছ পদ্ধতিতে উপকারভোগী নির্বাচন শুরু করা হয়। এর মাধ্যমে বর্তমানে উপকারভোগীর সংখ্যা ৮০ লাখে উন্নীত করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও ২০ লাখ মানুষকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

একইসঙ্গে টিসিবির ডিলার নিয়োগেও স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে এবং খুব শিগগিরই এর বাস্তবায়ন শুরু হবে।

দেশে আমদানিনির্ভর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়; এমন ধারণা মানুষের মধ্যে রয়েছে উল্লেখ করে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ফলে বাজারে দাম বাড়লে সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি হয় যে সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই। এই পরিস্থিতি দূর করতে এবং বাজারে কেউ যাতে কারসাজি করতে না পারে, সে জন্য সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, বাজারে সরকারের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং বাজারকে কারসাজিমুক্ত রাখতে কয়েকটি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে নির্বাচিত কিছু পণ্যের জন্য কৌশলগত মজুত বা স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া আমদানি থেকে খুচরা বিক্রি পর্যন্ত পুরো সরবরাহ ব্যবস্থাকে একটি এআইভিত্তিক মডেলের আওতায় আনার পরিকল্পনাও করছে সরকার। এর মাধ্যমে পুরো সাপ্লাই চেইন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।

আমদানিনির্ভর ব্যবসা মূলত বড় পুঁজির ব্যবসা হওয়ায় সবাই এতে অংশ নিতে পারেন না জানিয়ে তিনি বলেন, তবে ভবিষ্যতে ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে টিসিবির সঙ্গে অংশীদারিত্বভিত্তিক একটি নতুন মডেল চালুর বিষয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সরকার চায়, একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাজার ব্যবস্থার ওপর কার্যকর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে, যাতে কোনো ধরনের কারসাজি বা ম্যানিপুলেশন আর কার্যকর হতে না পারে।