মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

যেসব কারণে ডিপ্রেশন হয়? দেখুন মুক্তির উপায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ
যেসব কারণে ডিপ্রেশন হয়? দেখুন মুক্তির উপায়

আমাদের মাঝে যে কেউ ডিপ্রেশনের কবলে পড়তে পারে। তবে সবার ডিপ্রেশনের কারণ এক নয়। মানুষের জীবনযাত্রা যেমন আলাদা ঠিক তেমনই ডিপ্রেশনও আলাদা।
মনে রাখবেন, একজন ব্যক্তি অট্টালিকার উপরে বসে থাকলেও তার জীবনে ডিপ্রেশন উঁকি দিতে পারে। আবার একজন নুন ভাত খেয়েও শান্তিতে দিন যাপন করতে পারে। তাই ডিপ্রেশন এর সঙ্গে অর্থের কোনো সম্বন্ধ নেই।

যেসব কারণে ডিপ্রেশন জীবনে প্রবেশ করে?

> অপমান বোধ
যদি কোনো ব্যক্তি অন্য একজনের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত অপমানিত হয় তাহলে যখন তার মনের মধ্যে চরম আঘাত লাগবে তখন সে ডিপ্রেশন এ ভুগবে। এটা দেখা দেয় যারা একটু লাজুক ধরনের মানুষ, যাদের আত্মমর্যাদাটা অন্যের কথার ওপরে নির্ভর করে, নিজেকে সব সময় অন্য সবার থেকে কম ভাবে, যারা নিজেকে নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগে তাদের ডিপ্রেশন এ ভোগার প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যায়।

> একাকিত্ব
কোন মানুষ যদি অনেক লোকজন পছন্দ করে, কোলাহল পছন্দ করে, কিন্তু কোনো কারণে সে যদি পরে একাকী জীবন যাপন করতে বাধ্য হয় কিংবা অন্য কারো কথায় আঘাত পেয়ে নিজেকে গুটিয়ে নেয় সে তখন নিজেকে অসহায় বোধ করে এবং একাকিত্বের যন্ত্রণা তার মনে অসহ্য হয়ে কাটার মতো বিঁধতে থাকে আর পরবর্তীতে সেটাই ডিপ্রেশন এ পরিণত হয়। কিংবা যারা দিনের পর দিন একা থাকে বিশেষ কারো সঙ্গে মেশে না তারা ও অনেক সময় নিজেকে পৃথিবীর মধ্যে অসহায় ব্যক্তি মনে করে ডিপ্রেশনে ভোগে।

> বংশগত কারণ
কিছু কিছু পরিবারে এমন অনেক ব্যক্তি থাকেন যারা তাদের বংশের বোঝা বয়ে ডিপ্রেশন এর শিকার হন। এদের সব বিষয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা দেয়। একটা সহজ সরল কথাও সহজ ভাবে না ভেবে জটিল আকার তৈরি করে, ফলে নার্ভে সব সময় চাপ সৃষ্টি হয়। এভাবে চলতে চলতে একটা সময়ের পরে মনে ডিপ্রেশন বাসা বাঁধে। এমন অনেক পরিবারই আছে যাদের বংশে একজন না একজন ডিপ্রেশনের শিকার হয়।

> বর্তমান জীবনে কোনো বড় পরিবর্তন এলে
মানুষের জীবন সব সময় এক নিয়মে চলে না। চলতি পথে এমন অনেক সময় আসে যেই সময় টা পুরো জীবনেরই মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এই সময়ে যারা নিজেকে সামলাতে জানে তারা অনেক দৃঢ় এগিয়ে যায় কিন্তু যারা এই ধাক্কা সামলাতে না পারে তারা ডিপ্রেশন এ চলে যায়। ধরুন কেউ একজন কোন বড় অফিসে চাকরি করে কোন একটি কারণে তার চাকরিটা চলে গেল। এই সময় তার আগের জীবন যাত্রায় পরিবর্তন আসবে, তার পরিবারের বিলাসিতা বন্ধ হবে, তার চলার ধরন পাল্টে যাবে, ফলে এই সময় সে যদি নিজেকে শক্ত করে না ধরে থাকতে পারে তাহলে তার মনে ডিপ্রেশন আসাটা কেবল সময়ের অপেক্ষা। তাই জীবনে হঠাৎ যদি কোন বড় পরিবর্তন আসে তাহলে তাকে মেনে নিয়ে এগিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

ডিপ্রেশন থেকে মুক্তির উপায়

ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি পেতে হলে সর্বপ্রথম এর চিকিৎসার প্রয়োজন। এবং সঙ্গে আরও বেশি করে প্রয়োজন কাছের কোনো মানুষের। যে তাকে খুব ভালো করে বোঝে, জানে, এবং মনের যত্ন নিতে পারবে এমন কোনো প্রিয় মানুষ তাকে একটু সঙ্গ দিলে ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি পাওয়া খুব সহজ হয়ে উঠবে।

এছাড়াও মেডিসিন, দেহের ওজন বাড়তে দেবেন না, পুষ্টিকর খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম করা উচিত।

মানসিক অবসাদ থেকে মুক্তি পাওয়াটা কোনো সমস্যা নয়, সমস্যা হলো মানসিক অবসাদের কবলে পড়া। যখন মানুষ নিজেকে নিয়ে নিজে খুশি না হয়, নিজের খুশির ভার তুলে দেয় অন্যের হাতে,নিজের ভালো থাকাটা নির্ভর করে অন্যের উপরে তখনই মানুষ ডিপ্রেশন এ ভোগে।

কারণ আপনি তো নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। আপনাকে কেউ কম ভালোবাসলে আপনি কষ্ট পান, আপনাকে কেউ দেখতে খারাপ বললে আপনি দুঃখ পান, কেউ আপনার থেকে কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে গেলে আপনার নিজেকে অপরাধী মনে হয়, তার মানে আপনার হাতে কিছু নেই আপনি জীবন নির্ভর করেন অন্যের ইচ্ছা অনুসারে তাহলে আপনাকে একবার নয় বারবার ডিপ্রেশন এ ভুগতে হবে। তাই ডিপ্রেশন এর হাত থেকে রেহাই পেতে চাইলে নিজের মনকে নিয়ন্ত্রণ করুন।

Ads small one

বাংলাদেশের মানুষ পরিশ্রমী, সহযোগিতা করলে দ্রুত উন্নতি করবে: যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের মানুষ পরিশ্রমী, সহযোগিতা করলে দ্রুত উন্নতি করবে: যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত

ঠাকুরগাঁওয়ে ঐতিহ্যবাহী ২০০ বছরের পুরনো এশিয়ার সর্ববৃহৎ আম গাছ ও সমতলের চা বাগান পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।

সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকালে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারী সীমান্তের আম গাছ ও সীমান্তের নিটলডোবা গ্রামে সমতলের চা বাগান পরিদর্শন করেন। তিনি চা বাগানের শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নিজে শ্রমিক সেজে বাগানে চা এর পাতা তোলেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি মন্তব্য করে বলেন, আমি সমতলে চা কখনও দেখিনি। এই প্রথম বাংলাদেশে সমতলে চা চাষ দেখে সীমাহীন খুশি হয়েছি। আরও খুশি হয়েছি এত পুরনো আম গাছ দেখে। আমরা বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। এখানকার মানুষ খুবই পরিশ্রমী। তাদের সহযোগিতা করলে তারা দ্রুত উন্নতি করবেন। আমরা সবসময় আপনাদের সঙ্গে থাকবো। ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করেছে।

এ সময় তার সঙ্গে টি স্টেটের মালিক ফয়জুল ইসলাম হিরু, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন ও বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রদূতের এ সফরকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। এ সময় তিনি স্থানীয় ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থানগুলোর বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং সুলতান টি ও ঐতিহাসিক আমগাছের গুরুত্ব সম্পর্কে অবগত হন।

মমতার ভাইঝির রহস্যজনক মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
মমতার ভাইঝির রহস্যজনক মৃত্যু

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইঝি বৃষ্টি মুখোপাধ্যায় ঘটকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার বীরভূম জেলার রামপুরহাটে নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

২৮ বছর বয়সী বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের মৃতদেহটি বিকেলে তার রামপুরহাটের বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ রামপুরহাট সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে একজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃষ্টি গত কয়েক বছর ধরে বিষণ্নতায় ভুগছিলেন এবং তার চিকিৎসা চলছিল। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, স্বামী ও তার মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল।

পূর্বে স্কুল শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় অনিয়মের মাধ্যমে অবৈধভাবে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল বৃষ্টির বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কারচুপির কারণে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত স্কুলের নিয়োগ বাতিল সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পর তিনি চাকরিটি হারান বলে জানায় পরিবার।

পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, বীরভূমের রামপুরহাটে তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা ও পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সাবেক ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার মাত্র কয়েক দিনের মাথায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। পাঁচবারের সাবেক এই বিধায়ক একটি চিরকুট রেখে যান, যেখানে তিনি তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং তাকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছিলো বলে দাবি করেন।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

সরকার গণতন্ত্রের প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, “কার্যকর ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের টেকসই অগ্রগতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।”

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের সেক্রেটারি অ্যান্ডা ফিলিপের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের সামনে এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ আছে।

এ সময় বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপি নেতাকর্মীদের গুম, খুন ও হয়রানির বিষয়গুলো তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

অপরদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন অ্যান্ডা ফিলিপ। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণ গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী বলে মনে করেন আইপিইউ সেক্রেটারি। সাক্ষাতে নারী ও তরুণদের ক্ষমতায়ন নিয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদসহ সংশ্লিষ্টরা।